
২২ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৪৭
একটার পর একটা পাইতরা বুনে যেমন পাটি তৈরি হয়, তেমনি ঝালকাঠির বাসন্ডা সেতুর পাটাতনে বছরজুড়ে বসানো হয়েছে লোহার পাত, দেওয়া হয়েছে জোড়াতালি। ১২০ মিটার দৈর্ঘ্যের বেইলি সেতুটির পাটাতনে এখন হাজারের বেশি জোড়াতালি। পুরো কাঠামো যেন লোহার সেলাইুকাটা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক জরাজীর্ণ লৌহপাটি।
এদিকে, সংস্কার চললেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন নেই।
সামান্য ওজনের যানবাহন উঠলেই সেতু কাঁপে, নিচের নদীর পানি কাঁপে, আশপাশের মানুষের বুক কেঁপে ওঠে—কাঁপে না শুধু সড়ক বিভাগ। বছরের পর বছর এই সেতুর মেরামতে ব্যয় হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা, যে অর্থে নতুন সেতু নির্মাণ করা যেত। তাই অতি ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতুটি অপসারণ বা পুনর্নির্মাণে এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে বিপদ মাথায় নিয়েই বরিশাল-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল করছে।
ঝালকাঠি শহরের চাঁদকাঠী এলাকায় গত শতাব্দির আশির দশকে নির্মিত এই সেতু বহু আগেই অস্থায়ী কাঠামো হিসেবে কার্যক্ষমতার সময়সীমা পার করেছে। এখন প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহন ছুটে চলে এর ওপর দিয়ে। পদ্মা ও বেকুটিয়া সেতু চালুর পর ওই চাপ আরো বেড়েছে। অথচ সেতুটি ধারণ করতে পারে মাত্র সাত টন।
নিয়ম অমান্য করে প্রতিদিনই তিন-চার গুণ বেশি ওজনের বাস-ট্রাক চলাচল করে। প্রতিবার গাড়ি উঠলে সেতু দুলে ওঠে। স্থানীয়দের ভাষায়, ‘এটা সেতু নয়, লোহার দুলুনি।’
তীব্র শব্দে পাটাতনের প্লেট কেঁপে ওঠে যেন ভেঙে পড়ার আগাম সংকেত দিচ্ছে প্রতিটি জোড়াতালি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিবছর মেরামতের নামে শুধু জোড়াতালির সংখ্যা বেড়েছে।
একটি লোহার পাত বদলানোর পর কয়েক মাস যেতেই আবার নতুন জোড়াতালি দিতে হয়। যেন জোড়াতালিই সেতুর স্থায়ী চিকিৎসা।
১৯৮৯ সালে নির্মিত বাসন্ডা বেইলি সেতুর দৈর্ঘ্য ৩৯৪ ফুট, প্রস্থ ২৫ ফুট। নির্মাণকালে এটি সাত টন ভার বহনের সক্ষমতায় নির্মিত হলেও বাস্তবে প্রতিদিনই এর ওপর দিয়ে তিন-চার গুণ বেশি ওজনের যান চলে। সেতুর পাটাতনে এখন ছয় শতাধিক জোড়াতালি। ২০১৬ সালে সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর মেরামতে গড়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। গত ৯ বছরে পাটাতন বদলানো ও ঝালাই মেরামতে ব্যয় হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা, যা দিয়ে নতুন সেতু নির্মাণ করা যেত।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহারিয়ার শরীফ খান বলেন, ‘নতুন কংক্রিট সেতুর জন্য নকশা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে।
বাসন্ডা সেতুর নিচে থাকেন হাবিব শিকদার। নির্মাণকালে তিনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছিলেন। সেই সময় থেকেই সেতুর নিচেই তাঁর বাস। হাবিব বলেন, শুরুতে সেতুর নিচে বড় লোহার প্লেট ছিল। কয়েক বছরের মধ্যেই প্লেটগুলোতে মরিচা ধরে নাটুবোল্ট ক্ষয়ে যায়। পরে ছোট আকারের প্লেট বসানো হয়। এখন সেখানে অন্তত ২৮৫টি প্লেট রয়েছে। প্রতিটির সঙ্গেই অসংখ্য জোড়াতালি। গাড়ি উঠলেই তীব্র শব্দে আশপাশ কেঁপে ওঠে।
হাবিব জানান, একবার নড়বড়ে পাটাতন ভেঙে একটি গাড়ি নিচে পড়ে যায়। স্থানীয় এক দরবেশের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েও পাটাতন ভেঙে নিচের চায়ের দোকানে পড়ে আহত হন। হাসপাতালের পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে সেতুর নিচের মসজিদের ওজুখানায় পানি তুলছিলেন হাবিবের মেয়ে কলি বেগম। তিনি জানান, সেতুর নিচে তাঁদের হোটেল ছিল প্রায় ৩০ বছর ধরে। তাঁর বাবা হোটেল চালাতেন, তিনি সহযোগিতা করতেন। কিন্তু সেতুর নড়বড়ে অবস্থা ও তীব্র শব্দে এখন আর ক্রেতা আসে না। তাই সেতুর নিচের ঘরে শুধু রান্না করা হয়। পাশের একটি দোকান ভাড়া নিয়ে সেখানে খাবার পরিবেশন করা হয়। রাতে সেতুর নিচের ঘরেই থাকেন। ভয় করে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভয় তো আছে, কিন্তু ভাড়া লাগে না—তাই ঝুঁকি নিয়েই থাকতে হয়।’
সেতুর নিচেই বায়তুল রোদোয়ান জামাতে মসজিদ। প্রায় ১৯ বছর ধরে এখানে ইমামতি করছেন মাওলানা আবুল বাশার। তিনি বলেন, আগে এত শব্দ হতো না। প্রায় এক দশক ধরে শব্দ এত বেড়েছে যে নামাজ পড়াতে সমস্যা হয়। তাই সব সময় সাউন্ডবক্স ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু নামাজের মধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেলে পেছনের মুসল্লিরা ইমামের কথা শুনতে পান না—তখন ইশারায় নামাজ আদায় করতে হয়।
মাওলানা বাশার আরো বলেন, নির্মাণের সময় মসজিদটি কিছুটা বাঁকা হয়ে যায়। তা ঠিক করার জন্য অর্থ জোগাড় হয়েছে। কিন্তু সেতুর সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় নতুন মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ এগোচ্ছে না।
একটার পর একটা পাইতরা বুনে যেমন পাটি তৈরি হয়, তেমনি ঝালকাঠির বাসন্ডা সেতুর পাটাতনে বছরজুড়ে বসানো হয়েছে লোহার পাত, দেওয়া হয়েছে জোড়াতালি। ১২০ মিটার দৈর্ঘ্যের বেইলি সেতুটির পাটাতনে এখন হাজারের বেশি জোড়াতালি। পুরো কাঠামো যেন লোহার সেলাইুকাটা দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকা এক জরাজীর্ণ লৌহপাটি।
এদিকে, সংস্কার চললেও পরিস্থিতির কোনো পরিবর্তন নেই।
সামান্য ওজনের যানবাহন উঠলেই সেতু কাঁপে, নিচের নদীর পানি কাঁপে, আশপাশের মানুষের বুক কেঁপে ওঠে—কাঁপে না শুধু সড়ক বিভাগ। বছরের পর বছর এই সেতুর মেরামতে ব্যয় হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা, যে অর্থে নতুন সেতু নির্মাণ করা যেত। তাই অতি ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতুটি অপসারণ বা পুনর্নির্মাণে এখন পর্যন্ত কোনো উদ্যোগ নেই। ফলে বিপদ মাথায় নিয়েই বরিশাল-খুলনা মহাসড়কে যান চলাচল করছে।
ঝালকাঠি শহরের চাঁদকাঠী এলাকায় গত শতাব্দির আশির দশকে নির্মিত এই সেতু বহু আগেই অস্থায়ী কাঠামো হিসেবে কার্যক্ষমতার সময়সীমা পার করেছে। এখন প্রতিদিন কয়েক হাজার যানবাহন ছুটে চলে এর ওপর দিয়ে। পদ্মা ও বেকুটিয়া সেতু চালুর পর ওই চাপ আরো বেড়েছে। অথচ সেতুটি ধারণ করতে পারে মাত্র সাত টন।
নিয়ম অমান্য করে প্রতিদিনই তিন-চার গুণ বেশি ওজনের বাস-ট্রাক চলাচল করে। প্রতিবার গাড়ি উঠলে সেতু দুলে ওঠে। স্থানীয়দের ভাষায়, ‘এটা সেতু নয়, লোহার দুলুনি।’
তীব্র শব্দে পাটাতনের প্লেট কেঁপে ওঠে যেন ভেঙে পড়ার আগাম সংকেত দিচ্ছে প্রতিটি জোড়াতালি।
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতিবছর মেরামতের নামে শুধু জোড়াতালির সংখ্যা বেড়েছে।
একটি লোহার পাত বদলানোর পর কয়েক মাস যেতেই আবার নতুন জোড়াতালি দিতে হয়। যেন জোড়াতালিই সেতুর স্থায়ী চিকিৎসা।
১৯৮৯ সালে নির্মিত বাসন্ডা বেইলি সেতুর দৈর্ঘ্য ৩৯৪ ফুট, প্রস্থ ২৫ ফুট। নির্মাণকালে এটি সাত টন ভার বহনের সক্ষমতায় নির্মিত হলেও বাস্তবে প্রতিদিনই এর ওপর দিয়ে তিন-চার গুণ বেশি ওজনের যান চলে। সেতুর পাটাতনে এখন ছয় শতাধিক জোড়াতালি। ২০১৬ সালে সেতুটি আনুষ্ঠানিকভাবে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়। এরপর থেকে প্রতিবছর মেরামতে গড়ে প্রায় ২০ লাখ টাকা ব্যয় হয়েছে। গত ৯ বছরে পাটাতন বদলানো ও ঝালাই মেরামতে ব্যয় হয়েছে প্রায় দুই কোটি টাকা, যা দিয়ে নতুন সেতু নির্মাণ করা যেত।
ঝালকাঠি সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শাহারিয়ার শরীফ খান বলেন, ‘নতুন কংক্রিট সেতুর জন্য নকশা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অনুমোদন পেলেই নির্মাণকাজ শুরু হবে।
বাসন্ডা সেতুর নিচে থাকেন হাবিব শিকদার। নির্মাণকালে তিনি শ্রমিক হিসেবে কাজ করেছিলেন। সেই সময় থেকেই সেতুর নিচেই তাঁর বাস। হাবিব বলেন, শুরুতে সেতুর নিচে বড় লোহার প্লেট ছিল। কয়েক বছরের মধ্যেই প্লেটগুলোতে মরিচা ধরে নাটুবোল্ট ক্ষয়ে যায়। পরে ছোট আকারের প্লেট বসানো হয়। এখন সেখানে অন্তত ২৮৫টি প্লেট রয়েছে। প্রতিটির সঙ্গেই অসংখ্য জোড়াতালি। গাড়ি উঠলেই তীব্র শব্দে আশপাশ কেঁপে ওঠে।
হাবিব জানান, একবার নড়বড়ে পাটাতন ভেঙে একটি গাড়ি নিচে পড়ে যায়। স্থানীয় এক দরবেশের অন্তঃসত্ত্বা মেয়েও পাটাতন ভেঙে নিচের চায়ের দোকানে পড়ে আহত হন। হাসপাতালের পথেই মৃত্যু হয় তাঁর।
বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে সেতুর নিচের মসজিদের ওজুখানায় পানি তুলছিলেন হাবিবের মেয়ে কলি বেগম। তিনি জানান, সেতুর নিচে তাঁদের হোটেল ছিল প্রায় ৩০ বছর ধরে। তাঁর বাবা হোটেল চালাতেন, তিনি সহযোগিতা করতেন। কিন্তু সেতুর নড়বড়ে অবস্থা ও তীব্র শব্দে এখন আর ক্রেতা আসে না। তাই সেতুর নিচের ঘরে শুধু রান্না করা হয়। পাশের একটি দোকান ভাড়া নিয়ে সেখানে খাবার পরিবেশন করা হয়। রাতে সেতুর নিচের ঘরেই থাকেন। ভয় করে কিনা- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ভয় তো আছে, কিন্তু ভাড়া লাগে না—তাই ঝুঁকি নিয়েই থাকতে হয়।’
সেতুর নিচেই বায়তুল রোদোয়ান জামাতে মসজিদ। প্রায় ১৯ বছর ধরে এখানে ইমামতি করছেন মাওলানা আবুল বাশার। তিনি বলেন, আগে এত শব্দ হতো না। প্রায় এক দশক ধরে শব্দ এত বেড়েছে যে নামাজ পড়াতে সমস্যা হয়। তাই সব সময় সাউন্ডবক্স ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু নামাজের মধ্যে বিদ্যুৎ চলে গেলে পেছনের মুসল্লিরা ইমামের কথা শুনতে পান না—তখন ইশারায় নামাজ আদায় করতে হয়।
মাওলানা বাশার আরো বলেন, নির্মাণের সময় মসজিদটি কিছুটা বাঁকা হয়ে যায়। তা ঠিক করার জন্য অর্থ জোগাড় হয়েছে। কিন্তু সেতুর সংস্কার কাজ শুরু না হওয়ায় নতুন মসজিদ নির্মাণের উদ্যোগ এগোচ্ছে না।
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৯
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৮
২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৫৮

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:১৪
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কাকরধা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৪ টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের কাকরধা বাজারে এ অগ্নিকান্ডে ঘটে।
মুহুর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পরলে মোঃ খালেক হাওলাদার মুদি দোকান, আলাউদ্দিন হাওলাদারের হার্ডওয়ারের দোকান, ইউনুস সিকদারের কম্পিউটারের দোকান, বাচ্চুর জুতার দোকান, জুয়েল খানের চায়ের দোকান, মোয়াজ্জেম হাওলাদারের মুদি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী খালেক হাওলাদার জানিয়েছেন, আগুনে মোট ছয়টি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে কাকরধা বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, মঙ্গলবার দিবাগত রাত পৌনে ৪ টার দিকে উপজেলার ফরিদপুর ইউনিয়নের কাকরধা বাজারে এ অগ্নিকান্ডে ঘটে।
মুহুর্তের মধ্যে সেই আগুন আশপাশের দোকানে ছড়িয়ে পরলে মোঃ খালেক হাওলাদার মুদি দোকান, আলাউদ্দিন হাওলাদারের হার্ডওয়ারের দোকান, ইউনুস সিকদারের কম্পিউটারের দোকান, বাচ্চুর জুতার দোকান, জুয়েল খানের চায়ের দোকান, মোয়াজ্জেম হাওলাদারের মুদি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
ব্যবসায়ী খালেক হাওলাদার জানিয়েছেন, আগুনে মোট ছয়টি দোকান পুরোপুরি পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি আরও বলেন, খবর পেয়ে স্থানীয় লোকজন প্রায় ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ততক্ষণে ছয়টি দোকানঘর পুড়ে সম্পূর্ণ ছাই হয়ে গেছে।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:১৪
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে এসব উপকরণ। একই সঙ্গে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ।
রোববার সকাল থেকে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলার উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। এদিকে উপজেলা পর্যায়েও শুরু হয়েছে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিসিয়াল সিলসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদি এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো গ্রহণ করেছি। ঢাকা থেকে এনে প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় তথা ইউএনও কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালের কোনো নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।
আসন্ন নির্বাচন সামনে রেখে বরিশালে শুরু হয়েছে ব্যালট বাক্সসহ নির্বাচনী সরঞ্জাম বিতরণ। কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে উপজেলা পর্যায়ে পাঠানো হচ্ছে এসব উপকরণ। একই সঙ্গে চলছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ।
রোববার সকাল থেকে বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে উপজেলার উদ্দেশে পাঠানো হচ্ছে ব্যালট বাক্সসহ ভোটগ্রহণের প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম। এদিকে উপজেলা পর্যায়েও শুরু হয়েছে নির্বাচনী কাজে নিয়োজিতদের প্রশিক্ষণ কার্যক্রম।
কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে ট্রাকে তোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স, অমোচনীয় কালির কলম, স্ট্যাম্প প্যাড এবং অফিসিয়াল সিলসহ অন্যান্য নির্বাচনী সামগ্রী।
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, জেলার ২১টি নির্বাচনী এলাকার জন্য এসব সরঞ্জাম পর্যায়ক্রমে জেলা ও উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে।
বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনী সরঞ্জামাদি এরইমধ্যে নির্বাচন কমিশন থেকে মাঠ পর্যায়ে পাঠানো হয়েছে। আমরা সেগুলো গ্রহণ করেছি। ঢাকা থেকে এনে প্রথমে রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে রাখা হয়েছিল। সেখান থেকে প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় তথা ইউএনও কার্যালয়ে পাঠানো হয়েছে।’
এদিকে কর্মকর্তারা জানান, এখন পর্যন্ত বরিশালের কোনো নির্বাচনী এলাকায় প্রার্থীদের পক্ষ থেকে আচরণবিধি লঙ্ঘনের বিষয়ে লিখিত কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

২৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রচার-প্রচারণা শুরু হলেও বরিশালের প্রেসপাড়ায় নেই তার প্রভাব। আশানুরূপ কাজের অভাবে প্রেস পাড়ায় আছে সুনসান নীরবতা। হতাশ ও অলস সময় পার করছেন শ্রমিক ও প্রেস মালিকেরা।
জোরালো হচ্ছে সংসদ নির্বাচনের প্রচারণা। প্রার্থী ও তাদের সমর্থকদের ব্যস্ততা বাড়ছে। তবে ভিন্ন চিত্র প্রেস পাড়ায়। কারণ প্রচারণায় এবার পোস্টার ব্যবহার করা যাচ্ছে না। রয়েছে নির্বাচন কমিশনের নিষেধাজ্ঞা।
নির্বাচনের সময় বরিশাল নগরীর ৩৫ টি প্রিন্টিং প্রেসে পা রাখার জায়গা থাকতো না। এবার বিপাকে শ্রমিকরা। কমছে তাদের আয়ও।
প্রেসের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘অন্যান্য সময় চাপটা একটু বেশি থাকে। কিন্তু বর্তমানে আগের চেয়ে চাপ অনেকটা কম। নির্বাচনের পোস্টার নাই বললেই চলে। এখন আমরা যা কাজ করছি আগে যে রানিং কাজগুলো ছিল সেগুলো করছি।’
আরেকজন বলেন, ‘নির্বাচনের কাজ হলে আমাদের দুইটা পয়সা বেশি হয়। কিন্তু এখন নির্বাচনের কাজ নাই বললেই চলে।’
প্রেস মালিকেরা জানিয়েছেন, তারা কিছু লিফলেট ছাপানোর কাজ পাচ্ছেন। তবে তা নির্বাচন মৌসুমের জন্য যথেষ্ট নয়।
এক প্রেস মালিক বলেন, ‘আগে যেমন আমরা নির্বাচনের কাজ করার জন্য মুখিয়ে থাকতাম বা নির্বাচনে যে পরিমাণ কাজ হইতো সবাই আমরা ব্যস্ত থাকতাম।’
বরিশাল শহরে ৪১ থেকে ৪২টি প্রেস আছে এর মধ্যে ২৫ থেকে ২৬টি কাজ করছে। নির্বাচন উপলক্ষে এবার কাজ তুলনামূলক কম বলে জানিয়েছে মুদ্রন শিল্প সমিতি।
বরিশাল মুদ্রন শিল্প সমিতির সাধারণ সম্পাদক মো. আবুল কাশেম বলেন, ‘এ বছর পোস্টার না থাকার কারণে আমরা বঞ্চিত ওই কাজগুলো আর হচ্ছে না। এখন শুধু লিফলেট হবে তাও আবার নির্ধারিত পরিমাণ ছাপতে হবে।’
বরিশালের ছয়টি আসনে ৩৬ জন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে। পোস্টার ছাড়াই তারা নানাভাবে প্রচার-প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.