
০৫ জুন, ২০২৫ ১৩:৫৬
পবিত্র ঈদউল আযহা (কুরবানি) ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে দক্ষিণ বঙ্গের সব চেয়ে বড় শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুহাট।
কুরবানির গরু ও ছাগল কিনতে দূর দূরন্ত থেকে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠে এই হাট। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারী গরু ব্যবসায়ী (বেপারীরা) এ পশুহাট থেকে পছন্দমত গরু ও ছাগল কিনে স্ব স্ব এলাকার বাজারে সরবরাহ করে থাকেন।
বৃহস্পতিবার ৫জুন দুপুরে সাতমাইল পশুহাটে গিয়ে দেখা যায়, কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে হাজার হাজার গরু ছাগল উঠেছে এই বাজারে। অনেক ধরনের গরু ও ছাগল সেই সাথে ক্রেতা ও বিক্রেতা।
সপ্তাহে প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার দুদিন বসে এই হাট। সকাল ৮টার পর থেকে বেলা ১২টা ১ টার মধ্যে বাজার ভরে যায় গরু ও ছাগলে। সেই সাথে মহিষ ও ভেড়াও দেয়া যায়।
ঈদের বাজার ধরতে স্থানীয় ছোট ছোট খামারিরা তাদের পোষা গরু ও ছাগল বিক্রি করতে এসে অনেকে কাঙ্খিত মূল্য না পেয়ে অখুশী। আবার অনেকে ন্যায্য মূল্য পেয়ে বেজায় খুশী।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নানা সাইজের নানান ধরনের হাজার হাজার গরু। ক্রেতারাও তেমনি তাদের পছন্দের গরু দেখে ক্রয় করছে। অনেকে গরু পছন্দ করলেও মূল্য নিয়ে ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। যে কারণে অনেকে ছোট ছোট গরুর প্রতি বেশি ঝুঁকছে। বাজারে অনেক বড় বড় গরু উঠলেও বড় গরুর ক্রেতা কম।তবে ছাগল ও ভেঁড়ার ক্রেতা সন্তোষজনক।
ঢাকা থেকে আসা গরু ব্যবসায়ী কবির উদ্দিনের সাথে তিনি জানান, অনেক বছর ধরে এই পশু হাট থেকে গরু ক্রয় করে তার এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে। অনেক লাভও হয় তার।
তিনি আরও জানান, এ হাটে এবার গরুর অনেক দাম হাঁকা হচ্ছে। তার জন্য গরু কেনায় সমস্যা হচ্ছে, বেপারী ও খামারিরা তাদের গরুর দাম বেশি বলায় বেচাকেনা অনেক কম। এ জন্য তিনি বেশি গরু কিনতে পারেননি বলে জানান।
গরু কিনতে আসা বড় আচড়া গ্রামের ডা, শফি বলেন, ঈদের সময়ে একটু বেশি দাম থাকবেই সেটা আমরাও জানি। তবে তুলনামূলক ভাবে এ বছর দামটা একটু বেশি।
হাটে গরু বিক্রির জন্য আসা খামারিরা জানান, এ বারের কুরবানির ঈদে বড় গরু বিক্রি কম হচ্ছে। সব ক্রেতাদের ছোট গরুর প্রতি ঝোক বেশী। আমরা খামারিরা যারা বড় গরু লালনপালন করেছি এ ঈদে বিক্রির জন্য সে গরু গুলায় লাভের চেয়ে লসের হবে বলে হচ্ছে।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাক্তার তপু কুমার সাহা জানান, শার্শায় মোট১১শ’৩১টি ছোট বড় খামার আছে। এইসব খামারে কুরবানির জন্য ৩ হাজার ৭শত ১০টি গরু, ৯৪ টি মহিষ ও ১০ হাজার ৩১২টি ছাগল ও ৯৪ টি ভেঁড়া, প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বলেন, এ বছর শার্শায় কুরবানীর চাহিদা পশুর সংখ্যা ১২ হাজার ৭২৬ টি। তবে শার্শা উপজেলায় কুরবানির চাহিদা মেটানোর পর ১ হাজার ৫০০ টি পশু বাড়তি থাকায় তা বাইরের এলাকায় বিক্রি করতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, এ বছর ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ না করলে স্থানীয় খামারিরা লাভবান হবে। এজন্য সীমান্তে ঈদের সময় কড়া নজরদারির জন্য বিজিবি’র প্রতি আহ্বান জানান
পবিত্র ঈদউল আযহা (কুরবানি) ঈদকে সামনে রেখে শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে দক্ষিণ বঙ্গের সব চেয়ে বড় শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া সাতমাইল পশুহাট।
কুরবানির গরু ও ছাগল কিনতে দূর দূরন্ত থেকে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের উপস্থিতিতে সরগরম হয়ে উঠে এই হাট। দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকারী গরু ব্যবসায়ী (বেপারীরা) এ পশুহাট থেকে পছন্দমত গরু ও ছাগল কিনে স্ব স্ব এলাকার বাজারে সরবরাহ করে থাকেন।
বৃহস্পতিবার ৫জুন দুপুরে সাতমাইল পশুহাটে গিয়ে দেখা যায়, কোরবানীর ঈদকে সামনে রেখে হাজার হাজার গরু ছাগল উঠেছে এই বাজারে। অনেক ধরনের গরু ও ছাগল সেই সাথে ক্রেতা ও বিক্রেতা।
সপ্তাহে প্রতি শনিবার ও মঙ্গলবার দুদিন বসে এই হাট। সকাল ৮টার পর থেকে বেলা ১২টা ১ টার মধ্যে বাজার ভরে যায় গরু ও ছাগলে। সেই সাথে মহিষ ও ভেড়াও দেয়া যায়।
ঈদের বাজার ধরতে স্থানীয় ছোট ছোট খামারিরা তাদের পোষা গরু ও ছাগল বিক্রি করতে এসে অনেকে কাঙ্খিত মূল্য না পেয়ে অখুশী। আবার অনেকে ন্যায্য মূল্য পেয়ে বেজায় খুশী।
সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, নানা সাইজের নানান ধরনের হাজার হাজার গরু। ক্রেতারাও তেমনি তাদের পছন্দের গরু দেখে ক্রয় করছে। অনেকে গরু পছন্দ করলেও মূল্য নিয়ে ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে যাচ্ছে। যে কারণে অনেকে ছোট ছোট গরুর প্রতি বেশি ঝুঁকছে। বাজারে অনেক বড় বড় গরু উঠলেও বড় গরুর ক্রেতা কম।তবে ছাগল ও ভেঁড়ার ক্রেতা সন্তোষজনক।
ঢাকা থেকে আসা গরু ব্যবসায়ী কবির উদ্দিনের সাথে তিনি জানান, অনেক বছর ধরে এই পশু হাট থেকে গরু ক্রয় করে তার এলাকায় নিয়ে বিক্রি করে। অনেক লাভও হয় তার।
তিনি আরও জানান, এ হাটে এবার গরুর অনেক দাম হাঁকা হচ্ছে। তার জন্য গরু কেনায় সমস্যা হচ্ছে, বেপারী ও খামারিরা তাদের গরুর দাম বেশি বলায় বেচাকেনা অনেক কম। এ জন্য তিনি বেশি গরু কিনতে পারেননি বলে জানান।
গরু কিনতে আসা বড় আচড়া গ্রামের ডা, শফি বলেন, ঈদের সময়ে একটু বেশি দাম থাকবেই সেটা আমরাও জানি। তবে তুলনামূলক ভাবে এ বছর দামটা একটু বেশি।
হাটে গরু বিক্রির জন্য আসা খামারিরা জানান, এ বারের কুরবানির ঈদে বড় গরু বিক্রি কম হচ্ছে। সব ক্রেতাদের ছোট গরুর প্রতি ঝোক বেশী। আমরা খামারিরা যারা বড় গরু লালনপালন করেছি এ ঈদে বিক্রির জন্য সে গরু গুলায় লাভের চেয়ে লসের হবে বলে হচ্ছে।
উপজেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ডাক্তার তপু কুমার সাহা জানান, শার্শায় মোট১১শ’৩১টি ছোট বড় খামার আছে। এইসব খামারে কুরবানির জন্য ৩ হাজার ৭শত ১০টি গরু, ৯৪ টি মহিষ ও ১০ হাজার ৩১২টি ছাগল ও ৯৪ টি ভেঁড়া, প্রস্তুত রয়েছে।
তিনি বলেন, এ বছর শার্শায় কুরবানীর চাহিদা পশুর সংখ্যা ১২ হাজার ৭২৬ টি। তবে শার্শা উপজেলায় কুরবানির চাহিদা মেটানোর পর ১ হাজার ৫০০ টি পশু বাড়তি থাকায় তা বাইরের এলাকায় বিক্রি করতে পারবে।
তিনি আরো বলেন, এ বছর ভারতীয় গরু দেশে প্রবেশ না করলে স্থানীয় খামারিরা লাভবান হবে। এজন্য সীমান্তে ঈদের সময় কড়া নজরদারির জন্য বিজিবি’র প্রতি আহ্বান জানান

২৬ মার্চ, ২০২৬ ২৩:০৩
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।
কুমিল্লায় বাসের ধাক্কায় প্রাইভেটকারে থাকা একই পরিবারের চারজনসহ মোট পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া মিয়ামি হোটেলের সামনে স্টারলাইন পরিবহণের ধাক্কায় প্রাইভেটকারটি দুমড়ে মুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকার চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন।
মুমূর্ষু অবস্থায় শিশুসহ ৪ প্রাইভেটকার আরোহীকে ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়। পরে একে একে চারজনের মৃত্যু হয়। নিহতরা হলেন- আব্দুল মুমিন (৪৮) ঝর্না আক্তার (৪২), লাবিবা আক্তার (১৪), আরশাদ (১০)। নিহতরা নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী এলাকার বাসিন্দা।
ময়নামতি হাইওয়ে থানার ওসি আব্দুল মুমিন বলেন, স্টার লাইন পরিবহণের সঙ্গে প্রাইভেটকারের সংঘর্ষ হয়। এতে একই পরিবারের চারজন নিহত হয়। নিহতদের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে এবং দুর্ঘটনা-কবলিত প্রাইভেটকারটি উদ্ধার করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১৮:৪৪
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস
বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার শিবপুর এলাকায় দুষ্কৃতিকারীদের গুলিতে হামজা মুন্সী (২৫) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। তিনি রুহুল আমিন মুন্সীর ছেলে। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বিকেলে উপজেলার শিবপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, একদল দুষ্কৃতিকারী বাড়িতে ঢুকে হামজা মুন্সীকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
নিহতের চাচা বাচ্চু মুন্সী জানান, গুলির শব্দ শুনে বাইরে বের হয়ে তিনি দেখতে পান, প্রায় ৬ জন ব্যক্তি মোটরসাইকেলে করে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করেছে। হামজা মুন্সী খুলনায় বসবাস করতেন এবং খুলনার কিছু ব্যক্তি এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে।
নিহতের পিতা রুহুল আমিন মুন্সী বলেন, ১০ থেকে ১২ জনের একটি সংঘবদ্ধ দল হঠাৎ করে আমাদের বাড়িতে ঢুকে আমার ছেলেকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই আমার ছেলে মারা যায়। আমরা এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দোষীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি।
ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে এবং হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছে।
বরিশাল টাইমস

২৬ মার্চ, ২০২৬ ১১:৫২
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের পন্টুন থেকে যাত্রীবাহী বাস পদ্মা নদীতে পড়ে যাওয়ার ঘটনায় এখন পর্যন্ত ২৫ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এবং জীবিত উদ্ধার হয়েছেন ৮ জন। এখনও আনুমানিক ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন, তাদের উদ্ধারে কাজ করছেন ফায়ার সার্ভিস ও নৌবাহিনীর ডুবুরি দল। বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) বেলা ১১টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম এসব তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বুধবার বিকেল ৫টা ২০ মিনিটের দিকে এই দুর্ঘটনা ঘটে। প্রায় ৬০ ফুট গভীরে বাসটি ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় অভিযান চালিয়ে রাত ১২টা ৩৮ মিনিটে বাসটি উদ্ধার করা হয়। বাসটিতে আনুমানিক ৪০ জন যাত্রী ছিলেন।
ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, উদ্ধারকারী দল ও স্থানীয়দের সহায়তায় ৮ জনকে জীবিত উদ্ধার করা হয়। তাদের মধ্যে ৩ জন পুরুষ ও ৫ জন নারী। তবে হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসক দুই নারীকে মৃত ঘোষণা করেন।
বাসের ভেতর থেকে ২২ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এদের মধ্যে ৬ জন পুরুষ, ১১ জন নারী এবং ৫ জন শিশু (৪ জন ছেলে ও ১ জন মেয়ে) রয়েছে।
সব মিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫ জনে। এর মধ্যে ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার করেছে ২২ জন, স্থানীয়দের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া ২ জনকে হাসপাতালে মৃত ঘোষণা করা হয় এবং নৌবাহিনীর ডুবুরিরা উদ্ধার করেন ১ জন। আনুমানিক এখনও ৮ জন নিখোঁজ রয়েছেন। তাদের উদ্ধারে চেষ্টা চলছে।
উদ্ধার অভিযানে ফায়ার সার্ভিসের ৪টি ইউনিট ও ১০ জন ডুবুরি অংশ নেন। এছাড়া সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিআইডব্লিউটিএ, কোস্টগার্ড ও স্থানীয় প্রশাসনের সদস্যরাও যৌথভাবে উদ্ধার কাজে অংশগ্রহণ করেন।
ঘটনার পর এলাকাজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে কাজ করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.