
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০১ জুন, ২০২৫ ১২:৫৭
ছোট বোনকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী বৈশাখী ইসলাম বর্ষা। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার পর ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার ওসি মো. সফর আলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ মে) ফরিদপুরের পুলিশ সুপার এ আদেশ দেন। এর আগে, শুক্রবার (৩০ মে) দুপুরে নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভাবুকদিয়া গ্রামে বর্ষার ওপর এ হামলা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা থানায় অভিযোগ জমা দিয়ে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেকেন গাজীর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তার ওপর চড়াও হয়। রাস্তায় ফেলে মারধর করে এবং চুল ধরে টেনে হিঁচড়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে বর্ষা ফেসবুক লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘটনার বিবরণ দিলে মুহূর্তেই বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। তবে এই সময় পুলিশের ওপরও হামলা হয়, যাতে কনস্টেবল-ড্রাইভার হান্নু শরীফ আহত হন।
এ ঘটনার পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভাবুকদিয়া বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে। এতে ফরিদপুর-বরিশাল আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উত্তেজনাকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. শামসুল আজম বলেন, ‘প্রশাসনিক কারণে ওসি সফর আলীকে ফরিদপুর পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। শনিবার পুলিশ সুপার এই নির্দেশ দিয়েছেন।’
মো. সফর আলী ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নগরকান্দা থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন। দায়িত্বকালেই কয়েকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় পর্যায়ে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল, যা বর্ষার ওপর হামলার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ছোট বোনকে উত্ত্যক্ত করার ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে বাড়ি ফেরার পথে হামলার শিকার হয়েছেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেত্রী বৈশাখী ইসলাম বর্ষা। ঘটনাটি নিয়ে দেশজুড়ে সমালোচনার পর ফরিদপুরের নগরকান্দা থানার ওসি মো. সফর আলীকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।
শনিবার (৩১ মে) ফরিদপুরের পুলিশ সুপার এ আদেশ দেন। এর আগে, শুক্রবার (৩০ মে) দুপুরে নগরকান্দা উপজেলার ডাঙ্গী ইউনিয়নের ভাবুকদিয়া গ্রামে বর্ষার ওপর এ হামলা হয়। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বর্ষা থানায় অভিযোগ জমা দিয়ে বের হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই সেকেন গাজীর নেতৃত্বে একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তার ওপর চড়াও হয়। রাস্তায় ফেলে মারধর করে এবং চুল ধরে টেনে হিঁচড়ে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করা হয়।
এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে বর্ষা ফেসবুক লাইভে এসে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ঘটনার বিবরণ দিলে মুহূর্তেই বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযান চালিয়ে ৫ জনকে আটক করে। তবে এই সময় পুলিশের ওপরও হামলা হয়, যাতে কনস্টেবল-ড্রাইভার হান্নু শরীফ আহত হন।
এ ঘটনার পরপরই বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতাকর্মী ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভাবুকদিয়া বাজার এলাকায় সড়ক অবরোধ করে। এতে ফরিদপুর-বরিশাল আঞ্চলিক সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। উত্তেজনাকর পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও র্যাব মোতায়েন করা হয়। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অপরাধ) মো. শামসুল আজম বলেন, ‘প্রশাসনিক কারণে ওসি সফর আলীকে ফরিদপুর পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। শনিবার পুলিশ সুপার এই নির্দেশ দিয়েছেন।’
মো. সফর আলী ২০২৪ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর নগরকান্দা থানার ওসি হিসেবে যোগ দেন। দায়িত্বকালেই কয়েকটি ঘটনার প্রেক্ষিতে স্থানীয় পর্যায়ে তার ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল, যা বর্ষার ওপর হামলার পর নতুন করে আলোচনায় এসেছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:২৬
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে শতাধিক নেতা-কর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান ও আব্দুল হাকিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সুমন মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হোসেন সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নুর মোহাম্মদ আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল হোসেন, কর্মী নবাব আলী ও এরশাদুল হকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
যোগদানকারী কয়েকজন জানান, দীর্ঘ চিন্তা-ভাবনার পর তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। ইসলামি আদর্শভিত্তিক নৈতিক রাজনীতির মাধ্যমে দলটি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে তরুণসহ নানা বয়সী মানুষের জামায়াতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা সংগঠনের শক্তি আরও সুদৃঢ় করবে।’

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪৯
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।

০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:৪১
নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ করেছেন এ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে শোকজ করা হয়। আজ বেলা ১১টায় তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ পত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুদ্দিন মানিক নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন।
কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচারণ বিধির লঙ্ঘন। এছাড়া এমবিবিএস, বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে শোকজ করা হয়েছে। আজ তিনি শোকজের জবাব দেবেন। প্রসঙ্গত, ফখরুদ্দিন মানিক পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বলে জানা গেছে।
কুড়িগ্রামের উলিপুরে বিএনপি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে শতাধিক নেতা-কর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগদান করেছেন।শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার হাতিয়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে বরণ করে নেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে কুড়িগ্রাম-৩ (উলিপুর) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী নবাগতদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।
যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন হাতিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি শফিউর রহমান ও আব্দুল হাকিম, ইউনিয়ন ছাত্রদলের সদ্য সাবেক সভাপতি সুমন মিয়া, ৬ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি নুরুল হোসেন সরকার, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাবেক ইউনিয়ন সভাপতি নুর মোহাম্মদ আলী, ৬ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি নুরুল হোসেন, কর্মী নবাব আলী ও এরশাদুল হকসহ শতাধিক নেতাকর্মী।
যোগদানকারী কয়েকজন জানান, দীর্ঘ চিন্তা-ভাবনার পর তারা জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। ইসলামি আদর্শভিত্তিক নৈতিক রাজনীতির মাধ্যমে দলটি দেশ ও সমাজের কল্যাণে কাজ করছে বলে তারা মনে করেন।
এ বিষয়ে ব্যারিস্টার মাহবুবুল আলম সালেহী বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে তরুণসহ নানা বয়সী মানুষের জামায়াতে যোগদানের প্রবণতা বাড়ছে, যা সংগঠনের শক্তি আরও সুদৃঢ় করবে।’
দিনাজপুরের বীরগঞ্জে নিজের কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণ মামলায় তাইজুল ইসলাম (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে র্যাব-১৩-এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) বিপ্লব কুমার গোস্বামী সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর আড়াইটায় ঢাকার যাত্রাবাড়ী থানার দক্ষিণ যাত্রাবাড়ী ফলের মার্কেট এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার তাইজুল ইসলাম দিনাজপুরের বীরগঞ্জ থানার মহুগাঁও গ্রামের আবু বক্কর আলীর ছেলে।
ভুক্তভোগী কিশোরীর মায়ের করা মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, বাদি ছয় মাস আগে অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালীন তার স্বামী তার মেয়ের শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান। এরপর গত বছরের জুলাইয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে প্রথমবার ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে পুরো পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেন তাইজুল। এরপর থেকে বিভিন্ন খাবারের মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের অচেতন করে নিজ মেয়েকে নিয়মিত ধর্ষণ করে আসছিলেন তিনি।
২৬ জানুয়ারি মিষ্টির মধ্যে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে পরিবারের সবাইকে খেতে দেন তাইজুল। মেয়েটি মিষ্টির ভেতর ওষুধ দেখতে পেয়ে তা ফেলে দিলে তাইজুল তাকে মারধর শুরু করেন। একপর্যায়ে ভিকটিম ও তার মা বিষয়টি আশপাশের লোকজনকে জানালে ওই রাতেই অভিযুক্ত আসামি বাড়ি থেকে পালিয়ে যান।
র্যাব জানায়, ঘটনাটি অত্যন্ত মর্মান্তিক ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় আসামিকে গ্রেফতারের লক্ষ্যে র্যাব ছায়াতদন্ত অব্যাহত রাখে। অবশেষে গোয়েন্দা তথ্যের সহায়তায় শনিবার ঢাকার যাত্রাবাড়ী থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। রোববার তাকে বীরগঞ্জ থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়েছে।
নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করায় ফেনী-৩ আসনে ১১ দলীয় জোটের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী ফখরুদ্দিন মানিককে শোকজ করেছেন এ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা। শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে শোকজ করা হয়। আজ বেলা ১১টায় তাকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।
শোকজ পত্রে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনি আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি অভিযোগ, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. ফখরুদ্দিন মানিক নামের আগে ‘ডাক্তার’ পদবি ব্যবহার করছেন।
কিন্তু তার নির্বাচনি হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি, যা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনি আচারণ বিধির লঙ্ঘন। এছাড়া এমবিবিএস, বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এ বিষয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক মনিরা হক বলেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় তাকে শোকজ করা হয়েছে। আজ তিনি শোকজের জবাব দেবেন। প্রসঙ্গত, ফখরুদ্দিন মানিক পেশায় একজন হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক বলে জানা গেছে।
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:৪৯
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:২২
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৯:০০
০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩২