পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদের বিরুদ্দে সংবাদ মম্মেলন করেছেন ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ মহিউদ্দিন। বুধবার দুপুর ৩টায় প্রভাষক মো. মহিউদ্দিন তার নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমার সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরে চলতি মাসের ১ তারিখ কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এমসিকিউ পরীক্ষা শেষে আমি হল সুপার থাকায় ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করে অফিস কক্ষে বসে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করি। ওই অবস্থায় সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন শত্রুতা বশত পিছন থেকে আমার ছবি তুলে তার নিজ পত্রিকাসহ অন্যান্য মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদে উল্লেখ করে আমি নাকি ওএমআরএ উত্তরপত্র ভরাট করি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
মহিউদ্দিন আরও বলেন, সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে বিগত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে যোগদান করে এবং ২০২৩ সালে মে মাসের ১ তারিখ ১০ গ্রেডে এমপিওভুক্ত হয়, যার ইনডেক্স নং- (ঘ৫৬৮৫১৩২৫)। অথচ ওই শিক্ষক একই সময়ে উপজেলার দক্ষিণ দাসপাড়া আব্দুল গণি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় তার বিরুদ্ধে মাউশিতে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে মামলা হওয়ার পর থেকেই আমাকে অভিযোগকারী হিসেবে সন্দেহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ শত্রুতা পোষণ করে আসছে।
এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে জায়েদ ইকবাল খানের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন মিলে প্রভাষক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মানব বন্ধন করেন। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফখরুজ্জামান বাদল, রুহুল আমীন মোল্লা এবং জায়েদ ইকবাল খান প্রমুখ।
এ বিষিয়ে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেন বলেন, এমসিকিউ ভরাট করার কোন ঘটনা ঘটেছে- এমন কোন সত্যতা পাওয়া যায়না। তবে অনুমতি নিয়ে ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করে।

২০ আগস্ট, ২০২৬ ১৬:০৩
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে একটি সালিশ বৈঠক চলাকালে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন ভাইসহ চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালাইয়া বন্দরের সিনেমা সড়কের এ ঘটনাটি ঘটেছে।
আহতরা হলেন উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মোল্লা বাড়ীর ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শহিদুল মোল্লা (৩২), তার ভাই রিয়াজ মোল্লা (৪৬) এবং শাহিন মোল্লা (২৬)। এছাড়াও তাদের দোকানের কর্মচারী রাব্বি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত শহিদুল মোল্লার অভিযোগ, তিনি একই এলাকার ছাত্রদল নেতা ইয়াসিন (২৩) দীর্ঘদিন ধরে তার (শহিদুল) কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অবহিত করলে বুধবার রাতে সালিশ বৈঠকের আয়োাজন করা হয়। বৈঠকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে ইয়াসিন, ইব্রাহিম ও সোহান পঞ্চায়েতসহ ২০-৩০ জন তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় সালিশ বৈঠকে উপস্থিত লোকজনের ওপরও হামলা হয়। এতে শহিদুলের ছোট ভাই শাহিন ও বড় ভাই রিয়াজসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তারা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় রিয়াজ মোল্লা দাবি করেন, হামলার সময় তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারিরা।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া ইয়াসিন (২৫), কালাইয়ার ইব্রাহিম এবং সোহান পঞ্চায়েত।
অভিযুক্ত ইয়াসিন দাবি করেন, গত ১৬ আগস্ট রাত ৯টার দিকে শাহিন তাকে অপহরণ করে মারধর করেন। পরদিন শহিদুল মোল্লার দোকানের সামনে শাহিনের সঙ্গে তার ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরেই বুধবার সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার উপর হামলা করে। এ ঘটনায় ইভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং তিনিও আহত হয়েছন বলে দাবি করেন।
সালিশ বৈঠকে সাবেক বাউফল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ পঞ্চায়েত, উপজেলা যুবদলের সদস্য স্বপন মৃধাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সালিশ বৈঠকে হামলার ঘটনাটি সম্পর্কে তারা শুনেছেন। সাথে সাথে ঘটনাস্থানে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার কালাইয়া বন্দরে একটি সালিশ বৈঠক চলাকালে হামলার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় তিন ভাইসহ চারজন আহত হয়েছেন। বুধবার (১৯ আগস্ট) রাত সাড়ে ৯টার দিকে কালাইয়া বন্দরের সিনেমা সড়কের এ ঘটনাটি ঘটেছে।
আহতরা হলেন উপজেলার দাসপাড়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড মোল্লা বাড়ীর ফার্নিচার ব্যবসায়ী মো. শহিদুল মোল্লা (৩২), তার ভাই রিয়াজ মোল্লা (৪৬) এবং শাহিন মোল্লা (২৬)। এছাড়াও তাদের দোকানের কর্মচারী রাব্বি আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।
আহত শহিদুল মোল্লার অভিযোগ, তিনি একই এলাকার ছাত্রদল নেতা ইয়াসিন (২৩) দীর্ঘদিন ধরে তার (শহিদুল) কাছে চাঁদা দাবি করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় বিএনপি নেতাদের অবহিত করলে বুধবার রাতে সালিশ বৈঠকের আয়োাজন করা হয়। বৈঠকে স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন। একপর্যায়ে ইয়াসিন, ইব্রাহিম ও সোহান পঞ্চায়েতসহ ২০-৩০ জন তাদের ওপর হামলা চালান বলে অভিযোগ করেন তিনি।
অভিযোগে আরও বলা হয়, হামলার সময় সালিশ বৈঠকে উপস্থিত লোকজনের ওপরও হামলা হয়। এতে শহিদুলের ছোট ভাই শাহিন ও বড় ভাই রিয়াজসহ কয়েকজন আহত হন। পরে তারা সিনেমা হল থেকে বের হয়ে একটি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিলে সেখানেও হামলার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় রিয়াজ মোল্লা দাবি করেন, হামলার সময় তার কাছে থাকা ৪০ হাজার টাকা নিয়ে যায় হামলাকারিরা।
অভিযুক্তদের মধ্যে রয়েছে বাউফল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সহ-সভাপতি হিসেবে পরিচয় দেওয়া ইয়াসিন (২৫), কালাইয়ার ইব্রাহিম এবং সোহান পঞ্চায়েত।
অভিযুক্ত ইয়াসিন দাবি করেন, গত ১৬ আগস্ট রাত ৯টার দিকে শাহিন তাকে অপহরণ করে মারধর করেন। পরদিন শহিদুল মোল্লার দোকানের সামনে শাহিনের সঙ্গে তার ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার জেরেই বুধবার সালিশ বৈঠক বসে। বৈঠকে উভয় পক্ষের কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তার উপর হামলা করে। এ ঘটনায় ইভয় পক্ষের মধ্যে মারামারি শুরু হয় এবং তিনিও আহত হয়েছন বলে দাবি করেন।
সালিশ বৈঠকে সাবেক বাউফল উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ পঞ্চায়েত, উপজেলা যুবদলের সদস্য স্বপন মৃধাসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গেছে।
বাউফল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সিরাজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানান, সালিশ বৈঠকে হামলার ঘটনাটি সম্পর্কে তারা শুনেছেন। সাথে সাথে ঘটনাস্থানে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ দাখিল করা হয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৫৬
পটুয়াখালীর বাউফলে বিদ্যুৎ অফিসের অবহেলায় সড়কের ওপর পড়ে থাকা ছেঁড়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ইউসুফ রাড়ি (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কমলাপুর এলাকায় স্কুলসংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইউসুফ রাড়ি কমলাপুর এলাকার ইসহাক রাড়ির ছেলে।
স্থানীয়দের সুত্রে জানা গেছে, গতকাল রবিবার সকালে একটি ভ্যাকু মেশিন রাস্তা দিয়ে নেওয়ার সময় পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি থেকে একটি তার ছিঁড়ে সড়কের ওপর পড়ে। বিষয়টি জানানো হলে পল্লী বিদ্যুতের মমিনপুর জোনাল অফিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। অফিসের লোকজন ছেঁড়া তার মেরামতের জন্য কয়েকজন গ্রাহকের কাছে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় তারটি সড়কের ওপর পড়ে থাকলেও তা মেরামত না করেই কর্মীরা চলে যান। এরপর সোমবার দুপুরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যাওয়ার সময় সড়কের ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা পল্লী বিদ্যুতের মমিনপুর জোনাল অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।
পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আবুল কাশেম বলেছেন, একজন বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নিহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাটি কালিশুরী অফিসের আওতাধীন। বিষয়টি তদন্তের জন্য অফিস প্রধানকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিলে বিস্তারিত জানা যাবে।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।
পটুয়াখালীর বাউফলে বিদ্যুৎ অফিসের অবহেলায় সড়কের ওপর পড়ে থাকা ছেঁড়া বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ইউসুফ রাড়ি (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৭ আগস্ট) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার কেশবপুর ইউনিয়নের ১ নম্বর ওয়ার্ডের কমলাপুর এলাকায় স্কুলসংলগ্ন সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ইউসুফ রাড়ি কমলাপুর এলাকার ইসহাক রাড়ির ছেলে।
স্থানীয়দের সুত্রে জানা গেছে, গতকাল রবিবার সকালে একটি ভ্যাকু মেশিন রাস্তা দিয়ে নেওয়ার সময় পল্লী বিদ্যুতের খুঁটি থেকে একটি তার ছিঁড়ে সড়কের ওপর পড়ে। বিষয়টি জানানো হলে পল্লী বিদ্যুতের মমিনপুর জোনাল অফিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে আসেন। অফিসের লোকজন ছেঁড়া তার মেরামতের জন্য কয়েকজন গ্রাহকের কাছে টাকা দাবি করা হয়। টাকা দিতে না পারায় ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় তারটি সড়কের ওপর পড়ে থাকলেও তা মেরামত না করেই কর্মীরা চলে যান। এরপর সোমবার দুপুরে গরুর জন্য ঘাস কাটতে যাওয়ার সময় সড়কের ওপর পড়ে থাকা বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ক্ষুব্ধ স্থানীয়রা পল্লী বিদ্যুতের মমিনপুর জোনাল অফিস ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন।
পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির জেনারেল ম্যানেজার (জিএম) মো. আবুল কাশেম বলেছেন, একজন বিদ্যুতের তারে জড়িয়ে নিহত হয়েছেন বলে জানতে পেরেছি। ঘটনাটি কালিশুরী অফিসের আওতাধীন। বিষয়টি তদন্তের জন্য অফিস প্রধানকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। তিনি তদন্ত শেষে প্রতিবেদন দিলে বিস্তারিত জানা যাবে।
বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেছেন, খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

১৭ আগস্ট, ২০২৬ ১৭:৩২
পটুয়ালীর বাউফলে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি নামধারী এনজিওর কর্মকর্তারা পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গ্রাহক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বাউফল পৌরসভার মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় জালাল আহমেদের একটি ভবন ভাড়া নিয়ে ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি এনজিও কার্যক্রম শুরু করে। দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিমা ও সঞ্চয়ের নামে প্রায় অর্ধকোটি টাকা সংগ্রহ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবেয়া বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা, বাবুল সিপাইয়ের কাছ থেকে ১১ হাজার, মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে ২০ হাজার, মলিন্দ্রের কাছ থেকে ২০ হাজার, মনু বেগমের কাছ থেকে ১২ হাজার, তাসলিমা বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, দুই বছরের মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে সবাইকে অফিসে আসতে বলা হয়। ঋণ বিতরণের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানের প্রস্তুুতি হিসেবে ডেকোয়ারেটর ভাড়া করে চেয়ার-টেবিলও আনা হয়। কিন্তু ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে গিয়ে কাউকে দেখতে পাননি। এর আগেই কথিত সংস্থার লোকজন অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ জানান, ‘সমাজ কল্যাণ সংস্থা’ নামে একজন মাঠকর্মী তাদের ঋণ দেওয়ার কথা বলেন। রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সঞ্চয়ের টাকা জমা দিতে এবং দুপুর ৩টায় ঋণের টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
তিনি বলেন, চার লাখ টাকা ঋণের জন্য দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা দিয়েছি। সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাদের আর খুঁজে পাইনি।
রাবেয়া বেগম জানান, দুই বছর মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তাদের বাড়িতে যান। এক লাখ টাকা ঋণ দিলে মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে পরিশোধ করতে হবে বলে জানানো হয়। এ জন্য ১১ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার টাকা বিমা এবং ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে নেওয়া হয়। অফিস উদ্বোধনের দিনই ঋণের টাকা দেওয়া হবে বলে তাদের জানানো হয়েছিল।
রাবেয়া বলেন, আমার গাড়ি নষ্ট। তাই গাড়ি কেনার জন্য ঋণের টাকা প্রয়োজন ছিল। এ কারণে আমিও টাকা দিয়েছি। রবিবার বিকেলে ঋণের টাকা নিতে গেলে জানতে পারি, তারা পালিয়ে গেছে।
ভবনের মালিক জালাল আহমেদের স্ত্রী সৈয়দা শৈলী বলেন, মৌখিক চুক্তিতে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাড়া এবং দুই লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়ার শর্তে তাদের অফিস ভাড়া দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পটুয়ালীর বাউফলে ঋণ দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে স্থানীয়দের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে একটি নামধারী এনজিওর কর্মকর্তারা পালিয়ে গেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
গ্রাহক সূত্রে জানা গেছে, কয়েক মাস আগে বাউফল পৌরসভার মুসলিমপাড়া মোড় এলাকায় জালাল আহমেদের একটি ভবন ভাড়া নিয়ে ‘সমাজ কল্যাণ উন্নয়ন সংস্থা’ নামের একটি এনজিও কার্যক্রম শুরু করে। দুই বছর মেয়াদি ঋণ দেওয়ার কথা বলে গ্রাহকদের কাছ থেকে বিমা ও সঞ্চয়ের নামে প্রায় অর্ধকোটি টাকা সংগ্রহ করেন প্রতিষ্ঠানটির কর্মীরা।
ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, রাবেয়া বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার টাকা, বাবুল সিপাইয়ের কাছ থেকে ১১ হাজার, মাসুদুর রহমানের কাছ থেকে ২০ হাজার, মলিন্দ্রের কাছ থেকে ২০ হাজার, মনু বেগমের কাছ থেকে ১২ হাজার, তাসলিমা বেগমের কাছ থেকে ১১ হাজার এবং আব্দুল আজিজের কাছ থেকে দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া আরও অনেকের কাছ থেকেও টাকা নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তারা।
ভুক্তভোগীরা জানান, দুই বছরের মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে রোববার (১৬ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে সবাইকে অফিসে আসতে বলা হয়। ঋণ বিতরণের উদ্ধোধন অনুষ্ঠানের প্রস্তুুতি হিসেবে ডেকোয়ারেটর ভাড়া করে চেয়ার-টেবিলও আনা হয়। কিন্তু ভুক্তভোগীরা নির্ধারিত সময়ে অফিসে গিয়ে কাউকে দেখতে পাননি। এর আগেই কথিত সংস্থার লোকজন অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান।
ভুক্তভোগী আব্দুল আজিজ জানান, ‘সমাজ কল্যাণ সংস্থা’ নামে একজন মাঠকর্মী তাদের ঋণ দেওয়ার কথা বলেন। রোববার সকাল ১০টার মধ্যে সঞ্চয়ের টাকা জমা দিতে এবং দুপুর ৩টায় ঋণের টাকা দেওয়ার কথা ছিল।
তিনি বলেন, চার লাখ টাকা ঋণের জন্য দুই নামে ৩৭ হাজার টাকা দিয়েছি। সন্ধ্যা পর্যন্ত অপেক্ষা করেও তাদের আর খুঁজে পাইনি।
রাবেয়া বেগম জানান, দুই বছর মেয়াদে ঋণ দেওয়ার কথা বলে প্রতিষ্ঠানের কর্মীরা তাদের বাড়িতে যান। এক লাখ টাকা ঋণ দিলে মাসে পাঁচ হাজার টাকা করে পরিশোধ করতে হবে বলে জানানো হয়। এ জন্য ১১ হাজার টাকা দিতে বলা হয়। এর মধ্যে ১ হাজার টাকা বিমা এবং ১০ হাজার টাকা সঞ্চয় হিসেবে নেওয়া হয়। অফিস উদ্বোধনের দিনই ঋণের টাকা দেওয়া হবে বলে তাদের জানানো হয়েছিল।
রাবেয়া বলেন, আমার গাড়ি নষ্ট। তাই গাড়ি কেনার জন্য ঋণের টাকা প্রয়োজন ছিল। এ কারণে আমিও টাকা দিয়েছি। রবিবার বিকেলে ঋণের টাকা নিতে গেলে জানতে পারি, তারা পালিয়ে গেছে।
ভবনের মালিক জালাল আহমেদের স্ত্রী সৈয়দা শৈলী বলেন, মৌখিক চুক্তিতে মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাড়া এবং দুই লাখ টাকা অগ্রিম দেওয়ার শর্তে তাদের অফিস ভাড়া দেওয়া হয়েছিল।
এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি সিরাজুল ইসলাম বলেন, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১৯ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৮
পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদের বিরুদ্দে সংবাদ মম্মেলন করেছেন ডাঃ ডলি আকবর মহিলা কলেজের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের প্রভাষক মোঃ মহিউদ্দিন। বুধবার দুপুর ৩টায় প্রভাষক মো. মহিউদ্দিন তার নিজ বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজের সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমার সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরে চলতি মাসের ১ তারিখ কৃষি শিক্ষা ২য় পত্র এমসিকিউ পরীক্ষা শেষে আমি হল সুপার থাকায় ভারপ্রাপ্ত কেন্দ্র সচিবকে অবহিত করে অফিস কক্ষে বসে শিক্ষা বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করি। ওই অবস্থায় সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন শত্রুতা বশত পিছন থেকে আমার ছবি তুলে তার নিজ পত্রিকাসহ অন্যান্য মিডিয়ায় মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে। সংবাদে উল্লেখ করে আমি নাকি ওএমআরএ উত্তরপত্র ভরাট করি, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
মহিউদ্দিন আরও বলেন, সহকারী শারীরিক শিক্ষক মো. বেল্লাল হোসেন ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে বিগত ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে যোগদান করে এবং ২০২৩ সালে মে মাসের ১ তারিখ ১০ গ্রেডে এমপিওভুক্ত হয়, যার ইনডেক্স নং- (ঘ৫৬৮৫১৩২৫)। অথচ ওই শিক্ষক একই সময়ে উপজেলার দক্ষিণ দাসপাড়া আব্দুল গণি মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসের ২১ তারিখ থেকে ২০২৩ সালের এপ্রিল মাসের ৩০ তারিখ পর্যন্ত দুই প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। একই সময়ে একাধিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত থাকায় তার বিরুদ্ধে মাউশিতে মামলা চলমান রয়েছে। এই বিষয়ে মামলা হওয়ার পর থেকেই আমাকে অভিযোগকারী হিসেবে সন্দেহ করে দীর্ঘদিন যাবৎ শত্রুতা পোষণ করে আসছে।
এর আগে বুধবার দুপুর ১২ টায় উপজেলা পরিষদের সামনে জায়েদ ইকবাল খানের নেতৃত্বে স্থানীয় কয়েকজন মিলে প্রভাষক মহিউদ্দিনের বিরুদ্ধে একটি মানব বন্ধন করেন। মানব বন্ধনে বক্তব্য রাখেন, ফখরুজ্জামান বাদল, রুহুল আমীন মোল্লা এবং জায়েদ ইকবাল খান প্রমুখ।
এ বিষিয়ে ডা. ডলি আকবর মহিলা কলেজে অধ্যক্ষ মো. সোহরাব হোসেন বলেন, এমসিকিউ ভরাট করার কোন ঘটনা ঘটেছে- এমন কোন সত্যতা পাওয়া যায়না। তবে অনুমতি নিয়ে ওএমআরএ রোলের ডিজিট সংশোধন করে।