
২১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৫:৩৭
নরসিংদীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মাটির ঘরের দেয়াল চাপায় কাজম আলী (৭৫) নামে বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। নিহত কাজম আলী নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের চাচাতো ভাই আউয়াল মিয়া। এ ছাড়া নরসিংদীর গাবতলীতে বাসার দেয়াল চাপা পড়ে ওমর (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ভয়াবহ ভূমিকম্পে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে জাতীয় গ্রিডের সাবস্টেশনের যন্ত্রণাংশ আগুনে পুড়ে গিয়ে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ।
এ ছাড়া জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের তথ্যমতে জেলা ও উপজেলায় কমপক্ষে দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়ে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা যায়। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা সংকটাপন্ন।
তবে আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
তাছাড়া ভূমিকম্পে নরসিংদীতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেলার প্রায় সব উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নরসিংদী শহরের অনেক ভবন ফেটে ও হেলে পড়েছে।
পলাশ, শিবপুর, রায়পুরা, মনোহরদী, বেলাব ও মাধবদীতেও বহু ভবনে হয় ফাটল দেখা দিয়েছে। তাদের মধ্যে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার নতুন বাজার গ্রামের ইসহাক মিয়ার বাড়ি ভেঙে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে, ভয়াবহ ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও। পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
পলাশ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আব্দুল শহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পলাশ ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের চেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যে এ আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক জানান, ভূমিকম্পে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে ১০টা ৩৮ মিনিটে অনুভূত এ ভূকম্পনের উৎপত্তি নরদিংসদীর মাধবদীতে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিস) বলছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম দক্ষিণ-পশ্চিমে। গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।
নরসিংদীতে ভয়াবহ ভূমিকম্পে মাটির ঘরের দেয়াল চাপায় কাজম আলী (৭৫) নামে বৃদ্ধ নিহত হয়েছেন। নিহত কাজম আলী নরসিংদীর পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা পশ্চিমপাড়া গ্রামের বাসিন্দা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নিহতের চাচাতো ভাই আউয়াল মিয়া। এ ছাড়া নরসিংদীর গাবতলীতে বাসার দেয়াল চাপা পড়ে ওমর (১০) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে ভয়াবহ ভূমিকম্পে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে জাতীয় গ্রিডের সাবস্টেশনের যন্ত্রণাংশ আগুনে পুড়ে গিয়ে বন্ধ রয়েছে বিদ্যুৎ সরবরাহ।
এ ছাড়া জেলা সদর হাসপাতালের জরুরি বিভাগের তথ্যমতে জেলা ও উপজেলায় কমপক্ষে দেড় শতাধিক মানুষ আহত হয়ে প্রাথমিকভাবে চিকিৎসা নিয়েছে বলে জানা যায়। আহতদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা সংকটাপন্ন।
তবে আহতদের তাৎক্ষণিকভাবে তাদের নাম পরিচয় পাওয়া যায়নি।
তাছাড়া ভূমিকম্পে নরসিংদীতে মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। জেলার প্রায় সব উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। নরসিংদী শহরের অনেক ভবন ফেটে ও হেলে পড়েছে।
পলাশ, শিবপুর, রায়পুরা, মনোহরদী, বেলাব ও মাধবদীতেও বহু ভবনে হয় ফাটল দেখা দিয়েছে। তাদের মধ্যে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার নতুন বাজার গ্রামের ইসহাক মিয়ার বাড়ি ভেঙে পড়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
অন্যদিকে, ভয়াবহ ভূমিকম্পে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ঘোড়াশাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রেও। পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সাবস্টেশনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে।
পলাশ ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার মো. আব্দুল শহিদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘খবর পেয়ে পলাশ ফায়ার সার্ভিসের ২টি ইউনিটের চেষ্টায় অল্প সময়ের মধ্যে এ আগুন নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের প্রধান প্রকৌশলী মো. এনামুল হক জানান, ভূমিকম্পে এ আগুনের ঘটনা ঘটে। বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে বলেও জানান তিনি।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প হয়েছে। আজ শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে ১০টা ৩৮ মিনিটে অনুভূত এ ভূকম্পনের উৎপত্তি নরদিংসদীর মাধবদীতে।
যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিস) বলছে, ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী সদর থেকে ১৪ কিলোমিটার পশ্চিম দক্ষিণ-পশ্চিমে। গভীরতা ছিল ১০ কিলোমিটার।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
শেরপুর সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চর মোচরিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাইরের কয়েকজন লোক হঠাৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুটি কক্ষ থেকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে যায়।
এর মধ্যে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং একটি গণভোটের ব্যালট বই ছিল। তবে একটি গণভোটের ব্যালট বই এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানো হলে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসে উদ্ধারে কাজ করছেন।
শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, চল্লিশটি ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে ও দুইজন আটক আছে।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৫টি। এর মধ্যে ২৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৮১টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ চলছে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪৯

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:২০
রাতের আঁধারে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করায় ফরিদপুর-১ আসনের (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যাকে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দশটার দিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রের গেটের ভেতর জামায়াত প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় বাইরে থেকে বিক্ষুব্ধ কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, রাতে কেন এসেছেন।
পাল্টা জবাবে ওই প্রার্থী বলেন, নিয়ম আছে। নিয়ম জেনেই আমি ঢুকেছি। রাতে কেন ঢুকেছেন প্রশ্নের উত্তরে বলেন- ভিজিট করতে ঢুকেছি। এক পর্যায়ে তিনি গেট খুলে বেরিয়ে যান।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশনা জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধারে এভাবে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পরিবর্তন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
শেরপুর সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চর মোচরিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাইরের কয়েকজন লোক হঠাৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুটি কক্ষ থেকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে যায়।
এর মধ্যে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং একটি গণভোটের ব্যালট বই ছিল। তবে একটি গণভোটের ব্যালট বই এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানো হলে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসে উদ্ধারে কাজ করছেন।
শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, চল্লিশটি ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে ও দুইজন আটক আছে।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৫টি। এর মধ্যে ২৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৮১টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ চলছে।
খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাইলেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আটটায় আলিয়া মাদরাসা একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন।
কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।
কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানার এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদরাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্রেফতারের দাবি জানাই।
খুলনা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দিইনি।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।
খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাইলেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আটটায় আলিয়া মাদরাসা একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন।
কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।
কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানার এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদরাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্রেফতারের দাবি জানাই।
খুলনা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দিইনি।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।
রাতের আঁধারে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করায় ফরিদপুর-১ আসনের (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যাকে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দশটার দিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রের গেটের ভেতর জামায়াত প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় বাইরে থেকে বিক্ষুব্ধ কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, রাতে কেন এসেছেন।
পাল্টা জবাবে ওই প্রার্থী বলেন, নিয়ম আছে। নিয়ম জেনেই আমি ঢুকেছি। রাতে কেন ঢুকেছেন প্রশ্নের উত্তরে বলেন- ভিজিট করতে ঢুকেছি। এক পর্যায়ে তিনি গেট খুলে বেরিয়ে যান।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশনা জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধারে এভাবে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পরিবর্তন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।