বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের নয়াকান্দি ফুটব্রিজ থেকে দক্ষিণ সাতলা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। নির্মিত সড়কটি রক্ষায় পাইলিংয়ের কাজে জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তায় মাটি ভরে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সড়ক রক্ষার কাজের মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মেসার্স তাসমিয়া এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়ক রক্ষার পাইলিংয়ের কাজ করছে। কিন্তু কাজে নির্ধারিত জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তায় মাটি ভরে ব্যবহার করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পানির সংস্পর্শে থাকলে পাটের বস্তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এভাবে পাইলিং কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক রক্ষার কাজে নির্ধারিত উপকরণের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তা ব্যবহার করা হলে প্রকল্পের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলজিআরডি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের তদারকি ও দায়িত্ব পালনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তা ব্যবহারের অনুমোদন আছে কি না? আর অনুমোদন না থাকলে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর তদারকির মধ্যেই এমন কাজ কীভাবে চলছে?
স্থানীয়দের আশঙ্কা, পানিতে পাটের বস্তা দ্রুত নষ্ট হয়ে গেলে পাইলি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। এতে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি ফের ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি ভবিষ্যতে জনদুর্ভোগও বাড়তে পারে। এছাড়াও
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণের দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি স্থানে পাথর ও বিটুমিন উঠে গেছে। অথচ সড়কটিতে ভারী যানবাহনের তেমন চলাচলও নেই। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্থানে পিচ-পাথর উঠে গিয়ে ছোট ছোট গর্ত তৈরি হয়েছে। এবং অনেক জায়গায় রাস্তা দেবেও গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা এলজিআরডি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রকল্পের নকশা ও কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হবে।”
এলাকাবাসী দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে পাইলিংয়ে ব্যবহৃত উপকরণের মান যাচাই এবং প্রকল্পের নকশা ও কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে নির্ধারিত মান অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।

১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৫
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে যাত্রী পরিবহনকারী এমভি মানামী লঞ্চের মালিক ও সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালামকে এক বছরের কারাদণ্ডসহ ৬ কোটি টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। শেয়ারহোল্ডারদের চেক প্রতারণা মামলায় ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ ১ম আদালত তাকে এই দণ্ড দিয়েছেন। বর্তমানে সালাম বিদেশে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। আলোচিত এই মামলার বাদী সালামের ব্যবসায়িক পার্টনার মানামী লঞ্চের শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা।
অভিযোগ, আবদুস সালাম আওয়ামী লীগের শাসনামলে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোল্ডার ফিরোজ আলম, ইসমত আরা এবং আহম্মেদ জাকিকে কোনঠাসা করে রাখেন। এবং তিন বছর আয় ব্যয়ের কোনো হিসাব দেননি। পরে এ নিয়ে লঞ্চ মালিকেরা সামাজিকভাবে আলোচনায় বসে তিন শেয়ারহোল্ডারের ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। এবং তিনি উল্লেখিত টাকার একটি চেকও প্রদান করেন শেয়ারহোল্ডারদের। কিন্তু ব্যাংক একাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি একাধিকবার ডিজঅনার হয়।
এই ঘটনায় শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা বাদী হয়ে ঢাকার আদালতে মামলাটি করেন। সেই মামলায় ৩ জুলাই আদালত আবদুস সালামকে এক বছরের সাজাসহ ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। মামলার রায়ে খুশি হয়েছেন ব্যবসায়ী পার্টনার ইসমত আরাসহ সকল শেয়ারহোল্ডার।
আদালতের রায়ের বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেড কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি সাজাপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুস সালাম বিদেশে পলাতক থাকায় তার বক্তব্যও নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে মানমী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান আবদুস সালামের সাথে আলোচনা করে পরবর্তীতে কথা বলার সুযোগ করে দিবেন।’
বরিশাল-ঢাকা নৌরুটে যাত্রী পরিবহনকারী এমভি মানামী লঞ্চের মালিক ও সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেডের চেয়ারম্যান মো. আবদুস সালামকে এক বছরের কারাদণ্ডসহ ৬ কোটি টাকা জরিমানা করেছেন আদালত। শেয়ারহোল্ডারদের চেক প্রতারণা মামলায় ঢাকার যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ ১ম আদালত তাকে এই দণ্ড দিয়েছেন। বর্তমানে সালাম বিদেশে পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে। আলোচিত এই মামলার বাদী সালামের ব্যবসায়িক পার্টনার মানামী লঞ্চের শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা।
অভিযোগ, আবদুস সালাম আওয়ামী লীগের শাসনামলে ক্ষমতার প্রভাব বিস্তার করে লঞ্চের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হোল্ডার ফিরোজ আলম, ইসমত আরা এবং আহম্মেদ জাকিকে কোনঠাসা করে রাখেন। এবং তিন বছর আয় ব্যয়ের কোনো হিসাব দেননি। পরে এ নিয়ে লঞ্চ মালিকেরা সামাজিকভাবে আলোচনায় বসে তিন শেয়ারহোল্ডারের ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের সিদ্ধান্ত হয়। এবং তিনি উল্লেখিত টাকার একটি চেকও প্রদান করেন শেয়ারহোল্ডারদের। কিন্তু ব্যাংক একাউন্টে পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় চেকটি একাধিকবার ডিজঅনার হয়।
এই ঘটনায় শেয়ারহোল্ডার ইসমত আরা বাদী হয়ে ঢাকার আদালতে মামলাটি করেন। সেই মামলায় ৩ জুলাই আদালত আবদুস সালামকে এক বছরের সাজাসহ ৬ কোটি ২৭ লাখ টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেন। মামলার রায়ে খুশি হয়েছেন ব্যবসায়ী পার্টনার ইসমত আরাসহ সকল শেয়ারহোল্ডার।
আদালতের রায়ের বিষয়ে সালাম শিপিং লাইনস লিমিটেড কর্তৃপক্ষের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনকি সাজাপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুস সালাম বিদেশে পলাতক থাকায় তার বক্তব্যও নেওয়া সম্ভব হয়নি।
তবে মানমী লঞ্চের সুপারভাইজার বাপ্পির সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, বিষয়টি নিয়ে চেয়ারম্যান আবদুস সালামের সাথে আলোচনা করে পরবর্তীতে কথা বলার সুযোগ করে দিবেন।’

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:১৮
বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা কাজী শাওনকে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি থেকে অপসারণ (ক্লোজড) করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে আকস্মিক এসআই পদমর্যাদার এই কর্মকর্তাকে কর্মস্থল থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। অল্প কিছুদিন এই পুলিশ কর্মকর্তা স্টিমারঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত থাকলেও বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহে তিনি ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন। বিশেষ করে আটক বাণিজ্য এবং আসামি ধরতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে গালিগালাজ করাসহ একাধিক অভিযোগটি জোরালো রূপে পাওয়া যাচ্ছিল। সোমবার রাতে পুলিশ কর্মকর্তা কাজী শাওনকে ফাঁড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় অনেককে স্বস্তিপ্রকাশ করতে দেখা গেছে।
বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পাওয়া যাচ্ছে, বরিশাল রেঞ্জের সাবেক একজন পুলিশ কর্মকর্তার স্বজনকে সোমবার রাতে বান্দরোড থেকে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে টহল গাড়িতে নিয়ে ঘোরেন এসআই কাজী শাওন। এমনকি তাকে জিম্মি করে মোটা অংকের অর্থও হাতিয়ে নেন। বরিশালের সাবেক ওই পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি বিএমপির শীর্ষ কর্মকর্তাদের অবহিত করলে এসআই শাওনকে রাতেই ফাঁড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
আটক বাণিজ্যের অভিযোগে ক্লোজড হওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন এসআই কাজী শাওন। তার দাবি, হঠাৎ করেই বদলি করা হয়েছে। এবং পুলিশের চাকরিটাই এমন, মন্তব্য করেন।
রেঞ্জ পুলিশের সাবেক কর্মকর্তার ভাগিনাকে নিয়ে আটক বাণিজ্য করার অভিযোগে তাকে শাস্তিস্বরূপ ফাঁড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কথা বলতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। এসআই শাওনকে ক্লোজড করার বিষয়টি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম স্বীকার করেছেন। কিন্তু কেনো তাকে গভীর রাতে সরিয়ে দেওয়া হলো সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য না করলেও নাতিদীর্ঘ আলোচনায় প্রত্যাহারের হেতু কি কিছুটা হলেও অনুমান করা গেছে।
বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা শাওনকে সরিয়ে দেওয়ায় ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পেয়েছেন এএসআই মহিউদ্দিন। এই পুলিশ কর্মকর্তাও সোমবার রাতের বিষয়টি নিয়ে মিডিয়ায় কথা বলতে চাইছেন না।
এই বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত হতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্কে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
তবে বিএমপি পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, সোমবার রাতের বিতর্কিত ঘটনার প্রেক্ষাপটেই তাকে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়। এবং তার বিরুদ্ধে আটক বাণিজ্য করার জোরালো অভিযোগও ছিল।
এসআই শাওন জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই শাস্তিস্বরূপ তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো।’
বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা কাজী শাওনকে বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের আওতাধীন স্টিমারঘাট ফাঁড়ি থেকে অপসারণ (ক্লোজড) করা হয়েছে। সোমবার গভীর রাতে আকস্মিক এসআই পদমর্যাদার এই কর্মকর্তাকে কর্মস্থল থেকে সরিয়ে পুলিশ লাইনসে সংযুক্ত করা হয়। অল্প কিছুদিন এই পুলিশ কর্মকর্তা স্টিমারঘাট ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে কর্মরত থাকলেও বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহে তিনি ব্যাপক আলোচনায় ছিলেন। বিশেষ করে আটক বাণিজ্য এবং আসামি ধরতে গিয়ে সাধারণ মানুষকে গালিগালাজ করাসহ একাধিক অভিযোগটি জোরালো রূপে পাওয়া যাচ্ছিল। সোমবার রাতে পুলিশ কর্মকর্তা কাজী শাওনকে ফাঁড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়ার ঘটনায় অনেককে স্বস্তিপ্রকাশ করতে দেখা গেছে।
বিভিন্ন মাধ্যমে খবর পাওয়া যাচ্ছে, বরিশাল রেঞ্জের সাবেক একজন পুলিশ কর্মকর্তার স্বজনকে সোমবার রাতে বান্দরোড থেকে আটক করা হয় এবং পরবর্তীতে তাকে টহল গাড়িতে নিয়ে ঘোরেন এসআই কাজী শাওন। এমনকি তাকে জিম্মি করে মোটা অংকের অর্থও হাতিয়ে নেন। বরিশালের সাবেক ওই পুলিশ কর্মকর্তা বিষয়টি বিএমপির শীর্ষ কর্মকর্তাদের অবহিত করলে এসআই শাওনকে রাতেই ফাঁড়ি থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়।
আটক বাণিজ্যের অভিযোগে ক্লোজড হওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন এসআই কাজী শাওন। তার দাবি, হঠাৎ করেই বদলি করা হয়েছে। এবং পুলিশের চাকরিটাই এমন, মন্তব্য করেন।
রেঞ্জ পুলিশের সাবেক কর্মকর্তার ভাগিনাকে নিয়ে আটক বাণিজ্য করার অভিযোগে তাকে শাস্তিস্বরূপ ফাঁড়ি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়? এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি কথা বলতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন। এসআই শাওনকে ক্লোজড করার বিষয়টি বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ওসি মামুন উল ইসলাম স্বীকার করেছেন। কিন্তু কেনো তাকে গভীর রাতে সরিয়ে দেওয়া হলো সে সম্পর্কে কোনো মন্তব্য না করলেও নাতিদীর্ঘ আলোচনায় প্রত্যাহারের হেতু কি কিছুটা হলেও অনুমান করা গেছে।
বিতর্কিত পুলিশ কর্মকর্তা শাওনকে সরিয়ে দেওয়ায় ফাঁড়ির ইনচার্জ হিসেবে ভারপ্রাপ্ত দায়িত্ব পেয়েছেন এএসআই মহিউদ্দিন। এই পুলিশ কর্মকর্তাও সোমবার রাতের বিষয়টি নিয়ে মিডিয়ায় কথা বলতে চাইছেন না।
এই বিষয়টি সত্যতা নিশ্চিত হতে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্কে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি।
তবে বিএমপি পুলিশের একাধিক দায়িত্বশীল সূত্র নিশ্চিত করেছে, সোমবার রাতের বিতর্কিত ঘটনার প্রেক্ষাপটেই তাকে পুলিশ লাইনসে প্রত্যাহার করা হয়। এবং তার বিরুদ্ধে আটক বাণিজ্য করার জোরালো অভিযোগও ছিল।
এসআই শাওন জুলাই মাসের মাঝামাঝি সময়ে স্টিমারঘাট ফাঁড়ি পুলিশের ইনচার্জ হিসেবে যোগদান করেন। কিন্তু নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগেই শাস্তিস্বরূপ তাকে সরিয়ে দেওয়া হলো।’

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৭
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ভাঙাচোরা সানুহার-ধামুড়া-সাতলা সড়ক নিয়ে বছরের পর বছর জনদুর্ভোগ চললেও সমাধান মিলছে না।
সড়ক সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর আন্দোলনের পর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়কে ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
তার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের হুমকি ও শাসানোর অভিযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নকাজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
সড়ক সংস্কারের দাবিতে গত ৯ আগস্ট বামরাইল ইউনিয়নের ঈদগাহ বাজারে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ রেখে তারা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি করেন। শত শত মানুষের অংশগ্রহণে বিক্ষোভে দীর্ঘদিনের জনক্ষোভ প্রকাশ পায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন খানাখন্দ, গর্ত ও কাদায় পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়ে ঝুঁকি।
প্রতিদিন শিক্ষার্থী, রোগী, শিশু, বৃদ্ধ, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অথচ সংস্কারের নামে দীর্ঘদিন ধরে চলছে শুধু আশ্বাস।
এরমধ্যেই আন্দোলনকারীদের হুমকি-শাসানোর অভিযোগে প্রকৌশলী সুব্রত রায়কে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তার সঙ্গে কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে এলাকায় শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।
তবে অডিওটির সত্যতা ও পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রকৌশলী সুব্রত রায়ও কল রেকর্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
অপরদিকে সড়ক নিয়ে প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি (প্রকৌশলী) বলেন, রাস্তার পাশ দিয়ে পানি নামানো না গেলে এ রাস্তা এক মাসও টিকবে না।
তিনি আরও বলেন, ঠিকাদার কাজ শুরু করার আগে জনগণের চলাচলের জন্য কিছু করা যাবেনা।
প্রকৌশলীর এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কের স্থায়ীত্ব যদি পানি নিষ্কাশনের ওপর নির্ভর করে, তাহলে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সময় পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি কেন?
জনগণের চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না করেই কাজ শুরু হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
অপরদিকে প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা, সানুহার-ধামুড়া-সাতলা সড়কের প্রকল্প, টেন্ডার, ব্যয়, কাজের মান ও তদারকির বিষয়গুলো তদন্তের পাশাপাশি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার ভাঙাচোরা সানুহার-ধামুড়া-সাতলা সড়ক নিয়ে বছরের পর বছর জনদুর্ভোগ চললেও সমাধান মিলছে না।
সড়ক সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসীর আন্দোলনের পর উপজেলা এলজিইডির প্রকৌশলী সুব্রত রায়কে ঘিরে উঠেছে নানা প্রশ্ন।
তার বিরুদ্ধে আন্দোলনকারীদের হুমকি ও শাসানোর অভিযোগের পাশাপাশি বিভিন্ন উন্নয়নকাজে অনিয়ম, দুর্নীতি ও তদারকিতে গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
সড়ক সংস্কারের দাবিতে গত ৯ আগস্ট বামরাইল ইউনিয়নের ঈদগাহ বাজারে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও এলাকাবাসী।
প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ রেখে তারা দ্রুত সড়ক সংস্কারের দাবি করেন। শত শত মানুষের অংশগ্রহণে বিক্ষোভে দীর্ঘদিনের জনক্ষোভ প্রকাশ পায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ঢাকা-বরিশাল মহাসড়ক সংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কটি এখন খানাখন্দ, গর্ত ও কাদায় পরিণত হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়ে ঝুঁকি।
প্রতিদিন শিক্ষার্থী, রোগী, শিশু, বৃদ্ধ, চাকরিজীবী ও ব্যবসায়ীসহ হাজারো মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। অথচ সংস্কারের নামে দীর্ঘদিন ধরে চলছে শুধু আশ্বাস।
এরমধ্যেই আন্দোলনকারীদের হুমকি-শাসানোর অভিযোগে প্রকৌশলী সুব্রত রায়কে ঘিরে নতুন করে ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
তার সঙ্গে কথোপকথনের একটি কল রেকর্ড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হলে এলাকায় শুরু হয় তীব্র আলোচনা-সমালোচনা।
তবে অডিওটির সত্যতা ও পূর্ণ প্রেক্ষাপট স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
প্রকৌশলী সুব্রত রায়ও কল রেকর্ডের সঙ্গে তার সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন।
অপরদিকে সড়ক নিয়ে প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্যে নানা প্রশ্নের সৃষ্টি হয়েছে।
তিনি (প্রকৌশলী) বলেন, রাস্তার পাশ দিয়ে পানি নামানো না গেলে এ রাস্তা এক মাসও টিকবে না।
তিনি আরও বলেন, ঠিকাদার কাজ শুরু করার আগে জনগণের চলাচলের জন্য কিছু করা যাবেনা।
প্রকৌশলীর এই বক্তব্যের পর প্রশ্ন উঠেছে, কোটি কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কের স্থায়ীত্ব যদি পানি নিষ্কাশনের ওপর নির্ভর করে, তাহলে প্রকল্প গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সময় পানি নিষ্কাশনের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়নি কেন?
জনগণের চলাচলের বিকল্প ব্যবস্থা না করেই কাজ শুরু হলে দুর্ভোগ আরও বাড়বে।
অপরদিকে প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির অভিযোগও নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি করেছেন সচেতন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা, সানুহার-ধামুড়া-সাতলা সড়কের প্রকল্প, টেন্ডার, ব্যয়, কাজের মান ও তদারকির বিষয়গুলো তদন্তের পাশাপাশি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্মকর্তাদের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:০৯
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের নয়াকান্দি ফুটব্রিজ থেকে দক্ষিণ সাতলা পর্যন্ত প্রায় আড়াই কিলোমিটার সড়ক নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৭৪ লাখ ৯৯ হাজার টাকা। নির্মিত সড়কটি রক্ষায় পাইলিংয়ের কাজে জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তায় মাটি ভরে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। এতে সড়ক রক্ষার কাজের মান ও স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, মেসার্স তাসমিয়া এন্টারপ্রাইজ নামে একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সড়ক রক্ষার পাইলিংয়ের কাজ করছে। কিন্তু কাজে নির্ধারিত জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তায় মাটি ভরে ব্যবহার করা হচ্ছে। দীর্ঘদিন পানির সংস্পর্শে থাকলে পাটের বস্তা দ্রুত নষ্ট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এভাবে পাইলিং কতটা টেকসই হবে, তা নিয়ে শঙ্কা প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়রা অভিযোগ করে বলেন, সরকারি অর্থে নির্মিত গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়ক রক্ষার কাজে নির্ধারিত উপকরণের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তা ব্যবহার করা হলে প্রকল্পের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। একই সঙ্গে দায়িত্বপ্রাপ্ত এলজিআরডি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের তদারকি ও দায়িত্ব পালনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তারা।
এলাকাবাসীর প্রশ্ন, জিও ব্যাগের পরিবর্তে পুরোনো পাটের বস্তা ব্যবহারের অনুমোদন আছে কি না? আর অনুমোদন না থাকলে দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশলীর তদারকির মধ্যেই এমন কাজ কীভাবে চলছে?
স্থানীয়দের আশঙ্কা, পানিতে পাটের বস্তা দ্রুত নষ্ট হয়ে গেলে পাইলি দুর্বল হয়ে পড়তে পারে। এতে প্রায় ৭৫ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সড়কটি ফের ক্ষতির মুখে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে সরকারি অর্থের অপচয়ের পাশাপাশি ভবিষ্যতে জনদুর্ভোগও বাড়তে পারে। এছাড়াও
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণের দুই মাস পূর্ণ হওয়ার আগেই অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি স্থানে পাথর ও বিটুমিন উঠে গেছে। অথচ সড়কটিতে ভারী যানবাহনের তেমন চলাচলও নেই। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন স্থানে পিচ-পাথর উঠে গিয়ে ছোট ছোট গর্ত তৈরি হয়েছে। এবং অনেক জায়গায় রাস্তা দেবেও গেছে।
এ বিষয়ে উপজেলা এলজিআরডি প্রকৌশলী সুব্রত রায়ের বক্তব্য জানতে চাইলে তিনি বলেন, “বিষয়টি সরেজমিনে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রকল্পের নকশা ও কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা হবে।”
এলাকাবাসী দ্রুত সরেজমিন তদন্ত করে পাইলিংয়ে ব্যবহৃত উপকরণের মান যাচাই এবং প্রকল্পের নকশা ও কার্যাদেশ অনুযায়ী কাজ হচ্ছে কি না, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে নির্ধারিত মান অনুযায়ী কাজ সম্পন্ন করার পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা।