
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:৪২
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে বিজয়ী করতে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাইফুল ইসলাম রকি রাত-দিন একাকার করে ধানের শীষ প্রতিকের সমর্থনে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন।
তিনি তার নিজ এলাকা উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত উপেক্ষা করে নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত অবধি দলীয় প্রার্থীর উঠান বৈঠক, হ্যান্ডবিল বিতরণ, হাট-বাজার ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট প্রার্থণায় গণসংযোগসহ ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে গোটা এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরন সৃষ্টি করেছেন।
এছাড়াও তিনি বানারীপাড়া পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ অংশ নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রকি বলেন বানারীপাড়া ও উজিরপুরসহ সারা দেশে ধানের শীষ প্রতিকের পক্ষে গণজাগরন সৃষ্টি হয়েছে।
ইনশাআল্লাহ্ ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটে এর প্রতিফলন ঘটবে এবং জনগনের অকুন্ঠ সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের সুখী, সমৃদ্ধশালী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাবে।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-২ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টুকে বিজয়ী করতে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৭১'র রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান সাইফুল ইসলাম রকি রাত-দিন একাকার করে ধানের শীষ প্রতিকের সমর্থনে ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালিয়েছেন।
তিনি তার নিজ এলাকা উপজেলার উদয়কাঠী ইউনিয়নে দলের নেতা-কর্মীদের নিয়ে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র শীত উপেক্ষা করে নাওয়া-খাওয়া ভুলে কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত অবধি দলীয় প্রার্থীর উঠান বৈঠক, হ্যান্ডবিল বিতরণ, হাট-বাজার ও ভোটারদের দ্বারে দ্বারে ঘুরে ভোট প্রার্থণায় গণসংযোগসহ ব্যাপক প্রচারণা চালিয়ে গোটা এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে গণজাগরন সৃষ্টি করেছেন।
এছাড়াও তিনি বানারীপাড়া পৌর শহরসহ উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উঠান বৈঠক ও গণসংযোগ অংশ নিয়েছেন। এ প্রসঙ্গে বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম রকি বলেন বানারীপাড়া ও উজিরপুরসহ সারা দেশে ধানের শীষ প্রতিকের পক্ষে গণজাগরন সৃষ্টি হয়েছে।
ইনশাআল্লাহ্ ১২ ফেব্রুয়ারী ভোটে এর প্রতিফলন ঘটবে এবং জনগনের অকুন্ঠ সমর্থনে বিএনপি সরকার গঠন করে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানের যোগ্য নেতৃত্বে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্বপ্নের সুখী, সমৃদ্ধশালী ও স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মাণের পথে এগিয়ে যাবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২০

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৩

০৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৫৯
বরিশালকে চাঁদাবাজ, দখলদার ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হাতপাখায় ভোট দেয়ার আহবান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম।
বরিশাল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বরিশাল আজ চাঁদাবাজদের কবলে জর্জরিত। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীন। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে সৎ, ন্যায়ভিত্তিক ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সেই লক্ষ্যে সবাইকে হাতপাখায় ভোট দেওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আমি নির্বাচিত হলে জনগণের জানমাল ও সম্মান রক্ষায় আপোসহীন থাকবো এবং কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারি ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবেনা। সমাবেশ শেষে শহীদ মিনার এলাকা থেকে শুরু হয়ে সদর রোড, বাজার রোড, চকবাজার এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ও ঝালকাঠীতে অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে উঠেছে। হামলার ঘটনায় অন্তত ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি জামায়াতের।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার আন্দারমানিক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আন্ধারমানিক (কলকুঠি) মাদরাসার সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
জামায়াতের অভিযোগ, তাদের মিছিলে বিএনপির কর্মীরা হামলা করেছে। হামলার সময় তাদের ৫-৬টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে।
আহতরা হলেন- কাজিরহাট থানা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি ডা. শাহেদুল ইসলাম, শিবিরকর্মী লিটন কাজী, মহিবুল্লাহ ও আলাউদ্দিন। তাদের পাশের হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে অন্য দুজনের নাম জানা যায়নি। এদিকে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় জামায়াতর একটি কার্যালয় ও এক সমর্থকের গোডাউনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে অভিযোগ স্থানীয় জামায়াতের। দলটির দাবি, মঙ্গলবার ভোররাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা সাতুরিয়া ইউনিয়নের আমতলা বাজারে আগুন দিয়ে ওই স্থাপনাগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে ঝালকাঠী-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক ঘটনাস্থলে যান। পরে রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলামও সকালে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
ফয়জুল হক বলেন, নির্বাচনকে ভয় দেখিয়ে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অফিস পুড়িয়ে দিয়ে জনগণের রায় বদলানো যাবে না। নির্বাচনের আগে সব সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের আহ্বানও জানান জামায়াতের এই প্রার্থী।
রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বিতল টিনসেডের ঘরটিতে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার ওপর দিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ গেছে। তাই তদন্ত ছাড়া দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’
আন্দারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রচারণার শেষ দিনে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দেন এবং স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা থেকে হামলার ঘটনা ঘটেছে।’
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কাজিরহাট থানার ওসি মো. নবীউল হাসান বলেন, ‘হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেনাবাহিনীর সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।’
বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জে জামায়াতের নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা ও ঝালকাঠীতে অফিস ভাঙচুরের অভিযোগে উঠেছে। হামলার ঘটনায় অন্তত ছয়জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে দাবি জামায়াতের।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত ৮টার দিকে উপজেলার আন্দারমানিক ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব আন্ধারমানিক (কলকুঠি) মাদরাসার সামনের সড়কে এ ঘটনা ঘটে।
জামায়াতের অভিযোগ, তাদের মিছিলে বিএনপির কর্মীরা হামলা করেছে। হামলার সময় তাদের ৫-৬টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে পাশের খালে ফেলে দেওয়া হয়েছে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছে আহতদের উদ্ধার করে।
আহতরা হলেন- কাজিরহাট থানা জামায়াতের যুব বিভাগের সভাপতি ডা. শাহেদুল ইসলাম, শিবিরকর্মী লিটন কাজী, মহিবুল্লাহ ও আলাউদ্দিন। তাদের পাশের হিজলা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
তবে অন্য দুজনের নাম জানা যায়নি। এদিকে ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলায় জামায়াতর একটি কার্যালয় ও এক সমর্থকের গোডাউনে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে অভিযোগ স্থানীয় জামায়াতের। দলটির দাবি, মঙ্গলবার ভোররাতে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা সাতুরিয়া ইউনিয়নের আমতলা বাজারে আগুন দিয়ে ওই স্থাপনাগুলো পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
ঘটনার পর মঙ্গলবার সকালে ঝালকাঠী-১ আসনে জামায়াতের মনোনীত প্রার্থী ফয়জুল হক ঘটনাস্থলে যান। পরে রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলামও সকালে ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন।
ফয়জুল হক বলেন, নির্বাচনকে ভয় দেখিয়ে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করা হচ্ছে। অফিস পুড়িয়ে দিয়ে জনগণের রায় বদলানো যাবে না। নির্বাচনের আগে সব সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তার করতে হবে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে চিহ্নিত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের আহ্বানও জানান জামায়াতের এই প্রার্থী।
রাজাপুর থানার ওসি নজরুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বিতল টিনসেডের ঘরটিতে দুর্ঘটনা ঘটেছে, তার ওপর দিয়ে বৈদ্যুতিক সংযোগ গেছে। তাই তদন্ত ছাড়া দুর্ঘটনা নাকি নাশকতা নিশ্চিতভাবে বলা যাচ্ছে না। বিষয়টিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে।’
আন্দারমানিক ইউনিয়ন জামায়াতের সভাপতি মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, ‘প্রচারণার শেষ দিনে মিছিল নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরা বাধা দেন এবং স্লোগান দিতে নিষেধ করেন। একপর্যায়ে বাকবিতণ্ডা থেকে হামলার ঘটনা ঘটেছে।’
তবে এ ঘটনায় অভিযুক্ত ইউনিয়ন বিএনপির একাধিক নেতার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
কাজিরহাট থানার ওসি মো. নবীউল হাসান বলেন, ‘হামলার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেনাবাহিনীর সহায়তায় আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি।’
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।
আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠেয় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ভোটগ্রহণের দিন এবং এর আগে ও পরের দিন মধ্যরাত পর্যন্ত যানবাহন চলাচলের ওপর বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
ইসির নির্দেশনা অনুযায়ী, আজ মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত সারা দেশে মোটরসাইকেল চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানান, ১১ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি মধ্যরাত পর্যন্ত অন্যান্য পরিবহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
সম্প্রতি জারি করা ইসির পরিপত্রে বলা হয়, ১১ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টা পর্যন্ত ট্যাক্সি ক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা বলবৎ থাকবে।
তবে এই নিষেধাজ্ঞা সব ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে না। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী, প্রশাসন ও অনুমতিপ্রাপ্ত পর্যবেক্ষকদের যানবাহন এই আওতামুক্ত থাকবে। এছাড়া জরুরি সেবায় নিয়োজিত যানবাহন, ওষুধ, স্বাস্থ্য-চিকিৎসা ও অনুরূপ কাজে ব্যবহৃত দ্রব্যাদি এবং সংবাদপত্র বহনকারী সকল ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে।
বিদেশগামী যাত্রী বা বিদেশফেরত আত্মীয়-স্বজনদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিমানবন্দরগামী বা বিমানবন্দর থেকে আসা যানবাহন চলাচলের সুযোগ থাকবে, তবে এক্ষেত্রে টিকেট বা অনুরূপ প্রমাণ প্রদর্শন করতে হবে। একই সঙ্গে দূরপাল্লার যাত্রী বহনকারী যানবাহন অথবা দূরপাল্লার যাত্রী হিসেবে স্থানীয় পর্যায়ে যাতায়াতের জন্য যে কোনো যানবাহন চলাচলের ক্ষেত্রেও এই নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ও তাদের নির্বাচনী এজেন্টদের জন্য রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন ও স্টিকার প্রদর্শন সাপেক্ষে একটি করে ছোট গাড়ি (জিপ, কার বা মাইক্রোবাস) ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া হবে।
নির্বাচন কমিশন আরো জানায়, সাংবাদিক ও পর্যবেক্ষক অথবা জরুরি কোনো কাজে ব্যবহৃত যানবাহন ও মোটরসাইকেল ইসি বা রিটার্নিং অফিসারের অনুমোদন সাপেক্ষে চলতে পারবে। নির্বাচনী কাজে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মোটরসাইকেল চলাচলের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম প্রযোজ্য হবে। এ ছাড়া টেলিযোগাযোগ সেবাকে জরুরি সেবা হিসেবে বিবেচনা করে বিটিআরসি ও লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানসমূহের যানবাহন চলাচলের ওপর নিষেধাজ্ঞা শিথিল থাকবে।
জাতীয় মহাসড়ক, বন্দর ও আন্তঃজেলা বা মহানগর থেকে বের হওয়া বা প্রবেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ সড়কগুলোতে নিষেধাজ্ঞা শিথিলের বিষয়ে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার প্রয়োজনীয় কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারবেন।
ইসির নির্দেশনায় আরো বলা হয়, স্থানীয় প্রয়োজনীয়তা ও বাস্তবতার নিরিখে সংশ্লিষ্ট জেলা ম্যাজিস্ট্রেট বা ক্ষেত্রবিশেষে মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার বা অন্যান্য কর্তৃপক্ষ চাইলে আরো কিছু যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ অথবা শিথিল করার ক্ষমতা রাখবেন।
বরিশালকে চাঁদাবাজ, দখলদার ও সন্ত্রাসমুক্ত করতে হাতপাখায় ভোট দেয়ার আহবান জানিয়েছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত বরিশাল-৫ (সদর) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও দলের সিনিয়র নায়েবে আমীর মুফতী ফয়জুল করীম।
বরিশাল শহীদ মিনার প্রাঙ্গণে ৮ ফেব্রুয়ারি বিকেলে হাতপাখা প্রতীকের নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি বলেন, বরিশাল আজ চাঁদাবাজদের কবলে জর্জরিত। সাধারণ মানুষ নিরাপত্তাহীন। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে হলে সৎ, ন্যায়ভিত্তিক ও আল্লাহভীরু নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠা করতে হবে।
সেই লক্ষ্যে সবাইকে হাতপাখায় ভোট দেওয়ার আহবান জানিয়ে তিনি আরও বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে আমি নির্বাচিত হলে জনগণের জানমাল ও সম্মান রক্ষায় আপোসহীন থাকবো এবং কোনো ধরনের চাঁদাবাজি, দখলদারি ও দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হবেনা। সমাবেশ শেষে শহীদ মিনার এলাকা থেকে শুরু হয়ে সদর রোড, বাজার রোড, চকবাজার এলাকায় একটি শান্তিপূর্ণ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:১৬
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৫৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৬