পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত জলিল পেশায় একজন জেলে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এ সাজা দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইনসান উদ্দিনের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি টিকটকে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে সেনাবাহিনীর পোশাক পরা ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন।
সম্প্রতি বাগেরহাট এলাকার এক তরুণীর সঙ্গেও একইভাবে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন জলিল। পরে ওই তরুণীকে কুয়াকাটায় নিয়ে আসেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে তরুণীর পরিবারের সদস্যরা কুয়াকাটায় এসে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেন।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা মনির বলেন, সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে ওই যুবক তার মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তারা খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে তাদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে ওই যুবক মেয়েকে নিয়ে কুয়াকাটায় আসার খবর তার এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারেন। এরপর তারা কুয়াকাটায় এসে তাদের শনাক্ত করেন। পরে জানতে পারেন, ওই যুবক আসলে সেনাবাহিনীর সদস্য নন, তিনি একজন জেলে।
জলিলের স্ত্রী তামান্না বলেন, তার স্বামী এর আগেও একাধিক তরুণীর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। একবার নারায়ণগঞ্জ থেকে এক তরুণীকে কুয়াকাটার ওয়ানস্টার হোটেলে এনে রাখার ঘটনাও তারা জানতে পারেন। পরে ওই তরুণীর স্বজনরা এসে তাকে নিয়ে যান। তাদের পাঁচ বছরের সংসারে দুই বছরের একটি সন্তান রয়েছে। স্বামীর কারণে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হোটেল মারওয়ার ম্যানেজার আতিকুর রহমান বলেন, বুধবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে জলিল হোটেলের স্টাফের মাধ্যমে একটি কক্ষ বুকিং নিয়ে প্রবেশ করেন। হোটেলের নিয়ম অনুযায়ী তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে পুলিশ এসে জলিলকে আটক করে। তখন তারা জানতে পারেন, তিনি ওই তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কের কথা বলে প্রতারণা করেছেন এবং নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়েছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদিক বলেন, এসআই মাসুদের সহযোগিতায় কুয়াকাটার হোটেল মারওয়া থেকে জলিলকে আটক করা হয়। তিনি নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য ও কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগেও এমন আরও দুটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তার স্ত্রীও সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা বা সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতারণার তথ্য পেলে প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।’

০৮ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:৪৬
দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু তালুকদার এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের সাংগঠনিক পদ স্থগিত করেছে জেলা বিএনপি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) পৃথক চিঠিতে তাদের পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশ্যে আসে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দুজনের নিজ নিজ সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে এক মা ও শিশুকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি নিয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধরন ভিন্ন। আদালতে বিচারাধীন এবং নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা একটি জমি-সংক্রান্ত বিরোধে দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত ৩ অক্টোবর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা বিএনপি।
নোটিশে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জেলা বিএনপি বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক আচরণ ও দলের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে জারি করা ওই নোটিশে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র, সাক্ষী ও অন্যান্য প্রমাণসহ দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে অনুপস্থিতিতেই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছিল।
কারণ দর্শানোর সেই প্রক্রিয়ার পরই জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে দুজনের পদ স্থগিত করা হলো। জেলা বিএনপির চিঠি অনুযায়ী, দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
মো. মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, আদালতে চলমান মামলার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। পরে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। জেলা বিএনপির দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।
দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাফিজুর রহমান চুন্নু তালুকদার এবং কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের সাংগঠনিক পদ স্থগিত করেছে জেলা বিএনপি।
বুধবার (৭ অক্টোবর) পৃথক চিঠিতে তাদের পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। পরদিন বৃহস্পতিবার বিষয়টি স্থানীয় পর্যায়ে প্রকাশ্যে আসে।
পটুয়াখালী জেলা বিএনপির সভাপতি স্নেহাংশু সরকার কুট্টি ও সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. মজিবুর রহমান টোটন স্বাক্ষরিত চিঠিতে বলা হয়েছে, দলীয় শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থের পরিপন্থি কর্মকাণ্ডের অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট দুজনের নিজ নিজ সাংগঠনিক পদ স্থগিত করা হয়েছে। দলের ভাবমূর্তি অক্ষুণ্ন রাখা এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা সমুন্নত রাখার স্বার্থেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
কলাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান চুন্নুর বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগে এক মা ও শিশুকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। ঘটনাটি নিয়ে জেলা বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছিল। অভিযোগের বিষয়টি সাংগঠনিকভাবে পর্যালোচনার পর তার বিরুদ্ধে পদ স্থগিতের সিদ্ধান্ত আসে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মো. মতিউর রহমান হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগের ধরন ভিন্ন। আদালতে বিচারাধীন এবং নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকা একটি জমি-সংক্রান্ত বিরোধে দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিশ দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত ৩ অক্টোবর তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয় জেলা বিএনপি।
নোটিশে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে সশরীরে উপস্থিত হয়ে অভিযোগের বিষয়ে লিখিত ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। জেলা বিএনপি বিষয়টিকে দলীয় শৃঙ্খলা, সাংগঠনিক আচরণ ও দলের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে উল্লেখ করে।
কুয়াকাটা পৌর বিএনপির পক্ষ থেকে জারি করা ওই নোটিশে জমি-সংক্রান্ত বিরোধে সংশ্লিষ্ট পক্ষকে প্রয়োজনীয় দলিলপত্র, সাক্ষী ও অন্যান্য প্রমাণসহ দলীয় কার্যালয়ে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত না হলে অনুপস্থিতিতেই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের কথাও জানানো হয়েছিল।
কারণ দর্শানোর সেই প্রক্রিয়ার পরই জেলা বিএনপির সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে দুজনের পদ স্থগিত করা হলো। জেলা বিএনপির চিঠি অনুযায়ী, দলের ভাবমূর্তি রক্ষা ও সাংগঠনিক শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে সিদ্ধান্তটি তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হয়েছে।
মো. মতিউর রহমান হাওলাদার বলেন, আদালতে চলমান মামলার বিষয়টি তিনি আগে জানতেন না। পরে বিষয়টি জানতে পেরেছেন। জেলা বিএনপির দেওয়া কারণ দর্শানোর নোটিশের জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন তিনি।

০৭ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:০০
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনায় জনবল, বোট ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সংকটে পড়েছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা মৎস্য বিভাগ। গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ কমে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বোট ও জনবল না থাকায় কার্যকরভাবে টহল পরিচালনা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় দুমকি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা-২০২৬-এ তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
সভায় মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার অভিযানের জন্য বরাদ্দ কম। গত বছর কয়েকটি প্রকল্পের সহায়তায় পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও এবার সেই সুযোগ নেই।
তিনি জানান, গত বছর দুটি বোট ভাড়া করে পাঙ্গাশিয়া-আলগী ও পাতাবুনিয়া এলাকায় টহল পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার দুটি বোটের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই অনিশ্চয়তা রয়েছে। অতিরিক্ত একটি বোটের জন্য জেলা পর্যায়ে রিক্যুইজিশন দেওয়া হয়েছে।
মাহফুজুর রহমান বলেন, উপজেলার বিস্তৃত নদী এলাকায় অভিযান পরিচালনার জন্য কমপক্ষে ২০ জন জনবল প্রয়োজন হলেও প্রয়োজনের তুলনায় জনবল অনেক কম। একই সঙ্গে থানা থেকে পুলিশ ফোর্স নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহনেরও সংকট রয়েছে।
নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরতে নামা জেলেদের নৌযানের তুলনায় অভিযানে ব্যবহৃত বোটের সক্ষমতাও কম বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মৎস্য বিভাগের ব্যবহৃত বোট সাধারণত ১০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও অনেক জেলের বোট ৩০ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন। ফলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, “আমাদের যা লজিস্টিক আছে, তা নিয়েই উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে শুধু মৎস্য বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে এই অভিযান সফল করা সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা এবং সচেতনতাও প্রয়োজন।”
জেলেদের খাদ্য সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এবার শতভাগ তালিকাভুক্ত জেলের জন্য সরকারি চাল সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত বছর প্রায় ১ হাজার ৬০০ জেলে এ সহায়তার আওতায় থাকলেও এবার প্রায় ২ হাজার জেলেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সভায় দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন বলেন, একই সময়ে উপজেলার ১১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নদীতেও ইলিশ রক্ষা অভিযানে পুলিশ ফোর্স দিতে হবে। ফলে সীমিত জনবল দিয়ে দুই ধরনের দায়িত্ব সামাল দিতে পুলিশকেও বেগ পেতে হবে।
এ সময় উপজেলার একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গত বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। গত বছর কয়েকটি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় কর্মকর্তাদের ওপর জেলেদের হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় মা ইলিশ সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, জেলেদের সচেতন করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা, দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ, জনপ্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি এবং উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় অভিযান পরিচালনায় জনবল, বোট ও প্রয়োজনীয় লজিস্টিক সংকটে পড়েছে পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা মৎস্য বিভাগ। গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ কমে যাওয়া এবং প্রয়োজনীয় সংখ্যক বোট ও জনবল না থাকায় কার্যকরভাবে টহল পরিচালনা নিয়ে শঙ্কার কথা জানিয়েছেন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান।
মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৩টায় দুমকি উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম উপলক্ষে উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির প্রস্তুতিমূলক সভা-২০২৬-এ তিনি এসব কথা বলেন।
উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী।
সভায় মৎস্য কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর রহমান বলেন, গত বছরের তুলনায় এবার অভিযানের জন্য বরাদ্দ কম। গত বছর কয়েকটি প্রকল্পের সহায়তায় পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া সম্ভব হলেও এবার সেই সুযোগ নেই।
তিনি জানান, গত বছর দুটি বোট ভাড়া করে পাঙ্গাশিয়া-আলগী ও পাতাবুনিয়া এলাকায় টহল পরিচালনা করা হয়েছিল। কিন্তু এবার দুটি বোটের ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে কি না, তা নিয়েই অনিশ্চয়তা রয়েছে। অতিরিক্ত একটি বোটের জন্য জেলা পর্যায়ে রিক্যুইজিশন দেওয়া হয়েছে।
মাহফুজুর রহমান বলেন, উপজেলার বিস্তৃত নদী এলাকায় অভিযান পরিচালনার জন্য কমপক্ষে ২০ জন জনবল প্রয়োজন হলেও প্রয়োজনের তুলনায় জনবল অনেক কম। একই সঙ্গে থানা থেকে পুলিশ ফোর্স নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহনেরও সংকট রয়েছে।
নিষিদ্ধ সময়ে মাছ ধরতে নামা জেলেদের নৌযানের তুলনায় অভিযানে ব্যবহৃত বোটের সক্ষমতাও কম বলে জানান তিনি। তার ভাষ্য অনুযায়ী, মৎস্য বিভাগের ব্যবহৃত বোট সাধারণত ১০ হর্সপাওয়ার ক্ষমতাসম্পন্ন হলেও অনেক জেলের বোট ৩০ হর্সপাওয়ার পর্যন্ত ক্ষমতাসম্পন্ন। ফলে তাদের ধাওয়া করে আটক করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।
তিনি বলেন, “আমাদের যা লজিস্টিক আছে, তা নিয়েই উপজেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। তবে শুধু মৎস্য বিভাগ বা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষে এই অভিযান সফল করা সম্ভব নয়। জনপ্রতিনিধি ও সাধারণ মানুষের সহযোগিতা এবং সচেতনতাও প্রয়োজন।”
জেলেদের খাদ্য সহায়তা প্রসঙ্গে তিনি জানান, এবার শতভাগ তালিকাভুক্ত জেলের জন্য সরকারি চাল সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। গত বছর প্রায় ১ হাজার ৬০০ জেলে এ সহায়তার আওতায় থাকলেও এবার প্রায় ২ হাজার জেলেকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
সভায় দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন বলেন, একই সময়ে উপজেলার ১১টি পূজামণ্ডপে নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নদীতেও ইলিশ রক্ষা অভিযানে পুলিশ ফোর্স দিতে হবে। ফলে সীমিত জনবল দিয়ে দুই ধরনের দায়িত্ব সামাল দিতে পুলিশকেও বেগ পেতে হবে।
এ সময় উপজেলার একজন উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা গত বছরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে বলেন, অভিযানে অংশ নেওয়া পুলিশ সদস্যদের প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। গত বছর কয়েকটি এলাকায় অভিযান পরিচালনার সময় কর্মকর্তাদের ওপর জেলেদের হামলার ঘটনাও ঘটেছিল বলে তিনি উল্লেখ করেন।
সভায় মা ইলিশ সংরক্ষণ, নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ ও বিক্রি বন্ধে করণীয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, জেলেদের সচেতন করা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সমন্বয়ে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।
সভায় উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তা, দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ, জনপ্রতিনিধি, প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি এবং উপজেলা টাস্কফোর্স কমিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

০৫ অক্টোবর, ২০২৬ ১২:৫৪
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নে বসতঘরের পেছনে চাষ করা তিনটি গাঁজাগাছ জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ইউসুফ খান (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের গুলিঠামৌজ গ্রামের খান বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। আটক ইউসুফ খান ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ খানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের শুরুতে বাড়ির পাশের রাজ্জাক মোল্লার দোকান থেকে ইউসুফ খানকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বাড়ির পেছনে অভিযান চালিয়ে তিনটি গাঁজাগাছ শনাক্ত ও জব্দ করা হয়।
বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, তাঁরা আগে থেকেই ওই এলাকায় গাঁজাচাষের বিষয়ে জানতে পারেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক স্যামুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে পুলিশের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাঁজাগাছ দেখতে পান তাঁরা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় তিনটি গাঁজাগাছ জব্দ ও একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়রা জানান, বসতবাড়ির আশপাশে গাঁজাসহ মাদকদ্রব্যের চাষ ও বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নে বসতঘরের পেছনে চাষ করা তিনটি গাঁজাগাছ জব্দ করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় ইউসুফ খান (৩৬) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে।
রবিবার (৪ অক্টোবর) রাত পৌনে ৯টার দিকে উপজেলার আদাবাড়ীয়া ইউনিয়নের গুলিঠামৌজ গ্রামের খান বাড়িতে এ অভিযান চালানো হয়। আটক ইউসুফ খান ওই গ্রামের বাসিন্দা আব্দুল মজিদ খানের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মজিবুল হকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল ওই এলাকায় অভিযান চালায়। অভিযানের শুরুতে বাড়ির পাশের রাজ্জাক মোল্লার দোকান থেকে ইউসুফ খানকে আটক করা হয়। পরে জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর বাড়ির পেছনে অভিযান চালিয়ে তিনটি গাঁজাগাছ শনাক্ত ও জব্দ করা হয়।
বাউফল উপজেলা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াজ হোসেন বলেন, তাঁরা আগে থেকেই ওই এলাকায় গাঁজাচাষের বিষয়ে জানতে পারেন। বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক স্যামুয়েল আহমেদের নেতৃত্বে পুলিশকে বিষয়টি জানানো হয়। পরে পুলিশের সঙ্গে ঘটনাস্থলে গিয়ে গাঁজাগাছ দেখতে পান তাঁরা।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সিরাজ বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত হওয়ার পর পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলে অভিযান চালায়। এ সময় তিনটি গাঁজাগাছ জব্দ ও একজনকে আটক করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।
স্থানীয়রা জানান, বসতবাড়ির আশপাশে গাঁজাসহ মাদকদ্রব্যের চাষ ও বিস্তার রোধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নজরদারি ও অভিযান আরও জোরদার করা প্রয়োজন।

০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৫:১১
পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে এক তরুণীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলার অভিযোগে আব্দুল জলিল (২২) নামে এক যুবককে আটক করেছে মহিপুর থানা পুলিশ। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। দণ্ডপ্রাপ্ত জলিল পেশায় একজন জেলে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় কুয়াকাটার একটি আবাসিক হোটেল থেকে তাকে আটক করা হয়। পরে কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এ সাজা দেন।
দণ্ডপ্রাপ্ত আব্দুল জলিল কুয়াকাটা পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ডের ইনসান উদ্দিনের ছেলে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি টিকটকে নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়ে সেনাবাহিনীর পোশাক পরা ছবি ব্যবহার করে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে যোগাযোগ ও প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলতেন।
সম্প্রতি বাগেরহাট এলাকার এক তরুণীর সঙ্গেও একইভাবে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন জলিল। পরে ওই তরুণীকে কুয়াকাটায় নিয়ে আসেন তিনি। বিষয়টি জানতে পেরে তরুণীর পরিবারের সদস্যরা কুয়াকাটায় এসে তাদের অবস্থান শনাক্ত করে পুলিশকে খবর দেন।
ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা মনির বলেন, সেনাবাহিনীর পরিচয় দিয়ে ওই যুবক তার মেয়ের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলেন। বিষয়টি জানতে পেরে তারা খোঁজখবর নিতে শুরু করেন। পরে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে তাদের সন্দেহ হয়। একপর্যায়ে ওই যুবক মেয়েকে নিয়ে কুয়াকাটায় আসার খবর তার এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারেন। এরপর তারা কুয়াকাটায় এসে তাদের শনাক্ত করেন। পরে জানতে পারেন, ওই যুবক আসলে সেনাবাহিনীর সদস্য নন, তিনি একজন জেলে।
জলিলের স্ত্রী তামান্না বলেন, তার স্বামী এর আগেও একাধিক তরুণীর সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটিয়েছেন। একবার নারায়ণগঞ্জ থেকে এক তরুণীকে কুয়াকাটার ওয়ানস্টার হোটেলে এনে রাখার ঘটনাও তারা জানতে পারেন। পরে ওই তরুণীর স্বজনরা এসে তাকে নিয়ে যান। তাদের পাঁচ বছরের সংসারে দুই বছরের একটি সন্তান রয়েছে। স্বামীর কারণে বিভিন্ন সময়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
হোটেল মারওয়ার ম্যানেজার আতিকুর রহমান বলেন, বুধবার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে জলিল হোটেলের স্টাফের মাধ্যমে একটি কক্ষ বুকিং নিয়ে প্রবেশ করেন। হোটেলের নিয়ম অনুযায়ী তাদের প্রবেশ করতে দেওয়া হয়। পরে সন্ধ্যার দিকে পুলিশ এসে জলিলকে আটক করে। তখন তারা জানতে পারেন, তিনি ওই তরুণীর সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্কের কথা বলে প্রতারণা করেছেন এবং নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য পরিচয় দিয়েছেন।
কলাপাড়া উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ইয়াসীন সাদিক বলেন, এসআই মাসুদের সহযোগিতায় কুয়াকাটার হোটেল মারওয়া থেকে জলিলকে আটক করা হয়। তিনি নিজেকে সেনাবাহিনীর সদস্য ও কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন তরুণীর সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিলেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর আগেও এমন আরও দুটি ঘটনার তথ্য পাওয়া গেছে। এসব বিষয়ে তার স্ত্রীও সাক্ষ্য দিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, নিজেকে সরকারি কর্মকর্তা বা সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা পরিচয় দেওয়া দণ্ডনীয় অপরাধ। এ ঘটনায় দণ্ডপ্রাপ্ত যুবকের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি, ১৮৬০-এর ১৭০ ধারায় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাকে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এ ধরনের প্রতারণার তথ্য পেলে প্রশাসনকে জানানোর আহ্বান জানান তিনি।’
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৯:০৩
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:৪৯
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৮:১৯
০৯ অক্টোবর, ২০২৬ ১৭:০৫