
০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২০:২৪
পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন রাজনীতিতে যোগ দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হন তিনি। সেই শ্রাবণ এখন লড়বেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭ আসনে দলের প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকার নাম ঘোষণা করেন।
প্রায় একযুগ পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর যশোরের কেশবপুর উপজেলায় নিজভূমিতে ফিরে ঘোষণা দেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শ্রাবণ। সেদিন বিপুল মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শ্রাবণ বলেন, আমার পরিবার ভিন্ন মতাদর্শের হলেও নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না। দলে মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও সবাইকে নিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করে তারেক রহমানকে এ আসনটি উপহার দিতে চাই।
তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে কেশবপুরের বড় সমস্যা জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে চাই। কেশবপুরবাসীর মন জয়ে আমি কাজ করব।
যে কারণে পরিবার ত্যাগ করেন রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ
শ্রাবণের গ্রামের বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলার চিংড়া গ্রামে। ২০০৩ সালে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন তিনি। থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজি মুহম্মদ মুহসীন হলে। কিছুদিনের মধ্যেই ছাত্রদল কর্মী হিসেবে হল ও বিভাগের সহপাঠীদের মধ্যে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক-স্নাতকোত্তর শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে সান্ধ্য কোর্সে (স্নাতকোত্তর) অধ্যয়নরত থাকায় ২০২২ সালে ছাত্রদলের সভাপতি হয়েছিলেন শ্রাবণ। পরে ‘অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে ২০২৩ সালের আগস্টে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য এর দুই মাসের মাথায় তাকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়।
শ্রাবণের বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। তিনি কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। শ্রাবণের বড় ভাই মুস্তাফিজুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছিলেন। পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তিনি এখন দল থেকে বহিষ্কৃত। আরেক ভাই মোজাহিদুল ইসলাম উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক। আর ছোট ভাই আজাহারুল ইসলাম উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক।
আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হয়েও রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত হওয়ায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি। পরিবার ত্যাগ করে বিএনপির রাজনীতিতে দৃঢ়তার প্রমাণ দিয়েছেন।
চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর প্রায় একযুগ পর নিজ জন্মভূমি যশোরের কেশবপুরে ফেরেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। দীর্ঘদিন পর এলাকায় গিয়ে তিনি নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন। বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতে ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি কেশবপুরে লিফলেট বিতরণে অংশ নেন। এ সময় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।
দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় পর তার নিজ উপজেলায় আসার খবরে মোড়ে মোড়ে ফুল নিয়ে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা। এরপর কেশবপুর থেকে প্রায় দেড় হাজার মোটরসাইকেল এবং শতাধিক মাইক্রোবাসে নেতাকর্মীরা তার বহরে যোগ দেন। বহর নিয়ে তিনি লিফলেট বিতরণ করেন এবং বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেন।
জানা গেছে, শ্রাবণ কেশবপুর গেলেও তার নিজ বাড়িতে যাননি। এমনকি তার বাবার বাড়ির কারো সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি।
পরিবারের সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন রাজনীতিতে যোগ দেন জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত হওয়ায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হন তিনি। সেই শ্রাবণ এখন লড়বেন ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে।
সোমবার (৩ নভেম্বর) বিকালে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ২৩৭ আসনে দলের প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকার নাম ঘোষণা করেন।
প্রায় একযুগ পরে গত ২০ সেপ্টেম্বর যশোরের কেশবপুর উপজেলায় নিজভূমিতে ফিরে ঘোষণা দেন যশোর-৬ (কেশবপুর) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী শ্রাবণ। সেদিন বিপুল মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি।
মঙ্গলবার সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শ্রাবণ বলেন, আমার পরিবার ভিন্ন মতাদর্শের হলেও নির্বাচনে প্রভাব পড়বে না। দলে মনোনয়ন নিয়ে দ্বন্দ্ব থাকলেও সবাইকে নিয়ে ধানের শীষকে বিজয়ী করে তারেক রহমানকে এ আসনটি উপহার দিতে চাই।
তিনি বলেন, আমি নির্বাচিত হলে কেশবপুরের বড় সমস্যা জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করতে চাই। কেশবপুরবাসীর মন জয়ে আমি কাজ করব।
যে কারণে পরিবার ত্যাগ করেন রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ
শ্রাবণের গ্রামের বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলার চিংড়া গ্রামে। ২০০৩ সালে কেশবপুর সরকারি ডিগ্রি কলেজ থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে ভর্তি হন তিনি। থাকতেন বিশ্ববিদ্যালয়ের হাজি মুহম্মদ মুহসীন হলে। কিছুদিনের মধ্যেই ছাত্রদল কর্মী হিসেবে হল ও বিভাগের সহপাঠীদের মধ্যে পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। বাংলা বিভাগ থেকে স্নাতক-স্নাতকোত্তর শেষ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যবিজ্ঞান ও গ্রন্থাগার ব্যবস্থাপনা বিভাগে সান্ধ্য কোর্সে (স্নাতকোত্তর) অধ্যয়নরত থাকায় ২০২২ সালে ছাত্রদলের সভাপতি হয়েছিলেন শ্রাবণ। পরে ‘অসুস্থতার’ কারণ দেখিয়ে ২০২৩ সালের আগস্টে তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। অবশ্য এর দুই মাসের মাথায় তাকে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য করা হয়।
শ্রাবণের বাবা উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ও মুক্তিযোদ্ধা কাজী রফিকুল ইসলাম। তিনি কেশবপুর উপজেলা চেয়ারম্যান ছিলেন। শ্রাবণের বড় ভাই মুস্তাফিজুল ইসলাম উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ছিলেন। পঞ্চম ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সাগরদাঁড়ি ইউনিয়ন থেকে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন তিনি। বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় তিনি এখন দল থেকে বহিষ্কৃত। আরেক ভাই মোজাহিদুল ইসলাম উপজেলা যুবলীগের সাবেক আহ্বায়ক। আর ছোট ভাই আজাহারুল ইসলাম উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক।
আওয়ামী লীগ পরিবারের সন্তান হয়েও রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত হওয়ায় পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েন। তিনি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি। পরিবার ত্যাগ করে বিএনপির রাজনীতিতে দৃঢ়তার প্রমাণ দিয়েছেন।
চলতি বছরের ২০ সেপ্টেম্বর প্রায় একযুগ পর নিজ জন্মভূমি যশোরের কেশবপুরে ফেরেন ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি কাজী রওনকুল ইসলাম শ্রাবণ। দীর্ঘদিন পর এলাকায় গিয়ে তিনি নেতাকর্মীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন। বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতে ঘোষিত ৩১ দফা কর্মসূচির প্রচারণার অংশ হিসেবে তিনি কেশবপুরে লিফলেট বিতরণে অংশ নেন। এ সময় তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন।
দীর্ঘ এক যুগের বেশি সময় পর তার নিজ উপজেলায় আসার খবরে মোড়ে মোড়ে ফুল নিয়ে অবস্থান নেন নেতাকর্মীরা। এরপর কেশবপুর থেকে প্রায় দেড় হাজার মোটরসাইকেল এবং শতাধিক মাইক্রোবাসে নেতাকর্মীরা তার বহরে যোগ দেন। বহর নিয়ে তিনি লিফলেট বিতরণ করেন এবং বিএনপির রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা সাধারণ মানুষের হাতে পৌঁছে দেন।
জানা গেছে, শ্রাবণ কেশবপুর গেলেও তার নিজ বাড়িতে যাননি। এমনকি তার বাবার বাড়ির কারো সঙ্গে যোগাযোগ রাখেননি।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:২১
ঝালকাঠিতে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় কারাগারে থাকা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীম (৪০) নির্দোষ দাবি করে তার জামিনের পক্ষে আদালতে হলফনামা (এফিডেভিট) দাখিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা। পুলিশের প্রতিবেদনে শামীমকে যুবলীগ নেতা ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, বিএনপি নেতারা আদালতে দেওয়া হলফনামায় সুপারিশ করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী এবং মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
গত বুধবার (১ জুলাই) ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শামীমের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি সামনে আসে। তবে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এই সুপারিশের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জামিন শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনকে আদালত ভর্ৎসনা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন জামিন শুনানির সময় হলফনামা দাখিল এবং আইনজীবীকে ভর্ৎসনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আদালতপাড়া ও শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল।
মামলায় জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল শরীফ এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ কর্মকার, থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদসহ ১৪৬ জনকে আসামি করা হয়।
গত ১৬ জুন ঝালকাঠি থানা পুলিশ মামলাটিতে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীমকে গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় আটক শামীম বিএনপি নেতা ও এপিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনের ভগ্নিপতি বলে জানা গেছে।
জাকির হোসেন শামীমকে নির্দোষ দাবি করে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, তাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন খোকন, সহসভাপতি আনিচুজ্জামান চপল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান এবং জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা স্বাক্ষর করেছেন।
হলফনামায় স্বাক্ষরকারীরা নিজেদের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা ও পৌর শাখার নেতা এবং ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তারা হলফনামায় দাবি করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাকির হোসেন শামীমকে ঘটনাস্থলে বা আশপাশে কেউ দেখেননি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি।
হলফনামায় আরও বলা হয়, শামীমের বিরুদ্ধে ওই ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য তাদের জানা নেই। যদি তার সম্পৃক্ততা থাকত, তাহলে তারা বাদীকে বিষয়টি জানাতেন এবং এজাহারে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
এতে দাবি করা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীমকে গ্রেপ্তারের আগে কোনো সাক্ষী বা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি এবং তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম ঝালকাঠি শহরের সিটি পার্ক রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতান হোসেন খানের ছেলে। তার ছোট ভাই শাহীন খান পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, মা খাদিজা বেগম পৌর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং শামীম বর্তমানে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মামলার সাক্ষী হিসেবে একজন নির্দোষ ব্যক্তির বিষয়ে এফিডেভিট দিয়েছি।
তবে মামলার বাদী ও পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল বলেন, জাকির হোসেন শামীম আমার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুনেছি, তিনি আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিং ও কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদিও তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটির সদস্য ছিলেন না, তবুও দলটির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল।’
ঝালকাঠিতে বিস্ফোরকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে দায়ের হওয়া মামলায় কারাগারে থাকা যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীম (৪০) নির্দোষ দাবি করে তার জামিনের পক্ষে আদালতে হলফনামা (এফিডেভিট) দাখিল করেছেন বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা। পুলিশের প্রতিবেদনে শামীমকে যুবলীগ নেতা ও সাবেক শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমুর ক্যাডার হিসেবে উল্লেখ করা হলেও, বিএনপি নেতারা আদালতে দেওয়া হলফনামায় সুপারিশ করেছেন, তিনি স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী এবং মামলার ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।
গত বুধবার (১ জুলাই) ঝালকাঠি জেলা ও দায়রা জজ আদালতে শামীমের জামিন শুনানির সময় বিষয়টি সামনে আসে। তবে শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. মতিয়ার রহমান তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন। এই সুপারিশের বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনের তুমুল ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
জামিন শুনানির সময় আসামিপক্ষের আইনজীবী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (এপিপি) বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনকে আদালত ভর্ৎসনা করেন বলে জানা গেছে। এ সময় জেলা বিএনপির সদস্য সচিব ও জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি অ্যাডভোকেট শাহাদাৎ হোসেন আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
জেলা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর অ্যাডভোকেট মাহেব হোসেন জামিন শুনানির সময় হলফনামা দাখিল এবং আইনজীবীকে ভর্ৎসনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ ঘটনায় আদালতপাড়া ও শহরজুড়ে আলোচনা-সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলার বাদী পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল।
মামলায় জেলা যুবলীগ আহ্বায়ক রেজাউল করিম জাকির, যুগ্ম আহ্বায়ক কামাল শরীফ এবং জেলা আওয়ামী লীগ নেতা তরুণ কর্মকার, থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হাফিজ আল মাহমুদসহ ১৪৬ জনকে আসামি করা হয়।
গত ১৬ জুন ঝালকাঠি থানা পুলিশ মামলাটিতে সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে যুবলীগ নেতা জাকির হোসেন শামীমকে গ্রেপ্তার করে। এ মামলায় আটক শামীম বিএনপি নেতা ও এপিপি অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনের ভগ্নিপতি বলে জানা গেছে।
জাকির হোসেন শামীমকে নির্দোষ দাবি করে যে হলফনামা দেওয়া হয়েছে, তাতে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান, সাধারণ সম্পাদক শওকত হোসেন খোকন, সহসভাপতি আনিচুজ্জামান চপল, সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ জিয়াউল ইসলাম, শহর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান এবং জেলা বিএনপির সদস্য অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান মুবিনসহ বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের ২০ নেতা স্বাক্ষর করেছেন।
হলফনামায় স্বাক্ষরকারীরা নিজেদের বিএনপি, যুবদল, ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের উপজেলা ও পৌর শাখার নেতা এবং ওই মামলার সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তারা হলফনামায় দাবি করেন, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২২ সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত জেলা বিএনপি কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় জাকির হোসেন শামীমকে ঘটনাস্থলে বা আশপাশে কেউ দেখেননি। এমনকি সিসিটিভি ফুটেজেও তাকে দেখা যায়নি।
হলফনামায় আরও বলা হয়, শামীমের বিরুদ্ধে ওই ঘটনার কোনো সম্পৃক্ততার তথ্য তাদের জানা নেই। যদি তার সম্পৃক্ততা থাকত, তাহলে তারা বাদীকে বিষয়টি জানাতেন এবং এজাহারে তার নাম অন্তর্ভুক্ত করা হতো।
এতে দাবি করা হয়, তদন্তকারী কর্মকর্তা শামীমকে গ্রেপ্তারের আগে কোনো সাক্ষী বা বাদীর সঙ্গে যোগাযোগ করেননি এবং তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
হলফনামায় উল্লেখ করা হয়েছে, শামীম ঝালকাঠি শহরের সিটি পার্ক রোড এলাকার বাসিন্দা। তিনি ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি সুলতান হোসেন খানের ছেলে। তার ছোট ভাই শাহীন খান পৌর যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক, মা খাদিজা বেগম পৌর মহিলা দলের সাবেক সভাপতি এবং শামীম বর্তমানে পৌর স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মী ও সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক।
এ বিষয়ে ঝালকাঠি সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি এস এম এজাজ হাসান ও পৌর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট নাসিমুল হাসান সাংবাদিকদের বলেন, আমরা মামলার সাক্ষী হিসেবে একজন নির্দোষ ব্যক্তির বিষয়ে এফিডেভিট দিয়েছি।
তবে মামলার বাদী ও পৌর ছাত্রদলের সদস্যসচিব সুমন মণ্ডল বলেন, জাকির হোসেন শামীম আমার মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নন। তাকে অজ্ঞাতনামা আসামি হিসেবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শুনেছি, তিনি আগে বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে তাকে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন মিছিল-মিটিং ও কর্মসূচিতে সক্রিয়ভাবে দেখা গেছে। আওয়ামী লীগের অনেক নেতার সঙ্গে তার ছবিও রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, যদিও তিনি আওয়ামী লীগের কোনো কমিটির সদস্য ছিলেন না, তবুও দলটির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা ছিল।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১১:২৫
বরিশালসহ দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।'
বরিশালসহ দেশের ১৯ জেলায় সন্ধ্যার মধ্যে ঝোড়ো হাওয়াসহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে হতে পারে এই ঝড়।
শনিবার সকাল ৯টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেওয়া পূর্বাভাসে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এতে বলা হয়েছে, বরিশাল, পটুয়াখালী, রংপুর, দিনাজপুর, রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, ঢাকা, ফরিদপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, খুলনা, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ/দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্কসংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।'

১১ জুলাই, ২০২৬ ১১:০৯
পটুয়াখালীর বাউফলে এশার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মো. মুসা (৫৫) নামে এক গণিত শিক্ষকের মর্মান্তি মৃত্যুর মাধ্যমে জীবন থেমে গেল। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মুসা উপজেলার নুরাইনপুর অগ্রাণী বিদ্যাপীঠের গনিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নুরাইনপুর বাজার এলাকায় বসবাসকারী মো. মুসা প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে নুরাইনপুর বাজার জামে মসজিদে যাচ্ছিলেন। পথে পিছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। অটোরিকশার ধাক্কায় তিনি পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে গুরুতর আঘাত পান।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুর রউফ জানান, পাকারাস্তায় পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে মারাত্মক আঘাত পাওয়ায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার পরপরই চিকিৎসা শুরু করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়াখালীর বাউফলে এশার নামাজ আদায় করতে যাওয়ার পথে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় মো. মুসা (৫৫) নামে এক গণিত শিক্ষকের মর্মান্তি মৃত্যুর মাধ্যমে জীবন থেমে গেল। শুক্রবার (১০ জুলাই) রাত ৯টার দিকে উপজেলার সূর্যমনি ইউনিয়নের নুরাইনপুর বাজার সংলগ্ন ব্রিজ এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত মো. মুসা উপজেলার নুরাইনপুর অগ্রাণী বিদ্যাপীঠের গনিত বিষয়ের সহকারী শিক্ষক ছিলেন। তার এই আকস্মিক মৃত্যুতে বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নুরাইনপুর বাজার এলাকায় বসবাসকারী মো. মুসা প্রতিদিনের মতো শুক্রবার রাতে এশার নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্যে নুরাইনপুর বাজার জামে মসজিদে যাচ্ছিলেন। পথে পিছন দিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা তাকে সজোরে ধাক্কা দেয়। অটোরিকশার ধাক্কায় তিনি পাকা সড়কে ছিটকে পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে গুরুতর আঘাত পান।
দুর্ঘটনার পরপরই স্থানীয়রা তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে জরুরি বিভাগে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত সাড়ে ৯টার দিকে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। বাউফল উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মো. আবদুর রউফ জানান, পাকারাস্তায় পড়ে মাথা ও মুখমন্ডলে মারাত্মক আঘাত পাওয়ায় এবং অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে হাসপাতালে আনার পরপরই চিকিৎসা শুরু করা হলেও তাকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, এই সড়ক দুর্ঘটনার ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।