Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৩৭
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিএনপির কার্যালয় পুড়ে গেছে। এ সময় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৪টি দোকান।সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১টার দিকে নবীনগরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে হঠাৎ করেই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মসজিদের মাইকে আগুনের ঘোষণা শুনে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করতে পারেনি।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ বলেন, ‘নাটঘর ১ নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষের পথসভা করে এসেছি। পথসভা শেষে ফুটবল মার্কার সমর্থক হজরত আলী ফোনে হুমকি দিয়েছে।
রাত ১১টায় বাড়িতে ফিরি। ফেরার পর নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে আগুন লাগানো হয়। আগুন লাগানোর পর অফিসের আশপাশের দোকানগুলো পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘রাত ১টার দিকে বাজারে দুর্ঘটনা ঘটে। সেই সময় কেউ আগুন দেখতে পায়নি। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ প্রথমে আগুন দেখেছেন। পরে মাইকে আগুনের বিষয় জানতে পেরে আমরা বাজারে আসি। বিদ্যুতের লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে শুনেছি।’
মো. মনির নামের আরও একজন বলেন, ‘বাজারের পাশে আমার বাড়ি। রাতে আগুন লাগার পর যখন বাজারে আসি, তখন আবু হানিফ আমাকে বললেন যে বিদ্যুৎ থেকে আগুন লেগেছে। রাতে প্রশাসন এসে তদন্তও করে গেছে।’
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৫) নবীনগর সংসদীয় আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান।
এসময় তিনি বলেন, আমি কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমাদের প্রতিপক্ষ একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল মার্কার কিছু সন্ত্রাসী বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের ব্যানার পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং আমাদের ব্যানার নামিয়ে ফেলছে। এ বিষয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।
জেলা বিএনপির সদস্য হযরত আলী বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। আমি কাউকে হুমকি দিইনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
কিছুদিন আগেও কোনাউর গ্রামে তারা নিজেরাই ধানের শীষের অফিসে আগুন লাগিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছিল। পরে প্রশাসন তদন্ত করে দেখে যে তারা নিজেরাই আগুন দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।
নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, একুইছড়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাত প্রায় ১টার দিকে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিএনপির কার্যালয় পুড়ে গেছে। এ সময় আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আরও ৪টি দোকান।সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাত আনুমানিক ১টার দিকে নবীনগরে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় প্রায় ৩৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গভীর রাতে হঠাৎ করেই আগুনের লেলিহান শিখা দেখা যায়। দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়লে আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। মসজিদের মাইকে আগুনের ঘোষণা শুনে গ্রামবাসী ঘটনাস্থলে পৌঁছে। প্রায় ২ ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে কীভাবে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে, প্রাথমিকভাবে ধারণা করতে পারেনি।
ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ বলেন, ‘নাটঘর ১ নম্বর ওয়ার্ডে ধানের শীষের পথসভা করে এসেছি। পথসভা শেষে ফুটবল মার্কার সমর্থক হজরত আলী ফোনে হুমকি দিয়েছে।
রাত ১১টায় বাড়িতে ফিরি। ফেরার পর নাটঘর ইউনিয়ন বিএনপির কার্যালয়ে আগুন লাগানো হয়। আগুন লাগানোর পর অফিসের আশপাশের দোকানগুলো পুড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘রাত ১টার দিকে বাজারে দুর্ঘটনা ঘটে। সেই সময় কেউ আগুন দেখতে পায়নি। ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ প্রথমে আগুন দেখেছেন। পরে মাইকে আগুনের বিষয় জানতে পেরে আমরা বাজারে আসি। বিদ্যুতের লাইন থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে শুনেছি।’
মো. মনির নামের আরও একজন বলেন, ‘বাজারের পাশে আমার বাড়ি। রাতে আগুন লাগার পর যখন বাজারে আসি, তখন আবু হানিফ আমাকে বললেন যে বিদ্যুৎ থেকে আগুন লেগেছে। রাতে প্রশাসন এসে তদন্তও করে গেছে।’
এদিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া (৫) নবীনগর সংসদীয় আসনের বিএনপির মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট এম এ মান্নান।
এসময় তিনি বলেন, আমি কিছুদিন ধরে লক্ষ্য করছি, আমাদের প্রতিপক্ষ একজন স্বতন্ত্র প্রার্থী ফুটবল মার্কার কিছু সন্ত্রাসী বিভিন্ন স্থানে ধানের শীষের ব্যানার পুড়িয়ে দিচ্ছে এবং আমাদের ব্যানার নামিয়ে ফেলছে। এ বিষয়ে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানাই।
জেলা বিএনপির সদস্য হযরত আলী বলেন, আমরা প্রতিহিংসার রাজনীতি করি না। আমি কাউকে হুমকি দিইনি। আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনা হচ্ছে।
কিছুদিন আগেও কোনাউর গ্রামে তারা নিজেরাই ধানের শীষের অফিসে আগুন লাগিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করেছিল। পরে প্রশাসন তদন্ত করে দেখে যে তারা নিজেরাই আগুন দিয়ে আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছে।
নবীনগর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, একুইছড়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, রাত প্রায় ১টার দিকে বিদ্যুতের শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে। তদন্ত শেষে ঘটনার প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।

৩০ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৩
সারা দেশে জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বগুড়া জেলা প্রশাসন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো গ্রাহককে তেল দেওয়া হবে না।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। জেলা প্রশাসক জানান, সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
এছাড়া প্রতিটি পাম্পে এসব নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কঠোর মনিটরিং চালানো হবে। জানা গেছে, বগুড়া জেলায় মোট ৭৮টি তেলের পাম্প রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন জানান, সংকটের শুরুতে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে।
তবে বর্তমানে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব দ্রুতই জেলার সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।

২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২০
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের করা মামলার আসামি বাবা জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান।
শাহরাস্তি থানা পুলিশ জানায়, গত ৬ মার্চ স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। কয়েকদিন পর মেয়েটির মা পালিয়ে এসে তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার সংবাদ পেয়ে জসিম উদ্দিন পরিবারের সদস্যদের রেখে পালিয়ে যান। শাহরাস্তি থানা পুলিশ জসিম উদ্দিনকে ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেন। সর্বশেষ আজ (রোববার) থানার এসআই মিঠুন দাসের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার রায়েরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ঢাকা থেকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপির প্রার্থী তারেক রহমানের নির্বাচনে ব্যয় হয়েছে ২৩ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
রোববার (২৯ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও বিভাগীয় কমিশনারের কাছে ব্যয়ের হিসাব জমা দেন। সোমবার (৩০ মার্চ) নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া নির্বাচনী ব্যয়ের রিটার্ন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
ইসি সচিবালয়ে জমা দেওয়া রিটার্নে উল্লেখিত ব্যয়ের খাত বিশ্লেষণে দেখা গেছে, প্রচার-প্রচারণায় ব্যয় হয়েছে ৫ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এছাড়া পরিবহন বাবদ ১ লাখ ১০ হাজার টাকা, জনসভা আয়োজনের জন্য ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা এবং নির্বাচনী ক্যাম্প পরিচালনায় ৩ লাখ ৬০ হাজার টাকা ব্যয় করা হয়েছে।
রিটার্ন অনুযায়ী, নির্বাচনী ব্যয়ের মধ্যে সবচেয়ে বড় অংশ খরচ হয়েছে এজেন্ট ও অন্যান্য স্টাফ খাতে, যার পরিমাণ ৯ লাখ ৮৪ হাজার টাকা। এছাড়া আবাসন ও প্রশাসনিক খাতে ৬৬ হাজার টাকা এবং বর্তমান সময়ের ডিজিটাল প্রচারণার অংশ হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যয় করা হয়েছে ৫০ হাজার টাকা।
উল্লেখ্য, ঢাকা-১৭ আসনে মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৩৩ হাজার ৭৭৭ জন। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২ অনুযায়ী, নির্বাচনে একজন প্রার্থী সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা অথবা ভোটারপ্রতি ১০ টাকা—এই দুইয়ের মধ্যে যেটি বেশি হবে, সেই পরিমাণ অর্থ ব্যয় করতে পারবেন। তারেক রহমানের ব্যয় নির্ধারিত এই সীমার মধ্যেই রয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতা আইন অনুযায়ী, নির্বাচিত প্রার্থীর নাম গেজেটে প্রকাশের ৩০ দিনের মধ্যে নির্বাচনি ব্যয়ের হিসাব (ফরম-২২) দাখিল করা বাধ্যতামূলক। নির্বাচন পরিচালনা বিধিমালা, ২০০৮ অনুসারে নির্ধারিত ফরমে হলফনামাসহ এই রিটার্ন জমা দিতে হয় এবং এর অনুলিপি রেজিস্টার্ড ডাকযোগে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে পাঠাতে হয়। নির্ধারিত সময়ে হিসাব জমা না দিলে জেল-জরিমানাসহ প্রার্থীর সদস্যপদ বাতিলেরও বিধান রয়েছে।
সারা দেশে জ্বালানি তেল সংকটের মধ্যে পেট্রোল পাম্পগুলোতে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে বগুড়া জেলা প্রশাসন। এখন থেকে ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছাড়া কোনো গ্রাহককে তেল দেওয়া হবে না।
রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান। জেলা প্রশাসক জানান, সংকট মোকাবিলায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে চেকপোস্ট বসিয়ে কাগজপত্র যাচাই করা হবে।
এছাড়া প্রতিটি পাম্পে এসব নির্দেশনা সংবলিত ব্যানার টাঙিয়ে দেওয়া হবে এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে কঠোর মনিটরিং চালানো হবে। জানা গেছে, বগুড়া জেলায় মোট ৭৮টি তেলের পাম্প রয়েছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এই সংকট সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে রাজশাহী বিভাগীয় পেট্রোলিয়াম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের বগুড়া জেলা শাখার সভাপতি মিজানুর রহমান রতন জানান, সংকটের শুরুতে মজুত শেষ হয়ে যাওয়ায় জেলার অর্ধেকের বেশি পাম্প সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে পড়ে।
তবে বর্তমানে তেল সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, খুব দ্রুতই জেলার সব ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি পৌঁছে যাবে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে।
চাঁদপুরের শাহরাস্তিতে নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে মায়ের করা মামলার আসামি বাবা জসিম উদ্দিনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। রোববার (২৯ মার্চ) সন্ধ্যায় এই তথ্য নিশ্চিত করেন শাহরাস্তি থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান।
শাহরাস্তি থানা পুলিশ জানায়, গত ৬ মার্চ স্বামীর বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ এনে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে শাহরাস্তি থানায় মামলা দায়ের করেন মেয়েটির মা। মেয়েটি অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হলে অভিযুক্ত বাবা পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আত্মগোপনে চলে যায়। কয়েকদিন পর মেয়েটির মা পালিয়ে এসে তার স্বামীর বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেন।
মামলার সংবাদ পেয়ে জসিম উদ্দিন পরিবারের সদস্যদের রেখে পালিয়ে যান। শাহরাস্তি থানা পুলিশ জসিম উদ্দিনকে ধরতে বেশ কয়েকবার অভিযান পরিচালনা করেন। সর্বশেষ আজ (রোববার) থানার এসআই মিঠুন দাসের নেতৃত্বে একটি দল তাকে আটক করতে সক্ষম হয়।
শাহরাস্তি মডেল থানার ওসি মীর মাহবুবুর রহমান আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, থানা পুলিশ বিকাল সাড়ে ৩টার দিকে ঢাকার রায়েরবাগ এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে। তাকে ঢাকা থেকে থানায় নিয়ে আসা হচ্ছে।