
৩০ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৪৯
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা আরিফুল ইসলাম তালুকদার জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন। ২৮ নভেম্বর তিনি দলের আহ্বায়ক বরাবর আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠকের পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার অভিযোগ, দল অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি এবং বিভিন্ন জায়গায় ক্ষমতার অপব্যবহার, সিদ্ধান্তহীনতা ও অনিয়মের কারণে তিনি পদত্যাগ করছেন।
সদস্যসচিব বরাবর তিনি লিখেছেন, ‘আমি আপনার দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক কমিটির সংগঠকের দায়িত্ব পাই। যদিও পদ-পদবি নিয়ে আমার কোনো পছন্দই ছিল না। কারণ আমি চেয়েছিলাম ২০১৮ এবং ২০২৪-দুটো আন্দোলনের দেশপ্রেমিক তারুণ্যের শক্তি একত্রিত হয়ে বাংলাদেশে তারুণ্যের নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বিনির্মাণ করুক।
একতাবদ্ধ তারুণ্যের শক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিক। সেজন্য নিজের জায়গা থেকে যথাসাধ্য কাজ করেছি। তারুণ্যের দুটো আলোচিত শক্তি একতাবদ্ধ হওয়ার একদম দ্বারপ্রান্তে এসেও কিছু হীনমন্যতা ও অদূরদর্শী আচরণের কাছে পরাজিত হয়ে শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।
অন্যদিকে একই প্রেক্ষাপটে উঠে আসা আমাদের দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি অংশ বিস্ময়কর রকম অর্থসম্পদের মালিক হয়েছে, যা সাধারণ জনগণসহ জুলাইয়ের সব শরিকের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং শরিকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করে জুলাইয়ের সম্পূর্ণ অবদান নিজেদের কাছে কুক্ষিগত করেছে।
যার ফলে জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হয়েছে এবং আমাদের বিপ্লবকে অনেকটাই বিবর্ণ করেছে। যা আমাকে অত্যন্ত ব্যথিত করেছে।
জুলাইয়ের আহতদের প্রকৃত তালিকাকরণে সীমাহীন অবিচার করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট রাষ্ট্রের প্রায় অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র একটি নির্দিষ্ট বলয় দখল করেছে। সচিবালয়সহ পুরো রাষ্ট্রের ৯০ ভাগেরও বেশি ফ্যাসিবাদী আমলা বহাল রয়েছে।
গণহত্যার বিচারের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি, এমনকি গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের বিষয়ে যথাযথ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
আমি বিস্ময়ের সঙ্গে আরো লক্ষ্য করেছি, যে আমলারা গত ৩টি নির্বাচন মাফিয়ার হয়ে করে দিয়েছে—সেই আমলাদের মাধ্যমেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন। আর এসবের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা হচ্ছে না। এমনকি মাফিয়ার রেখে যাওয়া রাষ্ট্রপতির অধীনেই সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে। একের পর এক ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, নিজস্ব বলয়-সৃষ্টি ও দুর্নীতির বিষয়গুলো সামনে আসছে যার দায়ভার আমাকেও নিতে হচ্ছে।
এই কথাগুলো আপনাকে বলছি কারণ, বিপ্লবোত্তর দেশের এই সংকটের দায় পুরোপুরি আপনাদের। অভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে যারা বছরের পর বছর জীবন ও ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে কাজ করেছে—তাদের স্বীকৃতি কেড়ে নেওয়ার দায়সহ দেশের উদ্ভূত সংকটগুলোর দায় কেবল তাদের যারা অভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে নিজেদের বলয়কে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং অভ্যুত্থানের উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করেছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের দায়িত্ব আপনাদের হাতেই দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সে দায়িত্ব পালনে আপনারা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন, কেননা আপনাদের পছন্দসই উপদেষ্টা পরিষদ বিগত দেড় বছরে ব্যর্থতা ও অনৈক্য ছাড়া বাংলাদেশকে তেমন কিছুই উপহার দিতে পারেনি। আর এই দায় সরাসরি আপনাদের উপরই বর্তায়।
আমি জুলাই বিপ্লবে আন্তর্জাতিক যোগাযোগগুলো সম্পন্ন করেছিলাম এবং মাফিয়ার পলায়নে সেখানে আমার প্রত্যক্ষ অবদান রয়েছে—যা আপনি জানেন না। আমি বাংলাদেশ এবং তার স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে ধারণ করি। জুলাইকে পণ্য মনে করি না, জুলাইকে অনুভব করি।
আমার মনে হচ্ছে, এনসিপি যেহেতু জুলাইয়ের তারুণ্যের শক্তিকে একত্রিত করতে পারেনি, জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করেছে। মূলত দলটি ক্ষমতার জন্যই সব করছে এবং গত ৫৪ বছরের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারাবাহিকতাই রক্ষা করছে। আরো একটি বিষয় আমি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে দেখেছি—আপনার দলটি বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়ে বিস্ময়কর রকম উদাসীন। বর্তমান সময়ে দলটি নিয়ন্ত্রণ করছে এমন একটি বলয় যারা এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অনুভবকে ধারণ করে না, বরং বিদ্বেষ লালন করে।
উপরোক্ত সব বিষয় পর্যালোচনা করে আমি এই দলের সঙ্গে আমার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলার কোনো বিশেষ প্রয়োজন অনুভব করছি না। অতএব দুঃখভরা হৃদয় ও এক বুক হতাশা নিয়ে আপনার দল থেকে পদত্যাগ করলাম।
আমরা যেমন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় ’২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়েছি এবং তারুণ্যের যে রাজনীতি বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখে দেশের জন্য কাজ করেছি—সেটির সম্ভাবনা জাগ্রত হলে ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই আবার একসঙ্গে রাজপথে দেখা হবে।’
জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখা সমন্বয়ক ও এনসিপি নেতা আরিফুল ইসলাম তালুকদার জাতীয় নাগরিক পার্টি থেকে পদত্যাগ করেছেন। ২৮ নভেম্বর তিনি দলের আহ্বায়ক বরাবর আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেন। জাতীয় নাগরিক পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠকের পদে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি।
চিঠিতে তিনি উল্লেখ করেন, ২০২৪ সালে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তার অভিযোগ, দল অভ্যন্তরীণ দুর্বলতা কাটিয়ে উঠতে পারেনি এবং বিভিন্ন জায়গায় ক্ষমতার অপব্যবহার, সিদ্ধান্তহীনতা ও অনিয়মের কারণে তিনি পদত্যাগ করছেন।
সদস্যসচিব বরাবর তিনি লিখেছেন, ‘আমি আপনার দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-এর প্রতিষ্ঠাকালীন আহ্বায়ক কমিটির সংগঠকের দায়িত্ব পাই। যদিও পদ-পদবি নিয়ে আমার কোনো পছন্দই ছিল না। কারণ আমি চেয়েছিলাম ২০১৮ এবং ২০২৪-দুটো আন্দোলনের দেশপ্রেমিক তারুণ্যের শক্তি একত্রিত হয়ে বাংলাদেশে তারুণ্যের নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্ত বিনির্মাণ করুক।
একতাবদ্ধ তারুণ্যের শক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিক। সেজন্য নিজের জায়গা থেকে যথাসাধ্য কাজ করেছি। তারুণ্যের দুটো আলোচিত শক্তি একতাবদ্ধ হওয়ার একদম দ্বারপ্রান্তে এসেও কিছু হীনমন্যতা ও অদূরদর্শী আচরণের কাছে পরাজিত হয়ে শেষ পর্যন্ত আলোর মুখ দেখেনি।
অন্যদিকে একই প্রেক্ষাপটে উঠে আসা আমাদের দলের কেন্দ্রীয় নেতাদের একটি অংশ বিস্ময়কর রকম অর্থসম্পদের মালিক হয়েছে, যা সাধারণ জনগণসহ জুলাইয়ের সব শরিকের দৃষ্টিগোচর হয়েছে এবং শরিকদের মধ্যে বৈষম্য সৃষ্টি করে জুলাইয়ের সম্পূর্ণ অবদান নিজেদের কাছে কুক্ষিগত করেছে।
যার ফলে জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট হয়েছে এবং আমাদের বিপ্লবকে অনেকটাই বিবর্ণ করেছে। যা আমাকে অত্যন্ত ব্যথিত করেছে।
জুলাইয়ের আহতদের প্রকৃত তালিকাকরণে সীমাহীন অবিচার করা হয়েছে। জুলাই বিপ্লবের ফলে সৃষ্ট রাষ্ট্রের প্রায় অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র একটি নির্দিষ্ট বলয় দখল করেছে। সচিবালয়সহ পুরো রাষ্ট্রের ৯০ ভাগেরও বেশি ফ্যাসিবাদী আমলা বহাল রয়েছে।
গণহত্যার বিচারের দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়নি, এমনকি গণহত্যাকারী আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসর জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের বিষয়ে যথাযথ কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি।
আমি বিস্ময়ের সঙ্গে আরো লক্ষ্য করেছি, যে আমলারা গত ৩টি নির্বাচন মাফিয়ার হয়ে করে দিয়েছে—সেই আমলাদের মাধ্যমেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি সম্পন্ন। আর এসবের বিরুদ্ধে কোনো কথা বলা হচ্ছে না। এমনকি মাফিয়ার রেখে যাওয়া রাষ্ট্রপতির অধীনেই সবকিছু পরিচালিত হচ্ছে। একের পর এক ক্ষমতার অপব্যবহার, অনিয়ম, নিজস্ব বলয়-সৃষ্টি ও দুর্নীতির বিষয়গুলো সামনে আসছে যার দায়ভার আমাকেও নিতে হচ্ছে।
এই কথাগুলো আপনাকে বলছি কারণ, বিপ্লবোত্তর দেশের এই সংকটের দায় পুরোপুরি আপনাদের। অভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে যারা বছরের পর বছর জীবন ও ক্যারিয়ার বিসর্জন দিয়ে কাজ করেছে—তাদের স্বীকৃতি কেড়ে নেওয়ার দায়সহ দেশের উদ্ভূত সংকটগুলোর দায় কেবল তাদের যারা অভ্যুত্থানের শক্তি হিসেবে নিজেদের বলয়কে প্রতিষ্ঠিত করেছে এবং অভ্যুত্থানের উদ্দেশ্যকে ব্যর্থ করেছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গঠনের দায়িত্ব আপনাদের হাতেই দিয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সে দায়িত্ব পালনে আপনারা পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন, কেননা আপনাদের পছন্দসই উপদেষ্টা পরিষদ বিগত দেড় বছরে ব্যর্থতা ও অনৈক্য ছাড়া বাংলাদেশকে তেমন কিছুই উপহার দিতে পারেনি। আর এই দায় সরাসরি আপনাদের উপরই বর্তায়।
আমি জুলাই বিপ্লবে আন্তর্জাতিক যোগাযোগগুলো সম্পন্ন করেছিলাম এবং মাফিয়ার পলায়নে সেখানে আমার প্রত্যক্ষ অবদান রয়েছে—যা আপনি জানেন না। আমি বাংলাদেশ এবং তার স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বকে ধারণ করি। জুলাইকে পণ্য মনে করি না, জুলাইকে অনুভব করি।
আমার মনে হচ্ছে, এনসিপি যেহেতু জুলাইয়ের তারুণ্যের শক্তিকে একত্রিত করতে পারেনি, জাতীয় ঐক্য বিনষ্ট করেছে। মূলত দলটি ক্ষমতার জন্যই সব করছে এবং গত ৫৪ বছরের রাজনৈতিক সংস্কৃতির ধারাবাহিকতাই রক্ষা করছে। আরো একটি বিষয় আমি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণে দেখেছি—আপনার দলটি বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির বিষয়ে বিস্ময়কর রকম উদাসীন। বর্তমান সময়ে দলটি নিয়ন্ত্রণ করছে এমন একটি বলয় যারা এদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের অনুভবকে ধারণ করে না, বরং বিদ্বেষ লালন করে।
উপরোক্ত সব বিষয় পর্যালোচনা করে আমি এই দলের সঙ্গে আমার ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পথচলার কোনো বিশেষ প্রয়োজন অনুভব করছি না। অতএব দুঃখভরা হৃদয় ও এক বুক হতাশা নিয়ে আপনার দল থেকে পদত্যাগ করলাম।
আমরা যেমন বাংলাদেশের প্রত্যাশায় ’২৪-এর গণ-অভ্যুত্থান ঘটিয়েছি এবং তারুণ্যের যে রাজনীতি বিনির্মাণের স্বপ্ন দেখে দেশের জন্য কাজ করেছি—সেটির সম্ভাবনা জাগ্রত হলে ভবিষ্যতে নিশ্চয়ই আবার একসঙ্গে রাজপথে দেখা হবে।’

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:২০
রাতের আঁধারে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করায় ফরিদপুর-১ আসনের (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যাকে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দশটার দিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রের গেটের ভেতর জামায়াত প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় বাইরে থেকে বিক্ষুব্ধ কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, রাতে কেন এসেছেন।
পাল্টা জবাবে ওই প্রার্থী বলেন, নিয়ম আছে। নিয়ম জেনেই আমি ঢুকেছি। রাতে কেন ঢুকেছেন প্রশ্নের উত্তরে বলেন- ভিজিট করতে ঢুকেছি। এক পর্যায়ে তিনি গেট খুলে বেরিয়ে যান।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশনা জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধারে এভাবে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পরিবর্তন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
রাতের আঁধারে ভোটকেন্দ্রে প্রবেশ করায় ফরিদপুর-১ আসনের (মধুখালী-বোয়ালমারী-আলফাডাঙ্গা) জামায়াতের প্রার্থী ড. মো. ইলিয়াস মোল্যাকে অবরুদ্ধের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই কেন্দ্রে ব্যাপক উত্তেজনা পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়।
বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত দশটার দিকে ফরিদপুরের মধুখালী উপজেলার গাজনা ইউনিয়নের দুই নম্বর ওয়ার্ডের আশাপুর সিনিয়র মাদ্রাসা কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং কর্মকর্তাকে পরিবর্তন করা হবে বলে জানিয়েছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা।
ছড়িয়ে পড়া ৩ মিনিট ২৩ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, কেন্দ্রের গেটের ভেতর জামায়াত প্রার্থীকে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় বাইরে থেকে বিক্ষুব্ধ কয়েকজনকে বলতে শোনা যায়, রাতে কেন এসেছেন।
পাল্টা জবাবে ওই প্রার্থী বলেন, নিয়ম আছে। নিয়ম জেনেই আমি ঢুকেছি। রাতে কেন ঢুকেছেন প্রশ্নের উত্তরে বলেন- ভিজিট করতে ঢুকেছি। এক পর্যায়ে তিনি গেট খুলে বেরিয়ে যান।
মধুখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফকির মো. তাইজুর রহমান গণমাধ্যমকে বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও উপজেলা সহকারী কমিশনার ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে মধুখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা রওশনা জাহান গণমাধ্যমকে বলেন, রাতের আধারে এভাবে ভোট কেন্দ্রে প্রবেশের কোনো নিয়ম নেই। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এ ঘটনায় ওই কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার পরিবর্তন করা হবে এবং প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৪
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বগুড়া-৫ (ধুনট-শেরপুর) আসনের হটিয়ারপাড়া ভোটকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ছুরিকাহত মিলন মিয়া (২৫) ধুনট ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি। তাকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ধুনট উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলম হাসান অভিযোগ করে বলেন, ‘রাতে মিলন তার নিজ বাড়ির পাশের হটিয়ারপাড়া ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান করছিলেন। এসময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।’
তবে রাত সোয়া ১১টার দিকে এ বিষয়ে জানতে উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি এ ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।
বগুড়ার ধুনট উপজেলায় একটি ভোটকেন্দ্রের সামনে ছাত্রদলের এক নেতাকে ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) রাত ৯টার দিকে বগুড়া-৫ (ধুনট-শেরপুর) আসনের হটিয়ারপাড়া ভোটকেন্দ্রের সামনে এ ঘটনা ঘটে।
ছুরিকাহত মিলন মিয়া (২৫) ধুনট ডিগ্রি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি। তাকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
ধুনট উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক আলম হাসান অভিযোগ করে বলেন, ‘রাতে মিলন তার নিজ বাড়ির পাশের হটিয়ারপাড়া ভোটকেন্দ্রের সামনে অবস্থান করছিলেন। এসময় সেখানে উপস্থিত স্থানীয় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের সঙ্গে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে জামায়াতের নেতাকর্মীরা তাকে ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।’
তবে রাত সোয়া ১১টার দিকে এ বিষয়ে জানতে উপজেলা জামায়াত ইসলামীর আমির আমিনুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তিনি এ ঘটনায় তাদের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশের একটি দল ঘটনাস্থলের উদ্দেশে রওনা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হবে। এদিন সকাল সাড়ে ৭টায় ভোটগ্রহণ শুরু হবে, চলবে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:১০
ঢাকা ৬ আসনের ভোট কেনার সময় সূত্রাপুরে থানা জামায়াতে নায়েবে আমির মোঃ হাবিব কে আটক করে সাধারণ জনগণ। বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টার ভোটকেন্দ্রের সামনে তিনি টাকা দিয়ে ভোট কেনার সময় স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অভিযুক্ত নায়েবে আমিরকে দুই দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান ঢাকা-৬সহ নির্ধারিত এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সূত্রাপুরের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি চালের দোকানে সূত্রাপুর থানা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হাবিব ভোটারদের কাছে টাকা প্রদান করার সময় এলাকাবাসী তাকে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাচাই-বাছাই শেষে ঘটনার সত্যতা পায়। ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
স্থানীয়রা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।’
ঢাকা ৬ আসনের ভোট কেনার সময় সূত্রাপুরে থানা জামায়াতে নায়েবে আমির মোঃ হাবিব কে আটক করে সাধারণ জনগণ। বুধবার ১১ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর সূত্রাপুর কমিউনিটি সেন্টার ভোটকেন্দ্রের সামনে তিনি টাকা দিয়ে ভোট কেনার সময় স্থানীয় জনগণ তাকে আটক করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে অভিযুক্ত নায়েবে আমিরকে দুই দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে জানান ঢাকা-৬সহ নির্ধারিত এলাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট।
প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সূত্রাপুরের ৪৪ নম্বর ওয়ার্ডের একটি চালের দোকানে সূত্রাপুর থানা জামায়াতের নায়েবে আমির মো. হাবিব ভোটারদের কাছে টাকা প্রদান করার সময় এলাকাবাসী তাকে ধরে ফেলেন। পরবর্তীতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ঘটনাস্থলে পৌঁছে যাচাই-বাছাই শেষে ঘটনার সত্যতা পায়। ম্যাজিস্ট্রেট তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড প্রদান করেন।
স্থানীয়রা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।’

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:২০
১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০০:৫৫
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২৩:৩৪
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫৮