
১২ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৪:০৯
বরিশালে সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে ৫-১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে সবধরনের সবজির দাম। এসব সবজি খুচরা বাজারে কেজি প্রতি ২০-৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বরিশাল নগরীর একমাত্র পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, সবজির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে। আরও বেশকিছু দিন সবজির দাম বেশি থাকবে। পরে আস্তে আস্তে কমবে।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজি শিম (কালো) গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, শিম (সাদা) গত সপ্তাহে ৮-১০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ১২ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি গত সপ্তাহে ১০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ১২-১৫ টাকা, ফুলকপি গত সপ্তাহে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচামরিচ গত সপ্তাহে ৭০-৭৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। করলা গত সপ্তাহে ৪০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০ টাকা, শসা গত সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া গত ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫-৪০ টাকা, লাউ গত সপ্তাহের দামে ২০-২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, কাঁচাকলা হালি ২৫ টাকা, লেবু হালি ১২-১৫ টাকা, বেগুন (কালো) গত সপ্তাহে ৩৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা, বেগুন (সাদা) গত সপ্তাহে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে পোর্ট রোড বাজার, বাংলাবাজার বাজার, সাগরদী বাজারসহ বেশ কিছু খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ১০০-১১০ টাকা, করলা ৬০-৬৫ টাকা, শসা ৭০-৭৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪৫ টাকা, লাউ ৪০ টাকা, কাঁচাকলা হালি ৩০ টাকা, লেবু হালি ১৫-২০ টাকা, বেগুন (কালো) গত সপ্তাহে ৪৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০-৬০ টাকা, বেগুন (সাদা) গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া শীতকালীন সবজি শিম (কালো) গত সপ্তাহে ৩৫-৪০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, শিম (সাদা) গত সপ্তাহে ১৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি ১৫-২০ টাকা, ফুলকপি ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০-২৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা দরে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ ৩০০-৪৫০ টাকা, টেংরা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, ঘেরের তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা, পাঙাশ মাছ ১৮০-২২০ টাকা, চিংড়ি প্রকারভেদে ৫৫০-৮৫০ টাকা, পাবদা ২৫০-৪০০ টাকা, মাঝারি ভেটকি ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা সবজির দাম কিছুটা বেশি হবে। কারণ পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে সবজি আনতে হয়। তার মধ্যে বৃষ্টির কারণে সবজায়গাতেই খরচ কিছুটা বাড়িয়ে দিতে হয়েছে। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তাই খুচরা বাজারে সবজি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।
বরিশালে সবজির পাইকারি বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেটের দুলাল বাণিজ্যালয়ের মালিক মো. আমিন শুভ জানান, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সবজির সরবরাহ কম, তাই দাম কিছুটা বেশি। কিছু দিনের মধ্যে সবজির দাম কমে আসবে। তবে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেশি। খুচরা ব্যবসায়ীরা নানান খরচের দোহাই দিয়ে আরো বেশি দামে বিক্রি করছে।
বরিশালে সপ্তাহের ব্যবধানে পাইকারি বাজারে ৫-১৫ টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে সবধরনের সবজির দাম। এসব সবজি খুচরা বাজারে কেজি প্রতি ২০-৩০ টাকা বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকালে বরিশাল নগরীর একমাত্র পাইকারি সবজির বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেট ও খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
পাইকারি ব্যবসায়ীরা বলছেন, সবজির চাহিদা অনুযায়ী সরবরাহ কম থাকায় দাম কিছুটা বেড়েছে। আরও বেশকিছু দিন সবজির দাম বেশি থাকবে। পরে আস্তে আস্তে কমবে।
পাইকারি সবজির বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন সবজি শিম (কালো) গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, শিম (সাদা) গত সপ্তাহে ৮-১০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ১২ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি গত সপ্তাহে ১০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ১২-১৫ টাকা, ফুলকপি গত সপ্তাহে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া কাঁচামরিচ গত সপ্তাহে ৭০-৭৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৯০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। করলা গত সপ্তাহে ৪০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০ টাকা, শসা গত সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৬০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া গত ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩৫-৪০ টাকা, লাউ গত সপ্তাহের দামে ২০-২৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে, কাঁচাকলা হালি ২৫ টাকা, লেবু হালি ১২-১৫ টাকা, বেগুন (কালো) গত সপ্তাহে ৩৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা, বেগুন (সাদা) গত সপ্তাহে ২৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৩০-৪০ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে পোর্ট রোড বাজার, বাংলাবাজার বাজার, সাগরদী বাজারসহ বেশ কিছু খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, কাঁচামরিচ ১০০-১১০ টাকা, করলা ৬০-৬৫ টাকা, শসা ৭০-৭৫ টাকা, মিষ্টি কুমড়া কেজি ৪৫ টাকা, লাউ ৪০ টাকা, কাঁচাকলা হালি ৩০ টাকা, লেবু হালি ১৫-২০ টাকা, বেগুন (কালো) গত সপ্তাহে ৪৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০-৬০ টাকা, বেগুন (সাদা) গত সপ্তাহে ৩০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৪০-৪৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।
এছাড়া শীতকালীন সবজি শিম (কালো) গত সপ্তাহে ৩৫-৪০ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ৫০ টাকা বিক্রি হচ্ছে, শিম (সাদা) গত সপ্তাহে ১৫ টাকা বিক্রি হলেও এ সপ্তাহে ২০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। বাঁধাকপি ১৫-২০ টাকা, ফুলকপি ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
মাংসের বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে কেজি ১৫০-১৬০ টাকা, সোনালি মুরগি ২৬০-২৭০ টাকা, লেয়ার মুরগি ২৫০-২৭০ টাকা দরে। গরুর মাংস ৭৫০ টাকা ও খাসির মাংস ১১৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।
অপরদিকে মাছ বাজার ঘুরে দেখা গেছে, রুই মাছ ৩০০-৪৫০ টাকা, টেংরা মাছ ৫০০-৬০০ টাকা, ঘেরের তেলাপিয়া ১২০-১৪০ টাকা, পাঙাশ মাছ ১৮০-২২০ টাকা, চিংড়ি প্রকারভেদে ৫৫০-৮৫০ টাকা, পাবদা ২৫০-৪০০ টাকা, মাঝারি ভেটকি ৪০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।
নগরীর বাংলাবাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা তৌহিদুল ইসলাম বলেন, পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা সবজির দাম কিছুটা বেশি হবে। কারণ পাইকারি বাজার থেকে সবজি কিনে লেবার খরচ, ভ্যান ভাড়া দিয়ে সবজি আনতে হয়। তার মধ্যে বৃষ্টির কারণে সবজায়গাতেই খরচ কিছুটা বাড়িয়ে দিতে হয়েছে। পরে বাজারে বিক্রি করতে হলে ইজারা, বিদ্যুৎ বিল দিতে হয়। তাই খুচরা বাজারে সবজি কিছুটা বেশি দামে বিক্রি করতে হয়।
বরিশালে সবজির পাইকারি বাজার বহুমুখী সিটি মার্কেটের দুলাল বাণিজ্যালয়ের মালিক মো. আমিন শুভ জানান, বাজারে চাহিদা অনুযায়ী সবজির সরবরাহ কম, তাই দাম কিছুটা বেশি। কিছু দিনের মধ্যে সবজির দাম কমে আসবে। তবে পাইকারি বাজারের তুলনায় খুচরা বাজারে সবজির দাম কিছুটা বেশি। খুচরা ব্যবসায়ীরা নানান খরচের দোহাই দিয়ে আরো বেশি দামে বিক্রি করছে।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:০৫
সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিকরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে নগরীর রূপাতলীর দপদপিয়া এলাকায় টেক্সটাইল মিলের সামনে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।
কর্মবিরতির শুরুতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের সামনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে টেক্সটাইল মিলের লাইনম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কারখানা কর্তৃপক্ষ সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছে। দুই শ্রমিক নেতার কোন অপরাধ নেই।
তাদের অপরাধ শুধু বিজয় দিবসের দিন শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এ দিবস উপলক্ষে মিল মালিকদের কাছে ছুটি চাওয়া হয়েছিল। ছুটি না পেয়ে শ্রম অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সেই ঘটনার জের ধরে তাদের দুজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মোশারফ হোসেন সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলে ৩০ বছর থেকে চাকরি করেন। খুকুমনি এই মিলে ১৪ বছর ধরে চাকরি করছেন। ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি বৈষম্যমূলক । যা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত বা আইনসংগত নয় । অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক ডা.মনীষা চক্রবর্ত্তী বরিশালটাইমসকে বলেন, দুই শ্রমিক নেতাকে অকারণে বরখাস্ত করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নকে অকার্যকর করা। মালিকদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, ট্রেড ইউনিয়নকে নেতৃত্বশূণ্য ও অকার্যকর করা। যাতে ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকরা দাবি আদায়ে সংগঠিত হতে না পারে। এ হীন উদ্দেশেই ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক নেতা মাসুম গাজী, ইমরান হোসেন, মোঃ জসীম হাওলাদার,হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।
সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে। এর প্রতিবাদে কর্মবিরতি পালন করছেন শ্রমিকরা।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে নগরীর রূপাতলীর দপদপিয়া এলাকায় টেক্সটাইল মিলের সামনে লাগাতার কর্মবিরতি শুরু করেন তারা।
কর্মবিরতির শুরুতে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের সামনে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে টেক্সটাইল মিলের লাইনম্যান হাবিবুর রহমান বলেন,গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) কারখানা কর্তৃপক্ষ সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিল শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক মোশারফ হোসেন ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খুকুমনিকে মৌখিকভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানিয়েছে। দুই শ্রমিক নেতার কোন অপরাধ নেই।
তাদের অপরাধ শুধু বিজয় দিবসের দিন শহীদ বেদিতে ফুল দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো। এ দিবস উপলক্ষে মিল মালিকদের কাছে ছুটি চাওয়া হয়েছিল। ছুটি না পেয়ে শ্রম অধিদপ্তরে অভিযোগ দেন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতারা। সেই ঘটনার জের ধরে তাদের দুজনকে বরখাস্ত করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, মোশারফ হোসেন সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলে ৩০ বছর থেকে চাকরি করেন। খুকুমনি এই মিলে ১৪ বছর ধরে চাকরি করছেন। ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করার চেষ্টা সম্পূর্ণভাবে ট্রেড ইউনিয়নের প্রতি বৈষম্যমূলক । যা কোনোভাবেই ন্যায়সংগত বা আইনসংগত নয় । অবিলম্বে বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করে তাদের কাজে যোগদানের অনুমতি দিতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে বাসদ বরিশাল জেলার সমন্বয়ক ডা.মনীষা চক্রবর্ত্তী বরিশালটাইমসকে বলেন, দুই শ্রমিক নেতাকে অকারণে বরখাস্ত করার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শ্রমিক ইউনিয়নকে অকার্যকর করা। মালিকদের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে, ট্রেড ইউনিয়নকে নেতৃত্বশূণ্য ও অকার্যকর করা। যাতে ট্রেড ইউনিয়নের মাধ্যমে শ্রমিকরা দাবি আদায়ে সংগঠিত হতে না পারে। এ হীন উদ্দেশেই ইউনিয়ন নেতৃবৃন্দকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সোনারগাঁও টেক্সটাইল মিলের শ্রমিক নেতা মাসুম গাজী, ইমরান হোসেন, মোঃ জসীম হাওলাদার,হাবিবুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের দায়ে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা বলেন, এক আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের কারণে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব মাকসুদুর রহমান ডালিম এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক মল্লিক।
উপজেলার বাইশারী বাজারের আয়ুবেদিক চিকিৎসক বিভাস ঋষির কাছে চাঁদা দাবি হয়। চাঁদা না পেয়ে শুক্রবার তার উপর হামলা হয়। হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে যুবদলের দুজনকে বহিষ্কার করা হল।
যুবদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নীতি-আদর্শ ও সংহতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল: বরিশালের বানারীপাড়া উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের দায়ে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বানারীপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক রিয়াজ মৃধা বলেন, এক আয়ুবেদিক চিকিৎসককে মারধরের কারণে যুবদলের দুই নেতাকে বহিষ্কার করা হয়েছে। রোববার যুবদলের সহ-দপ্তর সম্পাদক মিনহাজুল ইসলাম ভুঁইয়ার স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বহিষ্কৃতরা হলেন- উপজেলার বাইশারী ইউনিয়ন যুবদলের সদস্যসচিব মাকসুদুর রহমান ডালিম এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক রফিক মল্লিক।
উপজেলার বাইশারী বাজারের আয়ুবেদিক চিকিৎসক বিভাস ঋষির কাছে চাঁদা দাবি হয়। চাঁদা না পেয়ে শুক্রবার তার উপর হামলা হয়। হামলার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ নিয়ে সমালোচনার মধ্যে যুবদলের দুজনকে বহিষ্কার করা হল।
যুবদলের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ, নীতি-আদর্শ ও সংহতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে দুজনকে দলীয় প্রাথমিক সদস্যপদসহ বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৪৭
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে প্রায় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। রবিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১ টায় উপজেলার ভরপাশা ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড পূর্ব লক্ষীপাশা গ্রামের হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার গুলোর সর্বস্ব পুড়ে যাওয়ায় এলাকাজুড়ে শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দুপুর ১ টার দিকে মজিবুর হাওলাদারের বসত ঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই আগুন পাশের শাহআলম হাওলাদার ও হাসান হাওলাদারের ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়রা প্রথমে নিজ উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালালেও আগুনের তীব্রতায় তা নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হন। পরে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে এক ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বসত ঘর সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ঘরে থাকা আসবাবপত্র, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার ও প্রয়োজনীয় মালামালসহ ১ কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো দাবি করেছে।
ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যরা জানান, চোখের সামনে সাজানো সংসার পুড়ে যেতে দেখলেও আগুনের তীব্রতার কারণে ঘরে ঢোকার কোন সুযোগ ছিল না। জীবন বাঁচাতে তারা পরনের কাপড় ছাড়া আর কিছুই বের করতে পারেননি।
ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার আরিফ জনকণ্ঠকে জানান, অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে দুটি ইউনিট নিয়ে ঘটনস্থানে আসলে সড়ক সরু থাকায় ফায়ার সার্ভিসের অগ্নি নির্বাপক গাড়ি বাড়ির মধ্যে প্রবেশ করানো সম্ভব হয়নি।
ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা ও স্থানীয়দের সহায়তায় ফায়ার সার্ভিসের পাম্প মেশিন পুকুরে লাগিয়ে আগুন নিভাতে কিছুটা বিলম্ব হয়। তবে আমরা এক ঘন্টার চেষ্টায় আগুন নিভাতে সক্ষম হয়েছি না হলে বাড়ির ভিতর আরো ৫ টি বসত ঘর ছিল সব পুড়ে যেত। প্রাথমিক ধারণা, বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।
এদিকে বাকেরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুমানা আফরোজ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারি সহায়তা দেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.