চলতি বছরের শেষদিকে দেশের সাত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মনোনয়নের কাজও এগিয়ে নিয়েছে দলটি।
বরিশাল সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। হাইকমান্ডের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে নিহত তার ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছোট ছেলে এবং আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ছোট ভাই আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত। বিশেষ করে খোকন সেরনিয়াবাতের ওপরে সুনজর রয়েছে প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার। তবে একই পরিবারের সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকেও মাথায় রাখছেন তারা।
বঙ্গবন্ধুর পরিবারের এই দুই সদস্যের কে পাবেন দলীয় মনোনয়ন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনের আগ মুহূর্তের পরিবেশ এবং পরিবারের অন্যদের মতামতের ভিত্তিতে। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরও নির্ভর করতে হতে পারে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এতোদিন চট্টগ্রামেই বেশি থেকেছেন হঠাৎ আলোচনায় আসা খোকন সেরনিয়াবাত। বরিশালে গেলে থাকেন তার শ্বশুরের বাসা নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ডে। ঢাকায় বসবাস করেন ধানমণ্ডিতে।
বরিশালের নেতারা জানান, পঁচাত্তরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিভৃতচারী পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী খোকন সেরনিয়াবাতের দলে কোনো পদ-পদবি নেই। সাবেক সংসদ সদস্য ও সিটি মেয়র শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পরে প্রথম মহানগর আওয়ামী লীগের শোকসভা ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এখন মাঝে-মধ্যেই এসে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য ভোজসভার আয়োজন করে থাকেন ভোজনরসিক খোকন।
পারিবারিকভাবে অনেক আগে থেকেই সম্পর্কে ভাতিজা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে খোকন সেরনিয়াবাতের চাপা দ্বন্দ্ব রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে এখন মনোনয়ন নিয়ে তা বাড়ছে বলেও জানান আওয়ামী লীগের নেতারা।
খোকন সেরনিয়াবাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবেই শুনেছি। এটি সম্পূর্ণ দল ও নেত্রীর বিষয়। বরিশালের মানুষের চাওয়া-না চাওয়ার বিষয়ও থাকতে পারে। নেত্রী ও বরিশালের মানুষ যদি আমাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চান, তখনতো চিন্তা করতেই হবে’।
বড় ভাইয়ের ছেলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র সম্ভাব্য প্রার্থীতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ইচ্ছার স্বাধীনতা সবারই আছে। তিনি যদি প্রার্থী হন এবং দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয়, তাতে কোনো সমস্যা দেখি না। তার সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই, দ্বন্দ্বও নেই’।
অন্যদিকে ২০১৪ সালে শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উত্থান ঘটে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনেরও নেতৃত্বে আছেন।
বর্তমানে বরিশাল মহানগর ও সদর উপজেলার আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে অঘোষিতভাবেই রয়েছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য হওয়ায় প্রভাব আর নেতৃত্বগুণে তৃণমূলের বেশিরভাগ নেতাকর্মী তার সঙ্গেই থাকেন।
অবশ্য বদনামও রয়েছে তার। হিরণের সঙ্গে হাসানাত পরিবারের পুরনো দ্বন্দ্ব গড়িয়েছে হিরণপতœী বরিশাল সদর আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজের সঙ্গেও। আর সাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বর্তমানে জেবুন্নেছাপন্থীদেরকে দলে অনেকটাই কোনঠাসা করে রেখেছেন তিনি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বরিশালের সকল সরকারি দপ্তরেই রয়েছে তার একক আধিপত্য। ২০১৫ সালের ৩০ জানুয়ারি মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে কুয়াকাটার হোটেলরুমে গুলিবিদ্ধ হন। ওই গুলি সাদিকের আগ্নেয়াস্ত্র থেকেই বের হয়েছিল বলে প্রথমে অভিযোগ উঠলেও অজ্ঞাত কারণে তা আর সামনে আসেনি। যদিও পরে একান্ত ঘনিষ্টজন টুটুলের চিকিৎসা ও কৃত্রিম পা বসানোর কাজ সাদিকের চেষ্টায়ই সফল হয়।
চেষ্টা করেও সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে এসব বিষয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি।’’

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৯

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:০০

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২৪

২৯ মে, ২০২৫ ১৭:৪৫
চলতি বছরের শেষদিকে দেশের সাত সিটি করপোরেশন নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে আওয়ামী লীগ। সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মনোনয়নের কাজও এগিয়ে নিয়েছে দলটি।
বরিশাল সিটিতে আওয়ামী লীগের প্রার্থীও প্রায় চূড়ান্ত হয়ে গেছে। হাইকমান্ডের পছন্দের তালিকায় শীর্ষে রয়েছেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সঙ্গে নিহত তার ভগ্নিপতি আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের ছোট ছেলে এবং আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র ছোট ভাই আবুল খায়ের আব্দুল্লাহ ওরফে খোকন সেরনিয়াবাত। বিশেষ করে খোকন সেরনিয়াবাতের ওপরে সুনজর রয়েছে প্রধানমন্ত্রী আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার। তবে একই পরিবারের সদস্য আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহকেও মাথায় রাখছেন তারা।
বঙ্গবন্ধুর পরিবারের এই দুই সদস্যের কে পাবেন দলীয় মনোনয়ন, তা নির্ভর করবে নির্বাচনের আগ মুহূর্তের পরিবেশ এবং পরিবারের অন্যদের মতামতের ভিত্তিতে। শেষ পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সিদ্ধান্তের ওপরও নির্ভর করতে হতে পারে।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, এতোদিন চট্টগ্রামেই বেশি থেকেছেন হঠাৎ আলোচনায় আসা খোকন সেরনিয়াবাত। বরিশালে গেলে থাকেন তার শ্বশুরের বাসা নগরীর ব্রাউন কম্পাউন্ডে। ঢাকায় বসবাস করেন ধানমণ্ডিতে।
বরিশালের নেতারা জানান, পঁচাত্তরের নির্মম হত্যাকাণ্ডের পর থেকে নিভৃতচারী পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী খোকন সেরনিয়াবাতের দলে কোনো পদ-পদবি নেই। সাবেক সংসদ সদস্য ও সিটি মেয়র শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পরে প্রথম মহানগর আওয়ামী লীগের শোকসভা ও দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন তিনি। এখন মাঝে-মধ্যেই এসে স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের জন্য ভোজসভার আয়োজন করে থাকেন ভোজনরসিক খোকন।
পারিবারিকভাবে অনেক আগে থেকেই সম্পর্কে ভাতিজা সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে খোকন সেরনিয়াবাতের চাপা দ্বন্দ্ব রয়েছে। রাজনৈতিকভাবে এখন মনোনয়ন নিয়ে তা বাড়ছে বলেও জানান আওয়ামী লীগের নেতারা।
খোকন সেরনিয়াবাত সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বিষয়টি অনানুষ্ঠানিকভাবেই শুনেছি। এটি সম্পূর্ণ দল ও নেত্রীর বিষয়। বরিশালের মানুষের চাওয়া-না চাওয়ার বিষয়ও থাকতে পারে। নেত্রী ও বরিশালের মানুষ যদি আমাকে মেয়র হিসেবে দেখতে চান, তখনতো চিন্তা করতেই হবে’।
বড় ভাইয়ের ছেলে সাদিক আব্দুল্লাহ’র সম্ভাব্য প্রার্থীতা সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ইচ্ছার স্বাধীনতা সবারই আছে। তিনি যদি প্রার্থী হন এবং দল যদি তাকে মনোনয়ন দেয়, তাতে কোনো সমস্যা দেখি না। তার সঙ্গে আমার কোনো বিরোধ নেই, দ্বন্দ্বও নেই’।
অন্যদিকে ২০১৪ সালে শওকত হোসেন হিরণের মৃত্যুর পর বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে উত্থান ঘটে আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র বড় ছেলে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহ’র। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিক বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনেরও নেতৃত্বে আছেন।
বর্তমানে বরিশাল মহানগর ও সদর উপজেলার আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগসহ অঙ্গসংগঠনের বেশিরভাগ নেতাকর্মীদের নেতৃত্বে অঘোষিতভাবেই রয়েছেন তিনি। বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্য হওয়ায় প্রভাব আর নেতৃত্বগুণে তৃণমূলের বেশিরভাগ নেতাকর্মী তার সঙ্গেই থাকেন।
অবশ্য বদনামও রয়েছে তার। হিরণের সঙ্গে হাসানাত পরিবারের পুরনো দ্বন্দ্ব গড়িয়েছে হিরণপতœী বরিশাল সদর আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজের সঙ্গেও। আর সাদিকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, বর্তমানে জেবুন্নেছাপন্থীদেরকে দলে অনেকটাই কোনঠাসা করে রেখেছেন তিনি।
আরও অভিযোগ রয়েছে, বরিশালের সকল সরকারি দপ্তরেই রয়েছে তার একক আধিপত্য। ২০১৫ সালের ৩০ জানুয়ারি মহানগর আওয়ামী লীগের বর্তমান শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে বেড়াতে গিয়ে কুয়াকাটার হোটেলরুমে গুলিবিদ্ধ হন। ওই গুলি সাদিকের আগ্নেয়াস্ত্র থেকেই বের হয়েছিল বলে প্রথমে অভিযোগ উঠলেও অজ্ঞাত কারণে তা আর সামনে আসেনি। যদিও পরে একান্ত ঘনিষ্টজন টুটুলের চিকিৎসা ও কৃত্রিম পা বসানোর কাজ সাদিকের চেষ্টায়ই সফল হয়।
চেষ্টা করেও সাদিক আব্দুল্লাহ’র সঙ্গে এসব বিষয়ে কথা বলা সম্ভব হয়নি।’’
"আমি শপথ করছি যে, সরকারি আবুল কালাম কলেজের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসবো। আমার ক্যাম্পাসকে সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মাদকমুক্ত রাখবো। নিজে কখনো মাদক গ্রহণ করবো না এবং এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাউকে মাদক গ্রহণ করতে দেবো না। মা-বাবা এবং শিক্ষকের সাথে কখনো অশোভন আচরণ করবো না। তাদের অমর্যাদা হয় এমন কাজ থেকে সর্বদা বিরত থাকবো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম পরিপন্থী বা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে কখনো লিপ্ত হব না। পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা অর্জনের চেষ্টা করবো। সবার আগে নিজের দেশকে ভালোবাসবো। একজন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে পরিবারের, সমাজের এবং দেশের জন্য সর্বদা কাজ করবো। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন। আমিন।" সমস্বরে এমনই এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী শপথ করেছেন বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সরকারি আবুল কালাম কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সরকারি আবুল কালাম কলেজ মিলনায়তনে একাদশ শ্রেণির এক বর্ণাঢ্য নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওই অঙ্গীকার করেন কলেজের উপস্থিত শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে ওই শপথবাক্য পাঠ করান বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
সরকারি আবুল কালাম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুপম রায়ের সভাপতিত্বে এবং বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নুরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই নবীন বরণ অনুষ্ঠানে এসময় বক্তব্য রাখেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, পৌরনীতি ও সুশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল হক রোকন, হিসাব বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক আলী হোসেন শরীফ, ছাত্রনেতা নাঈম হাসান, রাকিব সিকদার, মেহেদী হাসান, শিক্ষার্থী তাইয়্যেবা রহমান প্রমুখ।
নবীন বরণ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের ব্যান্ড-শোসহ বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সরকারি আবুল কালাম কলেজের বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নুরুন্নবী রাসেল। এসময় তিনি নব্বই দশকের জনপ্রিয় তাঁর এভারগ্রীণ ব্যান্ডের কালজয়ী ঐতিহাসিক গান 'ভেঙে দাও ফারাক্কা' গেয়ে উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেন। কলেজ শিক্ষকদের মধ্য থেকে এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রভাষক নুসরাত জাহান ও প্রভাষক লেলিন তালুকদার। কবিতা আবৃত্তি করেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুপম রায়। এসময় মনোজ্ঞ সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনায় শিক্ষার্থীদের মাতোয়ারা করে বরিশাল শিল্পগোষ্ঠীর ব্যান্ডদল। #
"আমি শপথ করছি যে, সরকারি আবুল কালাম কলেজের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসবো। আমার ক্যাম্পাসকে সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মাদকমুক্ত রাখবো। নিজে কখনো মাদক গ্রহণ করবো না এবং এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাউকে মাদক গ্রহণ করতে দেবো না। মা-বাবা এবং শিক্ষকের সাথে কখনো অশোভন আচরণ করবো না। তাদের অমর্যাদা হয় এমন কাজ থেকে সর্বদা বিরত থাকবো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম পরিপন্থী বা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে কখনো লিপ্ত হব না। পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা অর্জনের চেষ্টা করবো। সবার আগে নিজের দেশকে ভালোবাসবো। একজন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে পরিবারের, সমাজের এবং দেশের জন্য সর্বদা কাজ করবো। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন। আমিন।" সমস্বরে এমনই এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী শপথ করেছেন বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সরকারি আবুল কালাম কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সরকারি আবুল কালাম কলেজ মিলনায়তনে একাদশ শ্রেণির এক বর্ণাঢ্য নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওই অঙ্গীকার করেন কলেজের উপস্থিত শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে ওই শপথবাক্য পাঠ করান বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
সরকারি আবুল কালাম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুপম রায়ের সভাপতিত্বে এবং বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নুরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই নবীন বরণ অনুষ্ঠানে এসময় বক্তব্য রাখেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, পৌরনীতি ও সুশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল হক রোকন, হিসাব বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক আলী হোসেন শরীফ, ছাত্রনেতা নাঈম হাসান, রাকিব সিকদার, মেহেদী হাসান, শিক্ষার্থী তাইয়্যেবা রহমান প্রমুখ।
নবীন বরণ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের ব্যান্ড-শোসহ বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সরকারি আবুল কালাম কলেজের বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নুরুন্নবী রাসেল। এসময় তিনি নব্বই দশকের জনপ্রিয় তাঁর এভারগ্রীণ ব্যান্ডের কালজয়ী ঐতিহাসিক গান 'ভেঙে দাও ফারাক্কা' গেয়ে উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেন। কলেজ শিক্ষকদের মধ্য থেকে এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রভাষক নুসরাত জাহান ও প্রভাষক লেলিন তালুকদার। কবিতা আবৃত্তি করেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুপম রায়। এসময় মনোজ্ঞ সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনায় শিক্ষার্থীদের মাতোয়ারা করে বরিশাল শিল্পগোষ্ঠীর ব্যান্ডদল। #
প্রকৃতি যখন নিজের হাতে কোনো ক্যানভাস সাজায়, তখন তার রূপ কেমন হতে পারে, তা বরিশালের সাতলা বিলে না গেলে অনুধাবন করা অসম্ভব। শরতের ভোরের আলো ফুটতেই এখানে চোখ জুড়িয়ে যায় এক অলৌকিক দৃশ্যে। মাইলের পর মাইল বিস্তৃত এক জলাশয়, আর তার বুক চিরে মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে আছে কোটি কোটি লাল শাপলা। দূর থেকে মনে হবে যেন সবুজ পাতার বিছানায় কেউ লাল গালিচা পেতে রেখেছে, কিংবা ভোরের উদীয়মান সূর্যটাই টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে পানির বুকে।বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা হলেও, একসঙ্গে এত শাপলার মেলা দেশের আর কোথাও দেখা যায় না। তাই বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার এই সাতলা গ্রামটি এখন সারা দেশে পরিচিত 'শাপলার রাজধানী' বা 'লাল শাপলার স্বর্গরাজ্য' হিসেবে।
বছরের অন্য সময়ে সাতলা বিল দেখতে আর দশটা সাধারণ জলাভূমির মতোই মনে হয়। শুষ্ক মৌসুমে এখানে চাষ হয় ইরি ধান। কিন্তু বর্ষার পানি আসতেই বিলটি তার রূপ বদলাতে শুরু করে। মে-জুন মাস থেকে বিলে পানি জমতে শুরু করলে প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেয় লাল শাপলা। আগস্ট থেকে শুরু করে নভেম্বর পর্যন্ত চলে শাপলার এই রাজত্ব। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে বিলের সৌন্দর্য পৌঁছায় তার চূড়ায়। ভোরের আলোয় লাল শাপলার মেলাসাতলা বিলের আসল রূপ দেখতে হলে আপনাকে ঘুমকে ছুটি দিতে হবে। সূর্য ওঠার ঠিক আগে, যখন চারপাশ হালকা কুয়াশায় ঢাকা থাকে, তখন বিলের রূপ সবচেয়ে মোহনীয় দেখায়। ভোরের নরম আলোয় পাপড়ি মেলে ধরা শাপলাগুলোর ওপর যখন ভোরের শিশিরবিন্দু জমে থাকে, তখন মনে হয় যেন মুক্তো ছড়ানো রয়েছে। সকাল ৮টা বা ৯টা বেজে যাওয়ার পর যখন রোদের তীব্রতা বাড়ে, তখন ফুলগুলো ধীরে ধীরে বুজে যায়। তাই সাতলার সৌন্দর্য উপভোগ করার মোক্ষম সময় হলো ভোর ৬টা থেকে সকাল ৮টা।বিলের জীবন ও জীবিকাসাতলা বিল শুধু পর্যটকদের জন্যই আনন্দের খোরাক নয়, এটি স্থানীয় শত শত পরিবারের জীবিকার প্রধান উৎস। বিলের বুকজুড়ে যখন নৌকায় করে পর্যটকেরা ঘুরে বেড়ায়, স্থানীয় মাঝিরা গল্প শোনায় এই বিলের। অনেকে আবার বিল থেকে শাপলা তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। এই শাপলা দিয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু তরকারি। শুধু তাই নয়, বিলের মিষ্টি শালুকও স্থানীয়দের অন্যতম প্রিয় খাবার।
বরিশাল সদর কিংবা উজিরপুর উপজেলা থেকে খুব সহজেই সাতলা বিলে যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে লঞ্চ বা বাসে বরিশাল এসে, সেখান থেকে মাহিন্দ্র (থ্রি-হুইলার) বা বাস যোগে শিকারপুর হয়ে শাতলা যাওয়া যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করেও উজিরপুর বা সাতলা যাওয়া সম্ভব। বিলে ঘোরার জন্য স্থানীয় ঘাটে ছোট ছোট ডিঙি নৌকা পাওয়া যায়, যা ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে ভাড়া নেওয়া যায়।
প্রকৃতির এই অপরূপ সৃষ্টিকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। ভ্রমণের সময় প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট বা কোনো বর্জ্য বিলে ফেলে পানি দূষিত করবেন না। মনে রাখবেন, ফুল গাছের চেয়ে পানির বুকেই সবচেয়ে বেশি সুন্দর। তাই অকারণে ফুল ছিঁড়ে প্রকৃতির এই সৌন্দর্য নষ্ট করা থেকে বিরত থাকাই একজন সচেতন ভ্রমণকারীর পরিচয়। ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি মুছে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এক চিলতে শান্তি পেতে চাইলে, শরতের কোনো এক ভোরে ঘুরে আসতেই পারেন লাল শাপলার এই স্বর্গরাজ্য থেকে।’
প্রকৃতি যখন নিজের হাতে কোনো ক্যানভাস সাজায়, তখন তার রূপ কেমন হতে পারে, তা বরিশালের সাতলা বিলে না গেলে অনুধাবন করা অসম্ভব। শরতের ভোরের আলো ফুটতেই এখানে চোখ জুড়িয়ে যায় এক অলৌকিক দৃশ্যে। মাইলের পর মাইল বিস্তৃত এক জলাশয়, আর তার বুক চিরে মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে আছে কোটি কোটি লাল শাপলা। দূর থেকে মনে হবে যেন সবুজ পাতার বিছানায় কেউ লাল গালিচা পেতে রেখেছে, কিংবা ভোরের উদীয়মান সূর্যটাই টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে পানির বুকে।বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা হলেও, একসঙ্গে এত শাপলার মেলা দেশের আর কোথাও দেখা যায় না। তাই বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার এই সাতলা গ্রামটি এখন সারা দেশে পরিচিত 'শাপলার রাজধানী' বা 'লাল শাপলার স্বর্গরাজ্য' হিসেবে।
বছরের অন্য সময়ে সাতলা বিল দেখতে আর দশটা সাধারণ জলাভূমির মতোই মনে হয়। শুষ্ক মৌসুমে এখানে চাষ হয় ইরি ধান। কিন্তু বর্ষার পানি আসতেই বিলটি তার রূপ বদলাতে শুরু করে। মে-জুন মাস থেকে বিলে পানি জমতে শুরু করলে প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেয় লাল শাপলা। আগস্ট থেকে শুরু করে নভেম্বর পর্যন্ত চলে শাপলার এই রাজত্ব। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে বিলের সৌন্দর্য পৌঁছায় তার চূড়ায়। ভোরের আলোয় লাল শাপলার মেলাসাতলা বিলের আসল রূপ দেখতে হলে আপনাকে ঘুমকে ছুটি দিতে হবে। সূর্য ওঠার ঠিক আগে, যখন চারপাশ হালকা কুয়াশায় ঢাকা থাকে, তখন বিলের রূপ সবচেয়ে মোহনীয় দেখায়। ভোরের নরম আলোয় পাপড়ি মেলে ধরা শাপলাগুলোর ওপর যখন ভোরের শিশিরবিন্দু জমে থাকে, তখন মনে হয় যেন মুক্তো ছড়ানো রয়েছে। সকাল ৮টা বা ৯টা বেজে যাওয়ার পর যখন রোদের তীব্রতা বাড়ে, তখন ফুলগুলো ধীরে ধীরে বুজে যায়। তাই সাতলার সৌন্দর্য উপভোগ করার মোক্ষম সময় হলো ভোর ৬টা থেকে সকাল ৮টা।বিলের জীবন ও জীবিকাসাতলা বিল শুধু পর্যটকদের জন্যই আনন্দের খোরাক নয়, এটি স্থানীয় শত শত পরিবারের জীবিকার প্রধান উৎস। বিলের বুকজুড়ে যখন নৌকায় করে পর্যটকেরা ঘুরে বেড়ায়, স্থানীয় মাঝিরা গল্প শোনায় এই বিলের। অনেকে আবার বিল থেকে শাপলা তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। এই শাপলা দিয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু তরকারি। শুধু তাই নয়, বিলের মিষ্টি শালুকও স্থানীয়দের অন্যতম প্রিয় খাবার।
বরিশাল সদর কিংবা উজিরপুর উপজেলা থেকে খুব সহজেই সাতলা বিলে যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে লঞ্চ বা বাসে বরিশাল এসে, সেখান থেকে মাহিন্দ্র (থ্রি-হুইলার) বা বাস যোগে শিকারপুর হয়ে শাতলা যাওয়া যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করেও উজিরপুর বা সাতলা যাওয়া সম্ভব। বিলে ঘোরার জন্য স্থানীয় ঘাটে ছোট ছোট ডিঙি নৌকা পাওয়া যায়, যা ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে ভাড়া নেওয়া যায়।
প্রকৃতির এই অপরূপ সৃষ্টিকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। ভ্রমণের সময় প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট বা কোনো বর্জ্য বিলে ফেলে পানি দূষিত করবেন না। মনে রাখবেন, ফুল গাছের চেয়ে পানির বুকেই সবচেয়ে বেশি সুন্দর। তাই অকারণে ফুল ছিঁড়ে প্রকৃতির এই সৌন্দর্য নষ্ট করা থেকে বিরত থাকাই একজন সচেতন ভ্রমণকারীর পরিচয়। ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি মুছে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এক চিলতে শান্তি পেতে চাইলে, শরতের কোনো এক ভোরে ঘুরে আসতেই পারেন লাল শাপলার এই স্বর্গরাজ্য থেকে।’
বরিশালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষক নেতা, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাঁকে শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত, দোয়া মোনাজাত, বৃক্ষরোপণ, প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং এক আবেগঘন স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল নগরীর রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের শিক্ষা, সাহিত্য, সমাজসেবা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। স্মরণসভায় তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘যে জীবন মানুষের’ প্রদর্শিত হয়।

স্মরণসভায় উপস্থিত থেকে মরহুমের স্মৃতি ও কাজের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল জেলা সভাপতি ও টিআইবি প্রতিনিধি প্রফেসর গাজী জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা, সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর স ম ইমানুল হাকিম ও প্রফেসর ড. ননী গোপাল দাস, বিএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ফজলুল হক, এবং ঝালকাঠি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর নুরুল আমিন।
এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন বাকশিস বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সভাপতি অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মাহাবুবুর রহমান, সনাক সভাপতি অধ্যাপিকা টুনু রানী কর্মকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজল ঘোষ, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম, বরিশাল মহানগর কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফখরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ এম. এ. বায়েজিদ, বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, নীলু-মনু ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক নজরুল হক নিলু, শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা বেগম ফয়জুন নাহার শেলী, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খোকন এবং ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর বিমল চক্রবর্তী।

উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা বলেন, 'অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন কেবল একজন সফল শিক্ষাবিদ বা শিক্ষক নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠান গড়ার কারিগর ও মানবিকতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। হিজলা কলেজ, ঝালকাঠি মহিলা কলেজ ও সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি শিক্ষক সমাজ ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন লড়ে গেছেন। প্রগতিশীল চেতনা, অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি এবং নীরব সমাজসেবার মাধ্যমে তিনি যে আদর্শ রেখে গেছেন, তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।'
উল্লেখ্য, অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের বড় ছেলে ড. মো. বাহাউদ্দিন গোলাপ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এবং ছোট ছেলে রেহান উদ্দিন রোমান পেট্রোবাংলার কর্মকর্তা। দীর্ঘ কর্মময় জীবন শেষে ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মহীয়সী ব্যক্তিত্ব। আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। #

বরিশালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষক নেতা, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাঁকে শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত, দোয়া মোনাজাত, বৃক্ষরোপণ, প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং এক আবেগঘন স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল নগরীর রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের শিক্ষা, সাহিত্য, সমাজসেবা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। স্মরণসভায় তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘যে জীবন মানুষের’ প্রদর্শিত হয়।

স্মরণসভায় উপস্থিত থেকে মরহুমের স্মৃতি ও কাজের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল জেলা সভাপতি ও টিআইবি প্রতিনিধি প্রফেসর গাজী জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা, সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর স ম ইমানুল হাকিম ও প্রফেসর ড. ননী গোপাল দাস, বিএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ফজলুল হক, এবং ঝালকাঠি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর নুরুল আমিন।
এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন বাকশিস বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সভাপতি অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মাহাবুবুর রহমান, সনাক সভাপতি অধ্যাপিকা টুনু রানী কর্মকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজল ঘোষ, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম, বরিশাল মহানগর কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফখরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ এম. এ. বায়েজিদ, বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, নীলু-মনু ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক নজরুল হক নিলু, শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা বেগম ফয়জুন নাহার শেলী, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খোকন এবং ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর বিমল চক্রবর্তী।

উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা বলেন, 'অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন কেবল একজন সফল শিক্ষাবিদ বা শিক্ষক নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠান গড়ার কারিগর ও মানবিকতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। হিজলা কলেজ, ঝালকাঠি মহিলা কলেজ ও সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি শিক্ষক সমাজ ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন লড়ে গেছেন। প্রগতিশীল চেতনা, অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি এবং নীরব সমাজসেবার মাধ্যমে তিনি যে আদর্শ রেখে গেছেন, তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।'
উল্লেখ্য, অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের বড় ছেলে ড. মো. বাহাউদ্দিন গোলাপ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এবং ছোট ছেলে রেহান উদ্দিন রোমান পেট্রোবাংলার কর্মকর্তা। দীর্ঘ কর্মময় জীবন শেষে ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মহীয়সী ব্যক্তিত্ব। আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। #

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫