
১৭ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৫৮
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চক শিয়ালকোল এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে এক স্বাস্থ্যসেবীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর১২টার দিকে পরিচালিত অভিযানে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামের ওই স্বাস্থ্যকর্মীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, তিনি ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় পাড়া-মহল্লায় মসজিদে মাইকিং করে রোগী ডেকে আনতেন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অর্থ আদায় করতেন। এ ছাড়া ১২০০ টাকার চশমা ১৫০ টাকায় বিক্রির প্রলোভন দেখানো হতো। ডায়াবেটিস পরীক্ষা, রক্তচাপ মাপা, ওজন ও উচ্চতা নির্ণয়ের জন্য প্রতি ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসিন খন্দকার। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের মেডিকেল অফিসার ডা. তামান্না, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মনজুর আলম, পরিসংখ্যানবিদ আব্দুর রহিমসহ পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার চক শিয়ালকোল এলাকায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে এক স্বাস্থ্যসেবীকে জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
শুক্রবার (১৭ এপ্রিল) দুপুর১২টার দিকে পরিচালিত অভিযানে সাদ্দাম হোসেন (৩২) নামের ওই স্বাস্থ্যকর্মীকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। অনাদায়ে তাকে দুই মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়েছে।
জানা যায়, তিনি ব্র্যাকের স্বাস্থ্য কর্মসূচির আওতায় পাড়া-মহল্লায় মসজিদে মাইকিং করে রোগী ডেকে আনতেন এবং বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার নামে অর্থ আদায় করতেন। এ ছাড়া ১২০০ টাকার চশমা ১৫০ টাকায় বিক্রির প্রলোভন দেখানো হতো। ডায়াবেটিস পরীক্ষা, রক্তচাপ মাপা, ওজন ও উচ্চতা নির্ণয়ের জন্য প্রতি ব্যক্তির কাছ থেকে ৩০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মহসিন খন্দকার। এ সময় উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা দপ্তরের মেডিকেল অফিসার ডা. তামান্না, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর মনজুর আলম, পরিসংখ্যানবিদ আব্দুর রহিমসহ পুলিশের একটি দল উপস্থিত ছিলেন।
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনের ৪৫ ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে তাকে দণ্ড দেওয়া হয়। ভবিষ্যতে এ ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার জন্য সতর্ক করা হয়।

২০ এপ্রিল, ২০২৬ ১১:৫৬
মাদারীপুরে অবৈধভাবে মজুত করে ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করার দায়ে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের বসত ভবনের গোডাউনে যৌথ অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও র্যাব-৮।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের ধুয়াশার বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা যায়, ভোজ্য তেল অবৈধভাবে মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে এমন খবরে র্যাবকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ডাসার উপজেলার ধুয়াশার বাজারের সরদার ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বাচ্চু সরদারের বসত ভবনের নিচ তলা থেকে ৩৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।
পরে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন মাদারীপুর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল। পরে সোমবার দিনের মধ্যে জব্দ সয়াবিন তেল বাজারে ছাড়ার শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়। এই অভিযানে মাদারীপুর র্যাব-৮ এর সহকারী কমান্ডার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) তারিখ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক সুচন্দ মন্ডল জানান, ভোজ্যতেলের বাজার অস্থির করতে এবং অধিক মুনাফার জন্য এসব তেল অবৈধভাবে মজুত করা হয়েছিল। এই অপরাধে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মজুত তেল দ্রুত বাজারে সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০৯
দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আনুপাতিক হারে বাড়ছে মৃত্যুও। তাই হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২২ হাজার। আর হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ শিশুর।
গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া শুরু করে সরকার।
গত শুক্রবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ম্যাসিভভাবে হামের টিকার কার্যক্রম শুরু হবে। দেশে কোনো টিকার ঘাটতি নেই, তাই অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান দেওয়া যাবে না।
তবে চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু হামের কারণে মৃত্যুর রেকর্ড নেই, যে শিশুরা মারা যাচ্ছে তাদের হামের সঙ্গে রয়েছে শরীরের অন্যান্য জটিলতা।
হাম হলে ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দেশব্যাপী প্রাদুর্ভাব কমাতে ঘরে ঘরে টিকা কার্যক্রম সফল করার তাগিদ দেন তারা। চিকিৎসকরা বলেন, এর জন্য সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে অভিভাবকদের। শিশুকে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে পুষ্টিকর খাবারের।

১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:৪৪
কিশোরগঞ্জে বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়েছে। এর ফলে জনজীবনে ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে অটোরিকশার ব্যাটারি একটানা চার্জ দিতে না পেরে বিপাকে চালকরা। অনেক গাড়ির ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে। আবার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার খরচও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে যাত্রীদের ভাড়ার ওপর।
হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া এলাকার অটোচালক মুখলেছুর রহমান জানান, তারা একটি গ্যারেজে একসঙ্গে অন্তত ১০০ চালক তাদের গাড়ির ব্যাটারি চার্জ দিতে পারতেন। এখন ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে ৪০টির মতো ব্যাটারি চার্জ দেওয়া যাচ্ছে।
একটি ব্যাটারি একটানা ৮ ঘণ্টা চার্জ দিতে হয়। কিন্তু হোসেনপুর পৌর এলাকায় দিনে ৬ ঘণ্টা, রাতে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। আবার গ্রাম এলাকায় দিনে ও রাতে চার ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। এতে একটি ব্যাটারি দুই দফায় চার্জ দিতে হয়।
একটি ব্যাটারির দাম ৪০ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে জানিয়ে মুখলেছুর রহমান বলেন, ‘ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে গাড়ি চালাব কী করে? আর গাড়ি না চললে তো সংসার চলবে না।’
এসব কারণে সড়কে অটোরিকশা কমে গেছে। আবার ব্যাটারি চার্জের খরচও বেড়েছে। একটি ব্যাটারি চার্জ দিতে আগে নেওয়া হতো ৮০ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ১২০ টাকা। যে কারণে ভাড়াও বাড়াতে হয়েছে বলে জানান মুখলেছুরসহ অন্য অটোরিকশা চালকরা।
গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা শহরের ব্যস্ততম স্টেশন রোড এলাকায় দেখা যায়, আগের তুলনায় অটোরিকশা ৩০ শতাংশও চলছে না। আগে দুপুরের দিকে অটোরিকশার চাপে পথচারীরা সহজে রাস্তা পার হতে পারতেন না। এখন সড়ক প্রায় ফাঁকা।
জানা গেছে, পিডিবি এবং পল্লী বিদ্যুতে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ জানান, কিশোরগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে সাড়ে ২৪ মেগাওয়াট।
পাওয়া যাচ্ছে ২০ মেগাওয়াট। গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকার ফিডারে লোডশোডিং তুলনামূলক কম। তবে জ্বালানি সংকটে গত বৃহস্পতিবার থেকে সব জায়গায় পালাক্রমে টানা এক ঘণ্টা লোডশেডিং করার জন্য সরকার থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপক মো. আতিকুজ্জামান জানান, কিশোরগঞ্জের পল্লী বিদ্যুতে ৯০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৬০ মেগাওয়াটের মতো। যে কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
মাদারীপুরে অবৈধভাবে মজুত করে ভোজ্য তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করার দায়ে এক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্যের বসত ভবনের গোডাউনে যৌথ অভিযান চালিয়েছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর ও র্যাব-৮।
রোববার (১৯ এপ্রিল) বিকেল ৪টা থেকে সন্ধ্যা ৭টা পর্যন্ত ডাসার উপজেলার বালিগ্রাম ইউনিয়নের ধুয়াশার বাজারে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়। জানা যায়, ভোজ্য তেল অবৈধভাবে মজুত করে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি করেছে এমন খবরে র্যাবকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। এ সময় ডাসার উপজেলার ধুয়াশার বাজারের সরদার ট্রেডার্স নামে একটি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের মালিক অবসরপ্রাপ্ত সেনা সদস্য বাচ্চু সরদারের বসত ভবনের নিচ তলা থেকে ৩৭ হাজার লিটার সয়াবিন তেল উদ্ধার করা হয়।
পরে তাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করেন মাদারীপুর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সুচন্দন মন্ডল। পরে সোমবার দিনের মধ্যে জব্দ সয়াবিন তেল বাজারে ছাড়ার শর্তে মুচলেকা নেওয়া হয়। এই অভিযানে মাদারীপুর র্যাব-৮ এর সহকারী কমান্ডার (অতিরিক্ত পুলিশ সুপার) তারিখ হাসানসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিভিন্ন সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর মাদারীপুরের সহকারী পরিচালক সুচন্দ মন্ডল জানান, ভোজ্যতেলের বাজার অস্থির করতে এবং অধিক মুনাফার জন্য এসব তেল অবৈধভাবে মজুত করা হয়েছিল। এই অপরাধে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। মজুত তেল দ্রুত বাজারে সরবরাহের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান নিয়মিত অব্যাহত থাকবে।
দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। আনুপাতিক হারে বাড়ছে মৃত্যুও। তাই হামের প্রাদুর্ভাব রোধে সোমবার (২০ এপ্রিল) থেকে সারা দেশে একযোগে টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশে হামে আক্রান্তের সংখ্যা ছাড়িয়েছে ২২ হাজার। আর হাম ও উপসর্গে মৃত্যু হয়েছে ২১৩ শিশুর।
গত ৫ এপ্রিল থেকে দেশের উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ ১৮ জেলার ৩০টি উপজেলায় জরুরি টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়। পরে ১২ এপ্রিল ঢাকাসহ চার সিটি করপোরেশন এলাকায় টিকা দেওয়া শুরু করে সরকার।
গত শুক্রবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ২০ এপ্রিল থেকে সারা দেশে ম্যাসিভভাবে হামের টিকার কার্যক্রম শুরু হবে। দেশে কোনো টিকার ঘাটতি নেই, তাই অপপ্রচার ও বিভ্রান্তিকর তথ্যে কান দেওয়া যাবে না।
তবে চিকিৎসকরা বলছেন, শুধু হামের কারণে মৃত্যুর রেকর্ড নেই, যে শিশুরা মারা যাচ্ছে তাদের হামের সঙ্গে রয়েছে শরীরের অন্যান্য জটিলতা।
হাম হলে ভয় বা আতঙ্কিত না হয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। দেশব্যাপী প্রাদুর্ভাব কমাতে ঘরে ঘরে টিকা কার্যক্রম সফল করার তাগিদ দেন তারা। চিকিৎসকরা বলেন, এর জন্য সবচেয়ে বেশি সচেতন হতে হবে অভিভাবকদের। শিশুকে টিকা দেওয়ার পাশাপাশি নিশ্চিত করতে হবে পুষ্টিকর খাবারের।
কিশোরগঞ্জে বিদ্যুতের লোডশেডিং বেড়েছে। এর ফলে জনজীবনে ভোগান্তি চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে অটোরিকশার ব্যাটারি একটানা চার্জ দিতে না পেরে বিপাকে চালকরা। অনেক গাড়ির ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেছে। আবার ব্যাটারি চার্জ দেওয়ার খরচও বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে যাত্রীদের ভাড়ার ওপর।
হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া এলাকার অটোচালক মুখলেছুর রহমান জানান, তারা একটি গ্যারেজে একসঙ্গে অন্তত ১০০ চালক তাদের গাড়ির ব্যাটারি চার্জ দিতে পারতেন। এখন ভয়াবহ লোডশেডিংয়ের কারণে ৪০টির মতো ব্যাটারি চার্জ দেওয়া যাচ্ছে।
একটি ব্যাটারি একটানা ৮ ঘণ্টা চার্জ দিতে হয়। কিন্তু হোসেনপুর পৌর এলাকায় দিনে ৬ ঘণ্টা, রাতে ৬ ঘণ্টা বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। আবার গ্রাম এলাকায় দিনে ও রাতে চার ঘণ্টা করে বিদ্যুৎ দেওয়া হচ্ছে। এতে একটি ব্যাটারি দুই দফায় চার্জ দিতে হয়।
একটি ব্যাটারির দাম ৪০ হাজার থেকে ৮৫ হাজার টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে জানিয়ে মুখলেছুর রহমান বলেন, ‘ব্যাটারি নষ্ট হয়ে গেলে গাড়ি চালাব কী করে? আর গাড়ি না চললে তো সংসার চলবে না।’
এসব কারণে সড়কে অটোরিকশা কমে গেছে। আবার ব্যাটারি চার্জের খরচও বেড়েছে। একটি ব্যাটারি চার্জ দিতে আগে নেওয়া হতো ৮০ টাকা। এখন নেওয়া হচ্ছে ১২০ টাকা। যে কারণে ভাড়াও বাড়াতে হয়েছে বলে জানান মুখলেছুরসহ অন্য অটোরিকশা চালকরা।
গতকাল শনিবার দুপুর ১২টার দিকে জেলা শহরের ব্যস্ততম স্টেশন রোড এলাকায় দেখা যায়, আগের তুলনায় অটোরিকশা ৩০ শতাংশও চলছে না। আগে দুপুরের দিকে অটোরিকশার চাপে পথচারীরা সহজে রাস্তা পার হতে পারতেন না। এখন সড়ক প্রায় ফাঁকা।
জানা গেছে, পিডিবি এবং পল্লী বিদ্যুতে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ কম পাওয়া যাচ্ছে। পিডিবির নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রউফ জানান, কিশোরগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে সাড়ে ২৪ মেগাওয়াট।
পাওয়া যাচ্ছে ২০ মেগাওয়াট। গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক এলাকার ফিডারে লোডশোডিং তুলনামূলক কম। তবে জ্বালানি সংকটে গত বৃহস্পতিবার থেকে সব জায়গায় পালাক্রমে টানা এক ঘণ্টা লোডশেডিং করার জন্য সরকার থেকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
পল্লী বিদ্যুতের মহাব্যবস্থাপক মো. আতিকুজ্জামান জানান, কিশোরগঞ্জের পল্লী বিদ্যুতে ৯০ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে পাওয়া যাচ্ছে ৬০ মেগাওয়াটের মতো। যে কারণে লোডশেডিং দিতে হচ্ছে।