Loading news...

২২ মে, ২০২৬ ১৮:৪২
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও দেরিতে অফিসে আসার দায়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ও বিআইডব্লিউটিসির ১৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তাৎক্ষণিকভাবে স্ট্যান্ড রিলিজ ও বদলি করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান কর্তৃক বরিশাল ও ঢাকার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আকস্মিক পরিদর্শনের পর এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শুক্রবার (২২ মে) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অনুপস্থিতি ও দেরিতে অফিসে আসার অভিযোগে তাদের তাৎক্ষণিক বদলি (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি সম্প্রতি বরিশাল ও ঢাকায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যালয় আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। এ ছাড়া অনেককে নির্ধারিত অফিস সময়ের পর কর্মস্থলে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করে দায়িত্বে অবহেলা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশাল কার্যালয়ের ড্রেজিং বিভাগ থেকে ৯ জন, নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগ থেকে ২ জন, বন্দর ও পরিবহন বিভাগ থেকে ১ জন এবং হিসাব বিভাগ থেকে ১ জনসহ মোট ১৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়।
এ ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরও ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তাৎক্ষণিক বদলি করেছে।নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে সরকারি দপ্তরে শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।
কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিতি ও দেরিতে অফিসে আসার দায়ে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষের (বিআইডব্লিউটিএ) ও বিআইডব্লিউটিসির ১৬ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তাৎক্ষণিকভাবে স্ট্যান্ড রিলিজ ও বদলি করা হয়েছে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান কর্তৃক বরিশাল ও ঢাকার বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে আকস্মিক পরিদর্শনের পর এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়।
শুক্রবার (২২ মে) নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। অনুপস্থিতি ও দেরিতে অফিসে আসার অভিযোগে তাদের তাৎক্ষণিক বদলি (স্ট্যান্ড রিলিজ) করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ আছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নৌপরিবহন ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান এমপি সম্প্রতি বরিশাল ও ঢাকায় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার কার্যালয় আকস্মিকভাবে পরিদর্শন করেন। পরিদর্শনের সময় কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে পূর্বানুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত পাওয়া যায়। এ ছাড়া অনেককে নির্ধারিত অফিস সময়ের পর কর্মস্থলে উপস্থিত হতে দেখা যায়।
এ ঘটনায় প্রতিমন্ত্রী অসন্তোষ প্রকাশ করে দায়িত্বে অবহেলা ও শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন। প্রতিমন্ত্রীর নির্দেশনার পর বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ) বরিশাল কার্যালয়ের ড্রেজিং বিভাগ থেকে ৯ জন, নৌ সংরক্ষণ ও পরিচালন বিভাগ থেকে ২ জন, বন্দর ও পরিবহন বিভাগ থেকে ১ জন এবং হিসাব বিভাগ থেকে ১ জনসহ মোট ১৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে স্ট্যান্ড রিলিজ করা হয়।
এ ছাড়া বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন করপোরেশন (বিআইডব্লিউটিসি) আরও ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে তাৎক্ষণিক বদলি করেছে।নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট সব কর্মকর্তা-কর্মচারীকে নির্ধারিত সময়ে অফিসে উপস্থিত থেকে নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে সরকারি দপ্তরে শৃঙ্খলা, জবাবদিহিতা ও সেবার মান নিশ্চিত করতে ভবিষ্যতেও এ ধরনের আকস্মিক পরিদর্শন অব্যাহত থাকবে বলেও জানান তিনি।

২২ মে, ২০২৬ ১৯:২৮
বরিশালের উজিরপুরে মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে জেলা গোয়েন্দাপুলিশের একটি টিম। স্থানীয় লঞ্চঘাট এলাকার এই হামলায় গোয়েন্দাপুলিশের দুজন কনস্টেবল আহত হয়েছেন। এবং এই ঘটনায় ডিবি পুলিশ মাদকবিক্রেতা আরিফুল ইসলাম ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লঞ্চঘাট এলাকায় মাদকবিক্রেতা আরিফুল ইসলামকে আটকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। একপর্যায়ে গোয়েন্দাপুলিশের উপস্থিতি দেখে ইয়াবার একটি চালান তিনি নদীতে ফেলে দেন। তখন ডিবি পুলিশ বাধা দিতে গেলে সহযোগীদের নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী হামলা করে। এতে দুজন কনস্টেবল আহত হলে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবশ্য এরআগেই মাদকবিক্রেতা আরিফুলসহ তার তিন সঙ্গীকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
বরিশাল জেলা গোয়েন্দাপুলিশের ওসি জানান, মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে তাদের দুজন কনস্টেবল হাতপাতালে ভর্তি আছেন। আরিফুল ইসলাম নামের মাদকবিক্রেতাকে ছিনিয়ে নিতে এসে সহযোগীরা হামলা চালিয়েছে। এবং ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আরিফুল ইয়াবার একটি বড় চালান নদীতে ফেলে দিয়েছেন। এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
উজিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দাপুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি পলাতক অপর অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।’

২২ মে, ২০২৬ ১৮:৫৬
কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ গোপন বৈঠক রুখে দিয়েছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার খুব সকালে শহরের বিএম কলেজসংলগ্ন মধু মিয়ার গলির একটি বহুতল ভবনে হানা দিয়ে পুলিশ সংগঠনটির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের অন্তত ১০ কর্মী-সমর্থককে আটক করলে বৈঠকটি পন্ড হয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, মধু মিয়ার গলির একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় আইটি অফিসে সরকারবিরোধী গোপন তৎপরতা চলছিল। বিশেষ মাধ্যম খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে সেখানে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত অন্তত ১০ জনকে আটক করা হয়। এই বৈঠকের মাধ্যমে সরকার পতনের একটি ষড়যন্ত্র করা হচ্ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এই মামলাটিতে ১০ জন নামধারীসহ সর্বমোট ৬০জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন আমিনুল ইসলাম ইমরান (২৭), মো. রাতুল খান (২০), মো. জাকারিয়া মীর (২২), মো. ইমন ভূইয়া (২১), মো. ইব্রাহিম (২১), মো. রিয়াদ খাঁন (১৯), মো. তানভীর ইসলাম (২০), মো. রায়হান (২১), মো. মোরছালিন (২১) এবং মো. রবিউল ইসলাম (২৬)।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিম জানান, শুক্রবার খুব সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন করে অবহিত করা হয় বিএম কলেজসংলগ্ন রোড মধু মিয়ার গলির ‘বেস্ট লাক’ আইটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের ছেলেপান সরকারবিরোধী বৈঠক করছে। তখন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল জোবায়েরের নেতৃত্বে সেখানে হানা দিয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ছাত্র ও যুবলীগের ১০ কর্মী-সমর্থককে আটক করা হয়।
এই ঘটনায় এসআই ইশতিয়াক আল মামুন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় তাদের ১০ জনকে শুক্রবার বিকেলে আদালতে তোলে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক তাদের প্রত্যেককে কারাগারে পাঠিয়েছেন।’

২১ মে, ২০২৬ ১৮:৩১
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের উজিরপুরে মাদক উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করতে গিয়ে হামলার শিকার হয়েছে জেলা গোয়েন্দাপুলিশের একটি টিম। স্থানীয় লঞ্চঘাট এলাকার এই হামলায় গোয়েন্দাপুলিশের দুজন কনস্টেবল আহত হয়েছেন। এবং এই ঘটনায় ডিবি পুলিশ মাদকবিক্রেতা আরিফুল ইসলাম ও তার তিন সহযোগীকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে।
জেলা গোয়েন্দাপুলিশ জানিয়েছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুক্রবার সকালে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে লঞ্চঘাট এলাকায় মাদকবিক্রেতা আরিফুল ইসলামকে আটকে প্রস্তুতি নেওয়া হয়। একপর্যায়ে গোয়েন্দাপুলিশের উপস্থিতি দেখে ইয়াবার একটি চালান তিনি নদীতে ফেলে দেন। তখন ডিবি পুলিশ বাধা দিতে গেলে সহযোগীদের নিয়ে মাদক ব্যবসায়ী হামলা করে। এতে দুজন কনস্টেবল আহত হলে তাদের উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবশ্য এরআগেই মাদকবিক্রেতা আরিফুলসহ তার তিন সঙ্গীকে আটক করে ডিবি পুলিশ।
বরিশাল জেলা গোয়েন্দাপুলিশের ওসি জানান, মাদক উদ্ধার অভিযানে গিয়ে হামলার শিকার হয়ে তাদের দুজন কনস্টেবল হাতপাতালে ভর্তি আছেন। আরিফুল ইসলাম নামের মাদকবিক্রেতাকে ছিনিয়ে নিতে এসে সহযোগীরা হামলা চালিয়েছে। এবং ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে আরিফুল ইয়াবার একটি বড় চালান নদীতে ফেলে দিয়েছেন। এই ঘটনায় উজিরপুর থানায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
উজিরপুর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রকিবুল ইসলাম জানান, গোয়েন্দাপুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে। পাশাপাশি পলাতক অপর অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।’
কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগ গোপন বৈঠক রুখে দিয়েছে মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশ। শুক্রবার খুব সকালে শহরের বিএম কলেজসংলগ্ন মধু মিয়ার গলির একটি বহুতল ভবনে হানা দিয়ে পুলিশ সংগঠনটির বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের অন্তত ১০ কর্মী-সমর্থককে আটক করলে বৈঠকটি পন্ড হয়ে যায়।
পুলিশ জানিয়েছে, মধু মিয়ার গলির একটি বহুতল ভবনের দ্বিতীয় তলায় আইটি অফিসে সরকারবিরোধী গোপন তৎপরতা চলছিল। বিশেষ মাধ্যম খবর পেয়ে শুক্রবার সকাল সাতটার দিকে সেখানে অভিযান চালিয়ে আওয়ামী লীগ সমর্থিত অন্তত ১০ জনকে আটক করা হয়। এই বৈঠকের মাধ্যমে সরকার পতনের একটি ষড়যন্ত্র করা হচ্ছিল বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।
এই মামলাটিতে ১০ জন নামধারীসহ সর্বমোট ৬০জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। গ্রেপ্তারদের মধ্যে রয়েছেন আমিনুল ইসলাম ইমরান (২৭), মো. রাতুল খান (২০), মো. জাকারিয়া মীর (২২), মো. ইমন ভূইয়া (২১), মো. ইব্রাহিম (২১), মো. রিয়াদ খাঁন (১৯), মো. তানভীর ইসলাম (২০), মো. রায়হান (২১), মো. মোরছালিন (২১) এবং মো. রবিউল ইসলাম (২৬)।
বরিশাল কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) গোলাম মো. নাসিম জানান, শুক্রবার খুব সকালে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বর থেকে ফোন করে অবহিত করা হয় বিএম কলেজসংলগ্ন রোড মধু মিয়ার গলির ‘বেস্ট লাক’ আইটি প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরে কার্যক্রম নিষিদ্ধঘোষিত আওয়ামী লীগের ছেলেপান সরকারবিরোধী বৈঠক করছে। তখন থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) আব্দুল্লাহ আল জোবায়েরের নেতৃত্বে সেখানে হানা দিয়ে আওয়ামী লীগের বিভিন্ন অঙ্গসংগঠন ছাত্র ও যুবলীগের ১০ কর্মী-সমর্থককে আটক করা হয়।
এই ঘটনায় এসআই ইশতিয়াক আল মামুন বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা করেন। সেই মামলায় তাদের ১০ জনকে শুক্রবার বিকেলে আদালতে তোলে পুলিশ। সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক তাদের প্রত্যেককে কারাগারে পাঠিয়েছেন।’
ট্রাক থেকে ১ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। আজ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন এবং ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে কোনরূপ সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
জানা গেছে, ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে মাছের পোনাবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজি, গাড়ি ভাঙচুর এবং চালককে মারধরের অভিযোগ উঠে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় তলব করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এরপরই শাখার সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
‘আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে ভাই। খায় সবাই মিলে কিন্তু নাম হয় শুধু আমার, এ ঘটনার সঙ্গে এলাকার কিছু লোকও জড়িত রয়েছে। আমি দ্রুত সাংবাদিকদের মাধ্যমে মূলহোতাদের নাম সামনে নিয়ে আসব।’—বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মিয়া বাবুল
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মিয়া বাবুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে পোনাবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজি করা হয়। এই চক্রে সহ-সভাপতি মো. মিঠু, সহ-সভাপতি আকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন স্বজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাখাওয়াত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হায়দার মুন্সি, শাহরিয়ারসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী জড়িত। তবে সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ায় তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেয় এবং বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
ভুক্তভোগীরা জানান, গত ১৯ মে ভোর ৪টার দিকে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা রেনু পোনা বহনকারী একটি গাড়ি আটকে চাঁদা আদায় করা হয়। গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলারোড এলাকায় রেখে চালক ও মালিককে তুলে নেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের ভাড়া বাসায়। সেখানে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। এ সময় চালক ও মালিককে মারধরও করা হয়।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কের তালুকদার মার্কেট এলাকায় ইলিশ মাছের গাড়ি আটকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না পেয়ে চালককে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
চিংড়ি পোনার মালিক ও ভুক্তভোগী আফতাফ হোসেন বলেন, ‘আমাদেরকে মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোলারোডের গাড়ি নির্জনে রেখে আমাদের ভোলারোডে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের ঠিক সামনে বরাবর দ্বিতীয় তলায় মিজানের ভাড়া বাসায় নেয়া হয়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে আমাদের থেকে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। আমরা বিষয়টি সুষ্ঠু বিচার চাই, ওরা ছাত্রদল করুক কিন্তু চাঁদাবাজি কেন করবে?’
অভিযোগ রয়েছে, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিকাশে নেওয়া টাকা পরদিন সকাল ৯টার দিকে মিয়া বাবুল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হায়দার মুন্সিসহ চারজন গিয়ে বিভিন্ন দোকান থেকে তুলে নিয়ে আসেন।
ফার্মেসি ও বিকাশ দোকানি লোকমান বলেন, ‘বুধবার সকাল ৯টার দিকে মিয়া বাবুল আমাকে কল দিয়ে বলেন—‘মামা, আপনার নাম্বারে টাকা পাঠাইছি। আমার এক বন্ধু অসুস্থ, টাকাটা জরুরি লাগবে।’ পরবর্তীতে আমি নাম্বার মিলিয়ে তাকে ৪৪ হাজার ৯০০ টাকা ক্যাশ বুঝিয়ে দিই।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ও সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল এই চাঁদাবাজি নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রদলের আরেকটি গ্রুপও মহাসড়কে সক্রিয় হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ১৯ মে রাতেই সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক ও সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইত্তেসাফ আর-রাফির অনুসারীরাও গাড়ি আটকাতে অবস্থান নেন। পরে একটি পোনাবাহী গাড়ি ধাওয়া করতে গিয়ে ছাত্রদলকর্মী আরাফাত আহত হন। এরপর রূপাতলীতে আরেকটি গাড়ি আটকিয়ে ভাঙচুর ও চালককে মারধর করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল আগে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাঁচ আগস্টের পর তিনি ছাত্রদলে যোগ দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ চাঁদাবাজ রাজিব মণ্ডলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে সভাপতির তদবিরে তিনি সহ-সভাপতির পদ পান বলেও অভিযোগ রয়েছে।Politics
অভিযোগের বিষয়ে মিঞা বাবুল বলেন, ‘আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে ভাই। খায় সবাই মিলে কিন্তু নাম হয় শুধু আমার, এরসাথে এলাকার কিছু লোকও জড়িত আছে। আমি দ্রুত সাংবাদিকদের মাধ্যমে মূলহোতাদের নাম সামনে নিয়ে আসব।’
বরিশাল বন্দর থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ যে চাঁদাবাজি করছে বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি আমাদের ঊর্ধ্বতন মহলেও জানে। আমাদের সকল অফিসারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি সংশ্লিষ্ট এলাকায় টহল বাড়িয়েছি। উপযুক্ত প্রমাণসহ হাতেনাতে ধরতে পারলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
ট্রাক থেকে ১ লাখ টাকা চাঁদাবাজির অভিযোগে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রদল নেতাকে বহিষ্কার করেছে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। আজ বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের দপ্তর সম্পাদক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সই করা এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সংসদের সিদ্ধান্ত মোতাবেক, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো। ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির আজ এই সিদ্ধান্ত অনুমোদন করেন এবং ছাত্রদলের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মীদের তাদের সাথে কোনরূপ সাংগঠনিক সম্পর্ক না রাখার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
জানা গেছে, ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে মাছের পোনাবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজি, গাড়ি ভাঙচুর এবং চালককে মারধরের অভিযোগ উঠে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক শীর্ষ নেতার বিরুদ্ধে। পরে বিষয়টি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে জরুরি ভিত্তিতে ঢাকায় তলব করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। এরপরই শাখার সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুকে সাংগঠনিক পদ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
‘আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে ভাই। খায় সবাই মিলে কিন্তু নাম হয় শুধু আমার, এ ঘটনার সঙ্গে এলাকার কিছু লোকও জড়িত রয়েছে। আমি দ্রুত সাংবাদিকদের মাধ্যমে মূলহোতাদের নাম সামনে নিয়ে আসব।’—বহিষ্কৃত ছাত্রদল নেতা মিয়া বাবুল
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি মিয়া বাবুল ও সাংগঠনিক সম্পাদক মো. মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে দীর্ঘদিন ধরে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কে পোনাবাহী গাড়ি আটকে চাঁদাবাজি করা হয়। এই চক্রে সহ-সভাপতি মো. মিঠু, সহ-সভাপতি আকিব, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইব্রাহিম হোসেন স্বজন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. ইমরান মাহমুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাখাওয়াত, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হায়দার মুন্সি, শাহরিয়ারসহ আরও কয়েকজন নেতাকর্মী জড়িত। তবে সহসভাপতি মিয়া বাবুল এবং মো. মিঠুর বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়ায় তাদেরকে সাংগঠনিক কার্যক্রম থেকে সরিয়ে দেয় এবং বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল।
ভুক্তভোগীরা জানান, গত ১৯ মে ভোর ৪টার দিকে কুয়াকাটা থেকে ছেড়ে আসা রেনু পোনা বহনকারী একটি গাড়ি আটকে চাঁদা আদায় করা হয়। গাড়িটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন ভোলারোড এলাকায় রেখে চালক ও মালিককে তুলে নেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমানের ভাড়া বাসায়। সেখানে দীর্ঘ সময় আটকে রেখে তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। এ সময় চালক ও মালিককে মারধরও করা হয়।
এর আগে গত ২৯ জানুয়ারি রাত ১১টার দিকে ভোলা-বরিশাল মহাসড়কের তালুকদার মার্কেট এলাকায় ইলিশ মাছের গাড়ি আটকে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা না পেয়ে চালককে মারধরের অভিযোগও রয়েছে।
চিংড়ি পোনার মালিক ও ভুক্তভোগী আফতাফ হোসেন বলেন, ‘আমাদেরকে মারধর করে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভোলারোডের গাড়ি নির্জনে রেখে আমাদের ভোলারোডে বিশ্ববিদ্যালয়ের গেটের ঠিক সামনে বরাবর দ্বিতীয় তলায় মিজানের ভাড়া বাসায় নেয়া হয়। সেখানে দীর্ঘক্ষণ আটকে রেখে আমাদের থেকে এক লাখ টাকা আদায় করা হয়। আমরা বিষয়টি সুষ্ঠু বিচার চাই, ওরা ছাত্রদল করুক কিন্তু চাঁদাবাজি কেন করবে?’
অভিযোগ রয়েছে, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিকাশে নেওয়া টাকা পরদিন সকাল ৯টার দিকে মিয়া বাবুল ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মো. হায়দার মুন্সিসহ চারজন গিয়ে বিভিন্ন দোকান থেকে তুলে নিয়ে আসেন।
ফার্মেসি ও বিকাশ দোকানি লোকমান বলেন, ‘বুধবার সকাল ৯টার দিকে মিয়া বাবুল আমাকে কল দিয়ে বলেন—‘মামা, আপনার নাম্বারে টাকা পাঠাইছি। আমার এক বন্ধু অসুস্থ, টাকাটা জরুরি লাগবে।’ পরবর্তীতে আমি নাম্বার মিলিয়ে তাকে ৪৪ হাজার ৯০০ টাকা ক্যাশ বুঝিয়ে দিই।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের একাধিক নেতাকর্মী নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ছাত্রদল সভাপতির নেতৃত্বে সাংগঠনিক সম্পাদক মিজানুর রহমান ও সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল এই চাঁদাবাজি নেটওয়ার্ক নিয়ন্ত্রণ করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রদলের আরেকটি গ্রুপও মহাসড়কে সক্রিয় হয়ে ওঠে। অভিযোগ রয়েছে, ১৯ মে রাতেই সিনিয়র সহ-সভাপতি আশিক ও সিনিয়র যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক ইত্তেসাফ আর-রাফির অনুসারীরাও গাড়ি আটকাতে অবস্থান নেন। পরে একটি পোনাবাহী গাড়ি ধাওয়া করতে গিয়ে ছাত্রদলকর্মী আরাফাত আহত হন। এরপর রূপাতলীতে আরেকটি গাড়ি আটকিয়ে ভাঙচুর ও চালককে মারধর করা হয়।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সহ-সভাপতি মিঞা বাবুল আগে ছাত্রলীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পাঁচ আগস্টের পর তিনি ছাত্রদলে যোগ দেন এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের শীর্ষ চাঁদাবাজ রাজিব মণ্ডলের সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল। ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটিতে সভাপতির তদবিরে তিনি সহ-সভাপতির পদ পান বলেও অভিযোগ রয়েছে।Politics
অভিযোগের বিষয়ে মিঞা বাবুল বলেন, ‘আমাকে এখানে ফাঁসানো হচ্ছে ভাই। খায় সবাই মিলে কিন্তু নাম হয় শুধু আমার, এরসাথে এলাকার কিছু লোকও জড়িত আছে। আমি দ্রুত সাংবাদিকদের মাধ্যমে মূলহোতাদের নাম সামনে নিয়ে আসব।’
বরিশাল বন্দর থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ যে চাঁদাবাজি করছে বিষয়টি আমরা অবগত হয়েছি আমাদের ঊর্ধ্বতন মহলেও জানে। আমাদের সকল অফিসারদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি সংশ্লিষ্ট এলাকায় টহল বাড়িয়েছি। উপযুক্ত প্রমাণসহ হাতেনাতে ধরতে পারলে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
২২ মে, ২০২৬ ২১:৩৬
২২ মে, ২০২৬ ২১:১৪
২২ মে, ২০২৬ ১৯:৫১
২২ মে, ২০২৬ ১৯:২৮