সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পাথর লুট থামছে না। সম্প্রতি পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর থেকে পাথর লুটের ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। মামলার পাশাপাশি লুট করা পাথর আটক করে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল পর্যটনকেন্দ্রে। অভিযানে নেমেছিল প্রশাসনের পাশাপাশি যৌথ বাহিনী। এরপরও পাথর লুটপাটকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র এলাকায় লুটপাট কমলেও লুট থামছে না ‘পাথরের খনি’খ্যাত শাহ আরেফিন টিলায়। এরই মধ্যে এই টিলার প্রায় ৮৫ শতাংশ পাথর লুট হয়ে গেছে। টিলা কেটে লুট করা হয়েছে পাথরগুলো। এরপরও থামছে না পাথর লুট।
শাহ আরেফিন টিলা থেকে লুট করে নিয়ে যাওয়ার সময় গতকাল বুধবার রাতে চার ট্রাক্টরভর্তি পাথর ও আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ট্রাকভর্তি পাথর জব্দ করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধার করা পাথরের পরিমাণ জানা যায়নি।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাস খতিয়ানে ১৩৭ দশমিক ৫০ একর জায়গায় শাহ আরেফিন টিলার অবস্থান। কথিত আছে, প্রায় ৭০০ বছর আগে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর অন্যতম সফরসঙ্গী হজরত শাহ আরেফিন (রহ.) খাসিয়া পাহাড় এলাকা পরিভ্রমণকালে পাহাড়-টিলার চূড়ায় বিশ্রাম নিতেন। শাহ আরেফিনের একটি ‘আসন’ (বিশ্রামের স্থান) হিসেবে পরিচিতি থেকে ওই টিলার নামকরণ হয়েছে শাহ আরেফিন টিলা। লালচে, বাদামি ও আঠালো মাটির এ টিলার নিচে রয়েছে বড় বড় পাথর। এসব পাথর উত্তোলন করতেই চলছে ধ্বংসযজ্ঞ।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে চার ট্রাক্টরভর্তি পাথর নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ সদস্যদের দেখে চালকেরা পাথর ও গাড়ি রেখে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ চার ট্রাক্টরভর্তি পাথরগুলো থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে এক ট্রাকভর্তি পাথর জব্দ করা হয়। সে সময় ট্রাকের চালক পালিয়ে যান। পরে পাথরসহ ট্রাক উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পুলিশের কাছে রাখা হয়।
এর আগে সাদাপাথরের পাথর লুটের ঘটনার পর থেকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ২৪ ঘণ্টা পুলিশের তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। তল্লাশিচৌকিতে বালু ও পাথর পরিবহন করা যানবাহন আটকে বৈধ কাগজপত্র দেখা হচ্ছে। বৈধ কোনো কাগজপত্র পাওয়া না গেলে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, আটক করা পাথর ও যানবাহনগুলো পুলিশের জিম্মায় রয়েছে। পাথরগুলো শাহ আরেফিন টিলা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তল্লাশিচৌকিতে আটক করা ট্রাক ও পাথরের ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ছাড়া আটক চারটি ট্রাক্টরের মালিক ও ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৬
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করতে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে যমুনা টেলিভিশনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।
বিস্তারিত আসছে....
সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য পদ থেকে পদত্যাগ করতে ফেরদৌসী আহমেদ মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) দুপুরে যমুনা টেলিভিশনকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।
বিস্তারিত আসছে....

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:০৪
পিরোজপুরের নেছারাবাদে শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ স্কুল ফিডিংয়ের ৩০ প্যাকেট দুধ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে নাদিম মাহমুদ নামে এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ২৭ প্যাকেট দুধ কিনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ফেরত দেন তিনি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয়ে এসে ওই দুধ ফেরত দেওয়া হয়।
নাদিম মাহমুদ উপজেলার সরকারি স্বরূপকাঠী কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ১৪৮ নম্বর দক্ষিণ বিন্না কাইলান্তরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শিক্ষা অফিসকে অবহিত না করায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিন্না খালে নৌকাবাইচ উপলক্ষে পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী বিদ্যালয়ে আসেন। তাঁদের বসার ব্যবস্থা ও আপ্যায়নে শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকার সুযোগে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে রাখা শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ ৭৯ প্যাকেট দুধের মধ্যে ৩০ প্যাকেট নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে নাদিম মাহমুদের বিরুদ্ধে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোসা. আশা বেগম বলেন, ‘শিক্ষকরা অতিথিদের আপ্যায়নে ব্যস্ত থাকার সুযোগে নাদিমসহ কয়েকজন যুবক লাইব্রেরিতে রাখা দুধ নিয়ে যান। পরে বিষয়টি ধরা পড়ে। বুধবার অভিযুক্তরা ২৭ প্যাকেট দুধ ফেরত দিয়ে গেছে। বাকি তিন প্যাকেট তারা খেয়ে ফেলেছে বলে জানা গেছে।’
প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, অতিথিদের আপ্যায়নে শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকার সময় তিনি ওয়াশরুমে যান। এ সময় লাইব্রেরিতে রাখা দুধের ৩০ প্যাকেট নিয়ে যাওয়া হয় বলে পরে জানতে পারেন। মাসের শেষ দিন ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের দুধ দিতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে তাঁরা জানতে পারেন, ছাত্রনেতা নাদিম মাহমুদের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক দুধ নিয়ে বিদ্যালয়ের আশপাশে বসে খেয়েছেন।
পিরোজপুরের নেছারাবাদে শিশু শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ স্কুল ফিডিংয়ের ৩০ প্যাকেট দুধ নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে নাদিম মাহমুদ নামে এক ছাত্রদল নেতার বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে ২৭ প্যাকেট দুধ কিনে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ফেরত দেন তিনি। বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দুপুরে বিদ্যালয়ে এসে ওই দুধ ফেরত দেওয়া হয়।
নাদিম মাহমুদ উপজেলার সরকারি স্বরূপকাঠী কলেজ ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের ১৪৮ নম্বর দক্ষিণ বিন্না কাইলান্তরি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় শিক্ষা অফিসকে অবহিত না করায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলামকে কারণ দর্শানোর নোটিশ (শোকজ) দেওয়া হয়েছে। তিন কর্মদিবসের মধ্যে তাঁকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
বিদ্যালয় সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) বিন্না খালে নৌকাবাইচ উপলক্ষে পুলিশ ও স্থানীয় কয়েকজন বিএনপি নেতাকর্মী বিদ্যালয়ে আসেন। তাঁদের বসার ব্যবস্থা ও আপ্যায়নে শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকার সুযোগে বিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে রাখা শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ ৭৯ প্যাকেট দুধের মধ্যে ৩০ প্যাকেট নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে নাদিম মাহমুদের বিরুদ্ধে।
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা মোসা. আশা বেগম বলেন, ‘শিক্ষকরা অতিথিদের আপ্যায়নে ব্যস্ত থাকার সুযোগে নাদিমসহ কয়েকজন যুবক লাইব্রেরিতে রাখা দুধ নিয়ে যান। পরে বিষয়টি ধরা পড়ে। বুধবার অভিযুক্তরা ২৭ প্যাকেট দুধ ফেরত দিয়ে গেছে। বাকি তিন প্যাকেট তারা খেয়ে ফেলেছে বলে জানা গেছে।’
প্রধান শিক্ষক মো. নুরুল ইসলাম বলেন, অতিথিদের আপ্যায়নে শিক্ষকরা ব্যস্ত থাকার সময় তিনি ওয়াশরুমে যান। এ সময় লাইব্রেরিতে রাখা দুধের ৩০ প্যাকেট নিয়ে যাওয়া হয় বলে পরে জানতে পারেন। মাসের শেষ দিন ৩০ সেপ্টেম্বর শিক্ষার্থীদের দুধ দিতে গিয়ে বিষয়টি ধরা পড়ে।
তিনি আরও বলেন, স্থানীয়দের কাছ থেকে তাঁরা জানতে পারেন, ছাত্রনেতা নাদিম মাহমুদের নেতৃত্বে কয়েকজন যুবক দুধ নিয়ে বিদ্যালয়ের আশপাশে বসে খেয়েছেন।

০১ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৩৫
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় বিষখালী নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া আবদুল মন্নান হাওলাদার (৫৫) নামে এক জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের দুই দিন পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নদী থেকে তাঁর ভাসমান লাশ উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আবদুল মন্নান উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মৃত আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে একটি ট্রলার নিয়ে বিষখালী নদীতে ইলিশ ধরতে যান মন্নান। মাছ ধরার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত তিনি ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে যান। আশপাশে থাকা জেলেরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান বলেন, নদীতে স্রোত বেশি থাকায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়ে। বরিশাল থেকে আসা ডুবুরি দলও সেখানে অনুসন্ধান চালায়। পরে রাত ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে অভিযান স্থগিত করা হয়।
এরপর বুধবার রাতে পরিবারের সদস্যরা নিজস্ব ট্রলার নিয়ে ফের নদীতে অনুসন্ধান শুরু করেন। রাত দেড়টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই মন্নানের লাশ ভেসে উঠলে তাঁরা তা উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জমাদ্দার বাড়ি নূরানী ও হাফিজি মাদ্রাসা কমপ্লেক্স মাঠে জানাজা শেষে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়া উপজেলায় বিষখালী নদীতে মাছ ধরতে গিয়ে নিখোঁজ হওয়া আবদুল মন্নান হাওলাদার (৫৫) নামে এক জেলের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। নিখোঁজের দুই দিন পর বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে নদী থেকে তাঁর ভাসমান লাশ উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সকালে জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আবদুল মন্নান উপজেলার আওরাবুনিয়া ইউনিয়নের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। তিনি ওই এলাকার মৃত আবদুল মজিদ হাওলাদারের ছেলে।
পরিবার ও স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে একটি ট্রলার নিয়ে বিষখালী নদীতে ইলিশ ধরতে যান মন্নান। মাছ ধরার একপর্যায়ে অসাবধানতাবশত তিনি ট্রলার থেকে নদীতে পড়ে যান। আশপাশে থাকা জেলেরা বিষয়টি দেখতে পেয়ে দ্রুত তাঁকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন। দীর্ঘ সময় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাওয়া যায়নি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। কাঁঠালিয়া ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের কর্মকর্তা মো. খলিলুর রহমান বলেন, নদীতে স্রোত বেশি থাকায় উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়ে। বরিশাল থেকে আসা ডুবুরি দলও সেখানে অনুসন্ধান চালায়। পরে রাত ও প্রতিকূল পরিস্থিতির কারণে অভিযান স্থগিত করা হয়।
এরপর বুধবার রাতে পরিবারের সদস্যরা নিজস্ব ট্রলার নিয়ে ফের নদীতে অনুসন্ধান শুরু করেন। রাত দেড়টার দিকে দুর্ঘটনাস্থলের কাছেই মন্নানের লাশ ভেসে উঠলে তাঁরা তা উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।
কাঁঠালিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু নাছের রায়হান বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় জমাদ্দার বাড়ি নূরানী ও হাফিজি মাদ্রাসা কমপ্লেক্স মাঠে জানাজা শেষে তাঁর দাফন সম্পন্ন হয়।

০৬ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:৩৪
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় পাথর লুট থামছে না। সম্প্রতি পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর থেকে পাথর লুটের ঘটনায় দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছিল। মামলার পাশাপাশি লুট করা পাথর আটক করে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছিল পর্যটনকেন্দ্রে। অভিযানে নেমেছিল প্রশাসনের পাশাপাশি যৌথ বাহিনী। এরপরও পাথর লুটপাটকারীদের নিয়ন্ত্রণে আনা যাচ্ছে না। সাদাপাথর পর্যটনকেন্দ্র এলাকায় লুটপাট কমলেও লুট থামছে না ‘পাথরের খনি’খ্যাত শাহ আরেফিন টিলায়। এরই মধ্যে এই টিলার প্রায় ৮৫ শতাংশ পাথর লুট হয়ে গেছে। টিলা কেটে লুট করা হয়েছে পাথরগুলো। এরপরও থামছে না পাথর লুট।
শাহ আরেফিন টিলা থেকে লুট করে নিয়ে যাওয়ার সময় গতকাল বুধবার রাতে চার ট্রাক্টরভর্তি পাথর ও আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে এক ট্রাকভর্তি পাথর জব্দ করেছে পুলিশ। তবে উদ্ধার করা পাথরের পরিমাণ জানা যায়নি।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে সরকারি খাস খতিয়ানে ১৩৭ দশমিক ৫০ একর জায়গায় শাহ আরেফিন টিলার অবস্থান। কথিত আছে, প্রায় ৭০০ বছর আগে হজরত শাহজালাল (রহ.)-এর অন্যতম সফরসঙ্গী হজরত শাহ আরেফিন (রহ.) খাসিয়া পাহাড় এলাকা পরিভ্রমণকালে পাহাড়-টিলার চূড়ায় বিশ্রাম নিতেন। শাহ আরেফিনের একটি ‘আসন’ (বিশ্রামের স্থান) হিসেবে পরিচিতি থেকে ওই টিলার নামকরণ হয়েছে শাহ আরেফিন টিলা। লালচে, বাদামি ও আঠালো মাটির এ টিলার নিচে রয়েছে বড় বড় পাথর। এসব পাথর উত্তোলন করতেই চলছে ধ্বংসযজ্ঞ।
পুলিশ জানায়, বুধবার রাতে কোম্পানীগঞ্জের ভোলাগঞ্জে চার ট্রাক্টরভর্তি পাথর নিয়ে যাওয়ার সময় পুলিশ সদস্যদের দেখে চালকেরা পাথর ও গাড়ি রেখে পালিয়ে যান। পরে পুলিশ চার ট্রাক্টরভর্তি পাথরগুলো থানায় নিয়ে যায়।
এদিকে বৃহস্পতিবার দুপুরে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদের সামনে পুলিশের তল্লাশিচৌকিতে এক ট্রাকভর্তি পাথর জব্দ করা হয়। সে সময় ট্রাকের চালক পালিয়ে যান। পরে পাথরসহ ট্রাক উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে পুলিশের কাছে রাখা হয়।
এর আগে সাদাপাথরের পাথর লুটের ঘটনার পর থেকে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জে ২৪ ঘণ্টা পুলিশের তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। তল্লাশিচৌকিতে বালু ও পাথর পরিবহন করা যানবাহন আটকে বৈধ কাগজপত্র দেখা হচ্ছে। বৈধ কোনো কাগজপত্র পাওয়া না গেলে নেওয়া হচ্ছে ব্যবস্থা।
সিলেটের কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রতন শেখ জানান, আটক করা পাথর ও যানবাহনগুলো পুলিশের জিম্মায় রয়েছে। পাথরগুলো শাহ আরেফিন টিলা থেকে অবৈধভাবে উত্তোলন করে বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। তল্লাশিচৌকিতে আটক করা ট্রাক ও পাথরের ব্যাপারে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ ছাড়া আটক চারটি ট্রাক্টরের মালিক ও ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৩
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২১
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৪:৩৪
০৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:৪৪