
২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:৩৩
প্রায় দেড় মাস ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নালিতাবাড়ী উপজেলা মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের স্থানীয় মুসল্লিরা।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনস্থ মডেল মসজিদটি গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের উত্তর রানীগাঁও এলাকায় ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। একই বছরের ১৭ এপ্রিল এটি উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনের পর থেকেই মডেল মসজিদ কাম সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় দেড় মাস আগে বিপিডিবি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
এরপর থেকে দেড় মাস ধরে মোমবাতি জ্বালিয়ে নামাজ আদায় করছিলেন স্থানীয় মুসল্লিরা। মসজিদটির খতিব ও ইমাম মুফতি তৈয়ব আলী আকন্দ জানান, দুদিন আগে এলাকার লোকজনের উদ্যোগে একটি প্রিপেইড মিটার সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি বরাদ্দ না থাকায় বিদ্যুৎ বিভাগ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। দেড় মাস ধরে আমরা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছি। পরে দুদিন আগে স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে দু-একটি বাতি জ্বালানো ও অজুর পানির সামান্য ব্যবস্থা করার জন্য প্রিপেইড মিটার সংযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ইউএনও ও উপপরিচালক অবগত আছেন বলেও তিনি জানান। তিনি নতুন সরকারের কাছে দাবি জানান, যেন দ্রুত বিষয়টির স্থায়ী সমাধান করা হয়।
ওই এলাকার এক মুসল্লি বলেন, আমাদের মডেল মসজিদে প্রায় দুই মাস ধরে কোনো বিদ্যুৎ নেই। আমরা মোম জ্বালিয়ে নামাজ পড়ি। পানি না থাকায় অজু করতে কষ্ট হয়। সরকার যেন পুনরায় লাইন সংযোগ দেয়, যাতে আমরা ঠিকভাবে নামাজ পড়তে পারি।
আরেক মুসল্লি নাজমুল আহসান কবির বলেন, সরকার যেন দ্রুত পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। রমজান মাসে আমাদের নামাজ পড়তে খুবই সমস্যা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড নালিতাবাড়ীর আবাসিক প্রকৌশলী আব্দুল মোমেন বলেন, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা বিল বকেয়া থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তবে ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশে একটি প্রিপেইড মিটার সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক এসএম মোহাইমিনুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ১০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল সরকার পরিশোধ করার কথা।
বাকি বিল স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে সংগ্রহ করে পরিশোধ করার কথা রয়েছে। কিন্তু কিছু মসজিদ জনবহুল এলাকায় না হওয়ায় এমন সমস্যা হয়েছে। তিনি জানান, পবিত্র রমজান পর্যন্ত সংযোগ চালু রাখতে কিছু টাকা জোগাড় করে বিপিডিবিকে অনুরোধ করেছিলেন। বর্তমানে তার জানা মতে সংযোগ বিচ্ছিন্নই রয়েছে।
প্রায় দেড় মাস ধরে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন নালিতাবাড়ী উপজেলা মডেল মসজিদ ও সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের স্থানীয় মুসল্লিরা।
ধর্মবিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ইসলামিক ফাউন্ডেশনের অধীনস্থ মডেল মসজিদটি গণপূর্ত বিভাগের মাধ্যমে উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নের উত্তর রানীগাঁও এলাকায় ২০২৩ সালে নির্মাণকাজ শেষ হয়। একই বছরের ১৭ এপ্রিল এটি উদ্বোধন করা হয়।
উদ্বোধনের পর থেকেই মডেল মসজিদ কাম সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয় বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড। কিন্তু প্রায় সাড়ে ৮ লাখ টাকার বকেয়া বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ না করায় দেড় মাস আগে বিপিডিবি সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
এরপর থেকে দেড় মাস ধরে মোমবাতি জ্বালিয়ে নামাজ আদায় করছিলেন স্থানীয় মুসল্লিরা। মসজিদটির খতিব ও ইমাম মুফতি তৈয়ব আলী আকন্দ জানান, দুদিন আগে এলাকার লোকজনের উদ্যোগে একটি প্রিপেইড মিটার সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি বরাদ্দ না থাকায় বিদ্যুৎ বিভাগ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। দেড় মাস ধরে আমরা বিদ্যুৎহীন অবস্থায় আছি। পরে দুদিন আগে স্থানীয় যুবসমাজের উদ্যোগে দু-একটি বাতি জ্বালানো ও অজুর পানির সামান্য ব্যবস্থা করার জন্য প্রিপেইড মিটার সংযোগ দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি ইউএনও ও উপপরিচালক অবগত আছেন বলেও তিনি জানান। তিনি নতুন সরকারের কাছে দাবি জানান, যেন দ্রুত বিষয়টির স্থায়ী সমাধান করা হয়।
ওই এলাকার এক মুসল্লি বলেন, আমাদের মডেল মসজিদে প্রায় দুই মাস ধরে কোনো বিদ্যুৎ নেই। আমরা মোম জ্বালিয়ে নামাজ পড়ি। পানি না থাকায় অজু করতে কষ্ট হয়। সরকার যেন পুনরায় লাইন সংযোগ দেয়, যাতে আমরা ঠিকভাবে নামাজ পড়তে পারি।
আরেক মুসল্লি নাজমুল আহসান কবির বলেন, সরকার যেন দ্রুত পুনরায় বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়। রমজান মাসে আমাদের নামাজ পড়তে খুবই সমস্যা হচ্ছে।
এ বিষয়ে বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড নালিতাবাড়ীর আবাসিক প্রকৌশলী আব্দুল মোমেন বলেন, ৮ লাখ ২৮ হাজার টাকা বিল বকেয়া থাকায় সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। তবে ইউএনও মহোদয়ের নির্দেশে একটি প্রিপেইড মিটার সংযোগ দেওয়া হয়েছে।
ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উপপরিচালক এসএম মোহাইমিনুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, ১০০ ইউনিট পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিল সরকার পরিশোধ করার কথা।
বাকি বিল স্থানীয় কমিটির মাধ্যমে সংগ্রহ করে পরিশোধ করার কথা রয়েছে। কিন্তু কিছু মসজিদ জনবহুল এলাকায় না হওয়ায় এমন সমস্যা হয়েছে। তিনি জানান, পবিত্র রমজান পর্যন্ত সংযোগ চালু রাখতে কিছু টাকা জোগাড় করে বিপিডিবিকে অনুরোধ করেছিলেন। বর্তমানে তার জানা মতে সংযোগ বিচ্ছিন্নই রয়েছে।

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:৪১
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিকাশ এজেন্টের এক কর্মীকে পিস্তল ঠেকিয়ে ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর উপজেলার মদনপুর-মদনগঞ্জ মহাসড়কের লক্ষণখোলা পাতাকাটা স্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার বিকাশ এজেন্ট রনি (৩৪) বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে।
ছিনতাইয়ের শিকার এজেন্ট কর্মী জানান, চলতি পথে দুই ব্যক্তি হঠাৎ এসে তাকে ধরে ফেলে। একজন সামনে থেকে গলায় চেপে ধরে এবং অপরজন পেছন থেকে জাপটে ধরে। এ সময় সামনে থাকা ব্যক্তি পিস্তল ঠেকিয়ে দ্রুত সঙ্গে থাকা সবকিছু দিতে বলে। পরে তার ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় তারা।
এ সময় পেছন দিক থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে আরেকজন এসে দাঁড়ালে দুজনই তাতে উঠে পালানোর চেষ্টা করে। তিনি চিৎকার করলে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থেকেই তার দিকে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এরপর তার কাছে থাকা নগদ ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১৭

২২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৪:২২
কক্সবাজারের রামুতে হাতকড়া পরা অবস্থায় মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই নেতা। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) পানেরছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এই দৃশ্য দেখা যায়।
প্যারোলে মুক্তি পাওয়া দুই সহোদর হলেন রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামের ফরিদুল আলম ও মো. ইসমাইল। তারা দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে রাজনৈতিক মামলায় কক্সবাজার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাদের মা মোস্তফা বেগম (৮০) গত শুক্রবার বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে দুই ভাই প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর শনিবার সকালে তারা কারাগার থেকে পানেরছড়া গ্রামে পৌঁছান এবং বাদ জোহর জানাজায় অংশ নেন।
জানাজা শুরুর আগে দুই ভাই হাতকড়া পরা অবস্থায় অঝোরে কাঁদতে থাকেন। এ সময় তারা উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন, তারা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন এবং কখনো কারো ক্ষতি করেননি। কারাবন্দি থাকার কারণে জীবিত অবস্থায় মায়ের শেষ সেবা করতে না পারায় তারা আক্ষেপ প্রকাশ করেন। এ ছাড়া তাদের অসুস্থ বাবা নূর আহমদের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।
স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তাদের আটক করা হয়েছিল। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর দক্ষিণ মিঠাছড়ির একটি এবং পরে মাহিন চৌধুরী হত্যাচেষ্টা মামলায় তাদের পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে তারা ওই মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, নিকটাত্মীয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাদের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।
জানাজা শেষে বিকেলেই কড়া পুলিশি পাহারায় তাদের পুনরায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে রামু থানায় একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
নারায়ণগঞ্জের বন্দরে বিকাশ এজেন্টের এক কর্মীকে পিস্তল ঠেকিয়ে ও ফাঁকা গুলি ছুড়ে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে।
রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে বন্দর উপজেলার মদনপুর-মদনগঞ্জ মহাসড়কের লক্ষণখোলা পাতাকাটা স্ট্যান্ড এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। ছিনতাইয়ের শিকার বিকাশ এজেন্ট রনি (৩৪) বন্দরের নবীগঞ্জ এলাকার মৃত রমজান আলীর ছেলে।
ছিনতাইয়ের শিকার এজেন্ট কর্মী জানান, চলতি পথে দুই ব্যক্তি হঠাৎ এসে তাকে ধরে ফেলে। একজন সামনে থেকে গলায় চেপে ধরে এবং অপরজন পেছন থেকে জাপটে ধরে। এ সময় সামনে থাকা ব্যক্তি পিস্তল ঠেকিয়ে দ্রুত সঙ্গে থাকা সবকিছু দিতে বলে। পরে তার ব্যাগ ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয় তারা।
এ সময় পেছন দিক থেকে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে আরেকজন এসে দাঁড়ালে দুজনই তাতে উঠে পালানোর চেষ্টা করে। তিনি চিৎকার করলে দুর্বৃত্তরা মোটরসাইকেল থেকেই তার দিকে ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এরপর তার কাছে থাকা নগদ ২ লাখ ৯৯ হাজার টাকা নিয়ে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
বন্দর থানার ওসি গোলাম মোক্তার আশরাফ উদ্দিন বলেন, আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ দেখে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত ও আটকের চেষ্টা চলছে। পাশাপাশি পুলিশি টহল জোরদার করা হয়েছে।
সিরাজগঞ্জে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিতদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফজরের নামাজ মসজিদের বাইরে পড়তে হয়েছে মুসল্লিদের। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের পেচিবাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার ভোরে সেহরি শেষে ফজরের নামাজ পড়তে মুসুল্লিরা মসজিদে যান। এ সময় মসজিদের প্রধান ফটকে তালাবদ্ধ দেখতে পান তারা। বাধ্য হয়ে মসজিদের বাইরেই নামাজ পড়েন মুসুল্লিরা। দুপুরের দিকে সদর থানা পুলিশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মসজিদ কমিটির উপস্থিতিতে তালা ভেঙে মুসল্লিদের নামাজের ব্যবস্থা করে দেয়।
বাগবাটি ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোকাদ্দেস অভিযোগ করে আলী বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ চলে যাওয়ার পর এককভাবে জামায়াতের লোকজন মসজিদ কমিটি করে।
তখন আব্দুল হাই নামে জামায়াত সমর্থিত একজন ইমামকে রাখা হয়। তার কেরাত অনেকের কাছেই পছন্দ হয় না। ১২ ফেব্রুয়ারির পরে গ্রামের বেশিরভাগ লোকজন আমাদের কাছে এসে ওই ইমামকে বদলানোর কথা বলে। গ্রামের লোকজন সিদ্ধান্তে জানায়, ওয়াক্তের নামাজ ওই ইমাম পড়াবেন। তবে তারাবির নামাজটা অন্য ইমাম দিয়ে পড়াব।
বিষয়টি নিয়ে বসার জন্য মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম মাস্টারকে বলা হয়। সভাপতি মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি এ বিষয়ে নিয়ে বসতে রাজি হননি।
প্রথম তারাবির আগের দিন সভাপতি বলেন, তারা তো আমাকে মানে না। এটা নিয়ে তারা বসতে চায় না, ওই ইমামকেই তারা রাখতে চায়। তখন গ্রামের লোকজন বলল- তার যখন বসবে না, আমরা একটা ইমাম নিয়ে তাকে দিয়ে তারাবি নামাজ পড়াব।
যথারীতি তারা নতুন একজন ইমাম নিয়ে মসজিদে গেলে সেখানে সভাপতির উপস্থিতিতে আলোচনার একপর্যায়ে যুবদল নেতা লিটনকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দেয় জামায়াতের লোকজন।
এ ঘটনায় বাইরে এসে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষ বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত হলেও পরবর্তীতে বসার স্থান নিয়ে জামায়াতের লোকজনের আপত্তির কারণে আর বসা হয়নি।
এরপর যে ইমাম দায়িত্বে ছিল সে আর নামাজ পড়ায় না, মসজিদ কমিটির লোকজনও সেখানে নামাজ পড়ে না। পরে শনিবার রাতে আমরা গ্রামের লোকজনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একজন ইমাম মাগরিব ও এশার নামাজ পড়েছি। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়তে এসে দেখি মসজিদে তালা মারা। এ তালা জামায়াতের লোকজনই মেরেছে বলে দাবি করেন তিনি।
মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি ও জামায়াত সমর্থক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ইমাম আব্দুল হাইয়ের নামাজ পড়ানো নাকি ভালো হয় না, এই জন্য তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
আমাদের গ্রামে জামায়াতের কোনো নেতা নেই। আমি নিজেও জামায়াতের কোনো পদে নেই। তবে আমরা সমর্থক। মসজিদে কে তালা দিয়েছে সেটা বলতে পারব না।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাগবাটি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টাকে দলীয় ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা আসলে গ্রামের আভ্যন্তরীণ বিষয়। কোনো দলীয় দ্বন্দ্ব নয়। মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা নিন্দনীয়। আমি আছি ও স্থানীয় বিএনপি নেতা আছেন- আমরা বসে বিষয়টি মীমাংসা করব।
সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক শফিকুর রহমান জানান, সকালে ফজরের নামাজ পড়তে এসে মুসুল্লিরা মসজিদে তালা দেখতে পান। পরে তারা থানাকে অবগত করলে আমরা ঘটনাস্থলে যাই।
আমরা উপস্থিত জনতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। কে বা কারা তালা দিয়েছে সে বিষয়ে কেউ বলতে পারে না। পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লোকজন ও মসজিদ কমিটির লোকের সহযোগিতায় তালা খুলে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। পরবর্তীতে সঠিক তথ্য পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
সিরাজগঞ্জে ইমাম নিয়োগকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থিতদের মধ্যে দ্বন্দ্বের জেরে মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এতে ফজরের নামাজ মসজিদের বাইরে পড়তে হয়েছে মুসল্লিদের। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার বাগবাটি ইউনিয়নের পেচিবাড়ি জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার ভোরে সেহরি শেষে ফজরের নামাজ পড়তে মুসুল্লিরা মসজিদে যান। এ সময় মসজিদের প্রধান ফটকে তালাবদ্ধ দেখতে পান তারা। বাধ্য হয়ে মসজিদের বাইরেই নামাজ পড়েন মুসুল্লিরা। দুপুরের দিকে সদর থানা পুলিশ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মসজিদ কমিটির উপস্থিতিতে তালা ভেঙে মুসল্লিদের নামাজের ব্যবস্থা করে দেয়।
বাগবাটি ইউনিয়ন কৃষকদলের সাংগঠনিক সম্পাদক গোলাম মোস্তফা ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য মোকাদ্দেস অভিযোগ করে আলী বলেন, ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ চলে যাওয়ার পর এককভাবে জামায়াতের লোকজন মসজিদ কমিটি করে।
তখন আব্দুল হাই নামে জামায়াত সমর্থিত একজন ইমামকে রাখা হয়। তার কেরাত অনেকের কাছেই পছন্দ হয় না। ১২ ফেব্রুয়ারির পরে গ্রামের বেশিরভাগ লোকজন আমাদের কাছে এসে ওই ইমামকে বদলানোর কথা বলে। গ্রামের লোকজন সিদ্ধান্তে জানায়, ওয়াক্তের নামাজ ওই ইমাম পড়াবেন। তবে তারাবির নামাজটা অন্য ইমাম দিয়ে পড়াব।
বিষয়টি নিয়ে বসার জন্য মসজিদ কমিটির সভাপতি আবুল কালাম মাস্টারকে বলা হয়। সভাপতি মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা বললে তিনি এ বিষয়ে নিয়ে বসতে রাজি হননি।
প্রথম তারাবির আগের দিন সভাপতি বলেন, তারা তো আমাকে মানে না। এটা নিয়ে তারা বসতে চায় না, ওই ইমামকেই তারা রাখতে চায়। তখন গ্রামের লোকজন বলল- তার যখন বসবে না, আমরা একটা ইমাম নিয়ে তাকে দিয়ে তারাবি নামাজ পড়াব।
যথারীতি তারা নতুন একজন ইমাম নিয়ে মসজিদে গেলে সেখানে সভাপতির উপস্থিতিতে আলোচনার একপর্যায়ে যুবদল নেতা লিটনকে ধাক্কা দিয়ে বাইরে বের করে দেয় জামায়াতের লোকজন।
এ ঘটনায় বাইরে এসে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। এ নিয়ে উভয়পক্ষ বৈঠকে বসার সিদ্ধান্ত হলেও পরবর্তীতে বসার স্থান নিয়ে জামায়াতের লোকজনের আপত্তির কারণে আর বসা হয়নি।
এরপর যে ইমাম দায়িত্বে ছিল সে আর নামাজ পড়ায় না, মসজিদ কমিটির লোকজনও সেখানে নামাজ পড়ে না। পরে শনিবার রাতে আমরা গ্রামের লোকজনের সিদ্ধান্ত মোতাবেক একজন ইমাম মাগরিব ও এশার নামাজ পড়েছি। আজ সকালে ফজরের নামাজ পড়তে এসে দেখি মসজিদে তালা মারা। এ তালা জামায়াতের লোকজনই মেরেছে বলে দাবি করেন তিনি।
মসজিদ কমিটির সেক্রেটারি ও জামায়াত সমর্থক মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ইমাম আব্দুল হাইয়ের নামাজ পড়ানো নাকি ভালো হয় না, এই জন্য তাকে বাদ দেওয়া হয়েছে।
আমাদের গ্রামে জামায়াতের কোনো নেতা নেই। আমি নিজেও জামায়াতের কোনো পদে নেই। তবে আমরা সমর্থক। মসজিদে কে তালা দিয়েছে সেটা বলতে পারব না।
এ বিষয়ে স্থানীয় বাগবাটি ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মো. ছানোয়ার হোসেন বলেন, বিষয়টাকে দলীয় ট্যাগ দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। এটা আসলে গ্রামের আভ্যন্তরীণ বিষয়। কোনো দলীয় দ্বন্দ্ব নয়। মসজিদে তালা দেওয়ার ঘটনা নিন্দনীয়। আমি আছি ও স্থানীয় বিএনপি নেতা আছেন- আমরা বসে বিষয়টি মীমাংসা করব।
সদর থানার সহকারী উপপরিদর্শক শফিকুর রহমান জানান, সকালে ফজরের নামাজ পড়তে এসে মুসুল্লিরা মসজিদে তালা দেখতে পান। পরে তারা থানাকে অবগত করলে আমরা ঘটনাস্থলে যাই।
আমরা উপস্থিত জনতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। কে বা কারা তালা দিয়েছে সে বিষয়ে কেউ বলতে পারে না। পরে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের লোকজন ও মসজিদ কমিটির লোকের সহযোগিতায় তালা খুলে নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করে দিয়েছি। পরবর্তীতে সঠিক তথ্য পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
কক্সবাজারের রামুতে হাতকড়া পরা অবস্থায় মায়ের জানাজায় অংশ নিয়েছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগের দুই নেতা। শনিবার (২১ ফেব্রুয়ারি) পানেরছড়া কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ প্রাঙ্গণে এই দৃশ্য দেখা যায়।
প্যারোলে মুক্তি পাওয়া দুই সহোদর হলেন রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়নের পানেরছড়া গ্রামের ফরিদুল আলম ও মো. ইসমাইল। তারা দীর্ঘ আড়াই মাস ধরে রাজনৈতিক মামলায় কক্সবাজার কেন্দ্রীয় কারাগারে বন্দি ছিলেন।
পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, তাদের মা মোস্তফা বেগম (৮০) গত শুক্রবার বার্ধক্যজনিত কারণে মৃত্যুবরণ করেন। মায়ের মৃত্যুর সংবাদ পেয়ে দুই ভাই প্যারোলে মুক্তির আবেদন করেন। আবেদন মঞ্জুর হওয়ার পর শনিবার সকালে তারা কারাগার থেকে পানেরছড়া গ্রামে পৌঁছান এবং বাদ জোহর জানাজায় অংশ নেন।
জানাজা শুরুর আগে দুই ভাই হাতকড়া পরা অবস্থায় অঝোরে কাঁদতে থাকেন। এ সময় তারা উপস্থিত মুসল্লিদের উদ্দেশে বলেন, তারা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের শিকার হয়েছেন এবং কখনো কারো ক্ষতি করেননি। কারাবন্দি থাকার কারণে জীবিত অবস্থায় মায়ের শেষ সেবা করতে না পারায় তারা আক্ষেপ প্রকাশ করেন। এ ছাড়া তাদের অসুস্থ বাবা নূর আহমদের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চান।
স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, প্রথমে খুনিয়াপালং ইউনিয়নের একটি মামলায় তাদের আটক করা হয়েছিল। সেই মামলায় জামিন পাওয়ার পর দক্ষিণ মিঠাছড়ির একটি এবং পরে মাহিন চৌধুরী হত্যাচেষ্টা মামলায় তাদের পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। বর্তমানে তারা ওই মামলায় কারাগারে রয়েছেন।
রামু থানার ওসি মনিরুল ইসলাম ভূঁইয়া জানান, নিকটাত্মীয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আইনি প্রক্রিয়া শেষে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য তাদের প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল।
জানাজা শেষে বিকেলেই কড়া পুলিশি পাহারায় তাদের পুনরায় জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে। দুই ভাইয়ের বিরুদ্ধে রামু থানায় একাধিক মামলা বিচারাধীন রয়েছে বলে জানান তিনি।