Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৪ নভেম্বর, ২০২৫ ১১:০৭
স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পেরে চরম ক্ষুব্ধ হন স্বামী। কৌশলে পরকীয়া প্রেমিক তাপস চন্দ্র মন্ডলকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে সহযোগিদের সহায়তায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা মুমূর্ষ অবস্থায় তাপস মন্ডলকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরিবারের লোকজনে তাপস মন্ডলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে টানা ২১ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাপস মন্ডল মৃত্যুবরন করেন। সে (তাপস) বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মুক্তেশ্বর মন্ডলের ছেলে। দীর্ঘদিন থেকে তাপস মন্ডল মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে মুলাদী থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন-আমার ছেলেকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। ওই নির্যাতনে গুরুত্বর আহত হয়ে টানা ২১দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত চারটার দিকে তাপসের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরে করা হবে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তাপস চন্দ্র মন্ডল চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। সে সুবাধে তাপস মন্ডল নোমরহাট এলাকার বাসিন্দা জিতেন কুমার মন্ডলের ছেলে স্বপন মন্ডলের বাড়ির একটি ঘরে ভাড়ায় থাকতেন। ওই সুবাদে স্বপন মন্ডলের স্ত্রীর সাথে তাপসের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি স্বপন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনের সাথে তাপসের সালিশ বৈঠক হয়। পরে মুক্তেশ্বর মন্ডল তার ছেলেকে মালয়েশিয়া পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তাপস সেখানে ছয়দিন অবস্থান করে বাংলাদেশে ফিরে আসে।
মুক্তেশ্বর মন্ডল জানান, তাপসের দেশে ফেরার খবর পেয়ে স্বপন কয়েকজন লোক নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে তাপসকে তাদের বাড়িতে দাওয়াত দেন। তাপস গত ২৩ অক্টোবর রাতে স্বপনের বাড়িতে আসার পর পরই স্বপন ও তার লোকজনে তাপসের হাত-পা বেঁধে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে (তাপস) বেধরক পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন।
মুক্তেশ্বর মন্ডল অভিযোগ করে বলেন-নির্যাতনের একপর্যায়ে তাপস জল (পানি) পান করতে চাইলে তাকে কীটনাশক পান করানো হয়। এসময় তাপসের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনে বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারকে জানান।
পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান লোকজনের সহায়তায় তাপসকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতেই তাকে (তাপস) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার দিবাগত গভীর রাতে তাপসের মৃত্যু হয়।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন, স্বপন মন্ডলের অনুরোধে তার বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলো তাপস। সেখানে যাওয়ার পর স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনে অমানুষিক নির্যাতন করে মুখে বিষ ঢেলে তাপসকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম সরদার বলেন, গত ২৩ অক্টোবর স্বপন মন্ডলের বাড়ি থেকে তাপসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিলো। বিষয়টি থানা পুলিশকে তাৎক্ষণিক অবহিত করা হয়।
অভিযুক্ত স্বপন মন্ডল উদ্যোক্তা তাপসকে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাপস বাড়িতে ঢোকার আগেই কীটনাশক পান করেছে। তাকে বাঁচাতে বমি করানোর চেষ্টা করা হয়েছিলো।
স্ত্রীর সাথে পরকীয়ার বিষয়টি জানতে পেরে চরম ক্ষুব্ধ হন স্বামী। কৌশলে পরকীয়া প্রেমিক তাপস চন্দ্র মন্ডলকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে সহযোগিদের সহায়তায় স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমিককে বেঁধে অমানুষিক নির্যাতন করে।
খবর পেয়ে স্থানীয়রা মুমূর্ষ অবস্থায় তাপস মন্ডলকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা হাসপাতালে ভর্তি করেন। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে আশঙ্কাজনক অবস্থায় পরিবারের লোকজনে তাপস মন্ডলকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেন।
সেখানে টানা ২১ দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাপস মন্ডল মৃত্যুবরন করেন। সে (তাপস) বরিশালের হিজলা উপজেলার গুয়াবাড়িয়া ইউনিয়নের কালিকাপুর গ্রামের মুক্তেশ্বর মন্ডলের ছেলে। দীর্ঘদিন থেকে তাপস মন্ডল মুলাদী উপজেলার চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন।
বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) দিবাগত রাতে মুলাদী থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ বিষয়ে এখনও কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন-আমার ছেলেকে বাড়িতে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে অমানুষিক নির্যাতন করা হয়েছে। ওই নির্যাতনে গুরুত্বর আহত হয়ে টানা ২১দিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার দিবাগত রাত চারটার দিকে তাপসের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়েরে করা হবে।
বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, তাপস চন্দ্র মন্ডল চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের উদ্যোক্তা হিসেবে কাজ করে আসছিলেন। সে সুবাধে তাপস মন্ডল নোমরহাট এলাকার বাসিন্দা জিতেন কুমার মন্ডলের ছেলে স্বপন মন্ডলের বাড়ির একটি ঘরে ভাড়ায় থাকতেন। ওই সুবাদে স্বপন মন্ডলের স্ত্রীর সাথে তাপসের পরকীয়া সম্পর্ক গড়ে ওঠে। বিষয়টি জানতে পেরে স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক মেনে নিতে পারেননি স্বপন।
সূত্রে আরও জানা গেছে, গত অক্টোবর মাসে স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনের সাথে তাপসের সালিশ বৈঠক হয়। পরে মুক্তেশ্বর মন্ডল তার ছেলেকে মালয়েশিয়া পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু তাপস সেখানে ছয়দিন অবস্থান করে বাংলাদেশে ফিরে আসে।
মুক্তেশ্বর মন্ডল জানান, তাপসের দেশে ফেরার খবর পেয়ে স্বপন কয়েকজন লোক নিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে নিজের ভুল স্বীকার করে তাপসকে তাদের বাড়িতে দাওয়াত দেন। তাপস গত ২৩ অক্টোবর রাতে স্বপনের বাড়িতে আসার পর পরই স্বপন ও তার লোকজনে তাপসের হাত-পা বেঁধে ফেলেন। পরবর্তীতে তাকে (তাপস) বেধরক পিটিয়ে মারাত্মক আহত করেন।
মুক্তেশ্বর মন্ডল অভিযোগ করে বলেন-নির্যাতনের একপর্যায়ে তাপস জল (পানি) পান করতে চাইলে তাকে কীটনাশক পান করানো হয়। এসময় তাপসের চিৎকারে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজনে বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মিরাজুল ইসলাম সরদারকে জানান।
পরবর্তীতে ইউপি চেয়ারম্যান লোকজনের সহায়তায় তাপসকে উদ্ধার করে মুলাদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে ওইদিন রাতেই তাকে (তাপস) ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। সেখানে ২১দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার দিবাগত গভীর রাতে তাপসের মৃত্যু হয়।
মৃত তাপসের বাবা মুক্তেশ্বর মন্ডল বলেন, স্বপন মন্ডলের অনুরোধে তার বাড়িতে দাওয়াতে গিয়েছিলো তাপস। সেখানে যাওয়ার পর স্বপন মন্ডল ও তার লোকজনে অমানুষিক নির্যাতন করে মুখে বিষ ঢেলে তাপসকে হত্যা করেছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা দায়ের করা হবে।
চরকালেখান ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মিরাজুল ইসলাম সরদার বলেন, গত ২৩ অক্টোবর স্বপন মন্ডলের বাড়ি থেকে তাপসকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিলো। বিষয়টি থানা পুলিশকে তাৎক্ষণিক অবহিত করা হয়।
অভিযুক্ত স্বপন মন্ডল উদ্যোক্তা তাপসকে নির্যাতনের বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, তাপস বাড়িতে ঢোকার আগেই কীটনাশক পান করেছে। তাকে বাঁচাতে বমি করানোর চেষ্টা করা হয়েছিলো।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'

১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
বরিশাল নগরীর বান্দরোড এলাকায় মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান শুভ (২৫) নামে এক সৌদি প্রবাসী যুবক নিহত হয়েছেন। এই দুর্ঘটনায় মো. আরিফ (২৫) নামে আরও এক যুবক গুরুতর আহত হয়েছেন। আহতকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় বরিশাল শের-ই বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) রাত সাড়ে ১০টার দিকে বান্দ রোডের কেডিসি গলির মুখে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, নিহত শুভ পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার লেবুখালী গ্রামের হেলাল প্যাদার ছেলে। আহত আরিফ একই এলাকার গনি হাওলাদারের ছেলে।
নিহতের বন্ধু ও ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী রাকিব খান জানান, 'বৃহস্পতিবার রাতে তারা দুইটি মোটরসাইকেলযোগে এক বন্ধুকে বরিশাল লঞ্চঘাটে পৌঁছে দেন। এরপর তারা পুনরায় মোটরসাইকেলে লেবুখালীর উদ্দেশে রওনা হন। পথিমধ্যে নগরীর বান্দরোডের কেডিসি গলির মুখে পৌঁছালে শুভ মোটরসাইকেলটির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি যাত্রীবাহী অটোরিকশার পিছনে ধাক্কা দিয়ে সড়ক বিভাজকের লোহার পাইপের সাথে প্রচণ্ড আঘাত পান চালক শুভ ও আরোহী আরিফ।'
পরে স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক শুভকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই আল-আমিন জানান, 'শুভ সৌদি আরব প্রবাসী ছিলেন। পাঁচ মাস আগে তিনি ছুটি নিয়ে দেশে আসেন এবং বর্তমানে বাবার ব্যবসা দেখাশোনা করছিলেন। তবে কী কারণে শুভ বরিশালে এসেছিলেন, সে বিষয়ে জানা নেই তার।'
এ বিষয়ে বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম জানান, 'দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। আহত যুবককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে এবং নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শেবাচিম হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।'
ওসি আরও জানান, 'এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকলে আইনি প্রক্রিয়া শেষে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।'
বরিশাল সদর উপজেলার চরমোনাই ইউনিয়নের ৩৭নং বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী ওই বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। তার বিরুদ্ধে প্রধান শিক্ষকের কাছে লিখিতি অভিযোগ দিয়েছেন তিন অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তারা হলেন- মোঃ সমির হোসেন বেপারী, নুপুর বেগম, মোঃ জিয়াউর রহমান খান। অভিযোগে বলা হয়- ওই বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ ম্যানেজিং কমিটি নির্বাচনে অভিবাবক শ্রেণীর পদপ্রার্থী।
তিনি গত ১৬ জুন এবং ১৭ জুন বিদ্যালয়ের ক্লাস চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। শ্রেণিকক্ষে তিনি তার মোবাইল ফোনে রাখা নিজের-গোলাপ ফুল মার্কা এবং তার প্যানেলভূক্ত কাজী শাহিনের- বই, শিমু আক্তারের মই এবং রেহানা আক্তার হাসির কলস মার্কার পোস্টার দেখিয়ে শিক্ষার্থীদেরকে প্রচারণা চালানোর জন্য এবং শিক্ষার্থীদের ভিতর থেকে যাদের ছোট ভাই বোন বা পরিচিত যাদের ছেলে মেয়ে বুখাইনগর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত আছে তাদের বাবা-মাকে ওই চারটি মার্কায় ভোট দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়ে অনুরোধ জানান।
এই চারজন প্রার্থী নির্বাচিত হলে পরবর্তীতে তিনি তাদের ভোটে সভাপতি নির্বাচিত হবেন বলে শিক্ষার্থীদেরকে উৎসাহিত করেন। একাধিক শ্রেণীর একাধিক শিক্ষার্থীরা বিদ্যালয় ছুটি পরে বাইরে এসে তার এ সকল কার্যক্রমের বর্ণনা দেয় যা অত্যন্ত আপত্তিকর এবং দুঃখজনক। এতে করে একদিকে যেমন শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। অপরদিকে আপনার বিদ্যালয়ের শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে এবং উক্ত নির্বাচনকেও প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তারা শস্কা প্রকাশ করেন পরবর্তীতেও তিনি শ্রেণিকক্ষে এই ধরনের কার্যক্রম চালিয়ে যাবেন। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধের দাবি জানিয়েছেন তারা।
অভিযোগকারীরা বলেন- মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগ নির্বাচনী আচরণ-বিধি লঙ্ঘন করে বিদ্যালয়ের ক্লাশ চলাকালীন সময় প্রতি শ্রেণীতে গিয়ে পাঠদান না করে নির্বাচনী প্রচারণা চালান। এটা নিয়ম বহির্ভূত কাজ। তার এ ধরনের কার্যক্রম বন্ধ করতে হবে।
এ বিষয়ে সহকারী শিক্ষক মোঃ শফিকুর রহমান সোহাগের মুঠোফোনে কল দিলে তিনি তা রিসিভ করেননি। প্রধান শিক্ষক শিরিন আকতার বলেন- অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হস্তিশুন্ড গ্রামে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে গড়ে ওঠা মজিবুর অটো রাইস মিলকে কেন্দ্র করে পরিবেশ দূষণ, শব্দ দূষণ ও জনদুর্ভোগের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে মিলটির কার্যক্রমে শিক্ষার পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মিলটির ১০০ মিটারের মধ্যেই রয়েছে ৭১ নং সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, হস্তিশুন্ড মাধ্যমিক বিদ্যালয়, এ.আর. তালুকদার গার্লস স্কুল এবং একটি নূরানি-হাফিজি মাদ্রাসা।
এসব প্রতিষ্ঠানে এক হাজারের বেশি শিক্ষার্থী অধ্যয়ন করছে। অভিযোগ রয়েছে, মিলের বিকট শব্দ, ধুলাবালি, চালের কুঁড়া ও ঝাঁঝালো গন্ধে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে এবং শিশু-বৃদ্ধরা স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন।
এছাড়া মিলের ধান ও চালবোঝাই যানবাহন সড়কে অবস্থান করায় পথচারী ও স্কুলগামী শিক্ষার্থীদের চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মিলের পাশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে অটোরিকশার ব্যাটারি চার্জিং কার্যক্রমও পরিচালিত হচ্ছে। একইসঙ্গে বিদ্যালয়ের বাউন্ডারি ওয়াল সংলগ্ন স্থানে নতুন করে আরেকটি মিল স্থাপনের প্রস্তুতি চলছে বলেও অভিযোগ রয়েছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, এসব অনিয়মের বিরুদ্ধে কেউ প্রতিবাদ করলে বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয়। ফলে অনেকেই প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস পান না।
তবে এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়ার জন্য মিল মালিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি। এলাকাবাসী দ্রুত উপজেলা প্রশাসন, পরিবেশ অধিদপ্তর ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও আবাসিক এলাকার মাঝখানে পরিচালিত মিলটির কার্যক্রম তদন্তপূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
১৮ জুন, ২০২৬ ২৩:৩৯
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:৫৪
১৮ জুন, ২০২৬ ১৯:২১
১৮ জুন, ২০২৬ ১৮:৫১