
১০ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:৫২
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে একটি খাবার হোটেলের বাথরুম থেকে শহিদুল্লাহ (৫০) নামে এক বাসচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে হোটেলের বাথরুম থেকে ওই চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
বাসচলালক শহিদুল্লা গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেগুনহাটি গ্রামের করম আলীর ছেলে। তিনি ঢাকা টু কটিয়াদী রোডে জলসিঁড়ি বাসের চালক ছিলেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চালক শহিদুল্লাহ দীর্ঘদিন যাবত হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি রোববার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে জলসিঁড়ি বাস চালিয়ে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ডে আসেন। তিনি রাতের খাবার খেয়ে বাসের মধ্যেই ঘুমিয়ে ছিলেন, রাত আনুমানিক ৩-৪টার দিকে বুকে ব্যথা অনুভব করলে হেলপারকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ নিয়ে আসেন। ভোররাতে তিনি বাথরুম করার জন্য বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টে যান।
দীর্ঘসময় অতিবাহিত হলেও বাথরুম থেকে বেরিয়ে না আসায় পাশে গিয়ে ডাকাডাকি করলে তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রেস্তোরাঁর কর্মচারীরা বাথরুমের উপর থেকে উঁকি দিয়ে দেখেন ভিতরে তিনি পড়ে আছেন। পরে হোটেলের লোকজন পুলিশকে খবর দিলে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত শহিদুল্লার মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তরিকুল ইসলাম জানান, মৃত শহিদুল্লাহ ঢাকা টু কটিয়াদী রোডে জলসিঁড়ি বাস চালাতেন। তিনি হার্টের রোগী ছিলেন এবং নিয়মিত ওষুধ খেতেন। মধ্যরাতে বুকে ব্যথা হলে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খেয়েছেন। সকালে একটি হোটেলে বাথরুম করতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে একটি খাবার হোটেলের বাথরুম থেকে শহিদুল্লাহ (৫০) নামে এক বাসচালকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার সকালে হোটেলের বাথরুম থেকে ওই চালকের লাশ উদ্ধার করা হয়।
বাসচলালক শহিদুল্লা গাজীপুর জেলার কাপাসিয়া উপজেলার বেগুনহাটি গ্রামের করম আলীর ছেলে। তিনি ঢাকা টু কটিয়াদী রোডে জলসিঁড়ি বাসের চালক ছিলেন।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, চালক শহিদুল্লাহ দীর্ঘদিন যাবত হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি রোববার দিবাগত রাতে ঢাকা থেকে জলসিঁড়ি বাস চালিয়ে কটিয়াদী বাসস্ট্যান্ডে আসেন। তিনি রাতের খাবার খেয়ে বাসের মধ্যেই ঘুমিয়ে ছিলেন, রাত আনুমানিক ৩-৪টার দিকে বুকে ব্যথা অনুভব করলে হেলপারকে সঙ্গে নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ নিয়ে আসেন। ভোররাতে তিনি বাথরুম করার জন্য বাসস্ট্যান্ডে অবস্থিত ধানসিঁড়ি রেস্টুরেন্টে যান।
দীর্ঘসময় অতিবাহিত হলেও বাথরুম থেকে বেরিয়ে না আসায় পাশে গিয়ে ডাকাডাকি করলে তার কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রেস্তোরাঁর কর্মচারীরা বাথরুমের উপর থেকে উঁকি দিয়ে দেখেন ভিতরে তিনি পড়ে আছেন। পরে হোটেলের লোকজন পুলিশকে খবর দিলে কটিয়াদী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃত শহিদুল্লার মৃতদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন।
কটিয়াদী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ মো. তরিকুল ইসলাম জানান, মৃত শহিদুল্লাহ ঢাকা টু কটিয়াদী রোডে জলসিঁড়ি বাস চালাতেন। তিনি হার্টের রোগী ছিলেন এবং নিয়মিত ওষুধ খেতেন। মধ্যরাতে বুকে ব্যথা হলে ডাক্তার দেখিয়ে ওষুধ খেয়েছেন। সকালে একটি হোটেলে বাথরুম করতে গিয়ে তার মৃত্যু হয়েছে। লাশ উদ্ধার করে কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা রেকর্ড করা হয়েছে।

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৫৭
সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘রাইট টক বাংলাদেশ’-এর বরিশাল বিভাগীয় টিমের আংশিক কমিটি অনুমোদন করেছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি। অনুমোদিত কমিটিতে বরিশাল পোস্ট এর সম্পাদক ও তরুণ সংগঠক মজিবর রহমান নাহিদকে সভাপতি এবং রুমান হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আল আমিন এম তাওহীদ এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সবাই মিলে বাংলা সাজাই’ স্লোগানকে ধারণ করে রাইট টক বাংলাদেশ সমাজে দক্ষ নাগরিক গড়ে তোলা, মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের প্রতিটি সদস্য একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মানবতার সেবায় কাজ করবেন এবং একটি সুন্দর সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।
নব-নির্বাচিত সভাপতি মজিবর রহমান নাহিদ বলেন, “রাইট টক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব। বরিশালে মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম আরও বেগবান করতে সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।
রাইট টক বাংলাদেশ বাংলাদেশের একটি সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। ‘সবাই মিলে বাংলা সাজাই’ স্লোগানকে ধারণ করে ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।’
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘রাইট টক বাংলাদেশ’-এর বরিশাল বিভাগীয় টিমের আংশিক কমিটি অনুমোদন করেছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি। অনুমোদিত কমিটিতে বরিশাল পোস্ট এর সম্পাদক ও তরুণ সংগঠক মজিবর রহমান নাহিদকে সভাপতি এবং রুমান হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আল আমিন এম তাওহীদ এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সবাই মিলে বাংলা সাজাই’ স্লোগানকে ধারণ করে রাইট টক বাংলাদেশ সমাজে দক্ষ নাগরিক গড়ে তোলা, মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের প্রতিটি সদস্য একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মানবতার সেবায় কাজ করবেন এবং একটি সুন্দর সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।
নব-নির্বাচিত সভাপতি মজিবর রহমান নাহিদ বলেন, “রাইট টক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব। বরিশালে মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম আরও বেগবান করতে সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।
রাইট টক বাংলাদেশ বাংলাদেশের একটি সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। ‘সবাই মিলে বাংলা সাজাই’ স্লোগানকে ধারণ করে ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।’
প্রেস বিজ্ঞপ্তি

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:১৭
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’
ঝালকাঠির নলছিটিতে ৫ বছর বয়সী মেয়েকে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দেওয়ার ঘটনায় মা লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শনিবার (১১ জুলাই) রাতে নলছিটি থানায় তার বিরুদ্ধে সন্তানকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা করেন শিশুটির বাবা সাইদুল ইসলাম।
এর আগে, শুক্রবার রাতে নিজের মেয়েকে নিয়ে শহরের ফেরিঘাট এলাকায় সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন লাকি আক্তার। স্থানীয়রা তাৎক্ষণিক নদীতে নেমে তাদের জীবিত উদ্ধার করে। স্বামীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ হওয়ায় মানসিক কষ্টে তিনি নদীতে ঝাঁপ দেন বলে দাবি করেন ওই নারী।
মামলার বাদী সাইদুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, গত একমাস আগে লাকির সঙ্গে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়।
সাবেক স্ত্রী পরিকল্পিতভাবে মেয়েকে হত্যার উদ্দেশে সঙ্গে নিয়ে নদীতে ঝাঁপ দিয়েছেন। স্থানীয় লোকজন দ্রুত উদ্ধার না করলে মেয়েটি পানিতে ডুবে মারা যেত।
নলছিটি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তৌহিদুজ্জামান বরিশালটাইমসকে বলেন, মামলা দায়েরের পরপরই আসামি লাকি আক্তারকে গ্রেপ্তার করা হয়।’