বরগুনার তালতলীতে তিন বছরের এক শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ উঠেছে, শিশুটির লাশ উদ্ধারের পর তার বাবা একাধিকবার মামলা করতে গেলেও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ।
শুক্রবার (০৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া আশ্রয় প্রকল্পে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আশ্রয়ন প্রকল্পের দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার বছর আগে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া এলাকার শানু হাওলাদারের ছেলে শাহিনের সঙ্গে ছোটবগী ইউনিয়নের পি. কে এলাকার মনির খন্নারের মেয়ে মারজিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁদের সাংসারে জন্ম নেয় একমাত্র পুত্র সন্তান শাহাদাত হোসেন। এরপর স্ত্রী মারজিয়া আক্তার পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় সংসারে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত। সবশেষে গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মারজিয়া আক্তার তার শিশু ছেলে শাহাদাতকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পর দিন সকালে একই এলাকায় অবস্থিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীতে ভেসে ওঠে শিশু শাহাদাতের মরাদেহ। এরপর মায়ের বিরুদ্ধে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ এনে শিশুটির বাবা শাহিন থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি থানা পুলিশ। পুলিশের উদাসীনতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, সেই সঙ্গে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবি করে মানববন্ধন করেছেন তাঁরা। এদিকে, মারজিয়া আক্তার নিখোঁজ থাকায় তার বাবা মনির খন্নার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
শিশুটির বাবা শাহিন বলেন, ‘সোমবার রাতে মারজিয়া সন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন নদীতে ভেসে ওঠা লাশ দেখে বুঝতে পারি এটা আমার ছেলে শাহাদাত।’
তিনি আরও বলেন, ‘মারজিয়া দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে ঘর থেকে বের হয়ে যেত। এবার ঘর থেকে বেরিয়ে সন্তানকে হত্যা করে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে। আমি থানায় মামলা করতে গিয়েও কোনো পদক্ষেপ পাইনি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
তালতলী থানার উপ-পরিদর্শক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘মারজিয়ার বাবা ঘটনাস্থলে থাকেন না। তবুও মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় তিনি সাধারন ডায়েরি করেছেন। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখোঁজ মারজিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হবার চেষ্টা চলছে।’
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, ‘শিশুর লাশটি পায়রা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে এলে বিস্তারিত জানা যাবে।’
ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির মা নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে’

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:৫২
রাজধানীর মতিঝিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ১৩ বছর বয়সী মাহিমার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাসপাতালের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্বজনদের অভিযোগ, অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার পরও সময়মতো অস্ত্রোপচার না করায় মাহিমার মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, হাসপাতালে আনার সময়ই তার অবস্থা গুরুতর ছিল।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তীব্র পেটব্যথা নিয়ে মাহিমাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চললেও শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের অভিযোগ, মাহিমার মৃত্যুর পর রাতে শাহরিয়ার সবুজ নামে এক ব্যক্তি যুবদল নেতা পরিচয়ে হাসপাতালে এসে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে বিকেলে প্রায় ১০০ জনকে নিয়ে হাসপাতালে এসে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।
তবে টাকা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহরিয়ার সবুজ। তিনি মাহিমার চাচাতো ভাই দাবি করে বলেন, চিকিৎসকদের অবহেলায় তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার বিচার চাইতে গেলে হাসপাতালের লোকজন তাদের ওপর হামলা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকা আরেক রোগীর স্বজন তৌফিক মেজবাহ বলেন, প্রথমে কয়েকজনকে মারধর করা হয়। পরে ভাঙচুর শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
মাহিমার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলা এবং হামলা-ভাঙচুরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
রাজধানীর মতিঝিল ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ১৩ বছর বয়সী মাহিমার মৃত্যুকে কেন্দ্র করে ভাঙচুর ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে হাসপাতালের ১০ কর্মকর্তা-কর্মচারী আহত হয়েছেন বলে দাবি করেছে কর্তৃপক্ষ।
স্বজনদের অভিযোগ, অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার পরও সময়মতো অস্ত্রোপচার না করায় মাহিমার মৃত্যু হয়েছে। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি, হাসপাতালে আনার সময়ই তার অবস্থা গুরুতর ছিল।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও স্বজনদের ভাষ্য অনুযায়ী, গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) সন্ধ্যায় তীব্র পেটব্যথা নিয়ে মাহিমাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরীক্ষা-নিরীক্ষায় অ্যাপেনডিক্স ফেটে যাওয়ার বিষয়টি ধরা পড়ে। অস্ত্রোপচারের প্রস্তুতি চললেও শনিবার সকালে তার মৃত্যু হয়।
হাসপাতালের প্রশাসনিক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদের অভিযোগ, মাহিমার মৃত্যুর পর রাতে শাহরিয়ার সবুজ নামে এক ব্যক্তি যুবদল নেতা পরিচয়ে হাসপাতালে এসে ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলে ১০ লাখ টাকা দাবি করেন। পরে বিকেলে প্রায় ১০০ জনকে নিয়ে হাসপাতালে এসে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়।
তবে টাকা দাবির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাহরিয়ার সবুজ। তিনি মাহিমার চাচাতো ভাই দাবি করে বলেন, চিকিৎসকদের অবহেলায় তার মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার বিচার চাইতে গেলে হাসপাতালের লোকজন তাদের ওপর হামলা করেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ঘটনার সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকা আরেক রোগীর স্বজন তৌফিক মেজবাহ বলেন, প্রথমে কয়েকজনকে মারধর করা হয়। পরে ভাঙচুর শুরু হলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে।
মাহিমার মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসায় অবহেলা এবং হামলা-ভাঙচুরের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ উঠেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।

০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১০
ঝালকাঠির রাজাপুরে ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঝালকাঠি-পিরোজপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—রাজাপুর উপজেলার উত্তর বাঘড়ি এলাকার চান্দে আলী খানের ছেলে সিএনজিচালক মো. সুজন খান (৪০), ভান্ডারিয়ার গাজীপুর এলাকার আব্দুস সালাম তালুকদারের ছেলে মো. রুবেল (৩০), কাঁঠালিয়ার বলইবুনিয়া এলাকার ইমরান হোসেনের ছেলে শিশু মো. ইমাম (৩) এবং ইশরাত ফাতিমা (২৫)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে ভান্ডারিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সিএনজি অটোরিকশাটি (বরিশাল মেট্রো-থ ১১-১১০৭) পিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে আকস্মিকভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত লেনে ঢুকে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে রাজাপুর থেকে ঝালকাঠির দিকে যাওয়া একটি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো-ড ১২-০৬৭২) সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা চালকসহ চারজন গুরুতর আহত হন।
সংঘর্ষের অভিঘাতে সিএনজিতে থাকা চালকসহ চারজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাদের রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সিএনজিচালক মো. সুজন খান ও যাত্রী ইশরাত ফাতিমার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অপর দুই আহত ব্যক্তি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে যান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজাপুর থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজি অটোরিকশাটি চালকের পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত চারজনের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং সিএনজিটি চালকের পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
ঝালকাঠির রাজাপুরে ট্রাক ও সিএনজি অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশুসহ চারজন আহত হয়েছেন। রোববার (৪ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার পিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ঝালকাঠি-পিরোজপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন—রাজাপুর উপজেলার উত্তর বাঘড়ি এলাকার চান্দে আলী খানের ছেলে সিএনজিচালক মো. সুজন খান (৪০), ভান্ডারিয়ার গাজীপুর এলাকার আব্দুস সালাম তালুকদারের ছেলে মো. রুবেল (৩০), কাঁঠালিয়ার বলইবুনিয়া এলাকার ইমরান হোসেনের ছেলে শিশু মো. ইমাম (৩) এবং ইশরাত ফাতিমা (২৫)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল থেকে ভান্ডারিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া সিএনজি অটোরিকশাটি (বরিশাল মেট্রো-থ ১১-১১০৭) পিংড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কাছাকাছি পৌঁছালে আকস্মিকভাবে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিপরীত লেনে ঢুকে পড়ে। ঠিক সেই মুহূর্তে রাজাপুর থেকে ঝালকাঠির দিকে যাওয়া একটি ট্রাকের (ঢাকা মেট্রো-ড ১২-০৬৭২) সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সিএনজিতে থাকা চালকসহ চারজন গুরুতর আহত হন।
সংঘর্ষের অভিঘাতে সিএনজিতে থাকা চালকসহ চারজন আহত হন। দুর্ঘটনার পর স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে আহতদের উদ্ধার করেন। পরে তাদের রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।
পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। তবে সিএনজিচালক মো. সুজন খান ও যাত্রী ইশরাত ফাতিমার শারীরিক অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অপর দুই আহত ব্যক্তি প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে বাড়ি ফিরে যান।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে রাজাপুর থানা-পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থল ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন করে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশের হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে ক্ষতিগ্রস্ত সিএনজি অটোরিকশাটি চালকের পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়েছে।
রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সুজন বিশ্বাস বলেন, দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। আহত চারজনের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনাকবলিত ট্রাকটি পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে এবং সিএনজিটি চালকের পরিবারের জিম্মায় রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৩
দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। তার আগে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।
এদিকে সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ দেশের ১৬ জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শনিবার (৩ অক্টোবর) ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান চালানো হয়।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ২৩টি দল একযোগে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা, এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে এ তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়।
অভিযানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সিলিন্ডারের নিরাপত্তা বিধি মানা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় যাচাই করা হয়।
এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি, অযৌক্তিকভাবে সিলিন্ডার মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রির বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রিতে কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে জানানো যাবে। বাজারে শৃঙ্খলা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান
দেশের বাজারে তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাস (এলপিজি) এর দাম বাড়িয়েছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম একলাফে ২৫২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৮৩৭ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
এর আগে সেপ্টেম্বর মাসে ১২ কেজির সিলিন্ডারের দাম ১৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ৫৮৫ টাকা নির্ধারণ করেছিল বিইআরসি। তার আগে একই সিলিন্ডারের দাম ছিল ১ হাজার ৫৯৮ টাকা।
এদিকে সরকার নির্ধারিত দামে এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রি নিশ্চিত করতে রাজধানীসহ দেশের ১৬ জেলায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। শনিবার (৩ অক্টোবর) ডিলার, পাইকারি ও খুচরা পর্যায়ের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে এ অভিযান চালানো হয়।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের ২৩টি দল একযোগে পরিচালিত অভিযানে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগে ৩৯টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৪ লাখ ২৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখা, এলপিজির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি দামে সিলিন্ডার বিক্রি বন্ধে এ তদারকি কার্যক্রম চালানো হয়।
অভিযানে ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে মূল্যতালিকা প্রদর্শন, ক্রয়-বিক্রয়ের ভাউচার সংরক্ষণ ও সরবরাহ, সিলিন্ডারের নিরাপত্তা বিধি মানা এবং মেয়াদোত্তীর্ণ সিলিন্ডার বিক্রি হচ্ছে কি না—এসব বিষয় যাচাই করা হয়।
এ ছাড়া ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরি, অযৌক্তিকভাবে সিলিন্ডার মজুত এবং সরবরাহে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করার নির্দেশ দেওয়া হয়। একই সঙ্গে দৃশ্যমান স্থানে হালনাগাদ মূল্যতালিকা প্রদর্শন এবং নির্ধারিত দামে সিলিন্ডার বিক্রির বিষয়ে সতর্ক করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়েছে, এলপিজি সিলিন্ডার বিক্রিতে কোনো অনিয়মের অভিযোগ থাকলে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের হটলাইন ১৬১২১ নম্বরে জানানো যাবে। বাজারে শৃঙ্খলা ও ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করতে এ ধরনের অভিযান

০৩ অক্টোবর, ২০২৫ ১৭:২৮
বরগুনার তালতলীতে তিন বছরের এক শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবিতে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। অভিযোগ উঠেছে, শিশুটির লাশ উদ্ধারের পর তার বাবা একাধিকবার মামলা করতে গেলেও মামলা নেয়নি থানা পুলিশ।
শুক্রবার (০৩ অক্টোবর) বেলা ১১ টার দিকে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া আশ্রয় প্রকল্পে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে আশ্রয়ন প্রকল্পের দুই শতাধিক নারী-পুরুষ অংশগ্রহণ করেন।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, চার বছর আগে উপজেলার নিশান বাড়িয়া ইউনিয়নের বড় অংকুজান পাড়া এলাকার শানু হাওলাদারের ছেলে শাহিনের সঙ্গে ছোটবগী ইউনিয়নের পি. কে এলাকার মনির খন্নারের মেয়ে মারজিয়া আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর তাঁদের সাংসারে জন্ম নেয় একমাত্র পুত্র সন্তান শাহাদাত হোসেন। এরপর স্ত্রী মারজিয়া আক্তার পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ায় সংসারে প্রায়ই কলহ লেগে থাকত। সবশেষে গত সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাতে মারজিয়া আক্তার তার শিশু ছেলে শাহাদাতকে নিয়ে বাড়ি থেকে বের হয়ে নিখোঁজ হন। পর দিন সকালে একই এলাকায় অবস্থিত তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র সংলগ্ন পায়রা (বুড়িশ্বর) নদীতে ভেসে ওঠে শিশু শাহাদাতের মরাদেহ। এরপর মায়ের বিরুদ্ধে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগ এনে শিশুটির বাবা শাহিন থানায় মামলা করতে গেলে মামলা নেয়নি থানা পুলিশ। পুলিশের উদাসীনতা নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশ্ন তুলেছেন, সেই সঙ্গে শিশু ছেলেকে নদীতে ফেলে হত্যার অভিযোগে তার মায়ের বিচার দাবি করে মানববন্ধন করেছেন তাঁরা। এদিকে, মারজিয়া আক্তার নিখোঁজ থাকায় তার বাবা মনির খন্নার থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছেন।
শিশুটির বাবা শাহিন বলেন, ‘সোমবার রাতে মারজিয়া সন্তানকে নিয়ে ঘর থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। খোঁজাখুঁজি করেও তাকে পাওয়া যায়নি। পরদিন নদীতে ভেসে ওঠা লাশ দেখে বুঝতে পারি এটা আমার ছেলে শাহাদাত।’
তিনি আরও বলেন, ‘মারজিয়া দীর্ঘদিন ধরে পরকীয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে প্রতিবাদ করলে ঘর থেকে বের হয়ে যেত। এবার ঘর থেকে বেরিয়ে সন্তানকে হত্যা করে প্রেমিকের হাত ধরে পালিয়েছে। আমি থানায় মামলা করতে গিয়েও কোনো পদক্ষেপ পাইনি। আমি এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
তালতলী থানার উপ-পরিদর্শক মোস্তফা কামাল বলেন, ‘মারজিয়ার বাবা ঘটনাস্থলে থাকেন না। তবুও মেয়ে নিখোঁজের ঘটনায় তিনি সাধারন ডায়েরি করেছেন। তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে নিখোঁজ মারজিয়ার অবস্থান নিশ্চিত হবার চেষ্টা চলছে।’
তালতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহজালাল বলেন, ‘শিশুর লাশটি পায়রা নদী থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। শিশুর শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। মৃত্যুর রহস্য উদ্ঘাটনের জন্য ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে এলে বিস্তারিত জানা যাবে।’
ওসি আরও বলেন, ‘এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা হয়েছে। পাশাপাশি শিশুটির মা নিখোঁজ থাকার বিষয়টি নিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে’
০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ০৮:৫২
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১০
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ২০:০৩
০৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:২১