সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভাতিজার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ায় অভিযুক্ত ভাতিজা ও তার বাবার হামলায় কলিম উল্লাহ (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের দিঘিরপার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কলিম উল্লাহ একই গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে কলিম উল্লাহর বড় মেয়েকে (১৮) নিজ ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন তার বড় ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে জুবের আহমদ (২০)। এ ঘটনায় জুবের আহমদকে স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের উদ্যোগে বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সালিশ বৈঠকের সময় নির্ধারণ করে জুবের আহমদকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে সালিশের দিনক্ষণ সামনে রেখে ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে সয়ফুল্লাহ তার ছেলে জুবের আহমেদকে পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত গ্রামে নিয়ে বিয়ে করান।
এদিকে বিচার না পেয়ে শনিবার গোয়াইনঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন কলিম উল্লাহ। থানায় অভিযোগ করার পরপরই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একজন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে ওই এসআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত জুবের আহমদ ও তার বাবা সয়ফুল্লাহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলিম উল্লাহর ওপর হামলা করেন। অতর্কিত হামলায় সয়ফুল্লাহর দায়ের কোপ কলিম উল্লাহর গলায় লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন কলিম উল্লাহকে উদ্ধার করে দ্রুত গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কলিম উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
গণামাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. ওমর ফারুক মোড়ল সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আক্রমণকারী সয়ফুল্লাহের এক ছেলে আমির উদ্দিনকে (২৭) আটক করেছে। জড়িত অন্যান্যদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।’

১২ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৪০
পুলিশের আলোচিত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন, কক্সবাজারের ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাশ, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহানী, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতাবলে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।
পুলিশের আলোচিত যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক গোলাম রাব্বানীর ছোট ভাই ও ঢাকা মহানগর পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) গোলাম রুহানীসহ পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার।
বুধবার (১২ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়।
বরখাস্ত হওয়া কর্মকর্তারা হলেন- বরিশাল রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ে সংযুক্ত পুলিশের যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার ও সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, খুলনা রেঞ্জ ডিআইজির কার্যালয়ের পুলিশ সুপার মো. ইকবাল হোসাইন, কক্সবাজারের ৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের (এপিবিএন) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রাজন কুমার দাশ, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম রুহানী, চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের উপপুলিশ কমিশনার কাজী আশরাফুল আজীম।
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারার ক্ষমতাবলে তাদের চাকরি থেকে বরখাস্ত করার কথা জানানো হয়েছে।
শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৫২
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস
বাংলা চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় নায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী আশরাফুল হক ডনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
রোববার (৯ আগস্ট) দুপুরে বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামরুল হাসান তালুকদার জাগো নিউজকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, বিমানবন্দর এলাকা থেকে ইমিগ্রেশন পুলিশ ডনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এরপর সিআইডির একটি টিম এসে ডনকে নিয়ে যায়। সিআইডিতে একটি মামলা চলমান। তারা তদন্ত করছেন।
সালমান শাহর মৃত্যুর ২৯ বছর পর আদালত হত্যা মামলা পরিচালনার নির্দেশ দেন গত বছর। ঢাকার ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ জান্নাতুল ফেরদৌস ইবনে হক এ আদেশ দেন।
পুরোনো নথি থেকে দেখা যায়, একাধিক তদন্ত সংস্থার হাত ঘুরে সালমান শাহের মৃত্যু রহস্য উদ্ঘাটনে দীর্ঘদিন ধরে তদন্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। সংস্থাটি প্রতিবেদন দেয়, সালমান শাহের মৃত্যু আত্মহত্যাজনিত। তবে তার পরিবার ও ভক্তরা তা মানতে পারেননি।
এরই ধারাবাহিকতায় গত বছরের ২১ অক্টোবর রাজধানীর রমনা থানায় হত্যা মামলা করেন সালমান শাহের মামা মোহাম্মদ আলমগীর। মামলায় সাবেক স্ত্রী সামিরা হক, খল চরিত্রের অভিনয়শিল্পী ডন হকসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিয়ে জল্পনা চললেও তদন্তের জন্য কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বর্তমানে মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।
বরিশাল টাইমস

০৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩৯
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে জলাতঙ্কের টিকা না থাকায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে এই নির্দেশ দেওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে তাকে ‘ক্ষমা’ করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। এ সময় হাসপাতাল ঘুরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের প্রমাণ পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি হাসপাতাল থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে ফোন করে সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলি করার নির্দেশ দেন।
ফোনে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দিবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’
এ সময় ওষুধের সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফোনে আরও বলেন, ‘এখানে এক মাস ধরে র্যাবিস ইনজেকশন (জলাতঙ্কের টিকা) নাই, এনএস (স্যালাইন) নাই হাইমচরে।’
তিনি ফোনে বলেন, ‘উনাকে উইথড্র (প্রত্যাহার) করে দেন ওইদিকে...ঢাকার পশ্চিমে দিবেন। চাকরি করার মজাটা বুঝে আসবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান।
সেখানে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। এ সময় ভ্যাকসিনের বিষয়ে একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইমচরে র্যাবিসের টিকা শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য স্যার একটু রাগ করেছিলেন।’
চাঁদপুরের হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে জলাতঙ্কের টিকা না থাকায় জেলার সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনকে তাৎক্ষণিক বদলির নির্দেশ দিয়েছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। তবে এই নির্দেশ দেওয়ার মাত্র দুই ঘণ্টার মধ্যেই সেই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে তাকে ‘ক্ষমা’ করার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রী।
স্বাস্থ্যমন্ত্রী আজ রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। এ সময় হাসপাতাল ঘুরে প্রয়োজনীয় ওষুধের সংকটের প্রমাণ পান তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তিনি হাসপাতাল থেকে সরাসরি মন্ত্রণালয়ে ফোন করে সিভিল সার্জনকে উত্তরবঙ্গের কোনো জেলায় বদলি করার নির্দেশ দেন।
ফোনে মন্ত্রীকে বলতে শোনা যায়, ‘চাঁদপুরের সিভিল সার্জনকে একেবারে উত্তরবঙ্গের দিকে দিবেন। আর অন্য একজন সিভিল সার্জন দেন এখানে।’
এ সময় ওষুধের সংকটের কথা তুলে ধরে মন্ত্রী ফোনে আরও বলেন, ‘এখানে এক মাস ধরে র্যাবিস ইনজেকশন (জলাতঙ্কের টিকা) নাই, এনএস (স্যালাইন) নাই হাইমচরে।’
তিনি ফোনে বলেন, ‘উনাকে উইথড্র (প্রত্যাহার) করে দেন ওইদিকে...ঢাকার পশ্চিমে দিবেন। চাকরি করার মজাটা বুঝে আসবে।’
স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই পরিদর্শনের সময় চাঁদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শেখ ফরিদ আহমেদসহ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। হাইমচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শন শেষে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্বাস্থ্যমন্ত্রী চাঁদপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট সরকারি জেনারেল হাসপাতালে যান।
সেখানে হাসপাতালের সম্মেলনকক্ষে তত্ত্বাবধায়ক ও সিভিল সার্জনসহ অন্য কর্মকর্তাদের সঙ্গে তিনি বৈঠকে বসেন।
বৈঠকে সিভিল সার্জনের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার প্রসঙ্গে আলোচনা হয়। এ সময় ভ্যাকসিনের বিষয়ে একটি ভুল-বোঝাবুঝি ছিল বলে স্বাস্থ্যমন্ত্রীকে জানানো হয়। পরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী তার আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন।
এ ব্যাপারে চাঁদপুরের সিভিল সার্জন ডা. মোহাম্মদ নূর আলম দীনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘হাইমচরে র্যাবিসের টিকা শেষ হয়ে গিয়েছিল, এ জন্য স্যার একটু রাগ করেছিলেন।’

১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩০
সিলেটের গোয়াইনঘাটে ভাতিজার বিরুদ্ধে মেয়েকে ধর্ষণের অভিযোগ দেওয়ায় অভিযুক্ত ভাতিজা ও তার বাবার হামলায় কলিম উল্লাহ (৫০) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শনিবার (১৫ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার পূর্ব আলীরগাঁও ইউনিয়নের দিঘিরপার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
নিহত কলিম উল্লাহ একই গ্রামের বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে জানা গেছে, সোমবার (১০ আগস্ট) বিকেলে কলিম উল্লাহর বড় মেয়েকে (১৮) নিজ ঘরে একা পেয়ে ধর্ষণ করেন তার বড় ভাই সয়ফুল্লাহর ছেলে জুবের আহমদ (২০)। এ ঘটনায় জুবের আহমদকে স্থানীয় লোকজন হাতেনাতে আটক করেন। এ নিয়ে উত্তেজনা বিরাজ করলে তাৎক্ষণিকভাবে স্থানীয়দের উদ্যোগে বুধবার (১৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় সালিশ বৈঠকের সময় নির্ধারণ করে জুবের আহমদকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
এদিকে সালিশের দিনক্ষণ সামনে রেখে ধর্ষণের ঘটনাকে ধামাচাপা দিতে শুক্রবার (১৪ আগস্ট) রাতে সয়ফুল্লাহ তার ছেলে জুবের আহমেদকে পার্শ্ববর্তী জৈন্তাপুর উপজেলার দরবস্ত গ্রামে নিয়ে বিয়ে করান।
এদিকে বিচার না পেয়ে শনিবার গোয়াইনঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন কলিম উল্লাহ। থানায় অভিযোগ করার পরপরই থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) একজন উপ-পরিদর্শককে (এসআই) অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেন। পরে দুপুর ১২টার দিকে ওই এসআই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এতে ক্ষুব্ধ হয়ে অভিযুক্ত জুবের আহমদ ও তার বাবা সয়ফুল্লাহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে কলিম উল্লাহর ওপর হামলা করেন। অতর্কিত হামলায় সয়ফুল্লাহর দায়ের কোপ কলিম উল্লাহর গলায় লাগলে তিনি ঘটনাস্থলেই অচেতন হয়ে পড়েন। স্থানীয় লোকজন কলিম উল্লাহকে উদ্ধার করে দ্রুত গোয়াইনঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক কলিম উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। পরে পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে মরদেহ থানায় নিয়ে যায়।
গণামাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে গোয়াইনঘাট থানার ওসি মো. ওমর ফারুক মোড়ল সাংবাদিকদের বলেন, পুলিশ তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে আক্রমণকারী সয়ফুল্লাহের এক ছেলে আমির উদ্দিনকে (২৭) আটক করেছে। জড়িত অন্যান্যদের আটকে পুলিশের অভিযান চলছে।’
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৮
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৩০
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৪৭
১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১২:৩১