
১০ মার্চ, ২০২৬ ২০:১৬
বিয়ে নিয়ে পারিবারিক মতবিরোধের জেরে মুক্তারুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের করিয়া গ্রামে ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুক্তারুল ইসলামের। সেই মেয়েটিকে বিয়ে করার বিষয়ে তিনি পরিবারের কাছে বারবার অনুরোধ জানান।
তবে পরিবারের পক্ষ থেকে আগে স্থায়ী কাজ বা উপার্জনের ব্যবস্থা করার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ নিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।
পরিবার জানায়, সোমবার (৯ মার্চ) রাতে তার দুলাভাই বিষয়টি নিয়ে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। পরে কোনো একসময় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘দেখা হবে হাশরের ময়দানে’ লিখে একটি স্ট্যাটাস দেন।
এরপর নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি বুলবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বিয়ে নিয়ে পারিবারিক মতবিরোধের জেরে মুক্তারুল ইসলাম (২৫) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। ঘটনাটি ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ভানোর ইউনিয়নের করিয়া গ্রামে ঘটেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, একটি মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল মুক্তারুল ইসলামের। সেই মেয়েটিকে বিয়ে করার বিষয়ে তিনি পরিবারের কাছে বারবার অনুরোধ জানান।
তবে পরিবারের পক্ষ থেকে আগে স্থায়ী কাজ বা উপার্জনের ব্যবস্থা করার পর বিয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এ নিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।
পরিবার জানায়, সোমবার (৯ মার্চ) রাতে তার দুলাভাই বিষয়টি নিয়ে তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। পরে কোনো একসময় তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ‘দেখা হবে হাশরের ময়দানে’ লিখে একটি স্ট্যাটাস দেন।
এরপর নিজ বাড়িতে অসুস্থ হয়ে পড়লে পরিবারের সদস্যরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার চেষ্টা করেন। হাসপাতালে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।
বালিয়াডাঙ্গী থানার ওসি বুলবুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় মরদেহ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৫
জামালপুরের বকশীগঞ্জে ভিজিএফ কার্ড না দেওয়ায় প্যানেল চেয়ারম্যানকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী প্যানেল চেয়ারম্যানের নাম মির্জা সোহেল। তিনি উপজেলার মির্জা বাড়ি এলাকার মরহুম মির্জা সাখওয়াত হোসেনের সন্তান। অভিযুক্ত আশিকুর রহমান তুলন বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক।
ভুক্তভোগী সোহেল বলেন, আমাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন দুপুরে কল দিয়ে উপজেলা পরিষদে ডেকে নিয়ে যায়। আমি যাওয়ার পর সে আমার কাছে কয়েকটি কার্ড চায়।
আমি কার্ড দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে মারধর করে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। আমি খুব দ্রুত আইনের আশ্রয় নেব।
বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমার কাছেও প্রথমে এসে সরাসরি কিছু কার্ড চায়। আমি বললাম এগুলো কার্ড তো আপনাকে দিতে পারবো না। গরিব মানুষের কার্ড। তারপর সে প্যানেল চেয়ারম্যান মির্জা সোহেলকে ডেকে নিয়ে আসে। সোহেল সাহেব না করার পরই তাকে রুম থেকে বের করে লাঞ্ছিত করে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, মূলত একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ঝামেলা থেকে কথা কাটাকাটি হয়। এর বেশি কিছু হয়নি।
জামালপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নুরুল মোমেন আকন্দ কাউসার মোবাইল ফোনে বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। আপনার কাছ থেকেই মাত্র জানতে পারলাম। দলীয় শৃঙ্খলা যে ভঙ্গ করবে তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এক্ষেত্রে বিষয়টি কেউ আমাদের লিখিত বা মৌখিক জানালে আমরা প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। বর্তমানে অভিযোগ ছাড়া এক্ষেত্রে করার কিছু নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইকে ফোন দিলে তিনি নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিক বার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে ভিজিএফ কার্ড না দেওয়ায় প্যানেল চেয়ারম্যানকে মারধর করার অভিযোগ উঠেছে স্বেচ্ছাসেবক দলের এক নেতার বিরুদ্ধে।
মঙ্গলবার দুপুর ৩টার দিকে বকশীগঞ্জ উপজেলা পরিষদে এই ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী প্যানেল চেয়ারম্যানের নাম মির্জা সোহেল। তিনি উপজেলার মির্জা বাড়ি এলাকার মরহুম মির্জা সাখওয়াত হোসেনের সন্তান। অভিযুক্ত আশিকুর রহমান তুলন বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক।
ভুক্তভোগী সোহেল বলেন, আমাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন দুপুরে কল দিয়ে উপজেলা পরিষদে ডেকে নিয়ে যায়। আমি যাওয়ার পর সে আমার কাছে কয়েকটি কার্ড চায়।
আমি কার্ড দিতে অস্বীকৃতি জানালে আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে আমাকে ধাক্কা দিয়ে মারধর করে। বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানিয়েছি। আমি খুব দ্রুত আইনের আশ্রয় নেব।
বকশীগঞ্জ সদর ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসক আব্দুল জলিল বলেন, স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আমার কাছেও প্রথমে এসে সরাসরি কিছু কার্ড চায়। আমি বললাম এগুলো কার্ড তো আপনাকে দিতে পারবো না। গরিব মানুষের কার্ড। তারপর সে প্যানেল চেয়ারম্যান মির্জা সোহেলকে ডেকে নিয়ে আসে। সোহেল সাহেব না করার পরই তাকে রুম থেকে বের করে লাঞ্ছিত করে।
বকশীগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক আশিকুর রহমান তুলন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, মূলত একটি ট্রেড লাইসেন্স নিয়ে ঝামেলা থেকে কথা কাটাকাটি হয়। এর বেশি কিছু হয়নি।
জামালপুর জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি নুরুল মোমেন আকন্দ কাউসার মোবাইল ফোনে বলেন, আমি বিষয়টি জানি না। আপনার কাছ থেকেই মাত্র জানতে পারলাম। দলীয় শৃঙ্খলা যে ভঙ্গ করবে তার বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। এক্ষেত্রে বিষয়টি কেউ আমাদের লিখিত বা মৌখিক জানালে আমরা প্রয়োজনীয় সাংগঠনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবো। বর্তমানে অভিযোগ ছাড়া এক্ষেত্রে করার কিছু নেই।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল হাইকে ফোন দিলে তিনি নেটওয়ার্ক সমস্যা বলে ফোন কেটে দেন। পরবর্তীতে একাধিক বার কল দেওয়া হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

১০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৮
নারায়ণগঞ্জে এক পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া সরকারি পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) গভীর রাতে বন্দর উপজেলার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় গুলি ভর্তি পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে সোমবার সন্ধ্যা ও রাতে পৃথক অভিযানে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে সদর মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. বিশাল (৩১), দেওভোগ পানির ট্যাংক এলাকা, ফরহাদ আহম্মেদ (২৩), ফতুল্লা কাশীপুর ব্যাংক কলোনি, হাসান (২১)।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের ধরতে জেলা পুলিশ, থানা-পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল মাঠে নামে। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় সোমবার সন্ধ্যায় বন্দর উপজেলার সোনাকান্দা বেপারীপাড়া এলাকা থেকে প্রথমে বিশালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে ফতুল্লার কাশীপুর এলাকা থেকে ফরহাদ ও হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে রাত আড়াইটার দিকে বন্দর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। গ্রেপ্তার বিশাল ইতোমধ্যে ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছেন, অন্য দুইজনের বিরুদ্ধে জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ চলছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকায় নগর ভবনের সামনে টহলরত অবস্থায় এসআই লুৎফর রহমানের পথরোধ করে তিন দুর্বৃত্ত। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার চেষ্টা করলে তিনি আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। এ সময় তার মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দুর্বৃত্তরা তার কাছ থেকে সরকারি পিস্তলটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।
নারায়ণগঞ্জে এক পুলিশ কর্মকর্তার কাছ থেকে ছিনতাই হওয়া সরকারি পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
সোমবার (৯ মার্চ) গভীর রাতে বন্দর উপজেলার ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় গুলি ভর্তি পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়।
এর আগে সোমবার সন্ধ্যা ও রাতে পৃথক অভিযানে জড়িতদের গ্রেপ্তার করে সদর মডেল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন- মো. বিশাল (৩১), দেওভোগ পানির ট্যাংক এলাকা, ফরহাদ আহম্মেদ (২৩), ফতুল্লা কাশীপুর ব্যাংক কলোনি, হাসান (২১)।
জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী জানান, শীতলক্ষ্যা পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) লুৎফর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িতদের ধরতে জেলা পুলিশ, থানা-পুলিশ ও গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল মাঠে নামে। ঘটনাস্থলের আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করা হয়।
এর ধারাবাহিকতায় সোমবার সন্ধ্যায় বন্দর উপজেলার সোনাকান্দা বেপারীপাড়া এলাকা থেকে প্রথমে বিশালকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাতে ফতুল্লার কাশীপুর এলাকা থেকে ফরহাদ ও হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে রাত আড়াইটার দিকে বন্দর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন এলাকা থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় পিস্তল ও গুলি উদ্ধার করা হয়।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক আল মেহেদী বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনজনই অস্ত্র ছিনতাইয়ের ঘটনায় জড়িত থাকার আশঙ্কা রয়েছে। গ্রেপ্তার বিশাল ইতোমধ্যে ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছেন, অন্য দুইজনের বিরুদ্ধে জিজ্ঞাসাবাদ ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ চলছে।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সকালে শহরের নিতাইগঞ্জ এলাকায় নগর ভবনের সামনে টহলরত অবস্থায় এসআই লুৎফর রহমানের পথরোধ করে তিন দুর্বৃত্ত। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে হামলার চেষ্টা করলে তিনি আত্মরক্ষার চেষ্টা করেন। এ সময় তার মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং দুর্বৃত্তরা তার কাছ থেকে সরকারি পিস্তলটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়।

১০ মার্চ, ২০২৬ ১৬:৩১
রাজধানীর বনানীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সূচনা করেন।
এই কর্মসূচির আওতায় দেশের নির্দিষ্ট জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে উপকারভোগীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসেই এই ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জেলা-উপজেলা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সরকারের তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে, যা এই কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
চূড়ান্ত তালিকায় ঠাঁই পাওয়া পরিবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকার অত্যন্ত কঠোর ও আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। ডাবল ডিপিং বা একই ব্যক্তির একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ রোধ, সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীদের বাদ দেওয়ার পর মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে এই ভাতার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই প্রকল্পের আওতায় কেবল ‘নারীপ্রধান’ পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে সমাজের প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সরকারের এই উদ্যোগ নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তৃতায় নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান যে, সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না এবং প্রকৃত দুস্থরাই এই সুবিধা পাবেন।
কড়াইল বস্তির মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। সরকার আশা করছে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের সফল সমাপ্তির পর পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সকল যোগ্য পরিবারকে এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
বরিশাল টাইমস
রাজধানীর বনানীতে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
মঙ্গলবার (১০ মার্চ) সকাল ১০টা ৪০ মিনিটের দিকে কড়াইল বস্তিসংলগ্ন টিঅ্যান্ডটি খেলার মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে তিনি এই জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সূচনা করেন।
এই কর্মসূচির আওতায় দেশের নির্দিষ্ট জেলা ও সিটি করপোরেশন এলাকার দরিদ্র পরিবারগুলোকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা প্রদান করবে সরকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার অংশ হিসেবে উপকারভোগীরা তাদের পছন্দ অনুযায়ী সরাসরি মোবাইল ওয়ালেট অথবা ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ঘরে বসেই এই ভাতার অর্থ গ্রহণ করতে পারবেন।
প্রাথমিক পর্যায়ে পরীক্ষামূলক প্রকল্পের আওতায় দেশের ১৩টি জেলার ১৩টি সিটি করপোরেশন এবং বিভিন্ন ইউনিয়নের ১৫টি ওয়ার্ডে এই কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এই প্রকল্প সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ইতোমধ্যে জেলা-উপজেলা এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে সরকারি প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
সরকারের তথ্যমতে, প্রাথমিকভাবে হতদরিদ্র ও নিম্ন মধ্যবিত্ত শ্রেণির ৫১ হাজার ৮০৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। মাঠ পর্যায়ে নিবিড় যাচাই-বাছাই শেষে ৪৭ হাজার ৭৭৭টি পরিবারের তথ্য সঠিক বলে প্রমাণিত হয়েছে, যা এই কর্মসূচির স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে সহায়ক ভূমিকা পালন করেছে।
চূড়ান্ত তালিকায় ঠাঁই পাওয়া পরিবার নির্বাচনের ক্ষেত্রে সরকার অত্যন্ত কঠোর ও আধুনিক পদ্ধতি অবলম্বন করেছে। ডাবল ডিপিং বা একই ব্যক্তির একাধিক সরকারি ভাতা গ্রহণ রোধ, সরকারি চাকরিজীবী বা পেনশনভোগীদের বাদ দেওয়ার পর মোট ৩৭ হাজার ৫৬৭টি পরিবারকে এই ভাতার জন্য চূড়ান্ত করা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্য বিষয় হলো, এই প্রকল্পের আওতায় কেবল ‘নারীপ্রধান’ পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে, যাতে সমাজের প্রান্তিক নারীদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। সরকারের এই উদ্যোগ নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনমান উন্নয়নে একটি মাইলফলক হিসেবে কাজ করবে বলে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তার বক্তৃতায় নিম্ন আয়ের মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান যে, সরাসরি ডিজিটাল পদ্ধতিতে ভাতা প্রদানের ফলে মাঝপথে অর্থ লোপাটের কোনো সুযোগ থাকবে না এবং প্রকৃত দুস্থরাই এই সুবিধা পাবেন।
কড়াইল বস্তির মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় এই কর্মসূচির উদ্বোধন সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহের সৃষ্টি করেছে। সরকার আশা করছে, পরীক্ষামূলক পর্যায়ের সফল সমাপ্তির পর পর্যায়ক্রমে সারা দেশের সকল যোগ্য পরিবারকে এই ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় নিয়ে আসা হবে।
বরিশাল টাইমস
১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩৩
১০ মার্চ, ২০২৬ ২১:৩২
১০ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৫
১০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৮