
০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২১:৫৫
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র (এফডব্লিউসি) থাকার কথা থাকলেও পটুয়াখালী জেলায় ৭৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ৫৪ টিতে এই সেবামুলক প্রতিষ্ঠানটি রয়েছে। আবার এসব এফডবিলউসিতে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে গত ১৪ মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে জনবল সংকটও। এতে করে বিপাকে পড়ছেন সেবা নিতে আসা প্রান্তিক মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিষ্ঠা করা হয় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এখানে জ্বর, সর্দি, কাশি, চর্মরোগসহ মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবার ২৬ ধরনের ওষুধ দেওয়ার কথা। কিন্তু গত ১৪ মাস ধরে এসব কেন্দ্রে বন্ধ রয়েছে ওষুধ সরবরাহ। ফলে সেবা নিতে আসা রোগীদের যেতে হচ্ছে শহরের সরকারি ও বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকব ও হাসপাতালে। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে ব্যয়।
গত বৃহস্পতিবার সকালে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কেন্দ্রটিতে সেবা নিতে আসা রোগীরা ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন। সরকারি এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সঠিক সেবা না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। জেলার অন্য ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রেগুলোতেও একই চিত্র।
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা বকুল বাড়িয়া গ্রামের লামিয়া বেগম বলেন, ‘আমার দেড় বছরের শিশু সামিয়াকে নিয়ে এখানে এসেছি। ছেলেটির কয়েকদিন ধরে জ্বর-সর্দি-কাঁশিতে ভুগছে। এখানকার ডাক্তার ঔষধ লিখে দিছে, তবে কোনো ওষধ দেয় নাই। বলেছে এখানে কোনো ওষধ নেই। মাস দুয়েক আগেও একবার আসছিলাম। তখনও ওষধ পাই নাই। তিনি আরও বলেন, আমরা গরিব মানুষ। টাকা-পয়সা খরচ ছাড়া ডাক্তার দেখানোসহ বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যায় বলেই এখানে আসি। এখন এখানে ঔষধ না পাওয়ায় বাইরে থেকে কিনতে হয়। একই গ্রামের গৃহবধূ সুমী আক্তার (২১) ঠান্ডা জ¦রে আক্রান্ত তার দুবছরের ছেলে মিরাজকে নিয়ে এসেছেন। তিনি জানান, তিনমাস আগেও এবকার এসেছিলাম অঅমার জ¦র নিয়ে তখনও ওষুধ পাইনি। এবার অঅমার ছেলে অসুস্থ শুধুমাত্র ওষধ লিখে দিয়েছে। কোনো ওষুধ দেয়নি। বলেছে কোননো ওষুধ নেই। আমার বাড়ি থেকে গলাচিপা উপজেলা শহরে ১৫ কিলোমটিা আর পটুয়াখালী জেলা শহর প্রায় ২৫ কিলোমিটার। ওইসব শহরে গিয়ে ক্লিনিক বা হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া খুবই ভোগান্তির এবং ব্যয়বহুল। আমার স্বামী একজন দিনমজুর। তাই টাকার অভাবে এখন আমরা চিকিৎসাসেবা ঠিকভাবে পাচ্ছি না।
এই এডব্লিউসিতে রয়েছে জনবল সংকটও। এখানে ৬ টি পদে কর্মরত আছেন মাত্র দুজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) ও একজন এমএলএসএস। উপ-সহকারি মেডিকেল কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বা স্যাকমো পদে প্রতিষ্ঠালগ্নে একজনকে নিয়োগ দেয়া হলেও ২ বছর সেবা দিয়ে তিনি অন্যত্র বদলী হন। তারপর থেকে ওই পদে আর কেউ আসেননি। এখন পরিবার কল্যাণ সহকারি রনজিতা একাই সামলান চিকিৎসা সেবা। তিনি আবার পাশর্^বর্তী খারিজ্জমা ইউনিয়নেরও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, আমাকেই সব সামলাতে হয়। ওষুধ সরবরাহ ১৪ মাস ধরে বন্ধ। তা এখন রোগীদের চাপ কম। তবে গত একমাসে ৩০ টি স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়েছে। পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেও ওষুধ সংকটের পাশাপাশি রয়েছে জনবল সংকট। এখানেও উপসহকারি মেডিকেল অফিসারের পদটি দীর্ঘদিন খালি। ৭ টি পদে কর্মরত আছে ৫ জন। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা নাছিমা বেগম জানান, কয়েকদনি ধরে আমার জ¦র আর চুলকানি। ডাক্তার দেখাতে আসছি। কিছু ওষুধ লিখে দিয়েছে। কোনো ওষুধ দেয় নাই বলেছে সরবরাহ নেই।
এখানকার পরিবার কল্যাণ সহকারি নাসিমা বেগম বলেন, ‘আমরা আগে প্রায় ২৩ রকমের ওষুধ পেতাম। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঔষধের সাপ্লাই না থাকায় এখন আর রোগীদের দিতে পারছি না। তাই রোগী তেমন একটা আসে না। আগে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত রোগী এলেও বর্তমানে আসে আট থেকে ১০ জন রোগী। ওষুধ না থাকায় রোগীদের শুধু পরামর্শ দিয়ে বিদায় করতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু ওষুধ সংকট নয়, জনবল সংকটেও ভুগছে স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো। জেলার ৫৪ টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সমান সংখ্যক স্যাকমো পদে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৩ জন। ২১ টি ফার্মাসিস্ট পদে ১১ টি পদ খালি। পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকের ৭৮ পদের মধ্যে ২৪ টি পদ খালি, পরিবার কল্যাণ সহকারির ৩১৭ পদে ৮৮ টি পদ র্দীঘদিন খালি।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের সহকারি পরিচালক ডা. মো. সামসুজ্জামান বলেন, জনবল ও ওষুধ সংকটে সেবা কিছুটা ব্যাহত হলেও অচিরেই তা কেটে যাবে। আশা করছি আগামি সপ্তাহে সব ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে ওষুধ সরবরাহ করতে পারবো।
প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতে প্রতিটি ইউনিয়নে একটি করে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র (এফডব্লিউসি) থাকার কথা থাকলেও পটুয়াখালী জেলায় ৭৭ টি ইউনিয়নের মধ্যে মাত্র ৫৪ টিতে এই সেবামুলক প্রতিষ্ঠানটি রয়েছে। আবার এসব এফডবিলউসিতে ২০২৪ সালের আগস্ট থেকে গত ১৪ মাস ধরে ওষুধ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। পাশাপাশি রয়েছে জনবল সংকটও। এতে করে বিপাকে পড়ছেন সেবা নিতে আসা প্রান্তিক মানুষ।
স্থানীয়রা জানান, প্রান্তিক মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিতে প্রতিষ্ঠা করা হয় ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র। বিশেষ করে গর্ভবতী নারী ও শিশুদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে এখানে জ্বর, সর্দি, কাশি, চর্মরোগসহ মা ও শিশুস্বাস্থ্য সেবার ২৬ ধরনের ওষুধ দেওয়ার কথা। কিন্তু গত ১৪ মাস ধরে এসব কেন্দ্রে বন্ধ রয়েছে ওষুধ সরবরাহ। ফলে সেবা নিতে আসা রোগীদের যেতে হচ্ছে শহরের সরকারি ও বিভিন্ন প্রাইভেট ক্লিনিকব ও হাসপাতালে। এতে ভোগান্তির পাশাপাশি বাড়ছে ব্যয়।
গত বৃহস্পতিবার সকালে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার বকুলবাড়িয়া ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্র ঘুরে দেখা যায়, কেন্দ্রটিতে সেবা নিতে আসা রোগীরা ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে বাড়ি ফিরছেন। সরকারি এই স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সঠিক সেবা না পাওয়ায় ভোগান্তিতে পড়েছেন এলাকাবাসী। জেলার অন্য ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রেগুলোতেও একই চিত্র।
২০১৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সেবা নিতে আসা বকুল বাড়িয়া গ্রামের লামিয়া বেগম বলেন, ‘আমার দেড় বছরের শিশু সামিয়াকে নিয়ে এখানে এসেছি। ছেলেটির কয়েকদিন ধরে জ্বর-সর্দি-কাঁশিতে ভুগছে। এখানকার ডাক্তার ঔষধ লিখে দিছে, তবে কোনো ওষধ দেয় নাই। বলেছে এখানে কোনো ওষধ নেই। মাস দুয়েক আগেও একবার আসছিলাম। তখনও ওষধ পাই নাই। তিনি আরও বলেন, আমরা গরিব মানুষ। টাকা-পয়সা খরচ ছাড়া ডাক্তার দেখানোসহ বিনামূল্যে ওষুধ পাওয়া যায় বলেই এখানে আসি। এখন এখানে ঔষধ না পাওয়ায় বাইরে থেকে কিনতে হয়। একই গ্রামের গৃহবধূ সুমী আক্তার (২১) ঠান্ডা জ¦রে আক্রান্ত তার দুবছরের ছেলে মিরাজকে নিয়ে এসেছেন। তিনি জানান, তিনমাস আগেও এবকার এসেছিলাম অঅমার জ¦র নিয়ে তখনও ওষুধ পাইনি। এবার অঅমার ছেলে অসুস্থ শুধুমাত্র ওষধ লিখে দিয়েছে। কোনো ওষুধ দেয়নি। বলেছে কোননো ওষুধ নেই। আমার বাড়ি থেকে গলাচিপা উপজেলা শহরে ১৫ কিলোমটিা আর পটুয়াখালী জেলা শহর প্রায় ২৫ কিলোমিটার। ওইসব শহরে গিয়ে ক্লিনিক বা হাসপাতালে চিকিৎসা নেয়া খুবই ভোগান্তির এবং ব্যয়বহুল। আমার স্বামী একজন দিনমজুর। তাই টাকার অভাবে এখন আমরা চিকিৎসাসেবা ঠিকভাবে পাচ্ছি না।
এই এডব্লিউসিতে রয়েছে জনবল সংকটও। এখানে ৬ টি পদে কর্মরত আছেন মাত্র দুজন পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকা (এফডব্লিউভি) ও একজন এমএলএসএস। উপ-সহকারি মেডিকেল কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার বা স্যাকমো পদে প্রতিষ্ঠালগ্নে একজনকে নিয়োগ দেয়া হলেও ২ বছর সেবা দিয়ে তিনি অন্যত্র বদলী হন। তারপর থেকে ওই পদে আর কেউ আসেননি। এখন পরিবার কল্যাণ সহকারি রনজিতা একাই সামলান চিকিৎসা সেবা। তিনি আবার পাশর্^বর্তী খারিজ্জমা ইউনিয়নেরও অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন।
তিনি বলেন, আমাকেই সব সামলাতে হয়। ওষুধ সরবরাহ ১৪ মাস ধরে বন্ধ। তা এখন রোগীদের চাপ কম। তবে গত একমাসে ৩০ টি স্বাভাবিক প্রসব করানো হয়েছে। পটুয়াখালী সদর উপজেলার আউলিয়াপুর স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রেও ওষুধ সংকটের পাশাপাশি রয়েছে জনবল সংকট। এখানেও উপসহকারি মেডিকেল অফিসারের পদটি দীর্ঘদিন খালি। ৭ টি পদে কর্মরত আছে ৫ জন। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসা নিতে আসা নাছিমা বেগম জানান, কয়েকদনি ধরে আমার জ¦র আর চুলকানি। ডাক্তার দেখাতে আসছি। কিছু ওষুধ লিখে দিয়েছে। কোনো ওষুধ দেয় নাই বলেছে সরবরাহ নেই।
এখানকার পরিবার কল্যাণ সহকারি নাসিমা বেগম বলেন, ‘আমরা আগে প্রায় ২৩ রকমের ওষুধ পেতাম। এক বছরেরও বেশি সময় ধরে ঔষধের সাপ্লাই না থাকায় এখন আর রোগীদের দিতে পারছি না। তাই রোগী তেমন একটা আসে না। আগে প্রতিদিন প্রায় অর্ধশত রোগী এলেও বর্তমানে আসে আট থেকে ১০ জন রোগী। ওষুধ না থাকায় রোগীদের শুধু পরামর্শ দিয়ে বিদায় করতে হচ্ছে। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, শুধু ওষুধ সংকট নয়, জনবল সংকটেও ভুগছে স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলো। জেলার ৫৪ টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য কেন্দ্রে সমান সংখ্যক স্যাকমো পদে কর্মরত আছেন মাত্র ৩৩ জন। ২১ টি ফার্মাসিস্ট পদে ১১ টি পদ খালি। পরিবার কল্যাণ পরিদর্শিকের ৭৮ পদের মধ্যে ২৪ টি পদ খালি, পরিবার কল্যাণ সহকারির ৩১৭ পদে ৮৮ টি পদ র্দীঘদিন খালি।
এ ব্যাপারে পটুয়াখালী পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের সহকারি পরিচালক ডা. মো. সামসুজ্জামান বলেন, জনবল ও ওষুধ সংকটে সেবা কিছুটা ব্যাহত হলেও অচিরেই তা কেটে যাবে। আশা করছি আগামি সপ্তাহে সব ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কেন্দ্রগুলোতে ওষুধ সরবরাহ করতে পারবো।

১১ জুলাই, ২০২৬ ১৩:০৩
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, তাকে হত্যা বা হত্যার চেষ্টা করা হলে ইরানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ভয়াবহ সামরিক হামলা চালানো হবে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, বর্তমানে ইরানকে লক্ষ্য করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি লেখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দিকে ১,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রাখা হয়েছে। যদি ইরান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেওয়া তাদের হুমকি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে এক্ষেত্রে আমাকে হত্যা বা হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আরও কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে।’
ট্রাম্প জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা আগেই দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন সামরিক বাহিনী আগামী এক বছর এবং প্রয়োজনে তারও বেশি সময় ধরে ইরানের সব এলাকা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে প্রস্তুত ও সক্ষম।’
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া কিছু বিক্ষোভকারীর হাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের আহ্বানসংবলিত ব্যানার প্রদর্শনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এই হুঁশিয়ারি আসে।’
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে জানিয়েছেন, তাকে হত্যা বা হত্যার চেষ্টা করা হলে ইরানের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিকভাবে ভয়াবহ সামরিক হামলা চালানো হবে।
নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, বর্তমানে ইরানকে লক্ষ্য করে এক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
তিনি লেখেন, ‘ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের দিকে ১,০০০ ক্ষেপণাস্ত্র তাক করে রাখা হয়েছে। যদি ইরান সরকার বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে দেওয়া তাদের হুমকি অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের বর্তমান প্রেসিডেন্টকে এক্ষেত্রে আমাকে হত্যা বা হত্যার চেষ্টা করে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে আরও কয়েক হাজার ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করা হবে।’
ট্রাম্প জানান, এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা আগেই দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ‘মার্কিন সামরিক বাহিনী আগামী এক বছর এবং প্রয়োজনে তারও বেশি সময় ধরে ইরানের সব এলাকা মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দিতে প্রস্তুত ও সক্ষম।’
ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির জানাজায় অংশ নেওয়া কিছু বিক্ষোভকারীর হাতে ট্রাম্পের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের আহ্বানসংবলিত ব্যানার প্রদর্শনের পর মার্কিন প্রেসিডেন্টের পক্ষ থেকে এই হুঁশিয়ারি আসে।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৪৭
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার রথখোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও আহতদের স্বজনরা জানান, বিকেলের দিকে একটি বেওয়ারিশ কুকুর হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এরপর সামনে যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড়ে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে কুকুরটিকে ধাওয়া করে হত্যা করেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাবেয়া আক্তার (১০), মনিরা বেগম (৪৫), বেল্লাল (১০), সাহেব আলী (৬৫), আতাই (২), আরাফাত (৬), আয়ান (৫), আল আমিন (৪৩), মিনারা বেগম (৬০), জিদনী (২৫) এবং তাওহীদসহ (২৪) প্রমুখ।
আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মাহামুদুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, কুকুরের কামড়ে আহত ২৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহত আরও দুজনের অবস্থা তুলনামূলক গুরুতর হওয়ায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মো. মাহামুদুল হাসান আরও জানান, জলাতঙ্ক রোগের ঝুঁকি থাকায় তাদের সবাইকে দ্রুত প্রতিষেধক টিকা বা ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’
বরিশালের আগৈলঝাড়ায় পাগলা কুকুরের কামড়ে অন্তত ২৭ জন আহত হয়েছেন। শুক্রবার (১০ জুলাই) বিকেল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত উপজেলার রথখোলা বাসস্ট্যান্ড থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনের এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও আহতদের স্বজনরা জানান, বিকেলের দিকে একটি বেওয়ারিশ কুকুর হঠাৎ আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে। এরপর সামনে যাকে পেয়েছে, তাকেই কামড়ে আহত করে। পরে স্থানীয় লোকজন সংঘবদ্ধ হয়ে কুকুরটিকে ধাওয়া করে হত্যা করেন।
আহতদের মধ্যে রয়েছেন রাবেয়া আক্তার (১০), মনিরা বেগম (৪৫), বেল্লাল (১০), সাহেব আলী (৬৫), আতাই (২), আরাফাত (৬), আয়ান (৫), আল আমিন (৪৩), মিনারা বেগম (৬০), জিদনী (২৫) এবং তাওহীদসহ (২৪) প্রমুখ।
আগৈলঝাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের কর্তব্যরত মেডিকেল অফিসার ডা. মো. মাহামুদুল হাসান সাংবাদিকদের জানান, কুকুরের কামড়ে আহত ২৫ জনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। আহত আরও দুজনের অবস্থা তুলনামূলক গুরুতর হওয়ায় তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
মো. মাহামুদুল হাসান আরও জানান, জলাতঙ্ক রোগের ঝুঁকি থাকায় তাদের সবাইকে দ্রুত প্রতিষেধক টিকা বা ভ্যাকসিন নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।’

১১ জুলাই, ২০২৬ ১২:৩৪
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৪৩ জনের নামোল্লেখ করে মামলা করা হয়। এই মামলায় আসামির তালিকায় দুইজন সাংবাদিক নেতাও আছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পুরো হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও, আলোচিত এ মামলার ২১ নাম্বার আসামি করা হয়েছে সংবাদ সংগ্রহের জন্য থানা কম্পাউন্ডে যাওয়া আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাজমুল রিপন এবং ২৩ নাম্বার আসামি করা হয়েছে আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলামকে। তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে আসামিদের উস্কানি বা প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও মামলার আসামি এফএম নাজমুল রিপন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সম্প্রতি সময়ে প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান তার (নাজমুল রিপন) বিরুদ্ধে একাধিক জিডি করেছেন। ওসির ওই জিডি প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে মানববন্ধন করা হয়।
সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ওসি ষড়যন্ত্র মূলকভাবে আলোচিত এ মামলায় আমাদের দুইজনকে আসামি করেছেন। এছাড়াও দেশে না থাকা অনেক ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে, যা বাস্তব ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের এবং প্রাথমিক তদন্তে গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা চালানোর ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।’
ওসি আরও জানান, পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একাধিক টিম মাঠে তদন্ত করছেন। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত না থাকলে তাকে কোনো ধরনের হয়রানি করা হবেনা। বরং মামলার এজাহারে তাদের নাম থাকলেও অব্যাহতি দেওয়া হবে।
এদিকে পুলিশ বাদী হয়ে দুই সাংবাদিক নেতাকে মামলায় আসামি করার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে একটি মামলার সন্দেহভাজন আসামি ফুলশ্রী গ্রামের সিদ্দিক ফকিরের ছেলে রিয়াজ ফকিরকে (২৬) গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। ওইদিন রাতেই থানা হেফাজতে লোহার দরজায় নিজের মাথায় নিজেই আঘাত করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন রিয়াজ। পরে থানা পুলিশ গ্রেপ্তার আসামি রিয়াজ ফকিরকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরেরদিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে গ্রেপ্তার আসামি রিয়াজ ফকির পুলিশের নির্যাতনে মৃত্যুবরণ করেছে বলে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিয়াজের বাবা-মা, বোনসহ আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী ওইদিন বিকেলে মিছিল নিয়ে প্রকাশ্যে থানায় ঢুকে হামলা, ভাঙচুরসহ একাধিক পুলিশ সদস্যকে মারধর করে আহত করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।’
বরিশালের আগৈলঝাড়া থানায় হামলা চালিয়ে পুলিশ সদস্যদের মারধরের ঘটনায় ৪৩ জনের নামোল্লেখ করে মামলা করা হয়। এই মামলায় আসামির তালিকায় দুইজন সাংবাদিক নেতাও আছেন। এ ঘটনায় সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা পুরো বিষয়টি সঠিকভাবে তদন্ত করার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
পুরো হামলার ঘটনার ভিডিও ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও, আলোচিত এ মামলার ২১ নাম্বার আসামি করা হয়েছে সংবাদ সংগ্রহের জন্য থানা কম্পাউন্ডে যাওয়া আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের বর্তমান সাধারণ সম্পাদক নাজমুল রিপন এবং ২৩ নাম্বার আসামি করা হয়েছে আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল ইসলামকে। তাদের দুইজনের বিরুদ্ধে আসামিদের উস্কানি বা প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে।
আগৈলঝাড়া প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও মামলার আসামি এফএম নাজমুল রিপন সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, সম্প্রতি সময়ে প্রকাশিত সংবাদের জের ধরে আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান তার (নাজমুল রিপন) বিরুদ্ধে একাধিক জিডি করেছেন। ওসির ওই জিডি প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সাইফুল ইসলামের নেতৃত্বে মানববন্ধন করা হয়।
সাংবাদিক সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘ওসি ষড়যন্ত্র মূলকভাবে আলোচিত এ মামলায় আমাদের দুইজনকে আসামি করেছেন। এছাড়াও দেশে না থাকা অনেক ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে, যা বাস্তব ঘটনাকে আড়াল করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’
আগৈলঝাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ খান বলেন, ‘ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের এবং প্রাথমিক তদন্তে গুজব ছড়িয়ে থানায় হামলা চালানোর ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।’
ওসি আরও জানান, পুরো বিষয়টি নিয়ে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে একাধিক টিম মাঠে তদন্ত করছেন। তদন্তে ঘটনার সঙ্গে কেউ জড়িত না থাকলে তাকে কোনো ধরনের হয়রানি করা হবেনা। বরং মামলার এজাহারে তাদের নাম থাকলেও অব্যাহতি দেওয়া হবে।
এদিকে পুলিশ বাদী হয়ে দুই সাংবাদিক নেতাকে মামলায় আসামি করার বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বরিশাল সাংবাদিক নেতৃবৃন্দরা।
বুধবার (৮ জুলাই) রাতে একটি মামলার সন্দেহভাজন আসামি ফুলশ্রী গ্রামের সিদ্দিক ফকিরের ছেলে রিয়াজ ফকিরকে (২৬) গ্রেপ্তার করে থানা পুলিশ। ওইদিন রাতেই থানা হেফাজতে লোহার দরজায় নিজের মাথায় নিজেই আঘাত করে অজ্ঞান হয়ে পড়েন রিয়াজ। পরে থানা পুলিশ গ্রেপ্তার আসামি রিয়াজ ফকিরকে প্রথমে আগৈলঝাড়া উপজেলা হাসপাতালে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে ভর্তি করেন।
পরেরদিন বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুরে গ্রেপ্তার আসামি রিয়াজ ফকির পুলিশের নির্যাতনে মৃত্যুবরণ করেছে বলে এলাকায় গুজব ছড়িয়ে পড়ে। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে রিয়াজের বাবা-মা, বোনসহ আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী ওইদিন বিকেলে মিছিল নিয়ে প্রকাশ্যে থানায় ঢুকে হামলা, ভাঙচুরসহ একাধিক পুলিশ সদস্যকে মারধর করে আহত করে। এ ঘটনায় থানায় মামলা করার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে নারী-পুরুষসহ ১৮ জনকে গ্রেপ্তার করে শুক্রবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়।’