
১৪ আগস্ট, ২০২৫ ১০:৫৯
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি, মগড়সরই, খোজাখালী, দরিরচর, তিমিরকাঠি, সিকদারপাড়া, কাঠিপাড়া, বহরমপুরসহ ১০টিরও বেশি গ্রামে ভয়াবহভাবে ভাঙছে সুগন্ধা নদী।
ভাঙনে হাজার হাজার মানুষ হারিয়েছে বসতভিটা, ফসলি জমি, পানের বরজ ও কোটি কোটি টাকার সম্পদ। বর্ষাকালে ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নদীপারের মানুষ মারাত্মক অনিশ্চয়তায় ভুগছে।
সুগন্ধা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২১ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৪০০ মিটার। এটি বরিশাল ও ঝালকাঠি জেলার মধ্যে প্রবাহিত প্রধান নৌপথ। বর্ষাকালে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি ও জোয়ার-ভাটার কারণে নদীর তীর দুর্বল হয়ে ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ে।
স্থানীয়রা বলছেন, নদীভাঙনে ইতিমধ্যে শত শত কোটি টাকার জমি ও সম্পদ বিলীন হয়েছে। সরই গ্রামের মাকসুদা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। পরে আমার ছেলেরা অন্য জায়গায় বাড়ি করেছিল, সেটিও নদীর পেটে গেছে।
এমনকি স্বামীর কবরটাও নদীর মধ্যে চলে গেছে।’ কাঠিপাড়া গ্রামের ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আগে এখানে ২০-৩০টি বসতবাড়ি ছিল, এখন মাত্র দু-তিনটি পরিবার বেঁচে আছে। নদী আমাদের সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তীর দুর্বল ও গভীরতা কমে যাওয়ায় বর্ষাকালে স্রোতের চাপ বেড়ে ভাঙন তীব্র হচ্ছে। যদিও নলছিটি উপজেলা প্রশাসন মাঝে মাঝে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে জেল-জরিমানা করে থাকে, তবে তা বন্ধ হচ্ছে না। রাতের আঁধারে অবৈধ বালু উত্তোলনের কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। দেখে মনে হয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই তা করা হয়।
একই এলাকার বাসিন্দা নিখিল দাস বলেন, ‘৫০ বছর ধরে নদীভাঙন চলতে আছে, এখন পর্যন্ত ভাঙন রোধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শত শত পরিবার হারিয়েছে তাদের বসতঘর, গাছপালা, পানের বরজ থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি।’
বারইকরন গ্রামের হ্যাপী বেগম বলেন, ‘ঘর গোছাতে গোছাতে নদী এসে মেঝেতে স্পর্শ করছে। আমাদের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে কোথায় যাব, বুঝতে পারছি না।’ মগর ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর মাঝি, দুলাল মাঝি, নূর আলম খান, ফরিদসহ অনেকে জানান, বাপ-দাদার বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, যদি সরকার এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তবে পুরো গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
ক্ষতিগ্রস্তরা দাবি করেছেন, নদীর ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা, স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বেল্লাল হোসেন মোল্লা বলেন, ‘আমরা অনেকবার ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানিয়েছি, কিন্তু কাজের কোনো অগ্রগতি নেই, শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, ‘নলছিটি ও ঝালকাঠির ভাঙন এলাকা নিয়ে একটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। অন্যান্য ভাঙন স্থানে জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার কুলকাঠি, মগড়সরই, খোজাখালী, দরিরচর, তিমিরকাঠি, সিকদারপাড়া, কাঠিপাড়া, বহরমপুরসহ ১০টিরও বেশি গ্রামে ভয়াবহভাবে ভাঙছে সুগন্ধা নদী।
ভাঙনে হাজার হাজার মানুষ হারিয়েছে বসতভিটা, ফসলি জমি, পানের বরজ ও কোটি কোটি টাকার সম্পদ। বর্ষাকালে ভাঙনের তীব্রতা বেড়ে যাওয়ায় নদীপারের মানুষ মারাত্মক অনিশ্চয়তায় ভুগছে।
সুগন্ধা নদীর দৈর্ঘ্য প্রায় ২১ কিলোমিটার, গড় প্রস্থ ৪০০ মিটার। এটি বরিশাল ও ঝালকাঠি জেলার মধ্যে প্রবাহিত প্রধান নৌপথ। বর্ষাকালে পানির প্রবাহ বৃদ্ধি ও জোয়ার-ভাটার কারণে নদীর তীর দুর্বল হয়ে ভাঙনের ঝুঁকি বাড়ে।
স্থানীয়রা বলছেন, নদীভাঙনে ইতিমধ্যে শত শত কোটি টাকার জমি ও সম্পদ বিলীন হয়েছে। সরই গ্রামের মাকসুদা বেগম বলেন, ‘আমার স্বামীর বাড়ি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। পরে আমার ছেলেরা অন্য জায়গায় বাড়ি করেছিল, সেটিও নদীর পেটে গেছে।
এমনকি স্বামীর কবরটাও নদীর মধ্যে চলে গেছে।’ কাঠিপাড়া গ্রামের ইউসুফ হাওলাদার বলেন, ‘আগে এখানে ২০-৩০টি বসতবাড়ি ছিল, এখন মাত্র দু-তিনটি পরিবার বেঁচে আছে। নদী আমাদের সবকিছু ধ্বংস করে দিয়েছে।’
স্থানীয়দের অভিযোগ, অবৈধ বালু উত্তোলনের কারণে নদীর তীর দুর্বল ও গভীরতা কমে যাওয়ায় বর্ষাকালে স্রোতের চাপ বেড়ে ভাঙন তীব্র হচ্ছে। যদিও নলছিটি উপজেলা প্রশাসন মাঝে মাঝে অবৈধ বালু উত্তোলনের দায়ে জেল-জরিমানা করে থাকে, তবে তা বন্ধ হচ্ছে না। রাতের আঁধারে অবৈধ বালু উত্তোলনের কার্যক্রম জোরদার রয়েছে। দেখে মনে হয় প্রশাসনকে ম্যানেজ করেই তা করা হয়।
একই এলাকার বাসিন্দা নিখিল দাস বলেন, ‘৫০ বছর ধরে নদীভাঙন চলতে আছে, এখন পর্যন্ত ভাঙন রোধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শত শত পরিবার হারিয়েছে তাদের বসতঘর, গাছপালা, পানের বরজ থেকে শুরু করে কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি।’
বারইকরন গ্রামের হ্যাপী বেগম বলেন, ‘ঘর গোছাতে গোছাতে নদী এসে মেঝেতে স্পর্শ করছে। আমাদের ছেলে-মেয়েদের নিয়ে কোথায় যাব, বুঝতে পারছি না।’ মগর ইউনিয়নের জাহাঙ্গীর মাঝি, দুলাল মাঝি, নূর আলম খান, ফরিদসহ অনেকে জানান, বাপ-দাদার বসতভিটা নদীতে বিলীন হয়েছে। তারা আশঙ্কা করছেন, যদি সরকার এখনই কার্যকর ব্যবস্থা না নেয়, তবে পুরো গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
ক্ষতিগ্রস্তরা দাবি করেছেন, নদীর ভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ, অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে কঠোর প্রশাসনিক ব্যবস্থা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পুনর্বাসন ও আর্থিক সহায়তা, স্থানীয় প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বেল্লাল হোসেন মোল্লা বলেন, ‘আমরা অনেকবার ইউনিয়ন পরিষদের মাধ্যমে পানি উন্নয়ন বোর্ডকে জানিয়েছি, কিন্তু কাজের কোনো অগ্রগতি নেই, শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হচ্ছে।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঝালকাঠি পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী এ কে এম নিলয় পাশা বলেন, ‘নলছিটি ও ঝালকাঠির ভাঙন এলাকা নিয়ে একটি উন্নয়ন প্রকল্প চলমান রয়েছে। অন্যান্য ভাঙন স্থানে জরিপ সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্প অনুমোদন পেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৯
ঝালকাঠির নলছিটিতে কবরস্থানের মাটি বরাদ্দের কাজে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে অভিযোগকারী নলছিটি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ অলিউল ইসলামের কাছে ঘুষ হিসেবে নেওয়া ৯ হাজার টাকা ফেরত দেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি ভরাটের একটি টিআর প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার কাজ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
তবে ওই কাজের বিপরীতে অতিরিক্ত খরচের কথা বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন মোট ৯ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম।
অভিযোগকারী অলিউল ইসলাম বলেন, পিআইও নিজের ভুল স্বীকার করে বুধবার সকালে ঘুষ হিসেবে নেওয়া ৯ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন।
ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাওসার হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠির নলছিটিতে কবরস্থানের মাটি বরাদ্দের কাজে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ ওঠার পর সেই টাকা ফেরত দিয়েছেন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেন।
বুধবার (১১ মার্চ) সকালে অভিযোগকারী নলছিটি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ অলিউল ইসলামের কাছে ঘুষ হিসেবে নেওয়া ৯ হাজার টাকা ফেরত দেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি ভরাটের একটি টিআর প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার কাজ বরাদ্দ দেওয়া হয়।
তবে ওই কাজের বিপরীতে অতিরিক্ত খরচের কথা বলে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন মোট ৯ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে।এ ঘটনায় মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম।
অভিযোগকারী অলিউল ইসলাম বলেন, পিআইও নিজের ভুল স্বীকার করে বুধবার সকালে ঘুষ হিসেবে নেওয়া ৯ হাজার টাকা ফেরত দিয়েছেন।
ঝালকাঠির অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক কাওসার হোসেন জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বিষয়টি তদন্তের জন্য একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির সদস্যদের দ্রুত সময়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

১১ মার্চ, ২০২৬ ০১:০৪
ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি বরাদ্দ প্রকল্পে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নলছিটি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি ভরাটের একটি টিআর প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার কাজ বরাদ্দ হয়। তবে ওই কাজের বিপরীতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন অতিরিক্ত খরচ বাবদ মোট ৯ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী অলিউল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে এবং বিভিন্ন চাপের কারণে তারা বাধ্য হয়ে ওই টাকা দেন। ধর্মীয় উন্নয়নমূলক কাজে সরকারি কর্মকর্তার কার্যালয়ে এমনভাবে ঘুষ নেওয়া অনৈতিক এবং সরকারি সেবার পরিপন্থী বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)আওলাদ হোসেনকে ফোন করলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন । পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিডি এলজিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর তা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। পরে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ঝালকাঠির নলছিটি পৌরসভার সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি বরাদ্দ প্রকল্পে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে নলছিটি উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) আওলাদ হোসেনের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে মঙ্গলবার (১০ মার্চ) ঝালকাঠি জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন নলছিটি পৌরসভার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোহাম্মদ অলিউল ইসলাম।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নলছিটি পৌরসভার মল্লিকপুর সরকারি কবরস্থানের জন্য মাটি ভরাটের একটি টিআর প্রকল্পের আওতায় প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার টাকার কাজ বরাদ্দ হয়। তবে ওই কাজের বিপরীতে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আওলাদ হোসেন অতিরিক্ত খরচ বাবদ মোট ৯ হাজার টাকা ঘুষ নিয়েছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
অভিযোগকারী অলিউল ইসলাম বলেন, প্রকল্পের কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার স্বার্থে এবং বিভিন্ন চাপের কারণে তারা বাধ্য হয়ে ওই টাকা দেন। ধর্মীয় উন্নয়নমূলক কাজে সরকারি কর্মকর্তার কার্যালয়ে এমনভাবে ঘুষ নেওয়া অনৈতিক এবং সরকারি সেবার পরিপন্থী বলেও অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়।
এ ঘটনায় জেলা প্রশাসকের কাছে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করে অভিযুক্ত কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন অভিযোগকারী।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে সংশ্লিষ্ট প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)আওলাদ হোসেনকে ফোন করলে সাংবাদিক পরিচয় পাওয়ার পর তিনি ফোন কেটে দেন । পরে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কাছ থেকে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
জেলা প্রশাসক মো. মমিন উদ্দিন বলেন, বিষয়টি তদন্তের জন্য ডিডি এলজিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তদন্ত রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পর তা ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়কে অবহিত করা হবে। পরে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:১৬
ঝালকাঠির নলছিটিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও মহড়ার আয়োজন করা হলেও তা ছিল অনেকটাই দায়সারা আয়োজন এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে নলছিটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হয়। এ উপলক্ষে একটি সংক্ষিপ্ত র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন।
দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব। তবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কম থাকা এবং আয়োজনের পরিধি সীমিত থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনা দেখা যায়।
অনেকেই অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এর দায়িত্বে থাকা এ আয়োজনটি যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি ছাড়াই দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঝালকাঠির নলছিটিতে জাতীয় দুর্যোগ প্রস্তুতি দিবস ২০২৬ উপলক্ষে র্যালি, আলোচনা সভা ও মহড়ার আয়োজন করা হলেও তা ছিল অনেকটাই দায়সারা আয়োজন এমন অভিযোগ উঠেছে স্থানীয়দের মধ্যে।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকালে নলছিটি উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি পালিত হয়। এ উপলক্ষে একটি সংক্ষিপ্ত র্যালি অনুষ্ঠিত হয়। র্যালিতে উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিভিন্ন দপ্তরের কর্মচারী ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা অংশ নেন।
দিবসটির প্রতিপাদ্য ছিল “দুর্যোগ প্রস্তুতিতে লড়ব, তারুণ্যের বাংলাদেশ গড়ব। তবে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা কম থাকা এবং আয়োজনের পরিধি সীমিত থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে সমালোচনা দেখা যায়।
অনেকেই অভিযোগ করেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) এর দায়িত্বে থাকা এ আয়োজনটি যথাযথ পরিকল্পনা ও প্রস্তুতি ছাড়াই দায়সারা ভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। যদিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১