ছবি: বরিশাল টাইমস
নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে অসহায়ের মতো নিজের শেষ সম্বলটুকু নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে দেখছেন ৭০ বছরের বৃদ্ধা ফুলবানু বেগম। চোখের সামনে ভেঙে পড়ছে বসতভিটা, বিলীন হচ্ছে স্মৃতি। আগ্রাসী নদী কেড়ে নিচ্ছে বেঁচে থাকার শেষ আশাটুকুও।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লোহালিয়া, সিংহরকাঠি ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে ভয়াবহ নদীভাঙন। প্রতিদিনই নদীতে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও মানুষের শেষ সম্বল।
ফুলবানু বেগমের দাবি, ছোটবেলা থেকেই তিনি দেখে আসছেন নদীর ভয়ংকর রূপ। কেটে গেছে প্রায় চার দশক। বদলেছে সরকার, জনপ্রতিনিধি এসেছে-গেছে, এসেছে একের পর এক প্রতিশ্রুতি—কিন্তু বদলায়নি নদীপাড়ের মানুষের ভাগ্য।
ভোটের সময় জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের আনাগোনা থাকলেও ভোট শেষ হলে যেন তাদের খোঁজ নেওয়ার কেউ থাকে না। স্থানীয়দের প্রশ্ন, নিরাপদ বাঁধ কোথায়? পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগই বা কোথায়?
শুধু ফুলবানু নন, নদীভাঙনের শিকার ক্যান্সারে আক্রান্ত অসহায় হালিমাও। স্বামী রেখে যাওয়া শেষ সম্বলটুকু আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু গত রাতের ভয়াবহ ভাঙনে সেই সম্বলেরও অর্ধেক চলে গেছে নদীর পেটে।
এমনকি স্বজনদের কবরস্থানও রেহাই পায়নি নদীর ভাঙন থেকে। একের পর এক কবর বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীগর্ভে। পূর্বপুরুষের স্মৃতিচিহ্ন হারিয়ে শোক আর আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের দাবি, নদীর তীরজুড়ে কয়েক শতাধিক পরিবার বসবাস করছে। অথচ ভাঙনের মুখে পড়া এসব মানুষের জন্য নেই পর্যাপ্ত নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা। ফলে কখন ঘর ভেঙে পড়বে, কখন শেষ সম্বলটুকু নদীতে চলে যাবে—এই আতঙ্কেই দিন কাটছে দুই গ্রামের মানুষের।
নদীভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বিষয়টি উল্লেখ করে ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হবে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ নিতে কেউ আসেননি। এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, তারা আর প্রতিশ্রুতি চান না। চান টেকসই বাঁধ, চান নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ।
তাদের প্রশ্ন—কখন বন্ধ হবে এই সর্বনাশা নদীভাঙন? আর কত পরিবার সর্বস্ব হারালে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে? আর কত ফুলবানু ও হালিমার শেষ সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হলে সংশ্লিষ্টদের টনক নড়বে?

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩০
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভাতিজার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ায় অভিযুক্ত ভাতিজা ও তার বাবার হামলায় কলিম উল্লাহ (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের দিঘিরপার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কলিম উল্লাহ একই গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে কলিম উল্লাহর বড় মেয়েকে (১৮) নিজ ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন তার বড় ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে জুবের আহমদ (২০)। এ ঘটনায় জুবের আহমদকে স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের উদ্যোগে বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সালিশ বৈঠকের সময় নির্ধারণ করে জুবের আহমদকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে সালিশের দিনক্ষণ সামনে রেখে ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে সয়ফুল্লাহ তার ছেলে জুবের আহমেদকে পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত গ্রামে নিয়ে বিয়ে করান।
এদিকে বিচার না পেয়ে শনিবার গোয়াইনঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন কলিম উল্লাহ। থানায় অভিযোগ করার পরপরই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একজন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে ওই এসআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত জুবের আহমদ ও তার বাবা সয়ফুল্লাহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলিম উল্লাহর ওপর হামলা করেন। অতর্কিত হামলায় সয়ফুল্লাহর দায়ের কোপ কলিম উল্লাহর গলায় লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন কলিম উল্লাহকে উদ্ধার করে দ্রুত গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কলিম উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
গণামাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. ওমর ফারুক মোড়ল সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আক্রমণকারী সয়ফুল্লাহের এক ছেলে আমির উদ্দিনকে (২৭) আটক করেছে। জড়িত অন্যান্যদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।’
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভাতিজার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ায় অভিযুক্ত ভাতিজা ও তার বাবার হামলায় কলিম উল্লাহ (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের দিঘিরপার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কলিম উল্লাহ একই গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে কলিম উল্লাহর বড় মেয়েকে (১৮) নিজ ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন তার বড় ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে জুবের আহমদ (২০)। এ ঘটনায় জুবের আহমদকে স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের উদ্যোগে বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সালিশ বৈঠকের সময় নির্ধারণ করে জুবের আহমদকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে সালিশের দিনক্ষণ সামনে রেখে ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে সয়ফুল্লাহ তার ছেলে জুবের আহমেদকে পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত গ্রামে নিয়ে বিয়ে করান।
এদিকে বিচার না পেয়ে শনিবার গোয়াইনঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন কলিম উল্লাহ। থানায় অভিযোগ করার পরপরই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একজন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে ওই এসআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত জুবের আহমদ ও তার বাবা সয়ফুল্লাহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলিম উল্লাহর ওপর হামলা করেন। অতর্কিত হামলায় সয়ফুল্লাহর দায়ের কোপ কলিম উল্লাহর গলায় লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন কলিম উল্লাহকে উদ্ধার করে দ্রুত গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কলিম উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
গণামাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. ওমর ফারুক মোড়ল সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আক্রমণকারী সয়ফুল্লাহের এক ছেলে আমির উদ্দিনকে (২৭) আটক করেছে। জড়িত অন্যান্যদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।’

১২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪০
পুলিশের আলোচিত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন, কক্সবাজারের ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাশ, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহানী, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতাবলে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।
পুলিশের আলোচিত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন, কক্সবাজারের ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাশ, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহানী, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতাবলে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৫২
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস

১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:১২
নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে অসহায়ের মতো নিজের শেষ সম্বলটুকু নদীগর্ভে হারিয়ে যেতে দেখছেন ৭০ বছরের বৃদ্ধা ফুলবানু বেগম। চোখের সামনে ভেঙে পড়ছে বসতভিটা, বিলীন হচ্ছে স্মৃতি। আগ্রাসী নদী কেড়ে নিচ্ছে বেঁচে থাকার শেষ আশাটুকুও।
বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের লোহালিয়া, সিংহরকাঠি ও আশপাশের এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চলছে ভয়াবহ নদীভাঙন। প্রতিদিনই নদীতে বিলীন হচ্ছে বসতভিটা, ফসলি জমি ও মানুষের শেষ সম্বল।
ফুলবানু বেগমের দাবি, ছোটবেলা থেকেই তিনি দেখে আসছেন নদীর ভয়ংকর রূপ। কেটে গেছে প্রায় চার দশক। বদলেছে সরকার, জনপ্রতিনিধি এসেছে-গেছে, এসেছে একের পর এক প্রতিশ্রুতি—কিন্তু বদলায়নি নদীপাড়ের মানুষের ভাগ্য।
ভোটের সময় জনপ্রতিনিধি ও নেতাকর্মীদের আনাগোনা থাকলেও ভোট শেষ হলে যেন তাদের খোঁজ নেওয়ার কেউ থাকে না। স্থানীয়দের প্রশ্ন, নিরাপদ বাঁধ কোথায়? পানি উন্নয়ন বোর্ডের কার্যকর উদ্যোগই বা কোথায়?
শুধু ফুলবানু নন, নদীভাঙনের শিকার ক্যান্সারে আক্রান্ত অসহায় হালিমাও। স্বামী রেখে যাওয়া শেষ সম্বলটুকু আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার চেষ্টা করছিলেন তিনি। কিন্তু গত রাতের ভয়াবহ ভাঙনে সেই সম্বলেরও অর্ধেক চলে গেছে নদীর পেটে।
এমনকি স্বজনদের কবরস্থানও রেহাই পায়নি নদীর ভাঙন থেকে। একের পর এক কবর বিলীন হয়ে যাচ্ছে নদীগর্ভে। পূর্বপুরুষের স্মৃতিচিহ্ন হারিয়ে শোক আর আতঙ্কে দিন কাটছে স্থানীয়দের।
স্থানীয়দের দাবি, নদীর তীরজুড়ে কয়েক শতাধিক পরিবার বসবাস করছে। অথচ ভাঙনের মুখে পড়া এসব মানুষের জন্য নেই পর্যাপ্ত নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা। ফলে কখন ঘর ভেঙে পড়বে, কখন শেষ সম্বলটুকু নদীতে চলে যাবে—এই আতঙ্কেই দিন কাটছে দুই গ্রামের মানুষের।
নদীভাঙনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জাবেদ ইকবাল জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর বিষয়টি উল্লেখ করে ঢাকায় প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়া গেলে দ্রুত নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় কাজ শুরু করা হবে।
তবে স্থানীয়দের অভিযোগ, ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও এখন পর্যন্ত তাদের খোঁজ নিতে কেউ আসেননি। এ বিষয়ে বাবুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
স্থানীয়রা বলছেন, তারা আর প্রতিশ্রুতি চান না। চান টেকসই বাঁধ, চান নদীভাঙন রোধে কার্যকর ও স্থায়ী পদক্ষেপ।
তাদের প্রশ্ন—কখন বন্ধ হবে এই সর্বনাশা নদীভাঙন? আর কত পরিবার সর্বস্ব হারালে প্রশাসনের ঘুম ভাঙবে? আর কত ফুলবানু ও হালিমার শেষ সম্বল নদীগর্ভে বিলীন হলে সংশ্লিষ্টদের টনক নড়বে?
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:১২
১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৫
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:১৮
১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:১৭