Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৩ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৩১
বরিশালের গৌরনদীর রিকশাচালক মঞ্জু বেপারীকে খুন করার প্রতিবাদে এবং খুনিদের খুঁজে বের করে বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
এর আগে উপজেলার পূর্ব কাছেমাবাদ গ্রামের দরিদ্র রিকশাচালক মঞ্জু বেপারীকে (৫০) শনিবার মধ্যরাতে কুপিয়ে খুন করে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা। ওই খুনের প্রতিবাদে ও খুনিদের খুঁজে বের করে বিচারের দাবিতে এলাকাবাসী মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলার কাছেমাবাদ বাসস্টান্ডে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
একপর্যায়ে তারা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে ওই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ চলে। এ সময় মহাসড়কের উভয়দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে শত শত যাত্রীবাহী কোচ ও বাসের হাজার হাজার যাত্রীসহ ও পণ্য পরিবহনকারী অবরোধে যানবাহন আটকা পড়ে। তখন হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্য পরিবহনকারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়।
খবর পেয়ে গৌরনদী মডেল থানা ওসি মো. তারেক হাসান রাসেল এবং ওসি (তদন্ত) মো. মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদেরকে শান্ত করেন। পরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভকারীরা মহাসড়ক থেকে তাদের অবরোধ তুলে নেয়।
বরিশালের গৌরনদীর রিকশাচালক মঞ্জু বেপারীকে খুন করার প্রতিবাদে এবং খুনিদের খুঁজে বের করে বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার সকালে বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক অবরোধ করে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করেছেন এলাকাবাসী।
এর আগে উপজেলার পূর্ব কাছেমাবাদ গ্রামের দরিদ্র রিকশাচালক মঞ্জু বেপারীকে (৫০) শনিবার মধ্যরাতে কুপিয়ে খুন করে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা। ওই খুনের প্রতিবাদে ও খুনিদের খুঁজে বের করে বিচারের দাবিতে এলাকাবাসী মঙ্গলবার সকাল ১১টায় উপজেলার কাছেমাবাদ বাসস্টান্ডে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ করেন।
একপর্যায়ে তারা মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন। প্রায় ১ ঘণ্টা ধরে ওই মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সমাবেশ চলে। এ সময় মহাসড়কের উভয়দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ফলে শত শত যাত্রীবাহী কোচ ও বাসের হাজার হাজার যাত্রীসহ ও পণ্য পরিবহনকারী অবরোধে যানবাহন আটকা পড়ে। তখন হাজার হাজার যাত্রী ও পণ্য পরিবহনকারীরা চরম দুর্ভোগের শিকার হয়।
খবর পেয়ে গৌরনদী মডেল থানা ওসি মো. তারেক হাসান রাসেল এবং ওসি (তদন্ত) মো. মাহবুবুর রহমান ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের দাবি মেনে নেওয়ার আশ্বাস দিয়ে তাদেরকে শান্ত করেন। পরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভকারীরা মহাসড়ক থেকে তাদের অবরোধ তুলে নেয়।

২১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৫৫

২১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৩১
বরিশাল নগরীর ৪২৮টি মসজিদ ও ঈদগাহে এবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ জামাত। প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে নগরীর বান্দরোডস্থ হেমায়েত উদ্দীন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। একই স্থানে নারীদের জন্য পৃথক নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরওয়ার, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ এবং সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এ নামাজে অংশগ্রহণ করেন।
নামাজ শেষে দোয়া ও মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহসহ বিশ্ব শান্তি কামনা কামনা করা হয়৷
শনিবার আজ সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় অধিকাংশ ঈদগাহের পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে মসজিদে ঈদের জামাত আদায় করা হয়।
বরিশালে ঈদের সর্ববৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয় চরমোনাই দরবার শরিফে। এ ছাড়া উজিরপুরের অত্যাধুনিক বায়তুল আমান জামে মসজিদে দ্বিতীয় বৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নগরের চারটি মসজিদে দুটি করে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।

২০ মার্চ, ২০২৬ ১৫:০৪
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামের বাসিন্দারা। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর ও ছোট হামেরদী গ্রামে মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন লোক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০ থেকে ৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দুইপক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর হামলে পড়েন। এসময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলেও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এবং জিজ্ঞাসাবাদ জন্য দুজনকে আটক করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপিনাথপুর গ্ৰামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্ৰামের লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা খাওয়ার সময় তর্কের জেরে ধরে মধ্য রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দা রাতভর দেশীয় অস্ত্র জোগাড় শুরু করে সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নেয়।
পরে ঈদের নামাজ পড়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ গ্ৰামবাসী গুরুতর আহত হয়। সংঘর্ষে ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সুযোগ সন্ধানীরা ১০১২টি গবাদি পশু, নগদ অর্থসহ দামি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন। দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সড়কি, কালি ও ইটের আঘাতে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর আজ ঈদের নামাজের পড়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
তিনি বলেন, আমি সঙ্গীয় ফোর্স ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ভাঙ্গা সার্কেল) সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্ৰামের মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলায় পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ শেষেই রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়েছে দুই গ্রামের বাসিন্দারা। শনিবার (২১ মার্চ) সকাল ১০টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত উপজেলার হামিরদী ইউনিয়নের গোপীনাথপুর ও ছোট হামেরদী গ্রামে মধ্যে দুই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় চলে এ সংঘর্ষ। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ২০ জন লোক আহত হয়েছেন। এ সময় ৩০ থেকে ৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করা হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, দুইপক্ষের লোকজন ঢাল, সড়কি, রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে একে-অপরের ওপর হামলে পড়েন। এসময় এলাকায় রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নিলেও বহু মানুষ আহত হয়েছেন। ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ বেশ কিছু দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে। এবং জিজ্ঞাসাবাদ জন্য দুজনকে আটক করে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপিনাথপুর গ্ৰামের কুদ্দুস মুন্সী ও হাসান মুন্সীর সঙ্গে ছোট হামিরদী গ্ৰামের লিটন মাতুব্বরের লোকজনের দুই দিন আগে চা খাওয়ার সময় তর্কের জেরে ধরে মধ্য রাতে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। এ ঘটনার জের ধরে দুই গ্রামের বাসিন্দা রাতভর দেশীয় অস্ত্র জোগাড় শুরু করে সংঘর্ষের জন্য প্রস্তুতি নেয়।
পরে ঈদের নামাজ পড়ে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। থেমে থেমে চলা রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে কমপক্ষে ২৫ গ্ৰামবাসী গুরুতর আহত হয়। সংঘর্ষে ৩০-৪০টি বাড়িঘর ভাঙচুর করা হয়। সংঘর্ষ চলাকালে সুযোগ সন্ধানীরা ১০১২টি গবাদি পশু, নগদ অর্থসহ দামি মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়।
খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে চেষ্টা করেন। দেশীয় অস্ত্র ঢাল, সড়কি, কালি ও ইটের আঘাতে গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে পুলিশ ও স্থানীয়রা। তাদের ভাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ভর্তি করা হয়েছে।
এ বিষয়ে ভাঙ্গা থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান সাংবাদিকদের জানান, বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দিনগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মধ্যরাতে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এর পর আজ ঈদের নামাজের পড়ে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ফের সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কিছু বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাট করেছে।
তিনি বলেন, আমি সঙ্গীয় ফোর্স ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপারকে (ভাঙ্গা সার্কেল) সঙ্গে নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হই। পরবর্তীতে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে গ্ৰামের মোড়ে মোড়ে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
বরিশাল নগরীর ৪২৮টি মসজিদ ও ঈদগাহে এবার অনুষ্ঠিত হয়েছে ঈদ জামাত। প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে নগরীর বান্দরোডস্থ হেমায়েত উদ্দীন কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানে। একই স্থানে নারীদের জন্য পৃথক নামাজ অনুষ্ঠিত হয়।
স্থানীয় সংসদ সদস্য মজিবর রহমান সরওয়ার, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের উচ্চ পদস্থ সরকারি কর্মকর্তা, রাজনীতিবিদ এবং সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এ নামাজে অংশগ্রহণ করেন।
নামাজ শেষে দোয়া ও মোনাজাতে মুসলিম উম্মাহসহ বিশ্ব শান্তি কামনা কামনা করা হয়৷
শনিবার আজ সকাল থেকে বৃষ্টি থাকায় অধিকাংশ ঈদগাহের পাশাপাশি বিকল্প হিসেবে মসজিদে ঈদের জামাত আদায় করা হয়।
বরিশালে ঈদের সর্ববৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয় চরমোনাই দরবার শরিফে। এ ছাড়া উজিরপুরের অত্যাধুনিক বায়তুল আমান জামে মসজিদে দ্বিতীয় বৃহৎ জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নগরের চারটি মসজিদে দুটি করে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে বরিশালে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপন করছেন ১০ হাজারের বেশি পরিবার। আজ শুক্রবার (২০ মার্চ) চট্টগ্রামের চন্দনাইশের জাহাগিরিয়া শাহসূফী মমতাজিয়া দরবার শরীফের অনুসারীরা এই ঈদ উদযাপন করেন।
শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টায় নগরীর ২৩ নম্বর ওয়ার্ডে শাহসূফী মমতাজিয়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে ঈদের প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হয়।
বরিশাল জেলার বিভিন্ন উপজেলায় ৭০টি মসজিদে প্রায় ১০ হাজার পরিবার আজ ঈদ উদযাপন করছে।
তারা জানিয়েছেন, পৃথিবীর কোনো প্রান্তে চাঁদ দেখা গেলে তার সঙ্গে মিলিয়ে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহা পালন করেন।’