
২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫ ১৮:২৪
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় ৫০০ টাকার বাজি ধরে খালে ১০০ বার ডুব দিতে গিয়ে বাবুল মোল্লা (৪৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বড়ইয়া কাছারি বাড়ি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বাবুল মোল্লা উপজেলার বড়ইয়া মোল্লাবাড়ি এলাকার আনসার মোল্লার ছেলে।
জানা যায়, আজ সকালে বাবুল মোল্লা এক বস্তা চাল মাথায় নিয়ে বড়ইয়া কাঁছারি বাড়ি বাজারে আসেন। শীতের সকালে পরিশ্রমের কারণে শরীর গরম হয়ে গেলে তিনি বাজারে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে ৫০০ টাকার বিনিময়ে খালে নেমে টানা ১০০ বার ডুব দেওয়ার বাজি ধরেন। এরপর তিনি খালে নেমে একটানা ১০০ বার ডুব দেন।
ডুব দেওয়া শেষে খালের পাড়ে উঠে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনেরা তাঁকে উষ্ণতা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় ৫০০ টাকার বাজি ধরে খালে ১০০ বার ডুব দিতে গিয়ে বাবুল মোল্লা (৪৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বড়ইয়া কাছারি বাড়ি বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। বাবুল মোল্লা উপজেলার বড়ইয়া মোল্লাবাড়ি এলাকার আনসার মোল্লার ছেলে।
জানা যায়, আজ সকালে বাবুল মোল্লা এক বস্তা চাল মাথায় নিয়ে বড়ইয়া কাঁছারি বাড়ি বাজারে আসেন। শীতের সকালে পরিশ্রমের কারণে শরীর গরম হয়ে গেলে তিনি বাজারে উপস্থিত কয়েকজনের সঙ্গে ৫০০ টাকার বিনিময়ে খালে নেমে টানা ১০০ বার ডুব দেওয়ার বাজি ধরেন। এরপর তিনি খালে নেমে একটানা ১০০ বার ডুব দেন।
ডুব দেওয়া শেষে খালের পাড়ে উঠে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। তাৎক্ষণিকভাবে স্বজনেরা তাঁকে উষ্ণতা দেওয়ার চেষ্টা করেন। পরে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নজরুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
১৭ জুলাই, ২০২৬ ২০:৩৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৮:০৮
১৭ জুলাই, ২০২৬ ১৪:১৭
১৭ জুলাই, ২০২৬ ০০:৪৪

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৫৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী আক্তার (২৪) তার শিশুসন্তান ফাহিমাকে (৫) নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার মেয়ে লাকী আক্তারের সঙ্গে নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দেড়েক পর তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়।
লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্বামীকে তিন সপ্তাহ আগে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে দিতে চান না। এ নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এতে লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় পরিবারের প্রতি অভিমান করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
বরিশাল টাইমস
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছরের শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন এক মা। স্থানীয়দের তাৎক্ষণিক তৎপরতায় মা ও মেয়েকে জীবিত উদ্ধার করা হয়।
শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে সাড়ে ৯টার দিকে নলছিটি ফেরিঘাট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, লাকী আক্তার (২৪) তার শিশুসন্তান ফাহিমাকে (৫) নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকার ঘাটে বাঁধা ফেরির ওপর থেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন। এ ঘটনা দেখতে পেয়ে আশপাশের লোকজন দ্রুত নদীতে ঝাঁপিয়ে পড়ে মা ও শিশুকে জীবিত উদ্ধার করেন। পরে তাদের প্রাথমিক চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়।
জানা গেছে, ৬ থেকে ৭ বছর আগে উপজেলার হাঁড়িখালী গ্রামের মো. আজিজ মোল্লার মেয়ে লাকী আক্তারের সঙ্গে নলছিটি শহরের থানারপুল এলাকার আদম আলীর ছেলে সাইদুল ইসলামের বিয়ে হয়। বিয়ের বছর দেড়েক পর তাদের একটি কন্যাসন্তান হয়।
লাকী আক্তার জানান, তার স্বামী নেশাগ্রস্ত এবং শাশুড়ি তাকে মারধর করতেন। পারিবারিক কলহের কারণে তিনি তার স্বামীকে তিন সপ্তাহ আগে তালাক দেন। এরপর সাইদুল ইসলাম তার মেয়েকে নিয়ে যেতে চান। কিন্তু লাকী আক্তার মেয়েকে তার বাবার কাছে দিতে চান না। এ নিয়ে সাইদুল মামলা করার হুমকি দেন। এতে লাকী আক্তারের বাবা আজিজ মোল্লা নাতি ফাহিমাকে তার বাবার কাছে দিয়ে দেওয়ার জন্য বলেন। এ ঘটনায় পরিবারের প্রতি অভিমান করে লাকী তার শিশুসন্তানকে নিয়ে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।
নলছিটি থানার ওসি মো. তৌহিদুজ্জামান এ ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, ওই নারী শিশুসন্তানকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার পর স্থানীয়রা তাদের উদ্ধার করেন। বর্তমানে তিনি তার বাবার কাছে রয়েছেন। এ ঘটনায় এখনো কেউ অভিযোগ করেনি। তবে পুলিশ ঘটনা খতিয়ে দেখছে।
বরিশাল টাইমস

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৮:২৮
দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রস্তাবিত বিভিন্ন সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সেতু সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তারা সুগন্ধা নদীর নলছিটির ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করেন।
প্রস্তাবিত সেতুটি বাস্তবায়িত হলে শুধু দুই উপজেলার যোগাযোগই সহজ হবে না, বরং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কও আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি নদীর দুই তীরের অবহেলিত জনপদে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।
দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আরও গতিশীল ও আধুনিক করতে প্রস্তাবিত বিভিন্ন সেতু প্রকল্প পরিদর্শন করছেন সেতু বিভাগ ও বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব মো. আবদুর রউফ। এরই ধারাবাহিকতায় শনিবার সকালে ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীর সম্ভাব্য সেতু নির্মাণস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।
শনিবার (১১ জুলাই) সকালে ঝালকাঠি কলেজ খেয়াঘাট থেকে স্পিডবোটে নদীপথে পরিদর্শনে বের হন সেতু সচিব ও তাঁর সফরসঙ্গী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এ সময় তারা সুগন্ধা নদীর নলছিটির ষাইটপাকিয়া, সুতালড়ী এবং ঝালকাঠি পেট্রোল পাম্প সংলগ্ন তিনটি সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন এবং সংশ্লিষ্টদের কাছ থেকে বিভিন্ন কারিগরি তথ্য সংগ্রহ করেন।
প্রস্তাবিত সেতুটি বাস্তবায়িত হলে শুধু দুই উপজেলার যোগাযোগই সহজ হবে না, বরং দক্ষিণাঞ্চলের সামগ্রিক যোগাযোগ নেটওয়ার্কও আরও শক্তিশালী হবে। পাশাপাশি নদীর দুই তীরের অবহেলিত জনপদে বিনিয়োগ, কর্মসংস্থান এবং আর্থসামাজিক উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনা সৃষ্টি হবে।