চট্টগ্রাম নগরীর এনায়েতবাজার এলাকায় পাওনা টাকার বিরোধের জেরে মোবাইল ব্যবসায়ী আকাশ ঘোষ হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন— মো. সানি (২৪), মো. ইউছুফ (৩৫) ও শাকিল আলম ফয়সাল (২৬)।
র্যাব জানায়, আকাশ হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা সানিকে শুক্রবার রাতে চন্দনাইশ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে ইউছুফ ও শাকিলকে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকার চৈতন্য গলি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, হত্যার শিকার আকাশ ঘোষের কাছে একমাস আগে একটি মোবাইলের ডিসপ্লে পরিবর্তন ও মেরামত করাতে দেন সানি। মেরামত বাবদ এক ১ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা হয় তাদের মাঝে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিছু টাকা পরিশোধ করেন সানি। পরে বৃহস্পতিবার রাতে বাকি টাকা চাইলে আকাশকে নগরীর কোতোয়ালির কসাইপাড়া এলাকায় ডেকে নিয়ে যায় সানি। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আকাশকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে স্থানীয় কয়েকজন এসে আকাশকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ০৩:৩৪
বরিশালের লোকাল বাসের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভূরঘাটা সেতু এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ওপর চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। পরে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হলে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। এতে সড়কের উভয় প্রান্তে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সোমবার সকালে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের এমারত ঘরামী বরিশালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভূরঘাটা এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি সামনের আসনে বসার অনুরোধ জানান। কিন্তু কাউন্টারের সুপারভাইজার ওই আসন দিতে অসম্মতি জানালে শুরু হয় বাক্বিতণ্ডা। একপর্যায়ে কাউন্টারের কর্মচারী সবুজ ফকিরের সঙ্গে এমারতের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সবুজের চাচাতো ভাই আকাশ ফকির পাশের একটি মুদি দোকান থেকে এসে এমারতকে মারধর করেন।
ওই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে এমারত পুনরায় ওই বাস কাউন্টারে যান। সেখানে সবুজ ও আকাশের সঙ্গে ফের বাগ্বিতণ্ডা বাধে। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারধরে গড়ায়। পরে উপস্থিত ব্যক্তিরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভূরঘাটা সেতু এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। পরে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে দেওয়া হলে যান চলাচল কার্যত অচল হয়ে পড়ে। এতে সেতুর দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষের সময় ভূরঘাটা এলাকার প্রায় ২০টি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে আল আমিন, জান্নাত সরদার, শরীফ ও আকাশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে আহতদের মধ্যে কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে কালকিনি ও গৌরনদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ভূরঘাটা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, বাসের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কয়েকটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মহাসড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে। তবে এলাকায় উত্তেজনা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।
বরিশালের লোকাল বাসের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট বিরোধের জেরে মাদারীপুরের কালকিনি ও বরিশালের গৌরনদী উপজেলার দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। দফায় দফায় সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় কয়েকটি দোকানে ভাঙচুর চালানো হয়।
শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে ভূরঘাটা সেতু এলাকায় এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। প্রায় দুই ঘণ্টাব্যাপী সংঘর্ষে ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের ওপর চলে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া। এ সময় একাধিক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনাও ঘটে। পরে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করা হলে বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। এতে সড়কের উভয় প্রান্তে সৃষ্টি হয় দীর্ঘ যানজট।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গত সোমবার সকালে মাদারীপুরের ডাসার উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের এমারত ঘরামী বরিশালে যাওয়ার উদ্দেশ্যে ভূরঘাটা এলাকার একটি বাস কাউন্টারে টিকিট কাটতে যান। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি সামনের আসনে বসার অনুরোধ জানান। কিন্তু কাউন্টারের সুপারভাইজার ওই আসন দিতে অসম্মতি জানালে শুরু হয় বাক্বিতণ্ডা। একপর্যায়ে কাউন্টারের কর্মচারী সবুজ ফকিরের সঙ্গে এমারতের কথা-কাটাকাটি হয়। পরে সবুজের চাচাতো ভাই আকাশ ফকির পাশের একটি মুদি দোকান থেকে এসে এমারতকে মারধর করেন।
ওই ঘটনার জের ধরে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের সঙ্গে নিয়ে এমারত পুনরায় ওই বাস কাউন্টারে যান। সেখানে সবুজ ও আকাশের সঙ্গে ফের বাগ্বিতণ্ডা বাধে। একপর্যায়ে তা হাতাহাতি ও মারধরে গড়ায়। পরে উপস্থিত ব্যক্তিরা হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি শান্ত করেন।
এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার ভূরঘাটা সেতু এলাকায় দুই পক্ষের লোকজন সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। সংঘর্ষ চলাকালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটে। পরে মহাসড়কে টায়ার জ্বালিয়ে দেওয়া হলে যান চলাচল কার্যত অচল হয়ে পড়ে। এতে সেতুর দুই পাশে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সৃষ্টি হয়।
সংঘর্ষের সময় ভূরঘাটা এলাকার প্রায় ২০টি দোকান ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে আল আমিন, জান্নাত সরদার, শরীফ ও আকাশসহ উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। তবে আহতদের মধ্যে কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক কি না, তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি।
সংঘর্ষের খবর পেয়ে কালকিনি ও গৌরনদী থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পরে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়। পরিস্থিতির পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ভূরঘাটা এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জহিরুল আলম বলেন, বাসের টিকিট কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। কয়েকটি দোকান ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। উভয় পক্ষের প্রায় ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। মহাসড়কে যান চলাচলও স্বাভাবিক হয়েছে। তবে এলাকায় উত্তেজনা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১১:১৬
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক, ব্যাংক হিসাব তলব এবং তাঁর শ্বশুরের প্রতিষ্ঠানের চারটি গুদাম সিলগালা—পরপর এসব ঘটনায় আলোচনায় এসেছে নিউ গিনি আবাসন প্রকল্প ও টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর দক্ষিণ মানিকদীর নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার ঘটনা দিয়ে। ওই ঘটনায় জমি দখল ও পূর্বশত্রুতার অভিযোগে মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া। মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে রাজনৈতিক মহলের চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে আলোচনা শুরু হয়।
এরপর বুধবার সালমান মুক্তাদিরের ব্যক্তিগত সব ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
এর পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে তাঁর শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের মালিকানাধীন টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং এসআরবি-১-এর যৌথ দল।
এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির নথিতে অনুমোদিত ওয়্যারহাউসের সংখ্যা দুটি থাকলেও অভিযানে চারটি গুদামে পণ্য মজুতের তথ্য পাওয়া যায়। শুল্কমুক্ত পণ্য সরিয়ে নেওয়া বা খোলাবাজারে বিক্রির আশঙ্কায় চারটি গুদামই সিলগালা করা হয়।
এর পাশাপাশি নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের বিদেশি নাগরিকত্ব, কোম্পানির মালিকানা এবং আর্থিক লেনদেন নিয়েও অনুসন্ধানের তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৬৩টি আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এক বছরে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আনার তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, টস বন্ডে অভিযান সালমানের সাম্প্রতিক বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাঁদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা ও সম্ভাব্য কর ফাঁকির বিষয়ে আগে থেকেই অনুসন্ধান চলছিল।
সব মিলিয়ে নিউ গিনি প্রকল্পে হামলার মামলা, সালমানের ব্যাংক হিসাব তলব এবং তাঁর শ্বশুরের প্রতিষ্ঠানের গুদাম সিলগালার ঘটনা একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। তবে এসব ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্তের ফলের অপেক্ষা করতে হবে।
কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের বক্তব্য ঘিরে বিতর্ক, ব্যাংক হিসাব তলব এবং তাঁর শ্বশুরের প্রতিষ্ঠানের চারটি গুদাম সিলগালা—পরপর এসব ঘটনায় আলোচনায় এসেছে নিউ গিনি আবাসন প্রকল্প ও টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেড।
ঘটনার সূত্রপাত গত ২৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর দক্ষিণ মানিকদীর নিউ গিনি আবাসন প্রকল্পে হামলার ঘটনা দিয়ে। ওই ঘটনায় জমি দখল ও পূর্বশত্রুতার অভিযোগে মামলা করেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক সাইফুল ইসলাম ভূঁইয়া। মামলায় অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল গোলাম মহিউদ্দিন চৌধুরীসহ সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
এ ঘটনার পর সালমান মুক্তাদির সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লাইভে এসে রাজনৈতিক মহলের চাঁদাবাজির অভিযোগ তোলেন এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে মন্তব্য করেন। তাঁর বক্তব্য ঘিরে আলোচনা শুরু হয়।
এরপর বুধবার সালমান মুক্তাদিরের ব্যক্তিগত সব ব্যাংক হিসাবের তথ্য তলব করে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ)।
এর পরদিন বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর দক্ষিণ গুলশানে তাঁর শ্বশুর শেখ নুর ইসলামের মালিকানাধীন টস বন্ড প্রাইভেট লিমিটেডে অভিযান চালায় কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর এবং এসআরবি-১-এর যৌথ দল।
এনবিআরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির নথিতে অনুমোদিত ওয়্যারহাউসের সংখ্যা দুটি থাকলেও অভিযানে চারটি গুদামে পণ্য মজুতের তথ্য পাওয়া যায়। শুল্কমুক্ত পণ্য সরিয়ে নেওয়া বা খোলাবাজারে বিক্রির আশঙ্কায় চারটি গুদামই সিলগালা করা হয়।
এর পাশাপাশি নুর ইসলাম ও তাঁর পরিবারের বিদেশি নাগরিকত্ব, কোম্পানির মালিকানা এবং আর্থিক লেনদেন নিয়েও অনুসন্ধানের তথ্য সামনে এসেছে। তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, ২০১২ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ১৬৩টি আর্থিক প্রতিবেদন পর্যালোচনায় এক বছরে প্রায় ৯৫ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আনার তথ্য পাওয়া গেছে।
তবে তদন্তসংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের ভাষ্য, টস বন্ডে অভিযান সালমানের সাম্প্রতিক বিতর্কের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়। তাঁদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটির ব্যবসা ও সম্ভাব্য কর ফাঁকির বিষয়ে আগে থেকেই অনুসন্ধান চলছিল।
সব মিলিয়ে নিউ গিনি প্রকল্পে হামলার মামলা, সালমানের ব্যাংক হিসাব তলব এবং তাঁর শ্বশুরের প্রতিষ্ঠানের গুদাম সিলগালার ঘটনা একই সময়ে আলোচনায় এসেছে। তবে এসব ঘটনার মধ্যে সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট তদন্তের ফলের অপেক্ষা করতে হবে।

০২ অক্টোবর, ২০২৬ ১০:০১
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অবৈধভাবে ইউরিয়া সার মজুদের দায়ে মনিরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক সার ডিলারকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। তিনি উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে উপজেলার ভদ্রঘাট ইউনিয়নের ছোট ধোপাকান্দি গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। অভিযানে মনিরুল ইসলামের বাড়ি থেকে ১৮ বস্তা ইউরিয়া সার জব্দ করা হয়।
মনিরুল ইসলাম ওই গ্রামের আব্দুর রশিদের ছেলে। স্থানীয়দের কাছ থেকে অবৈধভাবে সার মজুদের খবর পেয়ে অভিযান পরিচালনা করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল মামুন।
তিনি জানান, মনিরুল ইসলাম তার গুদাম থেকে বাড়িতে নিয়ে সার মজুদ করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সার ব্যবস্থাপনা আইনে তাকে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
অভিযানে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ফরিদ হোসাইন ও কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাশমত আলীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:৫৯
চট্টগ্রাম নগরীর এনায়েতবাজার এলাকায় পাওনা টাকার বিরোধের জেরে মোবাইল ব্যবসায়ী আকাশ ঘোষ হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন— মো. সানি (২৪), মো. ইউছুফ (৩৫) ও শাকিল আলম ফয়সাল (২৬)।
র্যাব জানায়, আকাশ হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা সানিকে শুক্রবার রাতে চন্দনাইশ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে ইউছুফ ও শাকিলকে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকার চৈতন্য গলি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, হত্যার শিকার আকাশ ঘোষের কাছে একমাস আগে একটি মোবাইলের ডিসপ্লে পরিবর্তন ও মেরামত করাতে দেন সানি। মেরামত বাবদ এক ১ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা হয় তাদের মাঝে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিছু টাকা পরিশোধ করেন সানি। পরে বৃহস্পতিবার রাতে বাকি টাকা চাইলে আকাশকে নগরীর কোতোয়ালির কসাইপাড়া এলাকায় ডেকে নিয়ে যায় সানি। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আকাশকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে স্থানীয় কয়েকজন এসে আকাশকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।