
০৫ জুলাই, ২০২৬ ১৬:০৫
ছাত্রনেতা সুজয় শুভকে নিয়ে অপপ্রচার, মানহানির অভিযোগে মামলা
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা সুজয় বিশ্বাস শুভর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার ও মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সুজয় শুভ বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে এ মামলা করেন।
এদিকে, সুজয় শুভর বিচারের দাবিতে সম্প্রতি বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জনের মধ্যে অন্তত দুজন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না হয়েই তারা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশে তার সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার শরীর, সম্পত্তি ও সামাজিক সুনামের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের নেতা মাহিদুল ইসলাম দাউদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এরপর মাহিদুল ইসলাম দাউদ ক্ষুব্ধ হয়ে আলিসা মুনতাজ, হুজাইফা রহমানসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে মামলার বাদী সুজয় বিশ্বাস শুভর মানহানি করার উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপমানজনক বক্তব্য প্রচার শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যান্য আসামিরা ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সুজয় শুভকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য ও বক্তব্য প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ১৬ এপ্রিল পুনরায় বাদীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হয়।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুজয় শুভ ২১ এপ্রিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও অভিযুক্তরা অপপ্রচার বন্ধ না করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ভিডিওচিত্র তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে থাকেন।
অভিযোগপত্রে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের জুন মাসে বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলাটি দায়ের করেন সুজয় শুভ।
এদিকে, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জন ব্যক্তির একজন শামীম দাবি করেন, তাকে কার বিরুদ্ধে এবং কী অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা না জানিয়েই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, ‘ও... হ্যাঁ, না, আমি ওইখানে ছিলাম আরকি। আমার এক বড় ভাই আমাকে নিয়ে গেছে।’
সুজয় শুভর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এই ব্যাপারে তেমন কোনো তথ্য জানি না। আপনি বরং যারা ফ্রন্টে ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। মানে... আমাদের ওই সিরাজুল ভাইসহ যারা ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন।’
আপনি মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু কেন অংশ নিচ্ছেন তা জানেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, ‘না, আমি জানি যে আমি একটা প্রতিবাদী মিছিলে অংশগ্রহণ করছি আরকি, এইটুকু।’
অভিযোগ সত্য না মিথ্যা তা না জেনেই মানববন্ধনে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, কারণ ছাড়া বলতে কী, আমাকে তো এমনিতে বলা হইছে যে চলো...।’
মানববন্ধনের অভিযোগকারীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না- এ অবস্থায় কীভাবে মানববন্ধনে অংশ নিলেন জানতে চাইলে শামীম বলেন, ‘যারা লিডিংয়ে ছিল, ওনারা হয়তো জানেন আরকি। এই ব্যাপারে আমার কাছে তেমন কোনো তথ্য নাই। আমার যেটা মনে হয় যে হয়তোবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওনারে(সুজয় শুভকে) হয়তো হ্যারাস করার জন্য এটা করছে।"
এছাড়া মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধনা হালদার নামে এক নারীও একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি শুনেছেন, তাই তিনি মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
সাধনা হালদার আরও বলেন, ‘আমি সুজয় শুভকে চিনতাম। বিভিন্ন আন্দোলন তাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছি। গত কিছুদিন ধরে শুনতেছি- আমাদের সিনিয়র আপুরা তারা বলতেছে, তারা বিভিন্ন ধরণের যৌন নির্যাতনবা নিপীড়নের শিকার হইছে, ব্যাড টাচের শিকার হইছে, এই ধরণের ম্যানুপুলেশন বা ভিক্টিম ব্লেমিং এর শিকার হইছে। যখন শুনলাম একাধিক মানুষের কাছ থেকে তখন খুবই খারাপ লাগছে।’
মামলার বাদীপক্ষের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সাধারণ মানুষকে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন ছাত্রনেতার মানহানি করা হয়েছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বাদী সুজয় শুভ।
সুজয় আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জায়গা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কিছুদিন ধরে আমার বিরদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা ফেইসবুকে নানা অসত্য, অসংলগ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুললেও কোনো অভিযোগের স্বপক্ষে ন্যূনতম প্রমাণ হাজির করতে পারেন নি। কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে তথ্য, প্রমাণহীন ভুয়া অভিযোগ সাজিয়ে ভিকটিম কার্ড প্লে করা ; গুরুতর অন্যায় বলে মনে করি। এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আমি আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি চাই এই অসাধু চক্রের দ্বারা আর কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য প্রচলিত আইনে মামলা করেছি।
এ সকল বিষয় বক্তব্য জানতে মামলার আসামি হুজাইফা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।
ছাত্রনেতা সুজয় শুভকে নিয়ে অপপ্রচার, মানহানির অভিযোগে মামলা
গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা সুজয় বিশ্বাস শুভর বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বক্তব্য প্রচার ও মানহানির অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি সুজয় শুভ বাদী হয়ে কয়েকজনের বিরুদ্ধে আদালতে এ মামলা করেন।
এদিকে, সুজয় শুভর বিচারের দাবিতে সম্প্রতি বরিশাল নগরীতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জনের মধ্যে অন্তত দুজন জানিয়েছেন, অভিযোগের বিষয়বস্তু সম্পর্কে অবগত না হয়েই তারা মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, বাদীর সুনাম ক্ষুণ্ন করার উদ্দেশে তার সম্পর্কে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা ও মানহানিকর তথ্য প্রকাশ ও প্রচার করা হয়েছে। পাশাপাশি তার শরীর, সম্পত্তি ও সামাজিক সুনামের ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয়েছে বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, জুলাই অভ্যুত্থানের পর গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের নেতা মাহিদুল ইসলাম দাউদের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় সংগঠনের পক্ষ থেকে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
এরপর মাহিদুল ইসলাম দাউদ ক্ষুব্ধ হয়ে আলিসা মুনতাজ, হুজাইফা রহমানসহ একটি সংঘবদ্ধ চক্র গড়ে তুলে মামলার বাদী সুজয় বিশ্বাস শুভর মানহানি করার উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা, বানোয়াট ও অপমানজনক বক্তব্য প্রচার শুরু করেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এর ধারাবাহিকতায় মামলার অন্যান্য আসামিরা ২০২৬ সালের ২ এপ্রিল নিজেদের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে সুজয় শুভকে উদ্দেশ্য করে বিভিন্ন অবমাননাকর মন্তব্য ও বক্তব্য প্রকাশ করেন। পরে একই বছরের ১৬ এপ্রিল পুনরায় বাদীর নাম ও ছবি ব্যবহার করে তাকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে সংঘবদ্ধভাবে অপপ্রচার চালানো হয়।
এসব ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সুজয় শুভ ২১ এপ্রিল অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। তবে অভিযোগ অনুযায়ী, এরপরও অভিযুক্তরা অপপ্রচার বন্ধ না করে তার বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য প্রচার, ভিডিওচিত্র তৈরি এবং তা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিতে থাকেন।
অভিযোগপত্রে আরও জানানো হয়, চলতি বছরের জুন মাসে বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে একটি মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। মিথ্যা ও বানোয়াট তথ্য প্রচারের মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত, সামাজিক ও রাজনৈতিক সুনাম ক্ষুণ্ন করা হয়েছে উল্লেখ করে আদালতের কাছে বিচার চেয়ে মামলাটি দায়ের করেন সুজয় শুভ।
এদিকে, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া ৯ জন ব্যক্তির একজন শামীম দাবি করেন, তাকে কার বিরুদ্ধে এবং কী অভিযোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হচ্ছে তা না জানিয়েই সেখানে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়ার বিষয়ে শামীম বলেন, ‘ও... হ্যাঁ, না, আমি ওইখানে ছিলাম আরকি। আমার এক বড় ভাই আমাকে নিয়ে গেছে।’
সুজয় শুভর বিরুদ্ধে কী অভিযোগ রয়েছে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি আসলে এই ব্যাপারে তেমন কোনো তথ্য জানি না। আপনি বরং যারা ফ্রন্টে ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন। মানে... আমাদের ওই সিরাজুল ভাইসহ যারা ছিল, ওনাদেরকে জিজ্ঞেস করেন।’
আপনি মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করেছেন, কিন্তু কেন অংশ নিচ্ছেন তা জানেন না- এমন প্রশ্নের জবাবে শামীম বলেন, ‘না, আমি জানি যে আমি একটা প্রতিবাদী মিছিলে অংশগ্রহণ করছি আরকি, এইটুকু।’
অভিযোগ সত্য না মিথ্যা তা না জেনেই মানববন্ধনে দাঁড়ানোর বিষয়ে তিনি বলেন, ‘না, কারণ ছাড়া বলতে কী, আমাকে তো এমনিতে বলা হইছে যে চলো...।’
মানববন্ধনের অভিযোগকারীরাও সেখানে উপস্থিত ছিলেন না- এ অবস্থায় কীভাবে মানববন্ধনে অংশ নিলেন জানতে চাইলে শামীম বলেন, ‘যারা লিডিংয়ে ছিল, ওনারা হয়তো জানেন আরকি। এই ব্যাপারে আমার কাছে তেমন কোনো তথ্য নাই। আমার যেটা মনে হয় যে হয়তোবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ওনারে(সুজয় শুভকে) হয়তো হ্যারাস করার জন্য এটা করছে।"
এছাড়া মানববন্ধনে অংশ নেওয়া সাধনা হালদার নামে এক নারীও একটি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, সুজয় শুভর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পর্কে তিনি শুনেছেন, তাই তিনি মানববন্ধনে অংশ নিয়েছিলেন।
সাধনা হালদার আরও বলেন, ‘আমি সুজয় শুভকে চিনতাম। বিভিন্ন আন্দোলন তাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিতে দেখেছি। গত কিছুদিন ধরে শুনতেছি- আমাদের সিনিয়র আপুরা তারা বলতেছে, তারা বিভিন্ন ধরণের যৌন নির্যাতনবা নিপীড়নের শিকার হইছে, ব্যাড টাচের শিকার হইছে, এই ধরণের ম্যানুপুলেশন বা ভিক্টিম ব্লেমিং এর শিকার হইছে। যখন শুনলাম একাধিক মানুষের কাছ থেকে তখন খুবই খারাপ লাগছে।’
মামলার বাদীপক্ষের দাবি, অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করেই সাধারণ মানুষকে মানববন্ধনে অংশগ্রহণ করানো হয়েছে এবং তাদের ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়িয়ে একজন ছাত্রনেতার মানহানি করা হয়েছে। বিষয়টির সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন বাদী সুজয় শুভ।
সুজয় আরও বলেন, রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত বিদ্বেষের জায়গা থেকে একটি সংঘবদ্ধ চক্র কিছুদিন ধরে আমার বিরদ্ধে অপপ্রচার চালিয়ে আসছে। তারা ফেইসবুকে নানা অসত্য, অসংলগ্ন ও ভিত্তিহীন অভিযোগ তুললেও কোনো অভিযোগের স্বপক্ষে ন্যূনতম প্রমাণ হাজির করতে পারেন নি। কাউকে হয়রানির উদ্দেশ্যে তথ্য, প্রমাণহীন ভুয়া অভিযোগ সাজিয়ে ভিকটিম কার্ড প্লে করা ; গুরুতর অন্যায় বলে মনে করি। এই অপতৎপরতার বিরুদ্ধে আমি আইনী ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমি চাই এই অসাধু চক্রের দ্বারা আর কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সেজন্য প্রচলিত আইনে মামলা করেছি।
এ সকল বিষয় বক্তব্য জানতে মামলার আসামি হুজাইফা রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাকে পাওয়া যায়নি।

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৭:৩৯
বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাদের মধ্যেকার মো. সাব্বির হোসেন খান (২১) ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়া ব্রাজিল সমর্থক। এবং তার পরনে ফুটবল টিমের জার্সি রয়েছে।
কাউনিয়া পুলিশ জানায়, সাব্বির হোসেন খান এবং মো. সাব্বির খান (২২) দুজন বন্ধু এবং তারা উভয়ে শহরের নগরের পুল এলাকার বাসিন্দা।
সোমবার সকাল সাড়ে ১টার দিকে দুজনকে ১ নং ওয়ার্ডের বসু মিয়ার গলি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং তাদের দুজনের কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালটাইমসকে জানান, দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে।’
বরিশাল মেট্রোপলিটন কাউনিয়া থানা পুলিশের মাদকবিরোধী অভিযানে ২০০ পিস ইয়াবাসহ দুই যুবক গ্রেপ্তার হয়েছেন, তাদের মধ্যেকার মো. সাব্বির হোসেন খান (২১) ফুটবল বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে পড়া ব্রাজিল সমর্থক। এবং তার পরনে ফুটবল টিমের জার্সি রয়েছে।
কাউনিয়া পুলিশ জানায়, সাব্বির হোসেন খান এবং মো. সাব্বির খান (২২) দুজন বন্ধু এবং তারা উভয়ে শহরের নগরের পুল এলাকার বাসিন্দা।
সোমবার সকাল সাড়ে ১টার দিকে দুজনকে ১ নং ওয়ার্ডের বসু মিয়ার গলি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এবং তাদের দুজনের কাছ থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়েছে।
কাউনিয়া থানা পুলিশের ওসি সনজিত চন্দ্র নাথ বরিশালটাইমসকে জানান, দুজনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হয়েছে।’

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৭:০৪
বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বরিশাল বিভাগের নতুন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিসেবে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি ও পদায়নের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডা. এস এম মনিরুজ্জামান বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। সেখান থেকে তাকে বদলি করে বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) পদের এই নতুন দায়িত্ব দেওয়া হলো। জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই আদেশে আরও জানানো হয়, বদলিকৃত কর্মকর্তাকে আগামী ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে তার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে আগামী ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে তিনি বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (Stand Released) বলে গণ্য হবেন। ইতোমধ্যে এই প্রজ্ঞাপনটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে
বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারের কর্মকর্তা ডা. এস এম মনিরুজ্জামানকে বরিশাল বিভাগের নতুন বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) হিসেবে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করেছে সরকার। রোববার (৫ জুলাই) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের পার-২ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এই বদলি ও পদায়নের তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, ডা. এস এম মনিরুজ্জামান বর্তমানে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের উপপরিচালক হিসেবে কর্মরত আছেন। সেখান থেকে তাকে বদলি করে বরিশাল বিভাগের বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) পদের এই নতুন দায়িত্ব দেওয়া হলো। জনস্বার্থে এই আদেশ জারি করা হয়েছে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের উপসচিব সাইফুল ইসলাম স্বাক্ষরিত এই আদেশে আরও জানানো হয়, বদলিকৃত কর্মকর্তাকে আগামী ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখের মধ্যে তার নতুন কর্মস্থলে যোগদান করতে হবে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে যোগদান না করলে আগামী ৮ জুলাই ২০২৬ তারিখ থেকে তিনি বর্তমান কর্মস্থল থেকে তাৎক্ষণিকভাবে অবমুক্ত (Stand Released) বলে গণ্য হবেন। ইতোমধ্যে এই প্রজ্ঞাপনটি প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো হয়েছে

০৬ জুলাই, ২০২৬ ১৬:৫২
বরিশালের হিজলা উপজেলার গৌরবদী ইউনিয়নে রাজনৈতিক কোন্দলে কয়েক দিন যাবৎ চলছে হামলা পাল্টা হামলা ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগ। এই পরিবেশ পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ সংঘর্ষের রূপ ধারণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, গত ২১ শে জুন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের ছেলে সোহাগ জুবায়ের এবং লাল চাঁন ফরাজীসহ কয়েকজন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে কে বা কারা গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী এবং মোস্তফা সিকদারের মাছঘাটে হামলা ভাঙচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকা ইসমাইল হোসেন মোল্লা গতকাল রোববার বিকেলে নিজ এলাকায় আসার কথা ছিল। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা গৌরবদী ইউনিয়নের শাওড়া বাজার থেকে ১০/১৫ টি মোটরসাইকেলেরযোগে একতা খেয়াঘাট যাওয়ার পথে হামলার মুখে পড়েন। তখন ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লাকে শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়া মোটরসাইকেলের বহরে হামলা চালিয়ে ৪ জন গুরুতর আহত হয়। এছাড়া বহরে থাকা ৬ টি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে।
এসব সহিংসতার ঘটনায় গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী বলেন, গতকালের ঘটনার সময়ে আমি সেখানে ছিলাম না। তবে ইসমাইল মোল্লার সমর্থকরা যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের বাড়ি ও শরীফ বাবুর্চির বাড়িতে হামলার অভিযোগ করেন।
গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুলাইমান জমাদার জানান, ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা ও পাল্টা হামলা নিয়ে হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান এবং উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন মীমাংসা করার তারিখ উভয়পক্ষকে অবহিত করেন।
গতকাল ইসমাইল মোল্লা নিজ এলাকায় আসার কথা শুনে নেতাকর্মীরা শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়ার পথে হামলা চালিয়ে ৪ জনকে গুরুতর আহত ও ৬ টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে, এটা পূর্ব পরিকল্পিত। এ ঘটনায় প্রমাণ করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের এলাকার সুনাম নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে।
হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান বলেন, উভয়পক্ষকে নিয়ে সিনিয়র নেতারা আগামীকাল বসে আলোচনা সাপেক্ষে সমাধান করবেন। তবে দুই পক্ষ লিখত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।’
বরিশালের হিজলা উপজেলার গৌরবদী ইউনিয়নে রাজনৈতিক কোন্দলে কয়েক দিন যাবৎ চলছে হামলা পাল্টা হামলা ভাঙচুর-লুটপাট-অগ্নিসংযোগ। এই পরিবেশ পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ সংঘর্ষের রূপ ধারণ করেছে। অভিযোগ উঠেছে, গত ২১ শে জুন বরিশাল জেলা ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করেন যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের ছেলে সোহাগ জুবায়ের এবং লাল চাঁন ফরাজীসহ কয়েকজন। সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাতের আঁধারে কে বা কারা গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী এবং মোস্তফা সিকদারের মাছঘাটে হামলা ভাঙচুর লুটপাট অগ্নিসংযোগ করা হয়।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকা ইসমাইল হোসেন মোল্লা গতকাল রোববার বিকেলে নিজ এলাকায় আসার কথা ছিল। তাকে শুভেচ্ছা জানাতে স্থানীয় নেতাকর্মীরা গৌরবদী ইউনিয়নের শাওড়া বাজার থেকে ১০/১৫ টি মোটরসাইকেলেরযোগে একতা খেয়াঘাট যাওয়ার পথে হামলার মুখে পড়েন। তখন ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লাকে শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়া মোটরসাইকেলের বহরে হামলা চালিয়ে ৪ জন গুরুতর আহত হয়। এছাড়া বহরে থাকা ৬ টি মোটরসাইকেল আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে।
এসব সহিংসতার ঘটনায় গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক ফরিদ উদ্দিন বেপারী বলেন, গতকালের ঘটনার সময়ে আমি সেখানে ছিলাম না। তবে ইসমাইল মোল্লার সমর্থকরা যুবদল নেতা মোস্তফা সিকদারের বাড়ি ও শরীফ বাবুর্চির বাড়িতে হামলার অভিযোগ করেন।
গৌরবদী ইউনিয়ন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সুলাইমান জমাদার জানান, ছাত্রদল নেতা ইসমাইল মোল্লার ওপর অতর্কিত হামলা ও পাল্টা হামলা নিয়ে হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান এবং উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব এবং সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলতাফ হোসেন খোকন মীমাংসা করার তারিখ উভয়পক্ষকে অবহিত করেন।
গতকাল ইসমাইল মোল্লা নিজ এলাকায় আসার কথা শুনে নেতাকর্মীরা শুভেচ্ছা জানাতে যাওয়ার পথে হামলা চালিয়ে ৪ জনকে গুরুতর আহত ও ৬ টি মোটরসাইকেল পুড়িয়ে দিয়েছে, এটা পূর্ব পরিকল্পিত। এ ঘটনায় প্রমাণ করে দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানের এলাকার সুনাম নষ্ট করার পাঁয়তারা করছে।
হিজলা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোলায়মান বলেন, উভয়পক্ষকে নিয়ে সিনিয়র নেতারা আগামীকাল বসে আলোচনা সাপেক্ষে সমাধান করবেন। তবে দুই পক্ষ লিখত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে।’
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.