ছবি- সংগৃহীত
খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর এলাকায় পবিত্র ফজরের নামাজ আদায়ের সময় একটি মসজিদের ভেতরে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুজনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অপরজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
রোববার (১৪ জুন) ভোর ৫টা থেকে পৌনে ৬টার মধ্যে দৌলতপুর থানাধীন ০৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিএল কলেজ রোডস্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বিদ্যুৎ জামে মসজিদের ভেতরে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন— খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার ০৭ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর কাশিপুর এলাকার (ফরহাদ সাহেবের বাড়ির পাশে) মৃত জব্বারের ছেলে লোকমান হাকিম (৫৫) এবং একই এলাকার যমুনা রোডের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে আলম শেখ (৫৬)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ জামে মসজিদে অন্যান্য মুসল্লিদের সঙ্গে লোকমান হাকিম ও আলম শেখ ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন। নামাজ চলাকালে আকস্মিক কয়েকজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে। তারা সরাসরি ওই দুই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা মসজিদের মেঝেতেই লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
গোলাগুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা ও অন্য মুসল্লিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে লোকমান হাকিমের অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে, গুলিবিদ্ধ অপর মুসল্লি আলম শেখ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
এদিকে, মসজিদের ভেতরে নামাজরত অবস্থায় এমন বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের মাঝে চরম আতঙ্ক ও তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পবিত্র উপাসনালয়ের ভেতরে এই ধরনের পরিকল্পিত হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে।
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঠিক কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় উদঘাটনে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বরিশাল টাইমস

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৫২
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৯
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে জলাতঙ্কের টিকা না থাকায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে এই নির্দেশ দেওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে তাকে ‘ক্ষমা’ করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। এ সময় হাসপাতাল ঘুরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের প্রমাণ পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি হাসপাতাল থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে ফোন করে সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলি করার নির্দেশ দেন।
ফোনে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দিবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’
এ সময় ওষুধের সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফোনে আরও বলেন, ‘এখানে এক মাস ধরে র্যাবিস ইনজেকশন (জলাতঙ্কের টিকা) নাই, এনএস (স্যালাইন) নাই হাইমচরে।’
তিনি ফোনে বলেন, ‘উনাকে উইথড্র (প্রত্যাহার) করে দেন ওইদিকে...ঢাকার পশ্চিমে দিবেন। চাকরি করার মজাটা বুঝে আসবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান।
সেখানে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। এ সময় ভ্যাকসিনের বিষয়ে একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইমচরে র্যাবিসের টিকা শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য স্যার একটু রাগ করেছিলেন।’
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে জলাতঙ্কের টিকা না থাকায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে এই নির্দেশ দেওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে তাকে ‘ক্ষমা’ করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। এ সময় হাসপাতাল ঘুরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের প্রমাণ পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি হাসপাতাল থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে ফোন করে সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলি করার নির্দেশ দেন।
ফোনে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দিবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’
এ সময় ওষুধের সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফোনে আরও বলেন, ‘এখানে এক মাস ধরে র্যাবিস ইনজেকশন (জলাতঙ্কের টিকা) নাই, এনএস (স্যালাইন) নাই হাইমচরে।’
তিনি ফোনে বলেন, ‘উনাকে উইথড্র (প্রত্যাহার) করে দেন ওইদিকে...ঢাকার পশ্চিমে দিবেন। চাকরি করার মজাটা বুঝে আসবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান।
সেখানে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। এ সময় ভ্যাকসিনের বিষয়ে একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইমচরে র্যাবিসের টিকা শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য স্যার একটু রাগ করেছিলেন।’

০৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৪৩
সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও কিশোরগঞ্জে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
সিরাজগঞ্জে শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের নলকা ওভারপাস এলাকায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং অন্তত ১২ জন আহত হন।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িয়াগঞ্জ গ্রামের মো. মনসুর আলী (২৬)। অন্যজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার পুলিশ জানায়, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি নৈশকোচ নলকা ওভারপাস এলাকায় পৌঁছালে সিরাজগঞ্জ শহরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সেটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ বাস ও ট্রাকটি আটক করেছে।
নাটোরে সকালে গুরুদাসপুর উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের নয়াবাজার এলাকায় আজ শনিবার বাস ও গবাদিপশুবাহী ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং চারজন আহত হন।
নিহতরা হলেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মো. আব্দুর রহমান (৭০) ও মো. আক্কাস আলী (৬৩)।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, কয়েকজন ব্যবসায়ী ট্রাক্টরে করে গবাদিপশু নিয়ে সিরাজগঞ্জের একটি হাটে যাচ্ছিলেন। নয়াবাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বাসের সঙ্গে ট্রাক্টরটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়ক থেকে যানবাহন সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কিশোরগঞ্জে আজ শনিবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অনন্যা পরিবহনের বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে সেলিম (৩৮) পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। অন্যজন মাহতাব উদ্দিনের ছেলে উজ্জ্বল (৫)।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আরিফুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী বাসটি বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজারের কাছে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাক্টরের পেছনে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রাক্টরের পাশে থাকা সাইকেল আরোহী রেনু মিয়াকে বাসটি চাপা দিরে তিনি আহত হন। পরে বাসটি বাজারে মো. মাসুদের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়।
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ গজ দূরে ছিটকে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে সেলিম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় আহত তিন থেকে চারজনকে স্থানীয়রা পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।
সিরাজগঞ্জ, নাটোর ও কিশোরগঞ্জে পৃথক তিনটি সড়ক দুর্ঘটনায় ছয়জন নিহত এবং অন্তত ১৯ জন আহত হয়েছেন।
শুক্রবার দিবাগত রাত থেকে শনিবার সকাল পর্যন্ত মহাসড়ক ও আঞ্চলিক সড়কে এসব দুর্ঘটনা ঘটে।
সিরাজগঞ্জে শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১টার দিকে যমুনা সেতু পশ্চিম সংযোগ মহাসড়কের নলকা ওভারপাস এলাকায় বাস ও ট্রাকের সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং অন্তত ১২ জন আহত হন।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তিনি বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার বুড়িয়াগঞ্জ গ্রামের মো. মনসুর আলী (২৬)। অন্যজনের পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
যমুনা সেতু পশ্চিম থানার পুলিশ জানায়, দিনাজপুর থেকে চট্টগ্রামগামী একটি নৈশকোচ নলকা ওভারপাস এলাকায় পৌঁছালে সিরাজগঞ্জ শহরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক সেটিকে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা আহতদের উদ্ধার করে সিরাজগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পুলিশ বাস ও ট্রাকটি আটক করেছে।
নাটোরে সকালে গুরুদাসপুর উপজেলার বনপাড়া-হাটিকুমরুল মহাসড়কের নয়াবাজার এলাকায় আজ শনিবার বাস ও গবাদিপশুবাহী ট্রাক্টরের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত এবং চারজন আহত হন।
নিহতরা হলেন নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার মো. আব্দুর রহমান (৭০) ও মো. আক্কাস আলী (৬৩)।
বনপাড়া হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুজ্জামান জানান, কয়েকজন ব্যবসায়ী ট্রাক্টরে করে গবাদিপশু নিয়ে সিরাজগঞ্জের একটি হাটে যাচ্ছিলেন। নয়াবাজার এলাকায় বিপরীত দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির বাসের সঙ্গে ট্রাক্টরটির সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে গুরুদাসপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়ক থেকে যানবাহন সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
কিশোরগঞ্জে আজ শনিবার সকাল ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে পাকুন্দিয়া উপজেলার বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজার এলাকায় ঢাকা-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অনন্যা পরিবহনের বাসের ধাক্কায় দুজন নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে সেলিম (৩৮) পাকুন্দিয়া উপজেলার বাহাদিয়া পশ্চিমপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। অন্যজন মাহতাব উদ্দিনের ছেলে উজ্জ্বল (৫)।
পাকুন্দিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এস এম আরিফুর রহমান দ্য ডেইলি স্টারকে দুজন নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জগামী বাসটি বরাটিয়া চৌরাস্তা বাজারের কাছে সড়কে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ট্রাক্টরের পেছনে ধাক্কা দেয়। এ সময় ট্রাক্টরের পাশে থাকা সাইকেল আরোহী রেনু মিয়াকে বাসটি চাপা দিরে তিনি আহত হন। পরে বাসটি বাজারে মো. মাসুদের দোকানের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা একটি অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়।
বাসের ধাক্কায় অটোরিকশাটি প্রায় ২৫ থেকে ৩০ গজ দূরে ছিটকে পড়ে দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে সেলিম ঘটনাস্থলেই নিহত হন। দুর্ঘটনায় আহত তিন থেকে চারজনকে স্থানীয়রা পাকুন্দিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগে নিয়ে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হবে।

১৪ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৪
খুলনা মহানগরীর দৌলতপুর এলাকায় পবিত্র ফজরের নামাজ আদায়ের সময় একটি মসজিদের ভেতরে ঢুকে দুই মুসল্লিকে গুলি করেছে দুর্বৃত্তরা। এতে দুজনেই গুরুতর আহত হয়েছেন। এর মধ্যে একজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। অপরজন খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
রোববার (১৪ জুন) ভোর ৫টা থেকে পৌনে ৬টার মধ্যে দৌলতপুর থানাধীন ০৬ নম্বর ওয়ার্ডের বিএল কলেজ রোডস্থ ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ওজোপাডিকো) বিদ্যুৎ জামে মসজিদের ভেতরে এই নৃশংস হামলার ঘটনা ঘটে।
আহত ব্যক্তিরা হলেন— খুলনা মহানগরীর খালিশপুর থানার ০৭ নম্বর ওয়ার্ড উত্তর কাশিপুর এলাকার (ফরহাদ সাহেবের বাড়ির পাশে) মৃত জব্বারের ছেলে লোকমান হাকিম (৫৫) এবং একই এলাকার যমুনা রোডের মৃত আব্দুল খালেকের ছেলে আলম শেখ (৫৬)।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভোররাতে ওজোপাডিকো বিদ্যুৎ জামে মসজিদে অন্যান্য মুসল্লিদের সঙ্গে লোকমান হাকিম ও আলম শেখ ফজরের নামাজ আদায় করছিলেন। নামাজ চলাকালে আকস্মিক কয়েকজন সশস্ত্র দুর্বৃত্ত মসজিদের ভেতরে প্রবেশ করে। তারা সরাসরি ওই দুই ব্যক্তিকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। গুলিবিদ্ধ হয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় তারা মসজিদের মেঝেতেই লুটিয়ে পড়েন। ঘটনার পরপরই হামলাকারীরা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
গোলাগুলির শব্দ শুনে স্থানীয়রা ও অন্য মুসল্লিরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং রক্তাক্ত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে লোকমান হাকিমের অবস্থার মারাত্মক অবনতি হলে চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে জরুরি ভিত্তিতে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানো হয়। বর্তমানে তিনি আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় চিকিৎসাধীন। অন্যদিকে, গুলিবিদ্ধ অপর মুসল্লি আলম শেখ খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেই চিকিৎসা নিচ্ছেন। তার অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।
এদিকে, মসজিদের ভেতরে নামাজরত অবস্থায় এমন বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ও মুসল্লিদের মাঝে চরম আতঙ্ক ও তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পবিত্র উপাসনালয়ের ভেতরে এই ধরনের পরিকল্পিত হামলার ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
খবর পেয়ে দৌলতপুর থানা পুলিশ এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দ্রুত ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করেছে।
এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ঘটনার সঠিক কারণ এবং হামলাকারীদের পরিচয় উদঘাটনে জোর তৎপরতা শুরু হয়েছে। অপরাধীদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে এবং বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
বরিশাল টাইমস
১২ আগস্ট, ২০২৬ ০০:০৩
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৮:১৪
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৬
১১ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:২৮