০৭ আগস্ট, ২০২৫ ১২:৪৯
নারায়ণগঞ্জে চাঁদাবাজি ও নানা অভিযোগে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের দুই শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আটককৃতরা হলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও তরুণ দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি টিএইচ তোফা এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিকদলের আহ্বায়ক ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সহ-সভাপতি এস এম আসলাম। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম।
এর আগে বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। টিএইচ তোফাকে রাত সোয়া ১১টার দিকে আটক করা হয়। অন্যদিকে এস এম আসলামের বাড়ি নাসিক ৬নং ওয়ার্ড থেকে রাত ১১টার দিকে তাকে আটক করা হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, বিএনপি নেতা আসলামের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাকে পুলিশ সুপার (এসপি) স্যার ডেকে নিয়েছেন। অন্যদিকে টিএইচ তোফার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন তিনি।
নারায়ণগঞ্জে চাঁদাবাজি ও নানা অভিযোগে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের দুই শীর্ষ নেতাকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। আটককৃতরা হলেন- সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ও তরুণ দল কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহ-সভাপতি টিএইচ তোফা এবং নারায়ণগঞ্জ মহানগর শ্রমিকদলের আহ্বায়ক ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সহ-সভাপতি এস এম আসলাম। বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে বিষয়টি নিশ্চিত সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম।
এর আগে বুধবার (৬ আগস্ট) রাতে পৃথক অভিযানে তাদের আটক করা হয়। টিএইচ তোফাকে রাত সোয়া ১১টার দিকে আটক করা হয়। অন্যদিকে এস এম আসলামের বাড়ি নাসিক ৬নং ওয়ার্ড থেকে রাত ১১টার দিকে তাকে আটক করা হয়।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম বলেন, বিএনপি নেতা আসলামের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এ কারণে তাকে পুলিশ সুপার (এসপি) স্যার ডেকে নিয়েছেন। অন্যদিকে টিএইচ তোফার বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ তদন্তে সত্যতা পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন তিনি।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:১৮
রাজশাহীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও বাইরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরীর গনকপাড়া এলাকার কর্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে, ঢাকার কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এনসিপির রাজশাহী মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক মোবাশ্বের আলীর ডাকে এ মিছিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা যোগ দেন।
মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঢাকায় জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতির সময় জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সহযোগীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
মিছিলটি সাহেববাজার এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গণপাড়া মোড়ে পৌঁছালে কয়েকজন জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা চালান। তারা দরজাসহ অফিস কক্ষে ভাঙচুর করেন এবং ভেতরের আসবাবপত্র ও ছবি রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও মহানগরে আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন, জোর করে রাজনীতি করা যায় না। আমরা অপরাধ করলে দেশের আইন অনুযায়ী আমাদের শাস্তি হোক। এই ঘটনায় আমরা চরমভাবে মর্মাহত। এমন ঘটনা আসলে কারও কাম্য নয়।
বিষয়টি নিয়ে এনসিপির রাজশাহী মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক মোবাশ্বের আলীর মুঠোফোন কয়েকবার কল করে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তাই এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বোয়ালিয়া থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাত ১২টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত জাতীয় পার্টির মহানগর ও জেলা কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে। কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
রাজশাহীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও বাইরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরীর গনকপাড়া এলাকার কর্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে, ঢাকার কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এনসিপির রাজশাহী মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক মোবাশ্বের আলীর ডাকে এ মিছিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা যোগ দেন।
মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঢাকায় জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতির সময় জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সহযোগীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
মিছিলটি সাহেববাজার এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গণপাড়া মোড়ে পৌঁছালে কয়েকজন জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা চালান। তারা দরজাসহ অফিস কক্ষে ভাঙচুর করেন এবং ভেতরের আসবাবপত্র ও ছবি রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও মহানগরে আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন, জোর করে রাজনীতি করা যায় না। আমরা অপরাধ করলে দেশের আইন অনুযায়ী আমাদের শাস্তি হোক। এই ঘটনায় আমরা চরমভাবে মর্মাহত। এমন ঘটনা আসলে কারও কাম্য নয়।
বিষয়টি নিয়ে এনসিপির রাজশাহী মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক মোবাশ্বের আলীর মুঠোফোন কয়েকবার কল করে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তাই এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বোয়ালিয়া থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাত ১২টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত জাতীয় পার্টির মহানগর ও জেলা কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে। কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:৩৪
হাসপাতালে ভর্তি হার্টের রোগীদের দেখতে রাউন্ড দিচ্ছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু, ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! রোগী দেখতে দেখতে হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হলো তার। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে। মারা যাওয়া চিকিৎসকের নাম গ্র্যাডলিন রায়।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী গ্র্যাডলিন রায় চেন্নাইয়ের সাভিথা মেডিকেল কলেজের কনসালট্যান্ট কার্ডিয়াক সার্জন ছিলেন। গত বুধবার এ হাসপাতালেই হার্ট অ্যাটাক করে পড়ে যান তিনি।
সুধীর কুমার নামে অপর এক চিকিৎসক জানান, তার সহকর্মীরা তাকে বাঁচাতে সব ধরনের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু, তার জ্ঞান আর ফেরানো সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, সিপিআর, স্টেন্টিংসহ জরুরি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, ইন্ট্রাঅর্টিক বেলুন পাম্প ও ইসিএম প্রয়োগ করা হয় গ্র্যাডলিন রায়ের ওপর। কিন্তু বাম পাশের প্রধান ধমনীতে ১০০ শতাংশ ব্লকেজ এবং বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় তারা কিছুই করতে পারেননি।
এ চিকিৎসকের মতে, গ্র্যাডলিন রায়ের মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী অনেক চিকিৎসকই হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক করছেন।
বিজ্ঞাপন
কারণ হিসেবে সুধীর কুমার বলেন, তরুণ চিকিৎসকদের দীর্ঘসময় কাজ করতে হয়। কেউ কেউ টানা ১২ থেকে ১৮ ঘন্টাও কাজ করেন। আবার অনেককে এক শিফটেই ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। এছাড়া, তরুণ চিকিৎসকরা চাপের মধ্যেও থাকেন।
সবসময় জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্ত, রোগীর চাপ এবং চিকিৎসা বিষয়ক কঠোর আইন তাদের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। তাছাড়া, চিকিৎসক হলেও অনেকে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন, ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করেন না, ব্যায়াম করেন না অথবা নিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে উপেক্ষা করেন।
হাসপাতালে ভর্তি হার্টের রোগীদের দেখতে রাউন্ড দিচ্ছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু, ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! রোগী দেখতে দেখতে হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হলো তার। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে। মারা যাওয়া চিকিৎসকের নাম গ্র্যাডলিন রায়।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী গ্র্যাডলিন রায় চেন্নাইয়ের সাভিথা মেডিকেল কলেজের কনসালট্যান্ট কার্ডিয়াক সার্জন ছিলেন। গত বুধবার এ হাসপাতালেই হার্ট অ্যাটাক করে পড়ে যান তিনি।
সুধীর কুমার নামে অপর এক চিকিৎসক জানান, তার সহকর্মীরা তাকে বাঁচাতে সব ধরনের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু, তার জ্ঞান আর ফেরানো সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, সিপিআর, স্টেন্টিংসহ জরুরি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, ইন্ট্রাঅর্টিক বেলুন পাম্প ও ইসিএম প্রয়োগ করা হয় গ্র্যাডলিন রায়ের ওপর। কিন্তু বাম পাশের প্রধান ধমনীতে ১০০ শতাংশ ব্লকেজ এবং বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় তারা কিছুই করতে পারেননি।
এ চিকিৎসকের মতে, গ্র্যাডলিন রায়ের মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী অনেক চিকিৎসকই হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক করছেন।
বিজ্ঞাপন
কারণ হিসেবে সুধীর কুমার বলেন, তরুণ চিকিৎসকদের দীর্ঘসময় কাজ করতে হয়। কেউ কেউ টানা ১২ থেকে ১৮ ঘন্টাও কাজ করেন। আবার অনেককে এক শিফটেই ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। এছাড়া, তরুণ চিকিৎসকরা চাপের মধ্যেও থাকেন।
সবসময় জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্ত, রোগীর চাপ এবং চিকিৎসা বিষয়ক কঠোর আইন তাদের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। তাছাড়া, চিকিৎসক হলেও অনেকে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন, ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করেন না, ব্যায়াম করেন না অথবা নিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে উপেক্ষা করেন।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:১৮
খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে দুই নারীকে জুস খাইয়ে অজ্ঞান করে স্বর্ণালংকার খুলে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া নামের অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে আটক করেছে যাত্রীরা। এ সময় তার সঙ্গে থাকা জুস তাকে পান করালে তিনিও অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। আটক ফুল মিয়া রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুর এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী যাত্রীরা হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই এলাকার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের ইশনী রায়ের স্ত্রী কৌশিলা রায় (৫০) ও মেয়ে বীথি রানী (২৮)।
সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ঝ’ বগির ৭৮, ৭৯ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন ভুক্তভোগী কৌশিলা ও বীথি। তারা দিনাজপুরের বিরামপুর স্টেশন থেকে সৈয়দপুরে আসছিলেন। পাশের ৭৭ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়া। আলাপের একপর্যায়ে মা-মেয়েকে জুস পান করান তিনি।
এতে ভুক্তভোগীরা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাদের কানের দুল ও নাক ফুল খুলে নেয়। এ সময় পাশের যাত্রী আব্দুর রহিম বিষয়টি টের পেয়ে ফুল মিয়াকে আটক করে। আটক প্রতারক বিষয়টি অস্বীকার করলে অন্যরা মিলে তার কাছে থাকা জুস তাকে পান করালে ফুল মিয়া নিজেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় তাকে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি মাহমুদ-উন নবী বলেন, দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্যকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কৌশলা বালার ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তিনি আরও বলেন, অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়ার নামে রেলওয়ের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে দুই নারীকে জুস খাইয়ে অজ্ঞান করে স্বর্ণালংকার খুলে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া নামের অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে আটক করেছে যাত্রীরা। এ সময় তার সঙ্গে থাকা জুস তাকে পান করালে তিনিও অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। আটক ফুল মিয়া রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুর এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী যাত্রীরা হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই এলাকার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের ইশনী রায়ের স্ত্রী কৌশিলা রায় (৫০) ও মেয়ে বীথি রানী (২৮)।
সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ঝ’ বগির ৭৮, ৭৯ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন ভুক্তভোগী কৌশিলা ও বীথি। তারা দিনাজপুরের বিরামপুর স্টেশন থেকে সৈয়দপুরে আসছিলেন। পাশের ৭৭ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়া। আলাপের একপর্যায়ে মা-মেয়েকে জুস পান করান তিনি।
এতে ভুক্তভোগীরা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাদের কানের দুল ও নাক ফুল খুলে নেয়। এ সময় পাশের যাত্রী আব্দুর রহিম বিষয়টি টের পেয়ে ফুল মিয়াকে আটক করে। আটক প্রতারক বিষয়টি অস্বীকার করলে অন্যরা মিলে তার কাছে থাকা জুস তাকে পান করালে ফুল মিয়া নিজেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় তাকে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি মাহমুদ-উন নবী বলেন, দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্যকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কৌশলা বালার ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তিনি আরও বলেন, অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়ার নামে রেলওয়ের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.