
১১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৪:১৮
পটুয়াখালীর দশমিনায় ককটেল বিস্ফোরণ, লুটপাট ও চাঁদা দাবির অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৩৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইতোমধ্যে ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে দশমিনা সদর ইউনিয়নের চরহাদি ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. কালু মৃধা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ লিটনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোফাজ্জল চৌধুরী মায়া, ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি মোশারেফ রাড়ী, ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি হানিফ, যুবলীগ নেতা জব্বার এবং হোসেন কবির হোসেনসহ আরও একজন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১ নভেম্বর তরমুজ চাষের জমি দখলকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ভুক্তভোগীদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করে। এসময় তারা প্রায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং ৮ থেকে ১০টি ককটেল বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, “তরমুজ চাষের জমি দখল নিয়ে বিরোধের জেরে ককটেল বিস্ফোরণ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা কালু মৃধা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।”
পটুয়াখালীর দশমিনায় ককটেল বিস্ফোরণ, লুটপাট ও চাঁদা দাবির অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের ৩৭ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাত আরও ৭০ থেকে ৮০ জনকে আসামি করা হয়েছে। পুলিশ অভিযান চালিয়ে ইতোমধ্যে ছয় জনকে গ্রেফতার করেছে।
গত বৃহস্পতিবার রাতে দশমিনা সদর ইউনিয়নের চরহাদি ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মো. কালু মৃধা বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। এতে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ লিটনকে প্রধান আসামি করা হয়েছে।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন ইউনিয়ন যুবলীগের সভাপতি মোফাজ্জল চৌধুরী মায়া, ওয়ার্ড যুবলীগের সহ-সভাপতি মোশারেফ রাড়ী, ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড যুবলীগ সভাপতি হানিফ, যুবলীগ নেতা জব্বার এবং হোসেন কবির হোসেনসহ আরও একজন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১ নভেম্বর তরমুজ চাষের জমি দখলকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা ভুক্তভোগীদের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে লুটপাট ও ভাঙচুর করে। এসময় তারা প্রায় ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে এবং ৮ থেকে ১০টি ককটেল বোমার বিস্ফোরণ ঘটায়।
দশমিনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল আলীম বলেন, “তরমুজ চাষের জমি দখল নিয়ে বিরোধের জেরে ককটেল বিস্ফোরণ ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিএনপি নেতা কালু মৃধা বাদী হয়ে মামলা করেছেন। ছয় জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে, অন্য আসামিদের ধরতে অভিযান চলছে।”

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:০১

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৫:১৯

১২ জুলাই, ২০২৬ ১৩:৫৭
সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘রাইট টক বাংলাদেশ’-এর বরিশাল বিভাগীয় টিমের আংশিক কমিটি অনুমোদন করেছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি। অনুমোদিত কমিটিতে বরিশাল পোস্ট এর সম্পাদক ও তরুণ সংগঠক মজিবর রহমান নাহিদকে সভাপতি এবং রুমান হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আল আমিন এম তাওহীদ এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সবাই মিলে বাংলা সাজাই’ স্লোগানকে ধারণ করে রাইট টক বাংলাদেশ সমাজে দক্ষ নাগরিক গড়ে তোলা, মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের প্রতিটি সদস্য একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মানবতার সেবায় কাজ করবেন এবং একটি সুন্দর সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।
নব-নির্বাচিত সভাপতি মজিবর রহমান নাহিদ বলেন, “রাইট টক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব। বরিশালে মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম আরও বেগবান করতে সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।
রাইট টক বাংলাদেশ বাংলাদেশের একটি সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। ‘সবাই মিলে বাংলা সাজাই’ স্লোগানকে ধারণ করে ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।’
প্রেস বিজ্ঞপ্তি
বরিশালে শিয়াল পিটিয়ে হত্যা এবং মাংস রান্না করে রুটি দিয়ে খাওয়ার ভাইরাল ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। রোববার বরিশাল সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বাদী হয়ে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। আলোচিত এই শিয়ালকাণ্ডের মামলায় শহরের ২৬ নং ওয়ার্ডের চার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম (৩৩), মোহাম্মদ হারিস (৩৬), কামাল খলিফা (৩২) এবং মোহাম্মদ জামাল খলিফাকে (৩২) অভিযুক্ত করা হয়। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোর্টে প্রেরণ করেছেন বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ, গত ২ জুলাই ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দানখোলা এলাকায় উল্লেখিত ব্যক্তি একে একে সাতটি শিয়াল ধরে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে নৈতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পরে এই মৃত শিয়ালের মাংস রান্না করার আরও বেশকিছু ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এবং এনিয়ে মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতে লেখালেখির পাশাপাশি শিয়ালের মাংস রুটি দিয়ে খাবার বিষয়টি আলোচনায় নিয়ে আসা হয়। এতে পশুপ্রেমিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি ওঠে।
অবশ্য এর মধ্যেই শিয়ালকাণ্ডে জড়িতদের ‘শিয়াল খেকো’সহ রাক্ষুস উপাধি দেওয়া হয়! পাশাপাশি নাগরিক সমাজের ভেতর থেকে গ্রেপ্তারপরবর্তী আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি আলো বিষয়টি আলোচনায় প্রাধন্য পায়।
ধারনা করা হচ্ছে, পশুপ্রেমি ও নাগরিক সমাজের দাবির প্রেক্ষাপটে শিয়ালকাণ্ডে ৮ দিন পরে ১২ জুলাই রাষ্ট্রের তরফ থেকে আইন ব্যবস্থা নেওয়া। বন বিভাগের কর্মকর্তা বাদী হয়ে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর আওতায় মামলাটি করেন।
বরিশাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, স্থানীয় লোকজন শিয়ালগুলোকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছেন। অমানবিক এই ঘটনা সংবাদপত্রে শিরোনাম হয়, এছাড়া ফেসবুকেও এনিয়ে নেতিবাচক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। সংবাদপত্র বা ফেসবুকে শিয়ালগুলোর মাংস রান্না করে রুটি দিয়ে খাওয়া হয়েছে বলে প্রচার করেছে, তবে এই তথ্য কতদূর সত্য তা আরও তদন্তের আগে বলা সম্ভবপর নয়।
শিয়ালগুলো মাংস রান্না করে খাওয়া হয়েছে কী না- এই বিষয়টি জানতে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করা হলে ভিন্নভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, রান্না করে রুটি দিয়ে খেয়েছেন, আবার কেউ বলছেন, মেরে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। এবং এই ঘটনায় বিতর্ক শুরু হলে ওই চার ব্যক্তিসহ কজন লোকলজ্জায় অন্তরালে থাকেন। রোববার বিকেলে মামলা হওয়ার খবর এলাকায় পৌছানোর আগেই তাদের দেখা যাচ্ছে না।
রোববার সন্ধ্যায় বরিশাল আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, শিয়ালকাণ্ডে বন বিভাগের নালিশি করেছে, তা মামলা হিসেবে বিচারক গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট কোর্টে প্রেরণ করেছেন। পরবর্তী কার্যদিবসে সেই আদালত থেকে বিবাদীদের বিরুদ্ধে আদেশ হতে পারে।’
বরিশালে শিয়াল পিটিয়ে হত্যা এবং মাংস রান্না করে রুটি দিয়ে খাওয়ার ভাইরাল ঘটনায় একটি মামলা হয়েছে। রোববার বরিশাল সদর রেঞ্জ কর্মকর্তা আরিফুর রহমান বাদী হয়ে চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলাটি করেন। আলোচিত এই শিয়ালকাণ্ডের মামলায় শহরের ২৬ নং ওয়ার্ডের চার বাসিন্দা নুরুল ইসলাম (৩৩), মোহাম্মদ হারিস (৩৬), কামাল খলিফা (৩২) এবং মোহাম্মদ জামাল খলিফাকে (৩২) অভিযুক্ত করা হয়। আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে সংশ্লিষ্ট কোর্টে প্রেরণ করেছেন বলে জানা গেছে।
প্রসঙ্গত উল্লেখ, গত ২ জুলাই ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের ময়দানখোলা এলাকায় উল্লেখিত ব্যক্তি একে একে সাতটি শিয়াল ধরে পিটিয়ে হত্যা করেন। পরে ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে নেটিজেনদের মধ্যে নৈতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়। পরে এই মৃত শিয়ালের মাংস রান্না করার আরও বেশকিছু ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এবং এনিয়ে মূলধারার গণমাধ্যমগুলোতে লেখালেখির পাশাপাশি শিয়ালের মাংস রুটি দিয়ে খাবার বিষয়টি আলোচনায় নিয়ে আসা হয়। এতে পশুপ্রেমিদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয় এবং জড়িতদের আইনের আওতায় নিয়ে আসার দাবি ওঠে।
অবশ্য এর মধ্যেই শিয়ালকাণ্ডে জড়িতদের ‘শিয়াল খেকো’সহ রাক্ষুস উপাধি দেওয়া হয়! পাশাপাশি নাগরিক সমাজের ভেতর থেকে গ্রেপ্তারপরবর্তী আইনের আওতায় নিয়ে আসার বিষয়টি আলো বিষয়টি আলোচনায় প্রাধন্য পায়।
ধারনা করা হচ্ছে, পশুপ্রেমি ও নাগরিক সমাজের দাবির প্রেক্ষাপটে শিয়ালকাণ্ডে ৮ দিন পরে ১২ জুলাই রাষ্ট্রের তরফ থেকে আইন ব্যবস্থা নেওয়া। বন বিভাগের কর্মকর্তা বাদী হয়ে বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইন, ২০১২-এর আওতায় মামলাটি করেন।
বরিশাল বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম রূপালী বাংলাদেশকে জানান, স্থানীয় লোকজন শিয়ালগুলোকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে হত্যা করেছেন। অমানবিক এই ঘটনা সংবাদপত্রে শিরোনাম হয়, এছাড়া ফেসবুকেও এনিয়ে নেতিবাচক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়া তৈরি করে। সংবাদপত্র বা ফেসবুকে শিয়ালগুলোর মাংস রান্না করে রুটি দিয়ে খাওয়া হয়েছে বলে প্রচার করেছে, তবে এই তথ্য কতদূর সত্য তা আরও তদন্তের আগে বলা সম্ভবপর নয়।
শিয়ালগুলো মাংস রান্না করে খাওয়া হয়েছে কী না- এই বিষয়টি জানতে স্থানীয় বিভিন্ন ব্যক্তির সাথে যোগাযোগ করা হলে ভিন্নভিন্ন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, রান্না করে রুটি দিয়ে খেয়েছেন, আবার কেউ বলছেন, মেরে মাটিচাপা দেওয়া হয়েছে। এবং এই ঘটনায় বিতর্ক শুরু হলে ওই চার ব্যক্তিসহ কজন লোকলজ্জায় অন্তরালে থাকেন। রোববার বিকেলে মামলা হওয়ার খবর এলাকায় পৌছানোর আগেই তাদের দেখা যাচ্ছে না।
রোববার সন্ধ্যায় বরিশাল আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম বরিশালটাইমসকে জানান, শিয়ালকাণ্ডে বন বিভাগের নালিশি করেছে, তা মামলা হিসেবে বিচারক গ্রহণ করে সংশ্লিষ্ট কোর্টে প্রেরণ করেছেন। পরবর্তী কার্যদিবসে সেই আদালত থেকে বিবাদীদের বিরুদ্ধে আদেশ হতে পারে।’
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’
ভারতের মহারাষ্ট্রে সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে কুসংস্কার চর্চা এবং গৃহনির্যাতনের মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। সাবেক এই এমপির পুত্রবধূ গিরিজা রাউত অভিযোগ করেছেন, তাকে জোর করে গোমূত্র পান করানো, তান্ত্রিক আচার পালনে বাধ্য করা এবং দীর্ঘদিন ধরে মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে।
ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, থানে জেলার এই ঘটনায় পুলিশ সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত, তার স্ত্রী, ছেলে ও স্থানীয় কাউন্সিলর গীতেশ রাউতের বিরুদ্ধে মহারাষ্ট্রের কুসংস্কারবিরোধী আইনে মামলা করেছে। মামলার এজাহারে ফিরোজ ও কাজি নামের কথিত দুই তান্ত্রিকের নামও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
গিরিজা রাউতের অভিযোগ, বিয়ের পর গত সাত বছর ধরে তিনি শ্বশুরবাড়িতে নিয়মিত মানসিক, সামাজিক ও আবেগগত নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তার দাবি, স্বামীর কথিত বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার সমাধানের নামে তাকে বারবার তান্ত্রিকদের কাছে নিয়ে যাওয়া হতো। একপর্যায়ে সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত ও তার পরিবারের সদস্যরা মিলে তাঁকে জোরপূর্বক গোমূত্র পান করান এবং কুসংস্কারমূলক আচার পালনের অংশ হিসেবে মাথা থেকে চুলও ছিঁড়ে নেন।
সাংবাদিকদের কাছে গিরিজা বলেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের বিরুদ্ধে এতদিন অভিযোগ করার সাহস পাননি। পরিবারের প্রধান হওয়া সত্ত্বেও শ্বশুর বিনায়ক রাউত কখনো তার পক্ষে অবস্থান নেননি, বরং এই কুসংস্কার চর্চায় সরাসরি যুক্ত ছিলেন। গিরিজা আরও দাবি করেন, বিয়ের পর উটির হানিমুনে গেলেও তার স্বামী শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলেন। বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাঁকে অপমান ও দূরে সরিয়ে দেওয়া হতো। এমনকি স্বামী তাকে বলেছিলেন, ভারতের বাইরে কোনো দেশে গেলেই কেবল তাদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক সম্ভব।
এ ছাড়া পারিবারিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রকাশ্যে অপমান, নিয়মিত মানসিক চাপ সৃষ্টি এবং মারধরের অভিযোগও করেছেন গিরিজা। তার ভাষ্য, ২০১৮ সালে অস্ট্রেলিয়া সফরেও তিনি একই ধরনের আচরণের শিকার হন। সে সময় তান্ত্রিকদের বরাত দিয়ে তাঁকে বলা হয়েছিল, তাঁদের মধ্যে শারীরিক সম্পর্ক হলে তাঁর স্বামীর মৃত্যু হবে।
পুত্রবধূর অভিযোগে শুধু স্বামী নন, শ্বশুর বিনায়ক রাউতসহ শ্বশুরবাড়ির অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধেও মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন, অশালীন আচরণ এবং গৃহ-নির্যাতনের সুনির্দিষ্ট অভিযোগ আনা হয়েছে। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ মামলা দায়ের করে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু করেছে। তবে এই গুরুতর অভিযোগের বিষয়ে এখন পর্যন্ত সাবেক এমপি বিনায়ক রাউত বা তার পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।’
সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন ‘রাইট টক বাংলাদেশ’-এর বরিশাল বিভাগীয় টিমের আংশিক কমিটি অনুমোদন করেছে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় কমিটি। অনুমোদিত কমিটিতে বরিশাল পোস্ট এর সম্পাদক ও তরুণ সংগঠক মজিবর রহমান নাহিদকে সভাপতি এবং রুমান হাওলাদারকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে।
১১ জুলাই ২০২৬ তারিখে সংগঠনটির প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি আল আমিন এম তাওহীদ এবং সাধারণ সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার মো. আরিফুল হক স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সবাই মিলে বাংলা সাজাই’ স্লোগানকে ধারণ করে রাইট টক বাংলাদেশ সমাজে দক্ষ নাগরিক গড়ে তোলা, মানবিক মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনের প্রতিটি সদস্য একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে মানবতার সেবায় কাজ করবেন এবং একটি সুন্দর সমাজ গঠনে ভূমিকা রাখবেন।
নব-নির্বাচিত সভাপতি মজিবর রহমান নাহিদ বলেন, “রাইট টক বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানাই। আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব সততা, নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সঙ্গে পালন করার চেষ্টা করব। বরিশালে মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কার্যক্রম আরও বেগবান করতে সকল সদস্যকে সঙ্গে নিয়ে কাজ করব। সবার সহযোগিতা ও দোয়া কামনা করছি।
রাইট টক বাংলাদেশ বাংলাদেশের একটি সরকারি নিবন্ধনপ্রাপ্ত স্বেচ্ছাসেবী সামাজিক সংগঠন। ‘সবাই মিলে বাংলা সাজাই’ স্লোগানকে ধারণ করে ২০১৯ সালের ৫ ডিসেম্বর সংগঠনটির যাত্রা শুরু হয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে সংগঠনটি মানবিক, সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।’
প্রেস বিজ্ঞপ্তি