
২৯ মে, ২০২৫ ১৬:০০
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ বিষয়ে সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করে এ পর্যবেক্ষণ দেন।
ইশরাক হোসেনের আইনজীবী বলেন, শপথ বিষয়ে এখন সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলে জানিয়েছেন আদালত।
এর আগে, ইশরাকের মেয়র ইস্যুতে করা মামলা নিয়ে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা উদ্বেগজনক বলেও জানান আপিল বিভাগ।
এদিকে, বুধবার (২৮ মে) বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানো না পড়ানো ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বক্তব্য শুনবেন বলে জানিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ইশরাকের শপথ বিষয়ে লিভ টু আপিলের শুনানি হয়।
এ সময় নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের রায়ের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেন রিটকারীর আইনজীবী। পাল্টা জবাবে ইশরাকের আইনজীবী জানান, আদালতের রায়ের আলোকে গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে না বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।
বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র হিসেবে শপথ বিষয়ে সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলে জানিয়েছেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২৯ মে) প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বে ৭ বিচারপতির পূর্ণাঙ্গ আপিল বেঞ্চ এ-সংক্রান্ত আবেদন নিষ্পত্তি করে এ পর্যবেক্ষণ দেন।
ইশরাক হোসেনের আইনজীবী বলেন, শপথ বিষয়ে এখন সাংবিধানিকভাবে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে নির্বাচন কমিশন (ইসি) বলে জানিয়েছেন আদালত।
এর আগে, ইশরাকের মেয়র ইস্যুতে করা মামলা নিয়ে সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা উদ্বেগজনক বলেও জানান আপিল বিভাগ।
এদিকে, বুধবার (২৮ মে) বিএনপি নেতা ইশরাক হোসেনের মেয়র হিসেবে শপথ পড়ানো না পড়ানো ইস্যুতে নির্বাচন কমিশনের (ইসি) বক্তব্য শুনবেন বলে জানিয়েছিলেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদের সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে ইশরাকের শপথ বিষয়ে লিভ টু আপিলের শুনানি হয়।
এ সময় নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালের রায়ের নানা অসঙ্গতি তুলে ধরেন রিটকারীর আইনজীবী। পাল্টা জবাবে ইশরাকের আইনজীবী জানান, আদালতের রায়ের আলোকে গেজেট প্রকাশ করেছে ইসি। রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করা হবে না বলেও সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা।

২৭ মার্চ, ২০২৬ ০১:৪৩

২৫ মার্চ, ২০২৬ ১৪:৩৮
দেশের ১৮ তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, যিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ব্যাপক নির্যাতন-হয়রানির শিকার হয়েছেন। এই আলোচিত আইনজীবীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি আজ বুধবার (২৫ মার্চ) জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ওই সময় থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি শূন্য রয়েছে।

১৩ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৭
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #
বরিশালের বাবুগঞ্জে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির ঈদ পুনর্মিলনী এবং ইউনিয়ন কমিটি গঠন সংক্রান্ত এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (২৫ মার্চ) বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা বাজারে এবি পার্টির দলীয় কার্যালয়ে ওই সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্বনামধন্য সাবেক শিক্ষক আজিজুর রহমান খানকে আহবায়ক এবং অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মকর্তা জামাল হোসেন আকনকে সদস্য সচিব করে ৭ সদস্য বিশিষ্ট এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি ঘোষণা করা হয়।
ঈদ পুনর্মিলনী ও কমিটি গঠন সংক্রান্ত ওই সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন এবি পার্টির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুঁইয়া ওরফে ব্যারিস্টার ফুয়াদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির আহবায়ক মেরিন ইঞ্জিনিয়ার সুজন তালুকদার এবং সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার জি.এম রাব্বী। এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক আজিজুর রহমান খানের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম-আহবায়ক সোহরাব হোসেনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই সভায় এসময় আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বরিশাল সোসাইটির চেয়ারম্যান আমানুল্লাহ খান নোমান, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি মোয়াজ্জেম বিশ্বাস, এবি পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট তরিকুল ইসলাম নাহিদ, বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির যুগ্ম-সদস্য সচিব মোঃ রায়হান উদ্দিন, ছাত্রপক্ষের বরিশাল জেলা ও মহানগর সদস্য জাহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এবি পার্টির সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ বলেন, 'জনগণের টাকায় জনগণের জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন কাজে অর্থবরাদ্দ করে সরকার। এটা কোনো দলের টাকা নয়। এই টাকা জনগণের টাকা। আপনার-আমার ট্যাক্সের টাকা। এই টাকার লুটপাট ঠেকাতে হলে আমাদের সোচ্চার হতে হবে। জনগণের জন্য বরাদ্দকৃত কাজ জনগণকেই আদায় করে নিতে হবে।'
এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ আরো বলেন, 'ইলেকশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কারণে আমরা ভোটে জিততে পারি নাই কিন্তু তাই বলে আমরা এলাকা ছেড়ে চলে যাই নাই। আমরা এলাকায় মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকার ওয়াদা করেছি এবং সেই ওয়াদা আমরা রক্ষা করবো ইনশাআল্লাহ। গত দেড় বছরে তদবির করে বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার জন্য শতশত উন্নয়ন প্রকল্প পাস করিয়েছি। ইতোমধ্যে কিছু কাজ শুরু হয়েছে এবং বাকিগুলো প্রক্রিয়াধীন আছে। সেসব কাজ যেন সঠিকভাবে বাস্তবায়ন হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কেউ যেন কাজ না করে জনগণের টাকা তুলে খেয়ে ফেলতে না পারে সেজন্য সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। কাজ যে-ই করুক তাতে আপত্তি নাই, কিন্তু সেই কাজটা যেন সন্তোষজনক মানের হয় সেটা নিশ্চিত করতে হবে।'
বুধবার রাতে এবি পার্টির মাধবপাশা ইউনিয়নের আহবায়ক কমিটি গঠনের আগে বিকেলে সেখানে এক ঈদ পুনর্মিলনী উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। এতে এবি পার্টির বরিশাল জেলা ও মহানগর কমিটির নেতৃবৃন্দ ছাড়াও বাবুগঞ্জ এবং মুলাদী উপজেলার এবি পার্টির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা উপস্থিত ছিলেন। এসময় ব্যারিস্টার ফুয়াদ তাদের সাথে কুশল বিনিময় করেন এবং সবার খোঁজখবর নেন। এবি পার্টির প্রত্যেক আদর্শিক কর্মীকে দায় ও দরদের জায়গা থেকে দেশ এবং মানুষের সমস্যা সমাধানের রাজনীতি করার জন্য আহবান জানান ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ। #
দেশের ১৮ তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল, যিনি আওয়ামী লীগের শাসনামলে ব্যাপক নির্যাতন-হয়রানির শিকার হয়েছেন। এই আলোচিত আইনজীবীকে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি আজ বুধবার (২৫ মার্চ) জানানো হয়েছে।
এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন।
ওই সময় থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি শূন্য রয়েছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ-সদস্য ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনে সদস্যদের কণ্ঠভোটে তাকে ডেপুটি স্পিকার হিসাবে নির্বাচিত করা হয়। এরপর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন তাকে শপথ পড়ান। এ খবরে তার নিজ জেলা নেত্রকোনায় আনন্দ-উচ্ছ্বাস বইছে।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কায়সার কামালের বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান। বাবার সেই জনপ্রতিনিধিত্বের ধারাবাহিকতায় ছেলে এখন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় স্থানীয়দের মাঝে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তার ডেপুটি স্পিকার নির্বাচিত হওয়ার খবর এলাকায় ছড়িয়ে পড়তেই নির্বাচনি এলাকা ছাড়াও জেলাজুড়ে আনন্দের বন্যা বইতে শুরু করে। এর আগে ১৭ ফেব্রুয়ারি তিনি ভূমি প্রতিমন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছিলেন।
বিজ্ঞাপন
কলমাকান্দার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল বারী বলেন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অত্যন্ত মানবিক মানুষ। তিনি ডেপুটি স্পিকার হওয়ায় আমরা খুবই আনন্দিত।
স্বাধীনতার পর এই আসন থেকে প্রথমবারের মতো একজন ডেপুটি স্পিকার পেয়েছি। তার বাবাও জনপ্রতিনিধি ছিলেন। বাবাকে ছাড়িয়ে ছেলে এখন ডেপুটি স্পিকার হয়েছেন-এটা আমাদের জন্য গর্বের।
তিনি আরও বলেন, এই পরিবারটি দীর্ঘদিন ধরে জনসেবা করে আসছে। কায়সার কামালের দাদা ও নানাও পঞ্চায়েতের সভাপতি ছিলেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কায়সার কামাল দীর্ঘদিন ধরে নিজ উদ্যোগ ও অর্থায়নে কয়েক হাজার দরিদ্র ও চিকিৎসাবঞ্চিত জটিল রোগীর (হৃদরোগ, ক্যানসার, থ্যালাসেমিয়া, কিডনি, দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও মানসিক রোগী) চিকিৎসা সহায়তা দিয়েছেন। এছাড়া তিনি বিভিন্ন এলাকায় রাস্তা, অস্থায়ী সেতু, গির্জা ও মন্দিরসহ ধর্মীয় উপাসনালয়, শ্মশান ও কবরস্থান নির্মাণ ও সংস্কার করেছেন।
কায়সার কামালের জন্ম ১৯৭২ সালের ৩১ ডিসেম্বর কলমাকান্দার চত্রংপুর গ্রামে এক ঐতিহ্যবাহী মুসলিম পরিবারে। বাবা প্রয়াত মোস্তফা কামাল মনছুর ছিলেন কলমাকান্দা সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এবং মা প্রয়াত বেগম যোবাইদা কামাল ছিলেন গৃহিণী। দুই ভাই ও এক বোনের মধ্যে তিনি মেজো। ব্যক্তি জীবনে তিনি দুই সন্তানের জনক।
শিক্ষাজীবনে তিনি ময়মনসিংহ জেলা স্কুল থেকে এসএসসি, আনন্দমোহন কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পরে উচ্চশিক্ষার জন্য যুক্তরাজ্যে গিয়ে ইউনিভার্সিটি অব লভারহ্যাম্পটন থেকে এলএলবি (অনার্স) সম্পন্ন করেন এবং লিংকন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যারিস্টার-অ্যাট-ল ডিগ্রি অর্জন করেন।
১৯৮৮ সালে ছাত্র রাজনীতিতে প্রবেশের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৯৬ সালে তিনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য হন এবং একই বছর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য নির্বাচিত হন।
২০০৯ সালে তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য পদ লাভ করেন। ২০১৬ সাল থেকে তিনি দলের আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। জরুরি অবস্থার সময় তিনি জিয়া পরিবারের আইনজীবী হিসাবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।