০৬ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:১৭
বিদ্যালয়ে হঠাৎ শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ব্যাগ নিয়ে হাজির হলেন ইউএনও। এতে প্রতিটি শিশু শিক্ষার্থীর মুখেই হাসি আর মনে অপার আনন্দ ফুটে উঠলো। ইউএনওর হাত থেকে ব্যাগ উপহার পেয়ে সকলে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।
আজ বুধবার (৬ আগষ্ট) সকালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাসুম বিল্লাহ তারাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২শত ৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেন নতুন স্কুল ব্যাগ।
এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শাহজাহান সিরাজ, পল্লী উন্নয়ন অফিসার আবু তাহের হেলাল, সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা বাসুদেব বিশ্বাস, বিদ্যালয়ের পিটিএ কমিটির সভাপতি মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকবৃন্দ।
বিদ্যায়লয়টির দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী শ্রেষ্ঠা রত্ন বলেন, এতোদিন একই রংয়ের শার্ট-প্যান্ট, জুতা, টাই পড়ে শিক্ষার্থীরা স্কুলে এলেও ব্যাগগুলো ছিল আলাদা আলাদা। আবার কারো কারো স্কুল ব্যাগ ছিলো না। শ্রেণি কক্ষে কেমন যেন বৈষম্য মনে হতো। আমরা ভাবতাম ইস যদি সকলের ব্যাগ একই হতো তাহলে খুব মজা হতো। আজ আমাদের সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন ইউএনও স্যার।
নতুন স্কুল ব্যাগ পেয়ে আনন্দে আত্মহারা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রাফি বলেন, ‘আমার পুরনো ব্যাগ ছিঁড়ে গিয়েছিল। আজ নতুন ব্যাগ পেয়েছি। খুব ভালো লাগছে।’
এদিকে,অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া ছিল ইতিবাচক। তারা জানান, গ্রামে অনেক পরিবারই দরিদ্র। স্কুল ব্যাগ বা টিফিন বক্স কেনা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয় না। ইউএনও’র এই উদ্যোগে তাদের সন্তানরা নতুন উদ্যমে স্কুলে যাচ্ছে। উপস্থিতিও বেড়েছে।
তারাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক অধিকারী বলেন,এই সহায়তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছে। আগে কেউ কেউ ছেঁড়া ব্যাগ নিয়ে আসত, অনেকের স্কুল ব্যাগও ছিলোনা। এখন তারা গুছিয়ে স্কুলে আসছে।
সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা বাসুদেব বিশ্বাস বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে এই উপহার বিতরণ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করে তুলবে। এতে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান আরও এগিয়ে যাবে।’
ইউএনও মোঃ মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে এবং পড়ালেখায় আগ্রহ বাড়াতে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, কেউ যেন শুধু অভাবে স্কুলছুট না হয়।
তিনি আরও বলেন’ প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের স্কুল জীবন শুরু হয়। প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতেই আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। শিক্ষা উপকরণ বিতরণের এই উদ্যোগ একটি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত আকারে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
বিদ্যালয়ে হঠাৎ শিক্ষার্থীদের জন্য স্কুল ব্যাগ নিয়ে হাজির হলেন ইউএনও। এতে প্রতিটি শিশু শিক্ষার্থীর মুখেই হাসি আর মনে অপার আনন্দ ফুটে উঠলো। ইউএনওর হাত থেকে ব্যাগ উপহার পেয়ে সকলে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন।
আজ বুধবার (৬ আগষ্ট) সকালে গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোঃ মাসুম বিল্লাহ তারাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২শত ৫০ জন শিক্ষার্থীর হাতে তুলে দেন নতুন স্কুল ব্যাগ।
এ সময় সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এস এম শাহজাহান সিরাজ, পল্লী উন্নয়ন অফিসার আবু তাহের হেলাল, সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা বাসুদেব বিশ্বাস, বিদ্যালয়ের পিটিএ কমিটির সভাপতি মনিরুজ্জামান শেখ জুয়েল, শিক্ষক-শিক্ষিকা ও অভিভাবকবৃন্দ।
বিদ্যায়লয়টির দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী শ্রেষ্ঠা রত্ন বলেন, এতোদিন একই রংয়ের শার্ট-প্যান্ট, জুতা, টাই পড়ে শিক্ষার্থীরা স্কুলে এলেও ব্যাগগুলো ছিল আলাদা আলাদা। আবার কারো কারো স্কুল ব্যাগ ছিলো না। শ্রেণি কক্ষে কেমন যেন বৈষম্য মনে হতো। আমরা ভাবতাম ইস যদি সকলের ব্যাগ একই হতো তাহলে খুব মজা হতো। আজ আমাদের সেই ইচ্ছা পূরণ করেছেন ইউএনও স্যার।
নতুন স্কুল ব্যাগ পেয়ে আনন্দে আত্মহারা তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী রাফি বলেন, ‘আমার পুরনো ব্যাগ ছিঁড়ে গিয়েছিল। আজ নতুন ব্যাগ পেয়েছি। খুব ভালো লাগছে।’
এদিকে,অভিভাবকদের প্রতিক্রিয়া ছিল ইতিবাচক। তারা জানান, গ্রামে অনেক পরিবারই দরিদ্র। স্কুল ব্যাগ বা টিফিন বক্স কেনা অনেকের পক্ষে সম্ভব হয় না। ইউএনও’র এই উদ্যোগে তাদের সন্তানরা নতুন উদ্যমে স্কুলে যাচ্ছে। উপস্থিতিও বেড়েছে।
তারাশী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক অশোক অধিকারী বলেন,এই সহায়তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের সৃষ্টি করেছে। আগে কেউ কেউ ছেঁড়া ব্যাগ নিয়ে আসত, অনেকের স্কুল ব্যাগও ছিলোনা। এখন তারা গুছিয়ে স্কুলে আসছে।
সহকারি শিক্ষা কর্মকর্তা বাসুদেব বিশ্বাস বলেন, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মাঝে এই উপহার বিতরণ শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়মুখী করে তুলবে। এতে উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষার মান আরও এগিয়ে যাবে।’
ইউএনও মোঃ মাসুম বিল্লাহ বলেন, শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে এবং পড়ালেখায় আগ্রহ বাড়াতে এই সহায়তা দেওয়া হয়েছে। আমরা চাই, কেউ যেন শুধু অভাবে স্কুলছুট না হয়।
তিনি আরও বলেন’ প্রাথমিক শিক্ষার মাধ্যমে শিশুদের স্কুল জীবন শুরু হয়। প্রাথমিক শিক্ষাকে এগিয়ে নিতেই আমাদের এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। শিক্ষা উপকরণ বিতরণের এই উদ্যোগ একটি চলমান প্রক্রিয়ার অংশ এবং ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত আকারে এটি বাস্তবায়ন করা হবে।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৯:১৮
রাজশাহীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও বাইরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরীর গনকপাড়া এলাকার কর্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে, ঢাকার কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এনসিপির রাজশাহী মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক মোবাশ্বের আলীর ডাকে এ মিছিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা যোগ দেন।
মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঢাকায় জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতির সময় জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সহযোগীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
মিছিলটি সাহেববাজার এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গণপাড়া মোড়ে পৌঁছালে কয়েকজন জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা চালান। তারা দরজাসহ অফিস কক্ষে ভাঙচুর করেন এবং ভেতরের আসবাবপত্র ও ছবি রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও মহানগরে আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন, জোর করে রাজনীতি করা যায় না। আমরা অপরাধ করলে দেশের আইন অনুযায়ী আমাদের শাস্তি হোক। এই ঘটনায় আমরা চরমভাবে মর্মাহত। এমন ঘটনা আসলে কারও কাম্য নয়।
বিষয়টি নিয়ে এনসিপির রাজশাহী মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক মোবাশ্বের আলীর মুঠোফোন কয়েকবার কল করে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তাই এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বোয়ালিয়া থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাত ১২টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত জাতীয় পার্টির মহানগর ও জেলা কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে। কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
রাজশাহীতে জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও বাইরে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার (২৯ আগস্ট) দিবাগত রাত ১২টার দিকে নগরীর গনকপাড়া এলাকার কর্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এর আগে, রাত সাড়ে ১১টার দিকে ‘ফ্যাসিবাদবিরোধী জাতীয় ঐক্য’ ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। জানা গেছে, ঢাকার কাকরাইলে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর হামলার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজশাহীর সাহেববাজার জিরো পয়েন্ট থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়। এনসিপির রাজশাহী মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক মোবাশ্বের আলীর ডাকে এ মিছিলে বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী ও সমর্থকরা যোগ দেন।
মিছিল শেষে সমাবেশে বক্তারা অভিযোগ করেন, ঢাকায় জাতীয় পার্টির (জাপা) কার্যালয়ের সামনে সংবাদ সম্মেলনের প্রস্তুতির সময় জাতীয় পার্টি ও আওয়ামী লীগের সহযোগীদের সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এ সময় তারা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের কাছে অবিলম্বে দোষীদের আইনের আওতায় আনার আহ্বান জানান।
মিছিলটি সাহেববাজার এলাকার প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে গণপাড়া মোড়ে পৌঁছালে কয়েকজন জাতীয় পার্টির কার্যালয়ে হামলা চালান। তারা দরজাসহ অফিস কক্ষে ভাঙচুর করেন এবং ভেতরের আসবাবপত্র ও ছবি রাস্তায় এনে আগুন ধরিয়ে দেন।
এ বিষয়ে জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান ও মহানগরে আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম স্বপন বলেন, জোর করে রাজনীতি করা যায় না। আমরা অপরাধ করলে দেশের আইন অনুযায়ী আমাদের শাস্তি হোক। এই ঘটনায় আমরা চরমভাবে মর্মাহত। এমন ঘটনা আসলে কারও কাম্য নয়।
বিষয়টি নিয়ে এনসিপির রাজশাহী মহানগরের প্রধান সমন্বয়ক মোবাশ্বের আলীর মুঠোফোন কয়েকবার কল করে সংযোগ স্থাপন করা সম্ভব হয়নি। তাই এ বিষয়ে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বোয়ালিয়া থানা-পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ বলেন, রাত ১২টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত জাতীয় পার্টির মহানগর ও জেলা কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ চালিয়েছে। কাউকে শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:৩৪
হাসপাতালে ভর্তি হার্টের রোগীদের দেখতে রাউন্ড দিচ্ছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু, ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! রোগী দেখতে দেখতে হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হলো তার। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে। মারা যাওয়া চিকিৎসকের নাম গ্র্যাডলিন রায়।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী গ্র্যাডলিন রায় চেন্নাইয়ের সাভিথা মেডিকেল কলেজের কনসালট্যান্ট কার্ডিয়াক সার্জন ছিলেন। গত বুধবার এ হাসপাতালেই হার্ট অ্যাটাক করে পড়ে যান তিনি।
সুধীর কুমার নামে অপর এক চিকিৎসক জানান, তার সহকর্মীরা তাকে বাঁচাতে সব ধরনের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু, তার জ্ঞান আর ফেরানো সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, সিপিআর, স্টেন্টিংসহ জরুরি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, ইন্ট্রাঅর্টিক বেলুন পাম্প ও ইসিএম প্রয়োগ করা হয় গ্র্যাডলিন রায়ের ওপর। কিন্তু বাম পাশের প্রধান ধমনীতে ১০০ শতাংশ ব্লকেজ এবং বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় তারা কিছুই করতে পারেননি।
এ চিকিৎসকের মতে, গ্র্যাডলিন রায়ের মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী অনেক চিকিৎসকই হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক করছেন।
বিজ্ঞাপন
কারণ হিসেবে সুধীর কুমার বলেন, তরুণ চিকিৎসকদের দীর্ঘসময় কাজ করতে হয়। কেউ কেউ টানা ১২ থেকে ১৮ ঘন্টাও কাজ করেন। আবার অনেককে এক শিফটেই ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। এছাড়া, তরুণ চিকিৎসকরা চাপের মধ্যেও থাকেন।
সবসময় জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্ত, রোগীর চাপ এবং চিকিৎসা বিষয়ক কঠোর আইন তাদের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। তাছাড়া, চিকিৎসক হলেও অনেকে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন, ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করেন না, ব্যায়াম করেন না অথবা নিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে উপেক্ষা করেন।
হাসপাতালে ভর্তি হার্টের রোগীদের দেখতে রাউন্ড দিচ্ছিলেন চিকিৎসক। কিন্তু, ভাগ্যের কী নির্মম পরিহাস! রোগী দেখতে দেখতে হার্ট অ্যাটাকেই মৃত্যু হলো তার। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে। মারা যাওয়া চিকিৎসকের নাম গ্র্যাডলিন রায়।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এ তথ্য। প্রতিবেদন অনুযায়ী, ৩৯ বছর বয়সী গ্র্যাডলিন রায় চেন্নাইয়ের সাভিথা মেডিকেল কলেজের কনসালট্যান্ট কার্ডিয়াক সার্জন ছিলেন। গত বুধবার এ হাসপাতালেই হার্ট অ্যাটাক করে পড়ে যান তিনি।
সুধীর কুমার নামে অপর এক চিকিৎসক জানান, তার সহকর্মীরা তাকে বাঁচাতে সব ধরনের চেষ্টা করেছেন। কিন্তু, তার জ্ঞান আর ফেরানো সম্ভব হয়নি। তিনি জানান, সিপিআর, স্টেন্টিংসহ জরুরি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি, ইন্ট্রাঅর্টিক বেলুন পাম্প ও ইসিএম প্রয়োগ করা হয় গ্র্যাডলিন রায়ের ওপর। কিন্তু বাম পাশের প্রধান ধমনীতে ১০০ শতাংশ ব্লকেজ এবং বড় ধরনের হার্ট অ্যাটাক হওয়ায় তারা কিছুই করতে পারেননি।
এ চিকিৎসকের মতে, গ্র্যাডলিন রায়ের মৃত্যু কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। ৩০ থেকে ৪০ বছর বয়সী অনেক চিকিৎসকই হঠাৎ করে হার্ট অ্যাটাক করছেন।
বিজ্ঞাপন
কারণ হিসেবে সুধীর কুমার বলেন, তরুণ চিকিৎসকদের দীর্ঘসময় কাজ করতে হয়। কেউ কেউ টানা ১২ থেকে ১৮ ঘন্টাও কাজ করেন। আবার অনেককে এক শিফটেই ২৪ ঘণ্টা কাজ করতে হয়। এছাড়া, তরুণ চিকিৎসকরা চাপের মধ্যেও থাকেন।
সবসময় জীবন-মৃত্যুর সিদ্ধান্ত, রোগীর চাপ এবং চিকিৎসা বিষয়ক কঠোর আইন তাদের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। তাছাড়া, চিকিৎসক হলেও অনেকে অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপন করেন, ঠিকমতো খাওয়া দাওয়া করেন না, ব্যায়াম করেন না অথবা নিজের স্বাস্থ্য পরীক্ষাকে উপেক্ষা করেন।
৩০ আগস্ট, ২০২৫ ১৮:১৮
খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে দুই নারীকে জুস খাইয়ে অজ্ঞান করে স্বর্ণালংকার খুলে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া নামের অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে আটক করেছে যাত্রীরা। এ সময় তার সঙ্গে থাকা জুস তাকে পান করালে তিনিও অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। আটক ফুল মিয়া রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুর এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী যাত্রীরা হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই এলাকার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের ইশনী রায়ের স্ত্রী কৌশিলা রায় (৫০) ও মেয়ে বীথি রানী (২৮)।
সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ঝ’ বগির ৭৮, ৭৯ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন ভুক্তভোগী কৌশিলা ও বীথি। তারা দিনাজপুরের বিরামপুর স্টেশন থেকে সৈয়দপুরে আসছিলেন। পাশের ৭৭ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়া। আলাপের একপর্যায়ে মা-মেয়েকে জুস পান করান তিনি।
এতে ভুক্তভোগীরা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাদের কানের দুল ও নাক ফুল খুলে নেয়। এ সময় পাশের যাত্রী আব্দুর রহিম বিষয়টি টের পেয়ে ফুল মিয়াকে আটক করে। আটক প্রতারক বিষয়টি অস্বীকার করলে অন্যরা মিলে তার কাছে থাকা জুস তাকে পান করালে ফুল মিয়া নিজেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় তাকে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি মাহমুদ-উন নবী বলেন, দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্যকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কৌশলা বালার ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তিনি আরও বলেন, অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়ার নামে রেলওয়ের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
খুলনা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে দুই নারীকে জুস খাইয়ে অজ্ঞান করে স্বর্ণালংকার খুলে নেওয়ার সময় ফুল মিয়া নামের অজ্ঞান পার্টির এক সদস্যকে আটক করেছে যাত্রীরা। এ সময় তার সঙ্গে থাকা জুস তাকে পান করালে তিনিও অজ্ঞান হয়ে পড়েন।
শনিবার (৩০ আগস্ট) ভোরে সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনে এ ঘটনা ঘটে। আটক ফুল মিয়া রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার আব্দুল্লাপুর এলাকার বাসিন্দা। ভুক্তভোগী যাত্রীরা হলেন- ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার করনাই এলাকার দক্ষিণ মালঞ্চ গ্রামের ইশনী রায়ের স্ত্রী কৌশিলা রায় (৫০) ও মেয়ে বীথি রানী (২৮)।
সৈয়দপুর রেলওয়ে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনের ‘ঝ’ বগির ৭৮, ৭৯ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন ভুক্তভোগী কৌশিলা ও বীথি। তারা দিনাজপুরের বিরামপুর স্টেশন থেকে সৈয়দপুরে আসছিলেন। পাশের ৭৭ নম্বর সিটের যাত্রী ছিলেন অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়া। আলাপের একপর্যায়ে মা-মেয়েকে জুস পান করান তিনি।
এতে ভুক্তভোগীরা অজ্ঞান হয়ে পড়লে তাদের কানের দুল ও নাক ফুল খুলে নেয়। এ সময় পাশের যাত্রী আব্দুর রহিম বিষয়টি টের পেয়ে ফুল মিয়াকে আটক করে। আটক প্রতারক বিষয়টি অস্বীকার করলে অন্যরা মিলে তার কাছে থাকা জুস তাকে পান করালে ফুল মিয়া নিজেই অজ্ঞান হয়ে পড়েন। পরে সৈয়দপুর রেলওয়ে থানা পুলিশের হাতে তুলে দেয় তাকে।
সৈয়দপুর রেলওয়ে থানার ওসি মাহমুদ-উন নবী বলেন, দুই ভুক্তভোগীসহ অজ্ঞান পার্টির সদস্যকে সৈয়দপুর রেলওয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় কৌশলা বালার ছেলে রবীন্দ্র নাথ রায় বাদী হয়ে একটি মামলা করেছেন। তিনি আরও বলেন, অজ্ঞান পার্টির সদস্য ফুল মিয়ার নামে রেলওয়ের বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.