
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:১২
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা গত মঙ্গলবার এক রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ে আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের ওপর ইরানের হামলায় ব্যবহৃত প্রতিটি ড্রোন তাঁরা ভূপাতিত না–ও করতে পারেন। তাঁদের এই সক্ষমতা না–ও থাকতে পারে। এই বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত দুজন ব্যক্তি এই তথ্য জানিয়েছেন।
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের নেতৃত্বে কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরান হাজার হাজার ‘ওয়ান-ওয়ে’ (একমুখী) অ্যাটাক ড্রোন মোতায়েন করছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ ড্রোন ভূপাতিত করার সক্ষমতা আছে ঠিকই। তবে এই বিশাল সংখ্যার সব কটি ঠেকানো সম্ভব নয়।
ক্যাপিটল হিলে আইনপ্রণেতাদের দেওয়া এক গোপন ব্রিফিংয়ে কর্মকর্তারা জানান, এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র যত দ্রুত সম্ভব ইরানের ড্রোন এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো (লঞ্চ সাইট) ধ্বংস করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।
স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় তথ্যদাতা ব্যক্তিরা নিজেদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ কথাগুলো বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ নিতে ইরান তাদের কম খরচের ‘শাহেদ’ ড্রোন উৎক্ষেপণ করছে। এগুলো নিচু দিয়ে এবং ধীরগতিতে ওড়ার কারণে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বেশি ফাঁকি দিতে সক্ষম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানের ড্রোন কৌশল হলো যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সবচেয়ে আধুনিক ‘প্যাট্রিয়ট’ এবং ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর (ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয়কারী অস্ত্র) খরচ করতে বাধ্য করা। তবে এই কৌশল ভুল এবং সফল নয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন পন্থায় এসব ড্রোন ধ্বংস করছে।
তবু কংগ্রেসের শীর্ষ ডেমোক্র্যাটরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ইরান থেকে ছোঁড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর পরিমাণে ইন্টারসেপ্টর পুড়িয়ে ফেলছে।
এ বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি জানান, জেনারেল ড্যান কেইন জনসমক্ষে গোলাবারুদের মজুত নিয়ে আত্মবিশ্বাস দেখালেও ব্যক্তিগতভাবে এ নিয়ে উদ্বেগের কথা স্বীকার করেছেন।
গতকাল বুধবার সকালে পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে কেইন বলেন, ‘আক্রমণ এবং প্রতিরক্ষা—দুই কাজের জন্যই আমাদের কাছে পর্যাপ্ত নিখুঁত গোলাবারুদ রয়েছে।’
তবে কেইন এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত বা সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি।
ইরান আগ্রাসনে এই উচ্চ হারের গোলাগুলি বা হামলা চালানো বেশ ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রাথমিক এক বিশ্লেষণের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি বলছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি ডলার করে খরচ করেছে। অবশ্য বর্তমানে সেই খরচ কমে ১০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি এসে ঠেকেছে। যুদ্ধ চলতে থাকলে এই খরচ আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের একজন মুখপাত্র অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
গত সোমবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র অনির্দিষ্টকাল ধরে এই হারে হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘মাঝারি ও উচ্চ মাঝারি মানের’ গোলাবারুদের মজুত ‘কার্যত অসীম’।
ট্রাম্প অবশ্য স্বীকার করেছেন, ‘সর্বোচ্চ মানের’ অস্ত্রগুলোর মজুত ‘যেমন থাকা উচিত তেমন পর্যায়ে নেই’।
গতকাল বুধবার ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও তা চালানোর মতো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্র রয়েছে। তিনি দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের দেওয়া পোস্টটি মূলত ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা ছিল।
লেভিট বলেন, ‘এমন সব জায়গায় আমাদের অস্ত্রের মজুত রয়েছে, যা বিশ্বের অনেকে জানেও না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাই বোঝাচ্ছিলেন, দুর্ভাগ্যবশত চার বছর ধরে এই হোয়াইট হাউসে একজন অত্যন্ত বোকা এবং অযোগ্য নেতা (বাইডেন) ছিলেন, যিনি আমাদের অনেক সেরা অস্ত্র বিনা শর্তে বিলিয়ে দিয়েছেন।’
বরিশাল টাইমস
যুক্তরাষ্ট্রের জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনছবি: রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা গত মঙ্গলবার এক রুদ্ধদ্বার ব্রিফিংয়ে আইনপ্রণেতাদের জানিয়েছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক স্থাপনা ও সম্পদের ওপর ইরানের হামলায় ব্যবহৃত প্রতিটি ড্রোন তাঁরা ভূপাতিত না–ও করতে পারেন। তাঁদের এই সক্ষমতা না–ও থাকতে পারে। এই বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত দুজন ব্যক্তি এই তথ্য জানিয়েছেন।
জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইনের নেতৃত্বে কর্মকর্তারা বলেছেন, ইরান হাজার হাজার ‘ওয়ান-ওয়ে’ (একমুখী) অ্যাটাক ড্রোন মোতায়েন করছে। যুক্তরাষ্ট্রের অধিকাংশ ড্রোন ভূপাতিত করার সক্ষমতা আছে ঠিকই। তবে এই বিশাল সংখ্যার সব কটি ঠেকানো সম্ভব নয়।
ক্যাপিটল হিলে আইনপ্রণেতাদের দেওয়া এক গোপন ব্রিফিংয়ে কর্মকর্তারা জানান, এ অবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র যত দ্রুত সম্ভব ইরানের ড্রোন এবং প্রচলিত ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপণ কেন্দ্রগুলো (লঞ্চ সাইট) ধ্বংস করার দিকে মনোযোগ দিচ্ছে।
স্পর্শকাতর বিষয় হওয়ায় তথ্যদাতা ব্যক্তিরা নিজেদের নাম প্রকাশ না করার শর্তে এ কথাগুলো বলেছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ নিতে ইরান তাদের কম খরচের ‘শাহেদ’ ড্রোন উৎক্ষেপণ করছে। এগুলো নিচু দিয়ে এবং ধীরগতিতে ওড়ার কারণে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় প্রচলিত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থাকে বেশি ফাঁকি দিতে সক্ষম বলে ধারণা করা হচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসনের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেছেন, ইরানের ড্রোন কৌশল হলো যুক্তরাষ্ট্রকে তাদের সবচেয়ে আধুনিক ‘প্যাট্রিয়ট’ এবং ‘থাড’ ইন্টারসেপ্টর (ক্ষেপণাস্ত্র নিষ্ক্রিয়কারী অস্ত্র) খরচ করতে বাধ্য করা। তবে এই কৌশল ভুল এবং সফল নয়। কারণ, যুক্তরাষ্ট্র বিভিন্ন পন্থায় এসব ড্রোন ধ্বংস করছে।
তবু কংগ্রেসের শীর্ষ ডেমোক্র্যাটরা উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছেন, ইরান থেকে ছোঁড়া ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরোধ করতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্র প্রচুর পরিমাণে ইন্টারসেপ্টর পুড়িয়ে ফেলছে।
এ বিষয়ের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি জানান, জেনারেল ড্যান কেইন জনসমক্ষে গোলাবারুদের মজুত নিয়ে আত্মবিশ্বাস দেখালেও ব্যক্তিগতভাবে এ নিয়ে উদ্বেগের কথা স্বীকার করেছেন।
গতকাল বুধবার সকালে পেন্টাগনে এক সংবাদ সম্মেলনে কেইন বলেন, ‘আক্রমণ এবং প্রতিরক্ষা—দুই কাজের জন্যই আমাদের কাছে পর্যাপ্ত নিখুঁত গোলাবারুদ রয়েছে।’
তবে কেইন এ বিষয়ে কোনো বিস্তারিত বা সুনির্দিষ্ট তথ্য দেননি।
ইরান আগ্রাসনে এই উচ্চ হারের গোলাগুলি বা হামলা চালানো বেশ ব্যয়বহুল হয়ে দাঁড়িয়েছে। প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রাথমিক এক বিশ্লেষণের সঙ্গে পরিচিত এক ব্যক্তি বলছেন, যুদ্ধের প্রথম দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন প্রায় ২০০ কোটি ডলার করে খরচ করেছে। অবশ্য বর্তমানে সেই খরচ কমে ১০০ কোটি ডলারের কাছাকাছি এসে ঠেকেছে। যুদ্ধ চলতে থাকলে এই খরচ আরও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।
হোয়াইট হাউসের এক মুখপাত্র এ বিষয়ে মন্তব্যের অনুরোধে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানান। জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের একজন মুখপাত্র অপারেশনাল নিরাপত্তার কারণে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
গত সোমবার রাতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, যুক্তরাষ্ট্র অনির্দিষ্টকাল ধরে এই হারে হামলা চালিয়ে যাওয়ার সক্ষমতা রাখে। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ‘মাঝারি ও উচ্চ মাঝারি মানের’ গোলাবারুদের মজুত ‘কার্যত অসীম’।
ট্রাম্প অবশ্য স্বীকার করেছেন, ‘সর্বোচ্চ মানের’ অস্ত্রগুলোর মজুত ‘যেমন থাকা উচিত তেমন পর্যায়ে নেই’।
গতকাল বুধবার ব্রিফিংয়ে হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলাইন লেভিট বলেছেন, ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ দীর্ঘায়িত হলেও তা চালানোর মতো যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত অস্ত্র রয়েছে। তিনি দাবি করেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রাম্পের দেওয়া পোস্টটি মূলত ইউক্রেনে অস্ত্র পাঠানোর বিষয়ে বাইডেন প্রশাসনের সিদ্ধান্তের সমালোচনা ছিল।
লেভিট বলেন, ‘এমন সব জায়গায় আমাদের অস্ত্রের মজুত রয়েছে, যা বিশ্বের অনেকে জানেও না। প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এটাই বোঝাচ্ছিলেন, দুর্ভাগ্যবশত চার বছর ধরে এই হোয়াইট হাউসে একজন অত্যন্ত বোকা এবং অযোগ্য নেতা (বাইডেন) ছিলেন, যিনি আমাদের অনেক সেরা অস্ত্র বিনা শর্তে বিলিয়ে দিয়েছেন।’
বরিশাল টাইমস

০৬ মার্চ, ২০২৬ ০২:১৪
জেরুজালেমের পবিত্র আল আকসা মসজিদে আজ শুক্রবার জুমার নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরায়েল। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রশাসন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি বেসামরিক প্রশাসন এক বিবৃতিতে জানায়, চলতি সপ্তাহে আল আকসা মসজিদে শুক্রবারের জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে না। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনের দখলকৃত জেরুজালেমে অবস্থিত আল আকসা মসজিদ মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র স্থান। ১৯৬৭ সালের ছয়দিনের যুদ্ধের পর জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল। এরপর থেকেই এই পবিত্র এলাকার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে রয়েছে।
ইসরায়েলি বেসামরিক প্রশাসনের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিশাম ইব্রাহিম এক বিবৃতিতে বলেছেন, জেরুজালেমের পুরান শহরের সব পবিত্র স্থান শুক্রবার বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েস্টার্ন ওয়াল, আল আকসা মসজিদ, চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকার।
তিনি বলেন, এসব স্থানে কোনো ইবাদতকারী, পর্যটক কিংবা অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
সূত্র আল জাজিরা
জেরুজালেমের পবিত্র আল আকসা মসজিদে আজ শুক্রবার জুমার নামাজ আদায়ে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইসরায়েল। নিরাপত্তা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলি প্রশাসন।
গতকাল বৃহস্পতিবার ইসরায়েলি বেসামরিক প্রশাসন এক বিবৃতিতে জানায়, চলতি সপ্তাহে আল আকসা মসজিদে শুক্রবারের জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হবে না। ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েলের চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা শঙ্কার কারণে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে।
ফিলিস্তিনের দখলকৃত জেরুজালেমে অবস্থিত আল আকসা মসজিদ মুসলমানদের অন্যতম পবিত্র স্থান। ১৯৬৭ সালের ছয়দিনের যুদ্ধের পর জেরুজালেম দখল করে নেয় ইসরায়েল। এরপর থেকেই এই পবিত্র এলাকার প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণ ইসরায়েলের হাতে রয়েছে।
ইসরায়েলি বেসামরিক প্রশাসনের প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হিশাম ইব্রাহিম এক বিবৃতিতে বলেছেন, জেরুজালেমের পুরান শহরের সব পবিত্র স্থান শুক্রবার বন্ধ থাকবে। এর মধ্যে রয়েছে ওয়েস্টার্ন ওয়াল, আল আকসা মসজিদ, চার্চ অব দ্য হোলি সেপালকার।
তিনি বলেন, এসব স্থানে কোনো ইবাদতকারী, পর্যটক কিংবা অন্য কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।
সূত্র আল জাজিরা

০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৯:৫২
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব ইতিমধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে।
এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হির্স।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের এই লেকচারার আল-জাজিরাকে বলেন, ‘যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসা তেলের অর্ধেকও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তেলের দাম একটা সময়ে প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে উঠে যেতে পারে।
মার্কিন নৌবাহিনী এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করা ট্যাংকারগুলোকে আর পাহারা দিতে না পারায় এমন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’ হির্স আরো বলেন, ‘তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাজারে আমরা এরই মধ্যে প্রভাব পড়তে দেখছি। (হামলার) প্রথম দিনেই দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। গত সোম ও মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপের দেশগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
ডিজেলের দামও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে উল্লেখ করে হির্স বলেন, ‘গ্যাসনির্ভর দেশগুলো এখন পেট্রোলিয়াম মজুত করতে শুরু করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঙ্গরাজ্যের ভবিষ্যৎ অর্ডারেও প্রভাব ফেলছে।’
হির্স সতর্ক করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলোতে এই পরিস্থিতির বড় প্রভাব পড়বে। এমনটা ঘটলে অভ্যন্তরীণভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য পরিস্থিতি খুব খারাপ হবে, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।’
বরিশাল টাইমস
ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের চলমান সামরিক অভিযানের কারণে মধ্যপ্রাচ্যে জ্বালানি সরবরাহে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব ইতিমধ্যে বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে পড়তে শুরু করেছে।
এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল সরবরাহ ব্যাহত হলে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১৫০ ডলার পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে বলে সতর্ক করেছেন জ্বালানি অর্থনীতিবিদ এড হির্স।
যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব হিউস্টনের এই লেকচারার আল-জাজিরাকে বলেন, ‘যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে আসা তেলের অর্ধেকও বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে তেলের দাম একটা সময়ে প্রতি ব্যারেল ১৫০ ডলারে উঠে যেতে পারে।
মার্কিন নৌবাহিনী এই প্রণালি দিয়ে চলাচল করা ট্যাংকারগুলোকে আর পাহারা দিতে না পারায় এমন হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।’ হির্স আরো বলেন, ‘তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) বাজারে আমরা এরই মধ্যে প্রভাব পড়তে দেখছি। (হামলার) প্রথম দিনেই দাম ৪০ শতাংশের বেশি বেড়েছে। গত সোম ও মঙ্গলবারের মধ্যে ইউরোপের দেশগুলোতে প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে।
ডিজেলের দামও অস্বাভাবিক হারে বেড়েছে উল্লেখ করে হির্স বলেন, ‘গ্যাসনির্ভর দেশগুলো এখন পেট্রোলিয়াম মজুত করতে শুরু করেছে, যা যুক্তরাষ্ট্রের কিছু অঙ্গরাজ্যের ভবিষ্যৎ অর্ডারেও প্রভাব ফেলছে।’
হির্স সতর্ক করে বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চলের অঙ্গরাজ্যগুলোতে এই পরিস্থিতির বড় প্রভাব পড়বে। এমনটা ঘটলে অভ্যন্তরীণভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের জন্য পরিস্থিতি খুব খারাপ হবে, বিশেষ করে আসন্ন মধ্যবর্তী নির্বাচনের প্রেক্ষাপটে।’
বরিশাল টাইমস

০৫ মার্চ, ২০২৬ ১৬:২৫
প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোর ওপর ইরানের চলমান হামলার বিষয়ে আবারও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আরব লিগের মহাসচিব আহমেদ আবুল ঘেইত। বুধবার (৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে ঘেইত বলেন, এসব হামলা কেবল আন্তর্জাতিক আইনের ‘চরম’ লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ প্রতিবেশীসুলভ’ আচরণের নীতির ওপর এক বড় আঘাত।
ঘেইত আরও জানান, ইরানের এই আগ্রাসন আরব দেশগুলোর সঙ্গে দেশটির এক ‘নজিরবিহীন’ শত্রুতা তৈরি করেছে, যা ভবিষ্যতে দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ‘গভীর প্রভাব’ ফেলবে।
আরব লিগের প্রধান যোগ করেন, ইরান বর্তমানে যে সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা কোনো আরব রাষ্ট্রই ছোট করে দেখছে না। তবে এই সংকট অন্য কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর হামলা করার জন্য গ্রহণযোগ্য অজুহাত হতে পারে না।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ১৯তম দফার হামলা শুরু করেছে ইরান। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো মিত্র তুরস্কে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে ইরান। তবে তা সফলভাবে ভূপাতিত করে আঙ্কারা। এছাড়াও, সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কামিশলিতে আঘাত হেনেছে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে, ইরাকে কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের হেডকোয়ার্টারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। দেশটির ইরবিল বিমানবন্দরের কাছেও আঘাত হানে তেহরানের একটি ড্রোন।
আল-খার্জ শহরে তেহরানের তিনটি ক্রুজ মিসাইল প্রতিহতের দাবি করেছে সৌদি আরব।
প্রতিবেশী আরব রাষ্ট্রগুলোর ওপর ইরানের চলমান হামলার বিষয়ে আবারও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন আরব লিগের মহাসচিব আহমেদ আবুল ঘেইত। বুধবার (৪ মার্চ) এক বিবৃতিতে ঘেইত বলেন, এসব হামলা কেবল আন্তর্জাতিক আইনের ‘চরম’ লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ প্রতিবেশীসুলভ’ আচরণের নীতির ওপর এক বড় আঘাত।
ঘেইত আরও জানান, ইরানের এই আগ্রাসন আরব দেশগুলোর সঙ্গে দেশটির এক ‘নজিরবিহীন’ শত্রুতা তৈরি করেছে, যা ভবিষ্যতে দেশগুলোর পারস্পরিক সম্পর্কের ওপর ‘গভীর প্রভাব’ ফেলবে।
আরব লিগের প্রধান যোগ করেন, ইরান বর্তমানে যে সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তা কোনো আরব রাষ্ট্রই ছোট করে দেখছে না। তবে এই সংকট অন্য কোনো সার্বভৌম রাষ্ট্রের ওপর হামলা করার জন্য গ্রহণযোগ্য অজুহাত হতে পারে না।
এদিকে বৃহস্পতিবার সকালে ১৯তম দফার হামলা শুরু করেছে ইরান। এর আগে, যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাটো মিত্র তুরস্কে ব্যালিস্টিক মিসাইল ছোড়ে ইরান। তবে তা সফলভাবে ভূপাতিত করে আঙ্কারা। এছাড়াও, সিরিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় কামিশলিতে আঘাত হেনেছে একটি ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র। এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি।
এদিকে, ইরাকে কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের হেডকোয়ার্টারে ড্রোন হামলা চালিয়েছে আইআরজিসি। দেশটির ইরবিল বিমানবন্দরের কাছেও আঘাত হানে তেহরানের একটি ড্রোন।
আল-খার্জ শহরে তেহরানের তিনটি ক্রুজ মিসাইল প্রতিহতের দাবি করেছে সৌদি আরব।
০৬ মার্চ, ২০২৬ ০২:১৪
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২২:২৪
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২১:১৩
০৫ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৪