Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২১:৫৫
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র (এফডব্লিউসি) থাকার কথা থাকলেও পটুয়াখালী জেলায় ৭৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ৫৪ টিতে এই সেবামুলক প্রতিষ্ঠানটি রয়েছে। আবার এসব এফডবিলউসিতে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে গত ১৪ মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে জনবল সংকটও। এতে করে বিপাকে পড়ছেন সেবা নিতে আসা প্রান্তিক মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিষ্ঠা করা হয় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এখানে জ্বর, সর্দি, কাশি, চর্মরোগসহ মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবার ২৬ ধরনের ওষুধ দেওয়ার কথা। কিন্তু গত ১৪ মাস ধরে এসব কেন্দ্রে বন্ধ রয়েছে ওষুধ সরবরাহ। ফলে সেবা নিতে আসা রোগীদের যেতে হচ্ছে শহরের সরকারি ও বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকব ও হাসপাতালে। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে ব্যয়।
গত বৃহস্পতিবার সকালে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কেন্দ্রটিতে সেবা নিতে আসা রোগীরা ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন। সরকারি এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সঠিক সেবা না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। জেলার অন্য ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রেগুলোতেও একই চিত্র।
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা বকুল বাড়িয়া গ্রামের লামিয়া বেগম বলেন, ‘আমার দেড় বছরের শিশু সামিয়াকে নিয়ে এখানে এসেছি। ছেলেটির কয়েকদিন ধরে জ্বর-সর্দি-কাঁশিতে ভুগছে। এখানকার ডাক্তার ঔষধ লিখে দিছে, তবে কোনো ওষধ দেয় নাই। বলেছে এখানে কোনো ওষধ নেই। মাস দুয়েক আগেও একবার আসছিলাম। তখনও ওষধ পাই নাই। তিনি আরও বলেন, আমরা গরিব মানুষ। টাকা-পয়সা খরচ ছাড়া ডাক্তার দেখানোসহ বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যায় বলেই এখানে আসি। এখন এখানে ঔষধ না পাওয়ায় বাইরে থেকে কিনতে হয়। একই গ্রামের গৃহবধূ সুমী আক্তার (২১) ঠান্ডা জ¦রে আক্রান্ত তার দুবছরের ছেলে মিরাজকে নিয়ে এসেছেন। তিনি জানান, তিনমাস আগেও এবকার এসেছিলাম অঅমার জ¦র নিয়ে তখনও ওষুধ পাইনি। এবার অঅমার ছেলে অসুস্থ শুধুমাত্র ওষধ লিখে দিয়েছে। কোনো ওষুধ দেয়নি। বলেছে কোননো ওষুধ নেই। আমার বাড়ি থেকে গলাচিপা উপজেলা শহরে ১৫ কিলোমটিা আর পটুয়াখালী জেলা শহর প্রায় ২৫ কিলোমিটার। ওইসব শহরে গিয়ে ক্লিনিক বা হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া খুবই ভোগান্তির এবং ব্যয়বহুল। আমার স্বামী একজন দিনমজুর। তাই টাকার অভাবে এখন আমরা চিকিৎসাসেবা ঠিকভাবে পাচ্ছি না।
এই এডব্লিউসিতে রয়েছে জনবল সংকটও। এখানে ৬ টি পদে কর্মরত আছেন মাত্র দুজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) ও একজন এমএলএসএস। উপ-সহকারি মেডিকেল কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বা স্যাকমো পদে প্রতিষ্ঠালগ্নে একজনকে নিয়োগ দেয়া হলেও ২ বছর সেবা দিয়ে তিনি অন্যত্র বদলী হন। তারপর থেকে ওই পদে আর কেউ আসেননি। এখন পরিবার কল্যাণ সহকারি রনজিতা একাই সামলান চিকিৎসা সেবা। তিনি আবার পাশর্^বর্তী খারিজ্জমা ইউনিয়নেরও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, আমাকেই সব সামলাতে হয়। ওষুধ সরবরাহ ১৪ মাস ধরে বন্ধ। তা এখন রোগীদের চাপ কম। তবে গত একমাসে ৩০ টি স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়েছে। পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেও ওষুধ সংকটের পাশাপাশি রয়েছে জনবল সংকট। এখানেও উপসহকারি মেডিকেল অফিসারের পদটি দীর্ঘদিন খালি। ৭ টি পদে কর্মরত আছে ৫ জন। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা নাছিমা বেগম জানান, কয়েকদনি ধরে আমার জ¦র আর চুলকানি। ডাক্তার দেখাতে আসছি। কিছু ওষুধ লিখে দিয়েছে। কোনো ওষুধ দেয় নাই বলেছে সরবরাহ নেই।
এখানকার পরিবার কল্যাণ সহকারি নাসিমা বেগম বলেন, ‘আমরা আগে প্রায় ২৩ রকমের ওষুধ পেতাম। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঔষধের সাপ্লাই না থাকায় এখন আর রোগীদের দিতে পারছি না। তাই রোগী তেমন একটা আসে না। আগে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত রোগী এলেও বর্তমানে আসে আট থেকে ১০ জন রোগী। ওষুধ না থাকায় রোগীদের শুধু পরামর্শ দিয়ে বিদায় করতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু ওষুধ সংকট নয়, জনবল সংকটেও ভুগছে স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো। জেলার ৫৪ টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সমান সংখ্যক স্যাকমো পদে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৩ জন। ২১ টি ফার্মাসিস্ট পদে ১১ টি পদ খালি। পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকের ৭৮ পদের মধ্যে ২৪ টি পদ খালি, পরিবার কল্যাণ সহকারির ৩১৭ পদে ৮৮ টি পদ র্দীঘদিন খালি।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের সহকারি পরিচালক ডা. মো. সামসুজ্জামান বলেন, জনবল ও ওষুধ সংকটে সেবা কিছুটা ব্যাহত হলেও অচিরেই তা কেটে যাবে। আশা করছি আগামি সপ্তাহে সব ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে ওষুধ সরবরাহ করতে পারবো।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র (এফডব্লিউসি) থাকার কথা থাকলেও পটুয়াখালী জেলায় ৭৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ৫৪ টিতে এই সেবামুলক প্রতিষ্ঠানটি রয়েছে। আবার এসব এফডবিলউসিতে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে গত ১৪ মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে জনবল সংকটও। এতে করে বিপাকে পড়ছেন সেবা নিতে আসা প্রান্তিক মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিষ্ঠা করা হয় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এখানে জ্বর, সর্দি, কাশি, চর্মরোগসহ মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবার ২৬ ধরনের ওষুধ দেওয়ার কথা। কিন্তু গত ১৪ মাস ধরে এসব কেন্দ্রে বন্ধ রয়েছে ওষুধ সরবরাহ। ফলে সেবা নিতে আসা রোগীদের যেতে হচ্ছে শহরের সরকারি ও বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকব ও হাসপাতালে। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে ব্যয়।
গত বৃহস্পতিবার সকালে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কেন্দ্রটিতে সেবা নিতে আসা রোগীরা ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন। সরকারি এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সঠিক সেবা না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। জেলার অন্য ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রেগুলোতেও একই চিত্র।
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা বকুল বাড়িয়া গ্রামের লামিয়া বেগম বলেন, ‘আমার দেড় বছরের শিশু সামিয়াকে নিয়ে এখানে এসেছি। ছেলেটির কয়েকদিন ধরে জ্বর-সর্দি-কাঁশিতে ভুগছে। এখানকার ডাক্তার ঔষধ লিখে দিছে, তবে কোনো ওষধ দেয় নাই। বলেছে এখানে কোনো ওষধ নেই। মাস দুয়েক আগেও একবার আসছিলাম। তখনও ওষধ পাই নাই। তিনি আরও বলেন, আমরা গরিব মানুষ। টাকা-পয়সা খরচ ছাড়া ডাক্তার দেখানোসহ বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যায় বলেই এখানে আসি। এখন এখানে ঔষধ না পাওয়ায় বাইরে থেকে কিনতে হয়। একই গ্রামের গৃহবধূ সুমী আক্তার (২১) ঠান্ডা জ¦রে আক্রান্ত তার দুবছরের ছেলে মিরাজকে নিয়ে এসেছেন। তিনি জানান, তিনমাস আগেও এবকার এসেছিলাম অঅমার জ¦র নিয়ে তখনও ওষুধ পাইনি। এবার অঅমার ছেলে অসুস্থ শুধুমাত্র ওষধ লিখে দিয়েছে। কোনো ওষুধ দেয়নি। বলেছে কোননো ওষুধ নেই। আমার বাড়ি থেকে গলাচিপা উপজেলা শহরে ১৫ কিলোমটিা আর পটুয়াখালী জেলা শহর প্রায় ২৫ কিলোমিটার। ওইসব শহরে গিয়ে ক্লিনিক বা হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া খুবই ভোগান্তির এবং ব্যয়বহুল। আমার স্বামী একজন দিনমজুর। তাই টাকার অভাবে এখন আমরা চিকিৎসাসেবা ঠিকভাবে পাচ্ছি না।
এই এডব্লিউসিতে রয়েছে জনবল সংকটও। এখানে ৬ টি পদে কর্মরত আছেন মাত্র দুজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) ও একজন এমএলএসএস। উপ-সহকারি মেডিকেল কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বা স্যাকমো পদে প্রতিষ্ঠালগ্নে একজনকে নিয়োগ দেয়া হলেও ২ বছর সেবা দিয়ে তিনি অন্যত্র বদলী হন। তারপর থেকে ওই পদে আর কেউ আসেননি। এখন পরিবার কল্যাণ সহকারি রনজিতা একাই সামলান চিকিৎসা সেবা। তিনি আবার পাশর্^বর্তী খারিজ্জমা ইউনিয়নেরও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, আমাকেই সব সামলাতে হয়। ওষুধ সরবরাহ ১৪ মাস ধরে বন্ধ। তা এখন রোগীদের চাপ কম। তবে গত একমাসে ৩০ টি স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়েছে। পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেও ওষুধ সংকটের পাশাপাশি রয়েছে জনবল সংকট। এখানেও উপসহকারি মেডিকেল অফিসারের পদটি দীর্ঘদিন খালি। ৭ টি পদে কর্মরত আছে ৫ জন। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা নাছিমা বেগম জানান, কয়েকদনি ধরে আমার জ¦র আর চুলকানি। ডাক্তার দেখাতে আসছি। কিছু ওষুধ লিখে দিয়েছে। কোনো ওষুধ দেয় নাই বলেছে সরবরাহ নেই।
এখানকার পরিবার কল্যাণ সহকারি নাসিমা বেগম বলেন, ‘আমরা আগে প্রায় ২৩ রকমের ওষুধ পেতাম। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঔষধের সাপ্লাই না থাকায় এখন আর রোগীদের দিতে পারছি না। তাই রোগী তেমন একটা আসে না। আগে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত রোগী এলেও বর্তমানে আসে আট থেকে ১০ জন রোগী। ওষুধ না থাকায় রোগীদের শুধু পরামর্শ দিয়ে বিদায় করতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু ওষুধ সংকট নয়, জনবল সংকটেও ভুগছে স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো। জেলার ৫৪ টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সমান সংখ্যক স্যাকমো পদে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৩ জন। ২১ টি ফার্মাসিস্ট পদে ১১ টি পদ খালি। পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকের ৭৮ পদের মধ্যে ২৪ টি পদ খালি, পরিবার কল্যাণ সহকারির ৩১৭ পদে ৮৮ টি পদ র্দীঘদিন খালি।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের সহকারি পরিচালক ডা. মো. সামসুজ্জামান বলেন, জনবল ও ওষুধ সংকটে সেবা কিছুটা ব্যাহত হলেও অচিরেই তা কেটে যাবে। আশা করছি আগামি সপ্তাহে সব ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে ওষুধ সরবরাহ করতে পারবো।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:২৯
ভারতীয় সংগীতজগতের অমর কণ্ঠস্বর, কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। ৯২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। মুম্বাইয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছে এনডিটিভিসহ ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম।
এর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় আশা ভোঁসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ফুসফুসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন।
অবশেষে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রায় আট দশকের কর্মজীবনে বিভিন্ন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন কিংবদন্তি এ গায়িকা । তার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হন তিনি।
বাঙালি কন্যা আশা ভোঁসলে নানা ভাষার গান কণ্ঠে ধারন করে ভারত উপমহাদেশে সুরের আলো জ্বেলে গেছেন আমৃত্যু। বিশেষ করে তিনি হিন্দি গানের ভুবনে অমর এক নাম। লতা মুঙ্গেশকরের বোন ও আর ডি বর্মণের স্ত্রী পরিচয়কে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিলেন নিজেই এক মহাতারকা। তার কণ্ঠ চিরকাল কোটি মানুষের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।
তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোক নেমেছে।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১৩:৪৭
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলীর (রা.) মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ বলে অবহিত করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়িকা।
সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কনকচাঁপা লিখেছেন, কুমির, কুকুর, হায়েনা, বাঘ-সিংহ কেউ না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ।
পরে স্ট্যাটাসটি দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীদের কেউ কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।
এতে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষও। এ ঘটনাটি শুধু একটি প্রাণীর মৃত্যুই নয়; বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে খানজাহান আলী (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশের প্রধান ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজারসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা লাঠি ছুড়ে কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি দৌড়ে মূল ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের নিরাপত্তাপ্রহরী ফোরকানকে আঁচড় দিলে তিনি পা ঝাড়া দেন। এতে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। মুহূর্তেই কুমির এসে কুকুরটিকে ধরে পানির নিচে চলে যায়।

১২ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৫৬
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস
ভারতীয় সংগীতজগতের অমর কণ্ঠস্বর, কিংবদন্তি গায়িকা আশা ভোঁসলে আর নেই। ৯২ বছর বয়সে তিনি পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করেছেন। মুম্বাইয়ে একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়েছে। এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছে এনডিটিভিসহ ভারতের বেশ কিছু গণমাধ্যম।
এর আগে হৃদরোগে আক্রান্ত হলে আশা ভোঁসলেকে মুম্বাইয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিলো। সূত্রের বরাতে আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ায় আশা ভোঁসলেকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তিনি ফুসফুসের সমস্যাতেও ভুগছিলেন।
অবশেষে সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ রোববার (১২ এপ্রিল) দুপুরে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
প্রায় আট দশকের কর্মজীবনে বিভিন্ন ভারতীয় চলচ্চিত্র ও অ্যালবামের জন্য অসংখ্য গান রেকর্ড করেছেন কিংবদন্তি এ গায়িকা । তার ঝুড়িতে রয়েছে অসংখ্য পুরস্কার। তিনি দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারে সম্মানিত হয়েছেন। ২০০৮ সালে পেয়েছেন পদ্মভূষণ। ১৯৯৭ সালে গ্র্যামির জন্য মনোনীত হন তিনি।
বাঙালি কন্যা আশা ভোঁসলে নানা ভাষার গান কণ্ঠে ধারন করে ভারত উপমহাদেশে সুরের আলো জ্বেলে গেছেন আমৃত্যু। বিশেষ করে তিনি হিন্দি গানের ভুবনে অমর এক নাম। লতা মুঙ্গেশকরের বোন ও আর ডি বর্মণের স্ত্রী পরিচয়কে ছাপিয়ে হয়ে উঠেছিলেন নিজেই এক মহাতারকা। তার কণ্ঠ চিরকাল কোটি মানুষের হৃদয়ে ছুঁয়ে যাবে।
তার মৃত্যুতে ভারত উপমহাদেশের শোবিজে শোক নেমেছে।
বাগেরহাটে হজরত খানজাহান আলীর (রা.) মাজারসংলগ্ন দীঘিতে কুমিরের মুখে কুকুরের মর্মান্তিক মৃত্যুর ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ বলে অবহিত করেছেন তিনি।
শনিবার (১১ এপ্রিল) রাত ৮টার দিকে সামাজিক মাধ্যমে নিজের ফেসবুক স্ট্যাটাসে এ ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন গায়িকা।
সংশ্লিষ্ট একটি ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে কনকচাঁপা লিখেছেন, কুমির, কুকুর, হায়েনা, বাঘ-সিংহ কেউ না। এই পৃথিবীতে সবচেয়ে ভয়ংকর প্রাণী মানুষ।
পরে স্ট্যাটাসটি দ্রুতই সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে পড়ে। এ সময় অনেকেই অভিযোগ করে বলেন, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দর্শনার্থীদের কেউ কেউ ভিডিও ধারণে ব্যস্ত থাকলেও অসহায় প্রাণীটিকে বাঁচাতে এগিয়ে আসেননি।
এতে মানবিকতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন তারকা থেকে সাধারণ মানুষও। এ ঘটনাটি শুধু একটি প্রাণীর মৃত্যুই নয়; বরং সমাজের মানবিক মূল্যবোধ নিয়েও নতুন করে প্রশ্ন ওঠে—এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
উল্লেখ্য, গত বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকালে খানজাহান আলী (রা.) মাজারের দক্ষিণ পাশের প্রধান ঘাট এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও মাজারসংশ্লিষ্টদের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি অসুস্থ কুকুর শিশুসহ কয়েকজনকে কামড় দেয়। পরে স্থানীয়রা লাঠি ছুড়ে কুকুরটিকে তাড়ানোর চেষ্টা করলে সেটি দৌড়ে মূল ঘাটের দিকে যায়। সেখানে মাজারের নিরাপত্তাপ্রহরী ফোরকানকে আঁচড় দিলে তিনি পা ঝাড়া দেন। এতে কুকুরটি দীঘির পানিতে পড়ে যায়। মুহূর্তেই কুমির এসে কুকুরটিকে ধরে পানির নিচে চলে যায়।
ভোলায় অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশের অভিযোগে এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার (১১ এপ্রিল) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোস্টগার্ড বেইস ভোলার একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানকালে ভোলা সদর থানা এলাকার খেয়াঘাট ব্রিজ সংলগ্ন স্থান থেকে ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, গ্রেপ্তার ব্যক্তি গত ৭ এপ্রিল দিনাজপুর জেলার বিরামপুর সীমান্ত দিয়ে মাদক পাচারকারী একটি চক্রের সহযোগিতায় আত্মগোপনের উদ্দেশ্যে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করেন।
আটক হলেন- আব্দুল মমিন (৩২)। তিনি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সোনামুড়া জেলার যাত্রাপুর থানার বাঁশপুকুর গ্রামের বাসিন্দা। তার পিতার নাম বসার আলী।
পরবর্তীতে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তাকে ভোলা সদর থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
লেফটেন্যান্ট মো. আবুল কাশেম আরও জানান, দেশের সীমান্ত নিরাপত্তা জোরদার এবং অবৈধ অনুপ্রবেশ রোধে বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভবিষ্যতেও এ ধরনের অভিযান অব্যাহত রাখবে।
বরিশাল টাইমস