Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

১৬ জুন, ২০২৬ ১৮:৩৬
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি (২৭) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার কানুয়া মহল্লা থেকে ওই যুবকের শ্বশুরবাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃত বাপ্পি উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শিয়ালকাঠি গ্রামের শহিদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত বাপ্পির স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম গার্মেন্টসের কাজের জন্য জর্দানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু স্বামী বাপ্পি ও তার পরিবার এতে রাজি ছিলেন না। এই পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে মীম কিছুদিন আগে তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
বাপ্পির পরিবারের দাবি, গত ১১ জুন মীম তার স্বামী বাপ্পিকে না জানিয়ে ঢাকায় গিয়ে একটি হোটেলে অবস্থান নেন। ওই সময় বাপ্পি মোবাইল ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে ভিডিও কল দিলে মীম যে হোটেলরুমে ছিলেন, সেখানে এক পরপুরুষকে দেখতে পান বাপ্পি।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। পরে গত ১৪ জুন মীম ঢাকা থেকে ভাণ্ডারিয়ার কানুয়ায় তার বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন এবং মোবাইল ফোনে বাপ্পিকে সেখানে ডেকে নেন।
মৃত বাপ্পির স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম দাবি করেন, সোমবার দিবাগত রাতে খাবার শেষ করে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর রাত ১টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টার দিকে মীমের ঘুম ভাঙলে তিনি বাপ্পিকে খাটে না দেখে খুঁজতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় বাপ্পিকে ঝুলতে দেখেন। মীমের ভাষ্য, তিনি একাই ওড়না কেটে বাপ্পির দেহ নিচে নামিয়ে খাটে রাখেন এবং পরে বাপ্পির পরিবারকে খবর দেন।
তবে বাপ্পির মা রুবী বেগম এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, আমার ছেলেকে হত্যা করে গলায় ফাঁসের নাটক সাজানো হচ্ছে। পুত্রবধূ মীম উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন করত এবং একাধিক পুরুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। ঘটনার দুই দিন আগেও সে ঢাকায় অন্য পুরুষের সঙ্গে হোটেলে ছিল, যা আমার ছেলে ভিডিও কলে দেখে ফেলে। এই ক্ষোভ থেকেই তারা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে।
এদিকে খবর পেয়ে বাপ্পির মা রুবী বেগম মীমদের বাড়িতে এসে আহাজারি শুরু করলে একপর্যায়ে মীমের চাচাতো ভাই বেল্লাল হাওলাদার তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মণ্ডল জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় শাহাদাৎ হোসেন বাপ্পি (২৭) নামের এক যুবকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে ভাণ্ডারিয়া পৌরসভার কানুয়া মহল্লা থেকে ওই যুবকের শ্বশুরবাড়ি থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মৃত বাপ্পি উপজেলার ভিটাবাড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শিয়ালকাঠি গ্রামের শহিদ হাওলাদারের ছেলে। তিনি দুই সন্তানের জনক।
স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, মৃত বাপ্পির স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম গার্মেন্টসের কাজের জন্য জর্দানে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। কিন্তু স্বামী বাপ্পি ও তার পরিবার এতে রাজি ছিলেন না। এই পারিবারিক দ্বন্দ্বের জেরে মীম কিছুদিন আগে তার বাবার বাড়িতে চলে আসেন।
বাপ্পির পরিবারের দাবি, গত ১১ জুন মীম তার স্বামী বাপ্পিকে না জানিয়ে ঢাকায় গিয়ে একটি হোটেলে অবস্থান নেন। ওই সময় বাপ্পি মোবাইল ফোনে স্ত্রীর সঙ্গে রাগারাগি করেন। একপর্যায়ে ভিডিও কল দিলে মীম যে হোটেলরুমে ছিলেন, সেখানে এক পরপুরুষকে দেখতে পান বাপ্পি।
ওই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার দ্বন্দ্ব চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। পরে গত ১৪ জুন মীম ঢাকা থেকে ভাণ্ডারিয়ার কানুয়ায় তার বাবার বাড়িতে ফিরে আসেন এবং মোবাইল ফোনে বাপ্পিকে সেখানে ডেকে নেন।
মৃত বাপ্পির স্ত্রী হাফিজা আক্তার মীম দাবি করেন, সোমবার দিবাগত রাতে খাবার শেষ করে তাদের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর রাত ১টার দিকে তারা ঘুমিয়ে পড়েন। রাত ২টার দিকে মীমের ঘুম ভাঙলে তিনি বাপ্পিকে খাটে না দেখে খুঁজতে শুরু করেন।
একপর্যায়ে ঘরের আড়ার সঙ্গে ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় বাপ্পিকে ঝুলতে দেখেন। মীমের ভাষ্য, তিনি একাই ওড়না কেটে বাপ্পির দেহ নিচে নামিয়ে খাটে রাখেন এবং পরে বাপ্পির পরিবারকে খবর দেন।
তবে বাপ্পির মা রুবী বেগম এই ঘটনাকে পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে দাবি করেছেন। তিনি অভিযোগ করেন, আমার ছেলেকে হত্যা করে গলায় ফাঁসের নাটক সাজানো হচ্ছে। পুত্রবধূ মীম উচ্ছৃঙ্খল জীবনযাপন করত এবং একাধিক পুরুষের সঙ্গে তার সম্পর্ক রয়েছে। ঘটনার দুই দিন আগেও সে ঢাকায় অন্য পুরুষের সঙ্গে হোটেলে ছিল, যা আমার ছেলে ভিডিও কলে দেখে ফেলে। এই ক্ষোভ থেকেই তারা আমার ছেলেকে মেরে ফেলেছে।
এদিকে খবর পেয়ে বাপ্পির মা রুবী বেগম মীমদের বাড়িতে এসে আহাজারি শুরু করলে একপর্যায়ে মীমের চাচাতো ভাই বেল্লাল হাওলাদার তাকে মারধর করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভাণ্ডারিয়া থানার ওসি (তদন্ত) রত্নেশ্বর কুমার মণ্ডল জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পিরোজপুর জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, তা ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও পুলিশি তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৮:৩২
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন সম্প্রসারণের লক্ষে সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বরিশালের উজিরপুর পৌরসভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) উজিরপুর পৌরসভার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উজিরপুর পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মণ্ডল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আসমা বেগম, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন, ডব্লিউ বি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনের সিনিয়র শিক্ষক মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন হাওলাদারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরুর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পৌরসভার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আঙিনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন খালি স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের ঘোষিত এই কর্মসূচিকে সফল করতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
পৌর প্রশাসক মহেশ্বর মণ্ডল বলেন, “সবুজ ও পরিবেশবান্ধব উজিরপুর গড়ে তোলার লক্ষে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বৃক্ষ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, এটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানায়।

১৬ জুন, ২০২৬ ১৮:২০

১৬ জুন, ২০২৬ ১৬:৪৯
বরিশালের গৌরনদীতে মাদকের টাকার জন্য বাবা-মাকে অমানুষিক নির্যাতন করার অপরাধে বিকাশ চন্দ্র বালা (২৬) নামের এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে গৌরনদী পৌর এলাকার হরিসেনা গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত বিকাশ ওই গ্রামের বিপুল চন্দ্র বালার ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের গৌরনদী সার্কেলের উপ-পরিদর্শক ফাইজুল ইসলাম হৃদয় হাওলাদার জানান, বিকাশ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত।
মাদকের টাকা না পেলেই সে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং মা-বাবাকে মারধর করত। তাকে সুস্থ করার জন্য এর আগে ছয় মাস রিহ্যাব সেন্টারেও (মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র) রাখা হয়েছিল।
কিন্তু সেখান থেকে ফিরে এসে স্থানীয় মাদকসেবীদের প্ররোচনায় সে আবারও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। মাদকাসক্তি থেকে ফেরাতে এর আগে মা-বাবা নিজেদের জমি বিক্রি করে বিকাশকে বিদেশেও পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানেও মাদকাসক্ত বন্ধুদের চক্রে পড়ে সে দেশে ফিরে আসে।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সকালে মাদক সেবনের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর সহযোগিতায় হরিসেনা গ্রামে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ বিকাশকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এই দণ্ড প্রদান করেন।
পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলা এবং সবুজায়ন সম্প্রসারণের লক্ষে সরকারের ঘোষিত পাঁচ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় বরিশালের উজিরপুর পৌরসভায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) উজিরপুর পৌরসভার উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন উজিরপুর পৌরসভার প্রশাসক ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মহেশ্বর মণ্ডল।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা আসমা বেগম, পৌর নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন, ডব্লিউ বি ইউনিয়ন ইনস্টিটিউশনের সিনিয়র শিক্ষক মুহাম্মদ নেছার উদ্দিন হাওলাদারসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং পৌরসভার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শুরুর আগে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি পৌরসভার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে পৌরসভার বিভিন্ন সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের আঙিনা, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এবং বিভিন্ন খালি স্থানে ফলজ, বনজ ও ঔষধি গাছের চারা রোপণ করা হয়।
এ সময় বক্তারা বলেন, পরিবেশ সুরক্ষা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তুলতে বৃক্ষরোপণের কোনো বিকল্প নেই। সরকারের ঘোষিত এই কর্মসূচিকে সফল করতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে বৃক্ষরোপণ ও পরিচর্যায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।
পৌর প্রশাসক মহেশ্বর মণ্ডল বলেন, “সবুজ ও পরিবেশবান্ধব উজিরপুর গড়ে তোলার লক্ষে পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ধারাবাহিকভাবে বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে। বৃক্ষ শুধু পরিবেশ রক্ষা করে না, এটি মানুষের জীবন ও জীবিকার সঙ্গেও ওতপ্রোতভাবে জড়িত।
কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা পরিবেশ রক্ষায় বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব তুলে ধরে সচেতনতা বৃদ্ধির আহ্বান জানায়।
বরিশালে বিচারিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ১৬ জুন বিকাল সাড়ে ৩ টায় বরিশাল চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
কনফারেন্সে বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন ও অন্যান্য সরকারি দপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি দূর করার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেন।
কনফারেন্সে বরিশালের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুল আজাদ যথা সময়ে আদালতে সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং মেডিকেল সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সময়মতো জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেন।এছাড়াও মামলার জট নিরসনে দ্রুততম সময়ে মামলার বিচারকাজ শেষ করা এবং বিচারাধীন মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে বিচার বিভাগ, পুলিশ, র্যাব, সিভিল সার্জন অফিস এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুল আজাদ এর সভাপতিত্বে কনফারেন্সে আরো উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিদ্যুৎ আদালতের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) এস এম মাহফুজ আলম,অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাহিদ হোসেন,সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফজলুর রহমান,সিভিল জজ বাকেরগঞ্জ সাব্বির মোঃ খালিদ,সিভিল জজ বরিশাল সদর আরিফা আফরিন আঁখি,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সিহাবুর রহমান,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফসানা শারমিন ইভা,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়শা আক্তার,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ আবিদুল হক,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল সায়েম, আবুল কালাম আজাদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি,বরিশাল জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আলাউল হাসান,সিভিল সার্জন ডা: এস, এম, মঞ্জুর-এ-এলাহী,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক(প্রশাসন)ডাঃমোঃমাহামুদ হাসান, ডা:অনীক নিলয়, লেকচারর শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ, সুব্রত কুমার বালা, সিনিয়র জেল সুপার, তানভীর হোসেন খান, উপ-পরিচালক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ভবানী শংকর বল, প্রবেশন কর্মকর্তা, প্রবেশন কার্যালয়, বরিশাল, ইয়াসিন আরাফাত, পরিদর্শক বিএসটিআই বরিশাল, আবু সালেহ মোঃ আনসার উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,সাথেবরিশাল জেলার সকল থানার ওসি, র্যাব-৮ এর প্রতিনিধি সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ। কনফারেন্সের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন,চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মোঃ তারিকুল ইসলাম।
বরিশালে বিচারিক কার্যক্রমে গতিশীলতা আনতে এবং বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার লক্ষ্যে জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের উদ্যোগে পুলিশ ম্যাজিস্ট্রেসি কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার ১৬ জুন বিকাল সাড়ে ৩ টায় বরিশাল চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের সম্মেলন কক্ষে কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়।
কনফারেন্সে বিচার বিভাগ, পুলিশ প্রশাসন ও অন্যান্য সরকারি দপ্তরের মধ্যে পারস্পরিক অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে বিচারপ্রার্থীদের ভোগান্তি দূর করার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেন।
কনফারেন্সে বরিশালের চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুল আজাদ যথা সময়ে আদালতে সাক্ষীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করা এবং মেডিকেল সার্টিফিকেটসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় প্রতিবেদন সময়মতো জমা দেওয়ার নির্দেশনা দেন।এছাড়াও মামলার জট নিরসনে দ্রুততম সময়ে মামলার বিচারকাজ শেষ করা এবং বিচারাধীন মামলাগুলোর অগ্রগতি পর্যালোচনা করে বিদ্যমান প্রতিবন্ধকতাগুলো চিহ্নিত করে বিচার বিভাগ, পুলিশ, র্যাব, সিভিল সার্জন অফিস এবং হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করার মাধ্যমে বিচার ব্যবস্থাকে আরও জনবান্ধব করার প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন।
চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ জাহিদুল আজাদ এর সভাপতিত্বে কনফারেন্সে আরো উপস্থিত ছিলেন, বরিশাল বিদ্যুৎ আদালতের স্পেশাল ম্যাজিস্ট্রেট (যুগ্ম জেলা জজ) এস এম মাহফুজ আলম,অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ নাহিদ হোসেন,সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান,সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফজলুর রহমান,সিভিল জজ বাকেরগঞ্জ সাব্বির মোঃ খালিদ,সিভিল জজ বরিশাল সদর আরিফা আফরিন আঁখি,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ সিহাবুর রহমান,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আফসানা শারমিন ইভা,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আয়শা আক্তার,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ আবিদুল হক,জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আবদুল্লাহ আল সায়েম, আবুল কালাম আজাদ, জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি,বরিশাল জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোঃ আলাউল হাসান,সিভিল সার্জন ডা: এস, এম, মঞ্জুর-এ-এলাহী,স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক(প্রশাসন)ডাঃমোঃমাহামুদ হাসান, ডা:অনীক নিলয়, লেকচারর শেরেবাংলা মেডিকেল কলেজ, সুব্রত কুমার বালা, সিনিয়র জেল সুপার, তানভীর হোসেন খান, উপ-পরিচালক মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, ভবানী শংকর বল, প্রবেশন কর্মকর্তা, প্রবেশন কার্যালয়, বরিশাল, ইয়াসিন আরাফাত, পরিদর্শক বিএসটিআই বরিশাল, আবু সালেহ মোঃ আনসার উদ্দিন, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার,সাথেবরিশাল জেলার সকল থানার ওসি, র্যাব-৮ এর প্রতিনিধি সহ প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা বৃন্দ। কনফারেন্সের সার্বিক তত্বাবধানে ছিলেন,চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির মোঃ তারিকুল ইসলাম।
বরিশালের গৌরনদীতে মাদকের টাকার জন্য বাবা-মাকে অমানুষিক নির্যাতন করার অপরাধে বিকাশ চন্দ্র বালা (২৬) নামের এক যুবককে এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। একই সঙ্গে তাকে ৫ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার (১৬ জুন) সকালে গৌরনদী পৌর এলাকার হরিসেনা গ্রামে এ অভিযান চালানো হয়। দণ্ডপ্রাপ্ত বিকাশ ওই গ্রামের বিপুল চন্দ্র বালার ছেলে।
মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদফতরের গৌরনদী সার্কেলের উপ-পরিদর্শক ফাইজুল ইসলাম হৃদয় হাওলাদার জানান, বিকাশ দীর্ঘদিন ধরে মাদকাসক্ত।
মাদকের টাকা না পেলেই সে ঘরের আসবাবপত্র ভাঙচুর এবং মা-বাবাকে মারধর করত। তাকে সুস্থ করার জন্য এর আগে ছয় মাস রিহ্যাব সেন্টারেও (মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র) রাখা হয়েছিল।
কিন্তু সেখান থেকে ফিরে এসে স্থানীয় মাদকসেবীদের প্ররোচনায় সে আবারও মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। মাদকাসক্তি থেকে ফেরাতে এর আগে মা-বাবা নিজেদের জমি বিক্রি করে বিকাশকে বিদেশেও পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু সেখানেও মাদকাসক্ত বন্ধুদের চক্রে পড়ে সে দেশে ফিরে আসে।
তিনি আরও জানান, মঙ্গলবার সকালে মাদক সেবনের গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সৈকত গুহ পিকলুর সহযোগিতায় হরিসেনা গ্রামে অভিযান চালানো হয়।
এ সময় ১০০ গ্রাম গাঁজাসহ বিকাশকে আটক করা হয়। পরে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মেহেদী হাসান ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে তাকে এই দণ্ড প্রদান করেন।