Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ জুন, ২০২৬ ১৫:০৮
ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এবার ব্যতিক্রমী এক অফারের ঘোষণা দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিপ্ত বড়ুয়া। তিনি জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থকদের জন্য আইনি পরামর্শসহ বিভিন্ন ধরনের আইনি সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করবেন।
বিষয়টি জানিয়ে তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘অফার! অফার! আর্জেন্টাইন সাপোর্টারদের জন্য আইনি পরামর্শ ও আইনি যে কোনো সার্ভিস ফ্রি।’
তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থকদের প্রতি আন্তরিকতার জায়গা থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় আর্জেন্টাইন সমর্থকরা প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনি বিষয়ে সহযোগিতা পাবেন।
ঘোষণাটি ইতোমধ্যে স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে ব্যতিক্রমী ও অভিনব উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। তাছাড়া ফুটবলের উন্মাদনার মধ্যেই এমন ব্যতিক্রমী ঘোষণায় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে।
ফুটবলপ্রেমীদের জন্য এবার ব্যতিক্রমী এক অফারের ঘোষণা দিয়েছেন কক্সবাজার জেলা দায়রা জজ আদালতের আইনজীবী অ্যাডভোকেট শিপ্ত বড়ুয়া। তিনি জানিয়েছেন, আর্জেন্টিনা জাতীয় ফুটবল দলের সমর্থকদের জন্য আইনি পরামর্শসহ বিভিন্ন ধরনের আইনি সেবা সম্পূর্ণ বিনামূল্যে প্রদান করবেন।
বিষয়টি জানিয়ে তিনি ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন। স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘অফার! অফার! আর্জেন্টাইন সাপোর্টারদের জন্য আইনি পরামর্শ ও আইনি যে কোনো সার্ভিস ফ্রি।’
তিনি বলেন, আর্জেন্টিনা দলের প্রতি ভালোবাসা ও সমর্থকদের প্রতি আন্তরিকতার জায়গা থেকে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর আওতায় আর্জেন্টাইন সমর্থকরা প্রয়োজনীয় আইনি পরামর্শ গ্রহণের পাশাপাশি বিভিন্ন আইনি বিষয়ে সহযোগিতা পাবেন।
ঘোষণাটি ইতোমধ্যে স্থানীয় ফুটবলপ্রেমীদের মধ্যে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকেই বিষয়টিকে ব্যতিক্রমী ও অভিনব উদ্যোগ হিসেবে দেখছেন। তাছাড়া ফুটবলের উন্মাদনার মধ্যেই এমন ব্যতিক্রমী ঘোষণায় আর্জেন্টাইন সমর্থকদের মধ্যে উৎসাহ দেখা দিয়েছে।

০৫ জুন, ২০২৬ ১৭:৫৪
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্যে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৬১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়া ৯১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৫১৯ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১৬৮ জন। তাদের মধ্যে ২৪৩ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরে দেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্টরা অভিভাবকদের শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
দেশে হাম ও হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের (ডিজিএইচএস) সর্বশেষ তথ্যে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
শুক্রবার (৫ জুন) প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৬১০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় হাম নিশ্চিত হওয়া ৯১টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে আরও ৫১৯ শিশু।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার সকাল ৮টা থেকে শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ১৬৮ জন। তাদের মধ্যে ২৪৩ জনের শরীরে পরীক্ষার মাধ্যমে হামের সংক্রমণ নিশ্চিত করা হয়েছে।
পরিসংখ্যান বিশ্লেষণে দেখা যায়, চলতি বছরে দেশে হামের প্রকোপ উদ্বেগজনক হারে বেড়েছে। আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমাগত বাড়তে থাকায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শিশুদের টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন।
স্বাস্থ্য বিভাগ সংশ্লিষ্টরা অভিভাবকদের শিশুদের নির্ধারিত সময় অনুযায়ী হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা নিশ্চিত করার পাশাপাশি হামের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

০৫ জুন, ২০২৬ ১৭:৩২
নেত্রকোনার মদন পৌর শহরে ছাত্রদল নেতার কিল-ঘুষিতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মিঠু মিয়াকে আটক করেন পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মদন পৌর সদরের সরকারি কলেজ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- মদন থানায় কনস্টেবল মো. ফরিদুল ইসলাম ও আতাউর রহমান। তাদের মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আটককৃত মিঠু মিয়া (২২) মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি। তিনি পৌর শহরের বাসিন্দা সৈয়দ রঞ্জু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মদন সরকারি কলেজ মোড়ের চট্টগ্রামগামী বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীরা বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। নির্ধারিত সময়ে বাস না আসায় কাউন্টারে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ইউএনও মো. নাদির হোসেন শামীম এবং মদন থানার ওসি তরিকুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় যাত্রীরা বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তির বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন। এ সময় উপস্থিত ছাত্রদল নেতা মিঠু মিয়া পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। পরে ওসির নির্দেশে পুলিশ তাকে সরে যেতে বললে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে দুই কনস্টেবল আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকেই মিঠু মিয়াকে আটক করে থানায় নেয়া হয়।
মদন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি এস এইচ পিপুল বলেন, ‘একটি ঘটনার জেরে মিঠুকে পুলিশ আটক করেছে বলে শুনেছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘যাত্রীদের সঙ্গে বাস কাউন্টারের ঝামেলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় মিঠু নামে এক যুবক দুই পুলিশ সদস্যকে আঘাত করেন। পরে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম বলেন, ‘যাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে কথা বলে অধিকাংশ যাত্রীর যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের হাতাহাতির হয়। পরে তাকে আটক করে পুলিশ।’
নেত্রকোনার মদন পৌর শহরে ছাত্রদল নেতার কিল-ঘুষিতে দুই পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রদল নেতা মিঠু মিয়াকে আটক করেন পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে মদন পৌর সদরের সরকারি কলেজ মোড়ে এ ঘটনা ঘটে। আহত পুলিশ সদস্যরা হলেন- মদন থানায় কনস্টেবল মো. ফরিদুল ইসলাম ও আতাউর রহমান। তাদের মদন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আটককৃত মিঠু মিয়া (২২) মদন সরকারি হাজী আব্দুল আজিজ খান ডিগ্রি কলেজ শাখা ছাত্রদলের সভাপতি। তিনি পৌর শহরের বাসিন্দা সৈয়দ রঞ্জু মিয়ার ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মদন সরকারি কলেজ মোড়ের চট্টগ্রামগামী বাসস্ট্যান্ডে যাত্রীরা বাসের জন্য অপেক্ষা করছিলেন। নির্ধারিত সময়ে বাস না আসায় কাউন্টারে যাত্রীদের মধ্যে ক্ষোভ ও হট্টগোলের সৃষ্টি হয়। খবর পেয়ে ইউএনও মো. নাদির হোসেন শামীম এবং মদন থানার ওসি তরিকুল ইসলাম পুলিশ সদস্যদের নিয়ে ঘটনাস্থলে যান। এ সময় যাত্রীরা বিভিন্ন ধরনের ভোগান্তির বিষয়ে প্রশাসনের কাছে অভিযোগ করেন। এ সময় উপস্থিত ছাত্রদল নেতা মিঠু মিয়া পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। পরে ওসির নির্দেশে পুলিশ তাকে সরে যেতে বললে বাগবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে পুলিশের সঙ্গে তার হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এতে দুই কনস্টেবল আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকেই মিঠু মিয়াকে আটক করে থানায় নেয়া হয়।
মদন উপজেলা ছাত্রদলের সভাপতি এস এইচ পিপুল বলেন, ‘একটি ঘটনার জেরে মিঠুকে পুলিশ আটক করেছে বলে শুনেছি। দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের প্রমাণ পাওয়া গেলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
মদন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ তরিকুল ইসলাম বলেন, ‘যাত্রীদের সঙ্গে বাস কাউন্টারের ঝামেলার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। এ সময় মিঠু নামে এক যুবক দুই পুলিশ সদস্যকে আঘাত করেন। পরে অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাদির হোসেন শামীম বলেন, ‘যাত্রীদের হয়রানির অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকনেতাদের সঙ্গে কথা বলে অধিকাংশ যাত্রীর যাতায়াতের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এ সময় পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় এক যুবকের হাতাহাতির হয়। পরে তাকে আটক করে পুলিশ।’

০৫ জুন, ২০২৬ ১৫:৫৯
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ দুজনসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার বিয়াল্লিশ্বর এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বাড়িউড়া এলাকায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর থেকে কাউসার আহমেদ স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নরসিংদীর উদ্দেশে রওনা হন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিয়াল্লিশ্বর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মাছবাহী পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
দুর্ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার চালক মাহবুব আলম (৫০) নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর কাউসার আহমেদের স্ত্রী জোসনা আক্তার (৪০) এবং তাদের ছেলে আশরাফুল (৮) মারা যান।
এ ঘটনায় কাউসার আহমেদ (৫০), তার মেয়ে আশা মনি (১৪) এবং আদিবা আক্তার (৩) গুরুতর আহত হন। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিহতদের স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং শোকাহত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নিহত চালক মাহবুব আলমের স্বজন বোরহান উদ্দিন অভিযোগ করেন, মহাসড়কে মাছবাহী পিকআপ ভ্যানগুলো প্রায়ই বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। এমন অনিয়ন্ত্রিত গতির কারণেই এই দুর্ঘটনায় কয়েকটি প্রাণ ঝরে গেছে।
নিহত জোসনা আক্তারের চাচাতো ভাই মনজুর মাহমুদ বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হলে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের ওসি আবু তাহের দেওয়ান জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে আপত্তি না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার পর পিকআপচালক পালিয়ে গেলেও গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে একই দিন ভোর ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বাড়িউড়া এলাকায় একটি প্রাইভেটকার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে অলি মিয়া নামে এক যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন।
নিহত অলি মিয়া সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বরইবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা এবং ইদন মিয়ার ছেলে। তবে আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বরিশাল টাইমস
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় মা-ছেলেসহ দুজনসহ মোট চারজন নিহত হয়েছেন। এসব ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও সাতজন।
শুক্রবার (৫ জুন) সকালে কুমিল্লা-সিলেট মহাসড়কের ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর এলাকার বিয়াল্লিশ্বর এবং ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বাড়িউড়া এলাকায় দুর্ঘটনা দুটি ঘটে।
হাইওয়ে পুলিশ ও স্বজনদের তথ্য অনুযায়ী, কসবা উপজেলার মূলগ্রাম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর থেকে কাউসার আহমেদ স্ত্রী ও তিন সন্তানকে নিয়ে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশায় নরসিংদীর উদ্দেশে রওনা হন। সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বিয়াল্লিশ্বর এলাকায় পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির মাছবাহী পিকআপ ভ্যানের সঙ্গে অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়।
দুর্ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার চালক মাহবুব আলম (৫০) নিহত হন। পরে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নেওয়ার পর কাউসার আহমেদের স্ত্রী জোসনা আক্তার (৪০) এবং তাদের ছেলে আশরাফুল (৮) মারা যান।
এ ঘটনায় কাউসার আহমেদ (৫০), তার মেয়ে আশা মনি (১৪) এবং আদিবা আক্তার (৩) গুরুতর আহত হন। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে নিহতদের স্বজনরা হাসপাতালে ছুটে আসেন এবং শোকাহত পরিবেশের সৃষ্টি হয়।
নিহত চালক মাহবুব আলমের স্বজন বোরহান উদ্দিন অভিযোগ করেন, মহাসড়কে মাছবাহী পিকআপ ভ্যানগুলো প্রায়ই বেপরোয়া গতিতে চলাচল করে। এমন অনিয়ন্ত্রিত গতির কারণেই এই দুর্ঘটনায় কয়েকটি প্রাণ ঝরে গেছে।
নিহত জোসনা আক্তারের চাচাতো ভাই মনজুর মাহমুদ বলেন, সড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাইওয়ে পুলিশের কার্যক্রম আরও জোরদার করা প্রয়োজন। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ সড়কপথ সিসিটিভি নজরদারির আওতায় আনা হলে দুর্ঘটনা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হবে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া খাঁটিহাতা হাইওয়ে পুলিশের ওসি আবু তাহের দেওয়ান জানান, পরিবারের পক্ষ থেকে আপত্তি না থাকায় ময়নাতদন্ত ছাড়াই নিহতদের মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে। দুর্ঘটনার পর পিকআপচালক পালিয়ে গেলেও গাড়িটি জব্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে একই দিন ভোর ৬টার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সরাইল উপজেলার বাড়িউড়া এলাকায় একটি প্রাইভেটকার ও সিএনজিচালিত অটোরিকশার সংঘর্ষে অলি মিয়া নামে এক যাত্রী নিহত হন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন।
নিহত অলি মিয়া সরাইল উপজেলার পানিশ্বর ইউনিয়নের বরইবাড়ী গ্রামের বাসিন্দা এবং ইদন মিয়ার ছেলে। তবে আহতদের নাম-পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
বরিশাল টাইমস