
০৮ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৭
নেত্রকোনা জেলার হাওরবেষ্টিত মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি ও মদন উপজেলা। বর্ষাকালে প্রকৃতি ধারণ করে মোহনীয় রূপ। গ্রামগুলোকে তখন মনে হয় ছোট ছোট দ্বীপ। আবার হেমন্তে পানি সরে গেলে চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। প্রকৃতির এই সুন্দর হেঁয়ালিপনার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা।
এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের আসন নেত্রকোনা-৪। আসনটিতে মোট ভোটারসংখ্যা তিন লাখ ৭৫ হাজার ৩১২ জন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনীতিতে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বিএনপির সাবেক প্রভাবশালী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
দলে বর্তমানে তার কোনো সাংগঠনিক পদ না থাকলেও ভোটের মাঠে তিনি এখনো শক্তিশালী প্রার্থী। ১৯৯১ সালে এই আসন থেকে প্রথমবার বিএনপির টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বাবর। ২০০১ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জায়গা করে নেন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মন্ত্রিসভায়। ওই সময় তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী। একই সময় তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বাবরকে মনোনয়ন না দিলেও কারাগারে থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। এ সময় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাবর, যেখানে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন অনেক পেছনে। পরে বিএনপি তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করলেও বাবর আর কেন্দ্রীয় বা জেলা বিএনপির কোনো পদ পাননি।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বাবর মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এসব মামলায় তাঁকে খালাস দেন হাইকোর্ট। দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তাঁর পুনর্বাসন হয়নি।
কারাবন্দি থাকা অবস্থায় স্থানীয় বিএনপিতে বাবরের অনুসারীদের নেতৃত্ব দেন তাঁর স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তাঁকেই মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন লুৎফুজ্জামান বাবর। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই আসনে স্বামী-স্ত্রীর মনোনয়ন দাখিল একটি কৌশল। যথাসময়ে তাহমিনা জামান শ্রাবণী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে বাবরের পক্ষে অবস্থান নেবেন।
এই আসনে আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার, সিপিবির মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় সিপিবির সদস্য জলি তালুকদার এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মুখলেছুর রহমান।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই বাবরকে এই আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছেন। একাধিক ভোটার বলছেন, বাবর এর আগে এমপি থাকাকালে এই এলাকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন। আমরা এলাকার উন্নয়নের জন্য আবার তাঁকে সংসদে পাঠাতে চাই। আমরা কোনো মার্কা বুঝি না। আমরা বুঝি মার্কা মানেই বাবর। এই আসনে বাবরের জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত এবং এলাকায় ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক ও বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ভোটের মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
জামায়াতের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার বলেন, ‘আমরা ভোটের মাঠে ভালো সাড়া পাচ্ছি। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়। মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম আওয়াজ তুলছে। তরুণরা অতীতের মতো এসব আর চায় না। তরুণরা আমাদের সঙ্গে আছে। আশা করছি, এ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হব ইনশাল্লাহ।’
অন্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় থাকলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নেত্রকোণা-৪ আসনে মূল লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে। তবে সব মিলিয়ে ভোটের মাঠে এখন পর্যন্ত আধিপত্য ধরে রেখেছেন লুৎফুজ্জামান বাবর।
নেত্রকোনা জেলার হাওরবেষ্টিত মোহনগঞ্জ, খালিয়াজুড়ি ও মদন উপজেলা। বর্ষাকালে প্রকৃতি ধারণ করে মোহনীয় রূপ। গ্রামগুলোকে তখন মনে হয় ছোট ছোট দ্বীপ। আবার হেমন্তে পানি সরে গেলে চোখে পড়ে বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠ। প্রকৃতির এই সুন্দর হেঁয়ালিপনার সঙ্গেই ওতপ্রোতভাবে জড়িত এখানকার মানুষের জীবনযাত্রা।
এই তিন উপজেলা নিয়ে গঠিত জাতীয় সংসদের আসন নেত্রকোনা-৪। আসনটিতে মোট ভোটারসংখ্যা তিন লাখ ৭৫ হাজার ৩১২ জন। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন ঘিরে রাজনীতিতে আবারও আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছেন বিএনপির সাবেক প্রভাবশালী স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর।
দলে বর্তমানে তার কোনো সাংগঠনিক পদ না থাকলেও ভোটের মাঠে তিনি এখনো শক্তিশালী প্রার্থী। ১৯৯১ সালে এই আসন থেকে প্রথমবার বিএনপির টিকিটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন বাবর। ২০০১ সালে পুনরায় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে জায়গা করে নেন বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের মন্ত্রিসভায়। ওই সময় তিনি স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ছিলেন অত্যন্ত প্রভাবশালী। একই সময় তিনি বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
২০০৮ সালের সংসদ নির্বাচনে বিএনপি বাবরকে মনোনয়ন না দিলেও কারাগারে থেকেই স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেন তিনি। এ সময় তাঁকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। ওই নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বাবর, যেখানে বিএনপির প্রার্থী ছিলেন অনেক পেছনে। পরে বিএনপি তাঁর বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করলেও বাবর আর কেন্দ্রীয় বা জেলা বিএনপির কোনো পদ পাননি।
আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ১০ ট্রাক অস্ত্র মামলা ও একুশে আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বাবর মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন। চলতি বছরের জানুয়ারিতে এসব মামলায় তাঁকে খালাস দেন হাইকোর্ট। দীর্ঘ ১৭ বছর কারাভোগের পর মুক্তি পেলেও বিএনপির কেন্দ্রীয় রাজনীতিতে তাঁর পুনর্বাসন হয়নি।
কারাবন্দি থাকা অবস্থায় স্থানীয় বিএনপিতে বাবরের অনুসারীদের নেতৃত্ব দেন তাঁর স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী। ২০১৮ সালের নির্বাচনে তাঁকেই মনোনয়ন দিয়েছিল বিএনপি। তবে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পেয়েছেন লুৎফুজ্জামান বাবর। একই সঙ্গে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাঁর স্ত্রী তাহমিনা জামান শ্রাবণী।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একই আসনে স্বামী-স্ত্রীর মনোনয়ন দাখিল একটি কৌশল। যথাসময়ে তাহমিনা জামান শ্রাবণী মনোনয়ন প্রত্যাহার করে বাবরের পক্ষে অবস্থান নেবেন।
এই আসনে আরো প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার, সিপিবির মনোনীত প্রার্থী কেন্দ্রীয় সিপিবির সদস্য জলি তালুকদার এবং ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মো. মুখলেছুর রহমান।
ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, অনেকেই বাবরকে এই আসনে অপ্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখছেন। একাধিক ভোটার বলছেন, বাবর এর আগে এমপি থাকাকালে এই এলাকার অভূতপূর্ব উন্নয়ন করেছেন। আমরা এলাকার উন্নয়নের জন্য আবার তাঁকে সংসদে পাঠাতে চাই। আমরা কোনো মার্কা বুঝি না। আমরা বুঝি মার্কা মানেই বাবর। এই আসনে বাবরের জয় কেউ ঠেকাতে পারবে না।
অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার ময়মনসিংহ মহানগর জামায়াতের সাংগঠনিক সম্পাদক। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অধ্যাপনার সঙ্গে যুক্ত এবং এলাকায় ক্লিন ইমেজের প্রার্থী হিসেবে পরিচিত। বিভিন্ন সময়ে সামাজিক ও বিভিন্ন আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি ভোটের মাঠে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন।
জামায়াতের প্রার্থী আল হেলাল তালুকদার বলেন, ‘আমরা ভোটের মাঠে ভালো সাড়া পাচ্ছি। জনগণ এখন পরিবর্তন চায়। মাদক, চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে তরুণ প্রজন্ম আওয়াজ তুলছে। তরুণরা অতীতের মতো এসব আর চায় না। তরুণরা আমাদের সঙ্গে আছে। আশা করছি, এ আসনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হব ইনশাল্লাহ।’
অন্য প্রার্থীরা মাঠে সক্রিয় থাকলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের ধারণা, নেত্রকোণা-৪ আসনে মূল লড়াই হবে বিএনপি ও জামায়াতের প্রার্থীর মধ্যে। তবে সব মিলিয়ে ভোটের মাঠে এখন পর্যন্ত আধিপত্য ধরে রেখেছেন লুৎফুজ্জামান বাবর।
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.