
০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৭
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিএনপির কার্যালয় পুড়ে গেছে। এ সময় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৪টি দোকান।সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১টার দিকে নবীনগরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে হঠাৎ করেই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মসজিদের মাইকে আগুনের ঘোষণা শুনে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করতে পারেনি।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ বলেন, ‘নাটঘর ১ নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষের পথসভা করে এসেছি। পথসভা শেষে ফুটবল মার্কার সমর্থক হজরত আলী ফোনে হুমকি দিয়েছে।
রাত ১১টায় বাড়িতে ফিরি। ফেরার পর নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে আগুন লাগানো হয়। আগুন লাগানোর পর অফিসের আশপাশের দোকানগুলো পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘রাত ১টার দিকে বাজারে দুর্ঘটনা ঘটে। সেই সময় কেউ আগুন দেখতে পায়নি। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ প্রথমে আগুন দেখেছেন। পরে মাইকে আগুনের বিষয় জানতে পেরে আমরা বাজারে আসি। বিদ্যুতের লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে শুনেছি।’
মো. মনির নামের আরও একজন বলেন, ‘বাজারের পাশে আমার বাড়ি। রাতে আগুন লাগার পর যখন বাজারে আসি, তখন আবু হানিফ আমাকে বললেন যে বিদ্যুৎ থেকে আগুন লেগেছে। রাতে প্রশাসন এসে তদন্তও করে গেছে।’
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৫) নবীনগর সংসদীয় আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান।
এসময় তিনি বলেন, আমি কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমাদের প্রতিপক্ষ একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল মার্কার কিছু সন্ত্রাসী বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের ব্যানার পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং আমাদের ব্যানার নামিয়ে ফেলছে। এ বিষয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।
জেলা বিএনপির সদস্য হযরত আলী বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। আমি কাউকে হুমকি দিইনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
কিছুদিন আগেও কোনাউর গ্রামে তারা নিজেরাই ধানের শীষের অফিসে আগুন লাগিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছিল। পরে প্রশাসন তদন্ত করে দেখে যে তারা নিজেরাই আগুন দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।
নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, একুইছড়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাত প্রায় ১টার দিকে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিএনপির কার্যালয় পুড়ে গেছে। এ সময় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৪টি দোকান।সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১টার দিকে নবীনগরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে হঠাৎ করেই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মসজিদের মাইকে আগুনের ঘোষণা শুনে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করতে পারেনি।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ বলেন, ‘নাটঘর ১ নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষের পথসভা করে এসেছি। পথসভা শেষে ফুটবল মার্কার সমর্থক হজরত আলী ফোনে হুমকি দিয়েছে।
রাত ১১টায় বাড়িতে ফিরি। ফেরার পর নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে আগুন লাগানো হয়। আগুন লাগানোর পর অফিসের আশপাশের দোকানগুলো পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘রাত ১টার দিকে বাজারে দুর্ঘটনা ঘটে। সেই সময় কেউ আগুন দেখতে পায়নি। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ প্রথমে আগুন দেখেছেন। পরে মাইকে আগুনের বিষয় জানতে পেরে আমরা বাজারে আসি। বিদ্যুতের লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে শুনেছি।’
মো. মনির নামের আরও একজন বলেন, ‘বাজারের পাশে আমার বাড়ি। রাতে আগুন লাগার পর যখন বাজারে আসি, তখন আবু হানিফ আমাকে বললেন যে বিদ্যুৎ থেকে আগুন লেগেছে। রাতে প্রশাসন এসে তদন্তও করে গেছে।’
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৫) নবীনগর সংসদীয় আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান।
এসময় তিনি বলেন, আমি কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমাদের প্রতিপক্ষ একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল মার্কার কিছু সন্ত্রাসী বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের ব্যানার পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং আমাদের ব্যানার নামিয়ে ফেলছে। এ বিষয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।
জেলা বিএনপির সদস্য হযরত আলী বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। আমি কাউকে হুমকি দিইনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
কিছুদিন আগেও কোনাউর গ্রামে তারা নিজেরাই ধানের শীষের অফিসে আগুন লাগিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছিল। পরে প্রশাসন তদন্ত করে দেখে যে তারা নিজেরাই আগুন দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।
নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, একুইছড়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাত প্রায় ১টার দিকে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৬
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে শতাধিক নেতা-কর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান ও আব্দুল হাকিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সুমন মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হোসেন সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নুর মোহাম্মদ আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল হোসেন, কর্মী নবাব আলী ও এরশাদুল হকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
যোগদানকারী কয়েকজন জানান, দীর্ঘ চিন্তা-ভাবনার পর তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। ইসলামি আদর্শভিত্তিক নৈতিক রাজনীতির মাধ্যমে দলটি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে তরুণসহ নানা বয়সী মানুষের জামায়াতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা সংগঠনের শক্তি আরও সুদৃঢ় করবে।’
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে শতাধিক নেতা-কর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান ও আব্দুল হাকিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সুমন মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হোসেন সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নুর মোহাম্মদ আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল হোসেন, কর্মী নবাব আলী ও এরশাদুল হকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
যোগদানকারী কয়েকজন জানান, দীর্ঘ চিন্তা-ভাবনার পর তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। ইসলামি আদর্শভিত্তিক নৈতিক রাজনীতির মাধ্যমে দলটি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে তরুণসহ নানা বয়সী মানুষের জামায়াতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা সংগঠনের শক্তি আরও সুদৃঢ় করবে।’

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ করেছেন এ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে শোকজ করা হয়। আজ বেলা ১১টায় তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ পত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুদ্দিন মানিক নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন।
কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচারণ বিধির লঙ্ঘন। এছাড়া এমবিবিএস, বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে শোকজ করা হয়েছে। আজ তিনি শোকজের জবাব দেবেন। প্রসঙ্গত, ফখরুদ্দিন মানিক পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বলে জানা গেছে।
নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ করেছেন এ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে শোকজ করা হয়। আজ বেলা ১১টায় তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ পত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুদ্দিন মানিক নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন।
কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচারণ বিধির লঙ্ঘন। এছাড়া এমবিবিএস, বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে শোকজ করা হয়েছে। আজ তিনি শোকজের জবাব দেবেন। প্রসঙ্গত, ফখরুদ্দিন মানিক পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বলে জানা গেছে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.