
০৩ জুলাই, ২০২৫ ১৪:১৪
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানায় সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুই পুলিশ সদস্যকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০০-২৫০ জন একযোগে থানায় হামলা চালায়। তারা থানা চত্বরে প্রবেশ করে চেয়ার, টেবিল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ ভাঙচুর করে এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তছনছ করে। ইট-পাটকেল ছুড়ে জানালার কাচ ও দরজা ভেঙে ফেলে। পুলিশ বাধা দিলে উভয়পক্ষে সংঘর্ষ শুরু হয়।
পাটগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, দুর্বৃত্তরা পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক হাজতখানার তালার চাবি নিয়ে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি বেলাল হোসেন ও সোহেল রানা চপলকে ছিনিয়ে নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হলেও উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। পরে লালমনিরহাট, হাতিবান্ধা ও কালীগঞ্জ থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্য এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি বলেন, হামলায় জড়িতদের অনেককে চিহ্নিত করা গেছে। তারা স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পুলিশ জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় সরোরবাজার এলাকায় চাঁদাবাজির সময় বেলাল ও সোহেলকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার দাশ তাদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। বেলাল ও সোহেল স্থানীয় শ্রমিক দলের নেতা এবং তাদের মুক্ত করতেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিত এই হামলা চালায়।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ ঘটনায় লিখেছেন, “বিএনপি নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে পাটগ্রামে পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে। হাতেনাতে ধরা পড়ার পর তাদের ছিনিয়ে আনতেই এই পরিকল্পিত হামলা হয়েছে।”
তবে বিএনপির পাটগ্রাম উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান সোহেল দাবি করেন, এটি বিএনপির সঙ্গে পুলিশের কোনো সংঘর্ষ নয়। মূল বিষয়টি পাথর কোয়ারি ইজারাদারদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
ঘটনার পরপরই লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, ডিআইজি ও জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার পেছনে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।
লালমনিরহাটের পাটগ্রাম থানায় সংঘবদ্ধভাবে হামলা চালিয়ে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামিকে ছিনিয়ে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনায় থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) অন্তত ২৩ জন আহত হয়েছেন। গুরুতর আহত দুই পুলিশ সদস্যকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বুধবার (২ জুলাই) রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রায় ২০০-২৫০ জন একযোগে থানায় হামলা চালায়। তারা থানা চত্বরে প্রবেশ করে চেয়ার, টেবিল, কম্পিউটার, ল্যাপটপ ভাঙচুর করে এবং গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র তছনছ করে। ইট-পাটকেল ছুড়ে জানালার কাচ ও দরজা ভেঙে ফেলে। পুলিশ বাধা দিলে উভয়পক্ষে সংঘর্ষ শুরু হয়।
পাটগ্রাম থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, দুর্বৃত্তরা পুলিশের কাছ থেকে জোরপূর্বক হাজতখানার তালার চাবি নিয়ে সাজাপ্রাপ্ত দুই আসামি বেলাল হোসেন ও সোহেল রানা চপলকে ছিনিয়ে নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ারশেল নিক্ষেপ করা হলেও উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। পরে লালমনিরহাট, হাতিবান্ধা ও কালীগঞ্জ থানা থেকে অতিরিক্ত পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি সদস্য এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
তিনি বলেন, হামলায় জড়িতদের অনেককে চিহ্নিত করা গেছে। তারা স্থানীয় বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের সঙ্গে সম্পৃক্ত। পুলিশ জানায়, বুধবার সন্ধ্যায় সরোরবাজার এলাকায় চাঁদাবাজির সময় বেলাল ও সোহেলকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট উত্তম কুমার দাশ তাদের এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন। বেলাল ও সোহেল স্থানীয় শ্রমিক দলের নেতা এবং তাদের মুক্ত করতেই বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা পরিকল্পিত এই হামলা চালায়।
এদিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির উত্তরাঞ্চলীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ ঘটনায় লিখেছেন, “বিএনপি নেতাকর্মীরা দীর্ঘদিন ধরে পাটগ্রামে পরিবহন থেকে চাঁদা আদায় করে আসছে। হাতেনাতে ধরা পড়ার পর তাদের ছিনিয়ে আনতেই এই পরিকল্পিত হামলা হয়েছে।”
তবে বিএনপির পাটগ্রাম উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ওলিউর রহমান সোহেল দাবি করেন, এটি বিএনপির সঙ্গে পুলিশের কোনো সংঘর্ষ নয়। মূল বিষয়টি পাথর কোয়ারি ইজারাদারদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট।
ঘটনার পরপরই লালমনিরহাটের পুলিশ সুপার মো. তরিকুল ইসলাম, ডিআইজি ও জেলা প্রশাসক ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। পুলিশ জানিয়েছে, হামলার পেছনে জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

২৮ মার্চ, ২০২৬ ০১:২৩
বাসের তেল শেষ হওয়ায় রেললাইনে বিশ্রাম নেওয়ার সময় ট্রেন দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেংগর ৭ নম্বর সেতুর পাশে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি যমুনা সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ওসি সফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী, ২ জন পুরুষ ও এক জন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতরা সবাই একই পরিবারের বলে ধারণা পুলিশের।
টাঙ্গাইল রেলস্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে গেলে কয়েকজন যাত্রী বাস থেকে নেমে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের পাশে রেললাইনে বসেছিলেন।
তিনি জানান, এ সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক শিশু, দুই নারী ও দু’জন পুরুষ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতরা সবাই একই পরিবারের।
তিনি আরও জানান, রেললাইনের পাশে বসে থাকা অবস্থায় ট্রেন আসার সময় কোনো শব্দ না পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে কাটা পড়েন।’
বাসের তেল শেষ হওয়ায় রেললাইনে বিশ্রাম নেওয়ার সময় ট্রেন দুর্ঘটনায় একই পরিবারের ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার (২৬ মার্চ) রাত ৮টার দিকে টাঙ্গাইলের কালিহাতী উপজেলার দশকিয়া ইউনিয়নের ধলাটেংগর ৭ নম্বর সেতুর পাশে এ ঘটনা ঘটে।
বিষয়টি যমুনা সেতু পূর্ব থানা পুলিশের ওসি সফিকুল ইসলাম নিশ্চিত করে জানান, ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি ট্রেনে কাটা পড়ে এ ঘটনা ঘটে।
নিহতদের মধ্যে ২ জন নারী, ২ জন পুরুষ ও এক জন শিশু রয়েছে। তাৎক্ষণিকভাবে নিহতদের পরিচয় জানা যায়নি। তবে নিহতরা সবাই একই পরিবারের বলে ধারণা পুলিশের।
টাঙ্গাইল রেলস্টেশন ফাঁড়ির এসআই মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, কালিহাতী উপজেলার ধলাটেঙ্গর নামকস্থানে ঢাকাগামী একটি যাত্রীবাহী বাসের তেল শেষ হয়ে গেলে কয়েকজন যাত্রী বাস থেকে নেমে যমুনাসেতু-টাঙ্গাইল-ঢাকা মহাসড়কের পাশে রেললাইনে বসেছিলেন।
তিনি জানান, এ সময় সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনের নিচে কাটা পড়ে এক শিশু, দুই নারী ও দু’জন পুরুষ ঘটনাস্থলেই নিহত হন। ধারণা করা হচ্ছে, নিহতরা সবাই একই পরিবারের।
তিনি আরও জানান, রেললাইনের পাশে বসে থাকা অবস্থায় ট্রেন আসার সময় কোনো শব্দ না পেয়ে তারা ঘটনাস্থলে কাটা পড়েন।’

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:৫৬
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে লোডিং শেষ করে ছেড়ে যাওয়ার পর ‘কেরামত আলী’ নামের একটি ফেরিতে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফেরিতে থাকা যাত্রী, চালক ও সহকারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ফেরিটি ঘাট ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেরিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেন। এসময় অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ফেরির কর্মচারীরা দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিবালয় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। তাদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিভে যায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম আব্দুস সালাম বলেন, সাইলেন্সার পাইপ জ্যাম হয়ে গেলে এমন সামান্য আগুন ও কালো ধোঁয়া দেখা দিতে পারে। আজকের ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া ফেরিঘাট থেকে লোডিং শেষ করে ছেড়ে যাওয়ার পর ‘কেরামত আলী’ নামের একটি ফেরিতে হঠাৎ আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফেরিতে থাকা যাত্রী, চালক ও সহকারীদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে আগুন লাগার ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, ফেরিটি ঘাট ছেড়ে কিছু দূর যাওয়ার পর হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত হয়। আগুনের খবর ছড়িয়ে পড়লে ফেরিতে থাকা যাত্রীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। তারা চিৎকার-চেঁচামেচি শুরু করে দেন। এসময় অনেকেই নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করেন। পরে ফেরির কর্মচারীরা দ্রুত চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি।

খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে শিবালয় ফায়ার সার্ভিসের একটি দল। তাদের তৎপরতায় অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন নিভে যায় এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বিআইডব্লিউটিসির ডিজিএম আব্দুস সালাম বলেন, সাইলেন্সার পাইপ জ্যাম হয়ে গেলে এমন সামান্য আগুন ও কালো ধোঁয়া দেখা দিতে পারে। আজকের ঘটনায় কোনো ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়নি। ঘটনার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

২৭ মার্চ, ২০২৬ ২১:২০
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মডেল মোসা. সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই মামলায় অপর আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে দুর্জয়কে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুজ্জামান তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিপক্ষে মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে ফুল দিতে গিয়ে তারা আটক হন। পরে তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২২ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার ছবি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মৃতিসৌধে একত্রিত হন।
সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিতে গিয়ে গ্রেপ্তার মডেল মোসা. সিমু আক্তার বৃষ্টি ওরফে মিষ্টি সুবাসকে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। এই মামলায় অপর আসামি রফিকুল ইসলাম ওরফে দুর্জয়কে তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে।
শুক্রবার (২৭ মার্চ) ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তাজুল ইসলাম সোহাগ রিমান্ডের এ আদেশ দেন।
এদিন আশুলিয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. শহিদুজ্জামান তাদের পাঁচদিন করে রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন।
আসামিপক্ষে মো. খায়ের উদ্দিন শিকদার রিমান্ড বাতিলসহ জামিন আবেদন করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এই রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এর আগে বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) মহান স্বাধীনতা দিবসে ফুল দিতে গিয়ে তারা আটক হন। পরে তাদের বিরুদ্ধে আশুলিয়া থানায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে পুলিশ।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদির সামনে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ২২ থেকে ২৫ জন নেতাকর্মী দেশের বর্তমান আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ দেশের অভ্যন্তরে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির জন্য শেখ হাসিনার ছবি, শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিসংবলিত প্ল্যাকার্ড ব্যবহার করে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’-সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকেন। সেই সঙ্গে দেশের অভ্যন্তরে আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটানোসহ উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টির লক্ষ্যে স্মৃতিসৌধে একত্রিত হন।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.