
১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ১৬:৫৯
চট্টগ্রাম নগরীর এনায়েতবাজার এলাকায় পাওনা টাকার বিরোধের জেরে মোবাইল ব্যবসায়ী আকাশ ঘোষ হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন— মো. সানি (২৪), মো. ইউছুফ (৩৫) ও শাকিল আলম ফয়সাল (২৬)।
র্যাব জানায়, আকাশ হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা সানিকে শুক্রবার রাতে চন্দনাইশ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে ইউছুফ ও শাকিলকে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকার চৈতন্য গলি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, হত্যার শিকার আকাশ ঘোষের কাছে একমাস আগে একটি মোবাইলের ডিসপ্লে পরিবর্তন ও মেরামত করাতে দেন সানি। মেরামত বাবদ এক ১ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা হয় তাদের মাঝে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিছু টাকা পরিশোধ করেন সানি। পরে বৃহস্পতিবার রাতে বাকি টাকা চাইলে আকাশকে নগরীর কোতোয়ালির কসাইপাড়া এলাকায় ডেকে নিয়ে যায় সানি। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আকাশকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে স্থানীয় কয়েকজন এসে আকাশকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
চট্টগ্রাম নগরীর এনায়েতবাজার এলাকায় পাওনা টাকার বিরোধের জেরে মোবাইল ব্যবসায়ী আকাশ ঘোষ হত্যার ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব। যাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে তারা হলেন— মো. সানি (২৪), মো. ইউছুফ (৩৫) ও শাকিল আলম ফয়সাল (২৬)।
র্যাব জানায়, আকাশ হত্যাকাণ্ডের মূলহোতা সানিকে শুক্রবার রাতে চন্দনাইশ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার দেওয়া তথ্যে ইউছুফ ও শাকিলকে চট্টগ্রাম নগরীর কোতোয়ালি থানা এলাকার চৈতন্য গলি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
র্যাবের পক্ষ থেকে বলা হয়, হত্যার শিকার আকাশ ঘোষের কাছে একমাস আগে একটি মোবাইলের ডিসপ্লে পরিবর্তন ও মেরামত করাতে দেন সানি। মেরামত বাবদ এক ১ হাজার ৫০০ টাকা দেওয়ার কথা হয় তাদের মাঝে। এর পরিপ্রেক্ষিতে কিছু টাকা পরিশোধ করেন সানি। পরে বৃহস্পতিবার রাতে বাকি টাকা চাইলে আকাশকে নগরীর কোতোয়ালির কসাইপাড়া এলাকায় ডেকে নিয়ে যায় সানি। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আকাশকে ছুরিকাঘাত করা হয়।
পরে স্থানীয় কয়েকজন এসে আকাশকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১০
বরিশালে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে তেমন ভোটার উপস্থিতি চোখে পড়েনি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু সংখ্যক ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে আছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে নারী-পুরুষ অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছেন। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা আছে। যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে আছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করছে জাহাজ ‘বানৌজা সালাম’, যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত আছেন। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোটকেন্দ্র আছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোটকেন্দ্র আছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৯৭টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-৫ আসনে ভোটকেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ভোটকেন্দ্র ১১৩টি। এর মধ্যে সাধারণ ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে তেমন ভোটার উপস্থিতি চোখে পড়েনি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু সংখ্যক ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে আছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে নারী-পুরুষ অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছেন। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা আছে। যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে আছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করছে জাহাজ ‘বানৌজা সালাম’, যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত আছেন। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোটকেন্দ্র আছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোটকেন্দ্র আছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৯৭টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-৫ আসনে ভোটকেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ভোটকেন্দ্র ১১৩টি। এর মধ্যে সাধারণ ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
বরিশাল টাইমস
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৬
নোয়াখালীর হাতিয়ায় সংবাদ সংগ্রহের সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সাংবাদিক মিরাজ উদ্দিনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
হামলাকারীরা তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। একই ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলচালক সাকিবও আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালী এলাকায় ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা চিহ্নিত ক্যাডার ‘পিচ্চি আজাদ’-এর অনুসারী। তাদের ওপর বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের পুনর্বাসনের প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিকরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। চরঈশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হালিম আজাদ ঘটনার বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা গেলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস
নোয়াখালীর হাতিয়ায় সংবাদ সংগ্রহের সময় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) সাংবাদিক মিরাজ উদ্দিনের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে।
হামলাকারীরা তাকে রামদা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে। একই ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা মোটরসাইকেলচালক সাকিবও আহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকালে হাতিয়ার চরঈশ্বর ইউনিয়নের গামছাখালী এলাকায় ঘটে। স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা চিহ্নিত ক্যাডার ‘পিচ্চি আজাদ’-এর অনুসারী। তাদের ওপর বিএনপির প্রার্থী মাহবুবের রহমান শামীমের পুনর্বাসনের প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয় সাংবাদিকরা দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন। চরঈশ্বর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান আবদুল হালিম আজাদ ঘটনার বিষয়ে ফোনে যোগাযোগ করা গেলেও তিনি রিসিভ করেননি।
হাতিয়া থানার ওসি সাইফুল ইসলাম জানান, বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশাল টাইমস

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৫
রংপুর-৩ (মহানগর-সদর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের। আর রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তবে নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এ দুই শীর্ষ নেতা সেখানে ভোট দিতে পারছেন না। কারণ, দুজনই ঢাকার ভোটার তালিকাভুক্ত।
নির্বাচনি হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা বাসা নং-৯/এ, সড়ক নং-৩৩, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, তিনি উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভোটার।
অন্যদিকে আখতার হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের সদরা তালুক গ্রামে হলেও তিনি বর্তমানে ঢাকার ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তার ভোটকেন্দ্র ঢাকার উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে এর পেছনে নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করছেন তিনি। তার দাবি, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করলেও নির্বাচন কমিশন তাকে সহযোগিতা করেনি।
আখতার হোসেন জানান, ভোটার আবেদনের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তখন বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান ঠিকানার ভিত্তিতেই তার নাম ঢাকার ওই এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপস্থিতি ও দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বরিশাল টাইমস
রংপুর-৩ (মহানগর-সদর) আসনে জাতীয় পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের। আর রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন।
তবে নিজ নিজ নির্বাচনি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও এ দুই শীর্ষ নেতা সেখানে ভোট দিতে পারছেন না। কারণ, দুজনই ঢাকার ভোটার তালিকাভুক্ত।
নির্বাচনি হলফনামার তথ্য অনুযায়ী, জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের বর্তমান ও স্থায়ী ঠিকানা বাসা নং-৯/এ, সড়ক নং-৩৩, সেক্টর-৭, উত্তরা, ঢাকা-১২৩০ উল্লেখ করা হয়েছে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর দিয়ে নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে অনুসন্ধান করে দেখা গেছে, তিনি উত্তরা হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রের ভোটার।
অন্যদিকে আখতার হোসেনের স্থায়ী ঠিকানা রংপুরের কাউনিয়া উপজেলার টেপামধুপুর ইউনিয়নের সদরা তালুক গ্রামে হলেও তিনি বর্তমানে ঢাকার ভোটার। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, তার ভোটকেন্দ্র ঢাকার উদয়ন উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়।
ভোটার এলাকা পরিবর্তন করতে না পারায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে জানিয়ে এর পেছনে নির্বাচন কমিশনকেই দায়ী করছেন তিনি। তার দাবি, ভোটার এলাকা পরিবর্তনের জন্য যথেষ্ট চেষ্টা করলেও নির্বাচন কমিশন তাকে সহযোগিতা করেনি।
আখতার হোসেন জানান, ভোটার আবেদনের সময় তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ছিলেন। তখন বর্তমান ঠিকানা হিসেবে ঢাকার ঠিকানা ব্যবহার করেছিলেন। নিয়ম অনুযায়ী, বর্তমান ঠিকানার ভিত্তিতেই তার নাম ঢাকার ওই এলাকার ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ৭টা থেকে জেলার ছয়টি সংসদীয় আসনে একযোগে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। ভোটগ্রহণ শুরুর আগেই ভোটাররা ভোট দিতে কেন্দ্রে আসতে শুরু করেন। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রতিটি কেন্দ্রেই ভোটারদের উপস্থিতি ও দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
বরিশাল টাইমস

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.