এবার কী নারী কেলেংকারীতে জড়িয়ে পড়লেন বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের সরকার দলীয় সাংসদ পঙ্কজ দেবনাথ? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে প্রাসাঙ্গিক বিষয়-বস্তু নিয়ে আরেকটি প্রশ্ন সামনে এসে দাড়িয়েছে, এক বিধবা নারীর সাথে এই সাংসদের ২৭ আগস্ট কী ঘটেছিল? ঘটনাস্থল স্থানীয় ডাকবাংলোর সম্মুখে এই কাহিনী নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি করে বরিশাল আদালতে আসা ওই নারী।
চল্লিশের কোঠায় পা ফেলা মরিয়ম বেগম গতকাল সোমবার আদালতে আইনের আশ্রয় নিতে এসে দিক-বেদিক ছোটাছুটি করায় সংবাদকর্মীরা তার আগমনের হেতু জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, সাংসদ পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধে মামলা করতে এসেছেন। তার অভিযোগ, পঙ্কজ স্থানীয় সাংসদ হয়ে তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এক ধরনের প্রতারণা করেছেন।
তিনি বসতঘর নির্মাণে সরকারী বরাদ্দের টিন দেই, দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপন করেন। পরে টিন নয়, আর্থিক সহায়তা চাইলে সেক্ষেত্রেও অভিন্ন আচারণ করেন। এমনকি কোন প্রকার সহায়তা না দিয়ে সাংসদ প্রচার করেন যে তাকে চাহিদা অনুযায়ী ঘরের টিন ও সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এই খবরে ক্ষুব্ধ নারী গত ২৭ আগস্ট মেহেন্দিগঞ্জে সাংসদের আগমনের খবর পেয়ে ডাকবাংলোয় ছুটে যান। এসময় সাংসদ ডাকবাংলোর সামনের প্রাইভেটকারে অবস্থান করছিলেন, একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য। এক ফাঁকে ভীর ঠেলে ওই নারী সাংসদের কাছে প্রশ্ন তোলেন তার সাথে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে উল্টো কেন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
প্রতিত্তোরে সাংসদ তাকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পরে দেখা করার পরামর্শ দেন কিছুটা উত্তেজিত ভাষায়। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মরিয়ম বেগম। একপর্যায়ে তার গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। সাংসদ অনুসারী ছাত্র-যুব-সেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ ওই নারীকে টেনে হিচড়ে স্থান ত্যাগে বাধ্য করতে উদ্যোগী হয়।
মরিয়মের অভিযোগ, এসময় তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, এই মর্মে যে সাংসদের গাড়ির ওপর তিনি না কী জুতো নিক্ষেপ করেছেন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত থানা পুলিশ কোন ভুমিকা না নিয়ে বরং তাকে স্থান ত্যাগে বাধ্য করেন। মেহেন্দিগঞ্জ থানায় সাংসদ পঙ্কজের বিরুদ্ধে আইনী সহায়তা পাওয়া সম্ভব নয় বিধায় তিনি বরিশালে নালিশ জানাতে এসেছেন। সোমবার দুপুরের দিকে মামলার কপি ওই নারী সংবাদকর্মীদের আলাপের এক ফাঁকে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। পরে খবর রটে যে মেহেন্দিগঞ্জের সাংসদের বিরুদ্ধে এক বিধবা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। বিকেল থেকে গভীর রাত অবধি সংবাদকর্মীরা বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত হতে চায়। পরে জানা গেল এ ধরনের মামলা হয়নি, তবে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আজ মঙ্গলবার মামলাটি দায়ের হতে পারে। সেক্ষেত্রে এমপি পঙ্কজ দেবনাথকে নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করলেও আসামি না করে তার অনুসারী ৬ জনের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখ করে অভিযোগ আনা হয়েছে। অবশ্য সংবাকর্মীদের কাছে মরিয়ম বেগমের ভাষ্য ছিল, এতে মুখ্য ভুমিকায় ছিলেন পৌর সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমু হোসেন
এ প্রসঙ্গে গতকাল সন্ধ্যায় এই নেতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ডাকবাংলোয় কিছুই ঘটেনি। আবার ঘটলেও তিনি সে বিষয়ে অবগত নন। তবে ওইদিন (২৭ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় আরসি কলেজের সম্মুখে মরিয়ম বেগম সাংসদ পঙ্কজের গাড়ি আগলে ধরেছিলেন একটি ডিওলেটারে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য। সাংসদ ব্যস্ত থাকায় পরে আসতে বললে নাছড়বান্দা কোনভাবেই স্থান ত্যাগে রাজি না হওয়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে অটোরিকশায় উঠিয়ে দেন।
কিন্তু সাংসদ পঙ্কজ এ তথ্য নাকচ করে দিয়ে বলেন, ডাকবাংলোতো দুরের কথা আরসি কলেজের সামনে কোন নারীর সাথে তার কোনরুপ বসচা হয়নি। অবশ্য ওই সেচ্ছাসেবকলীগ নেতার তথ্যমতে সেখানে উপস্থিত থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাছির উদ্দিন যে তথ্য-উপাত্ত্ব দেন, তাতে প্রমাণ করে ওইদিন কিছু একটা ঘটেছে। তবে তা আরসি কলেজ সম্মুখে নয়, ডাকবাংলোর গেটে এক বিধবা নারী সহায়তা চেয়ে না পেয়ে কিছুটা উত্তেজিত হয়েছিল। পরে তিনি অর্থায়নে অটোরিকশায় তুলে দিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য করেন।
ফলে তিনজনের ত্রিমুখী বক্তব্যের গড়মিল থাকলেও যে যোগফল দেখা যায়, তাতে মরিয়ম বেগমের অভিযোগ অমুলক নয়। মেহেন্দিগঞ্জ আ’লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত এমন অনেকে রয়েছেন, যাদের অনেকে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবার কেউ শুনেছেন। কিন্তু পরিস্থিতিগত কারণে নিজেদের নাম প্রকাশতো দুরের কথা, প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে অপারগতা জানিয়ে অন্য মাধ্যমে খবর নিশ্চিত হওয়ায় পরামর্শ দেন।
এদিকে একটি গোয়েন্দা সংস্থা ওই মরিয়ম বেগমের অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেয়েছে বলে এ প্রতিবেদকের কাছে মন্তব্য প্রকাশ করে তারা ঘটনার আরও গভীরে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে গভীর রাত পর্যন্ত খোঁজ-খবর রাখছিলেন সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কী না। ওই গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা মরিয়ম বেগমের সাথে সেলফোনে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন, তিনি বরিশালে এসেছিলেন। কিন্তু দুপুর নাগাদ ফিরে গেছেন। তবে মামলা দায়ের করেছে কী না শেষান্তে তা আর জানা সম্ভব হয়নি মরিয়মের সেলফোন বন্ধ থাকায়।
মেহেন্দিগঞ্জের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ২৭ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২ থেকে ১টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বিস্তৃতি ঘটলেও সবাই যেন সতর্ক, কেউ না শোনে প্রাসঙ্গিক আলাপ। এদিকে পঙ্কজের অনুসারীরা এখন বলছে, ওই বিধবা নারী মানসিক বিকারগ্রস্ত হওয়ায় এ ধরনের বহু কান্ড-কারখানা ঘটিয়েছে। কিন্তু মরিয়নের ভগ্নিপতি স্থানীয় কাজী হিসেবে পরিচিত রুহুল আমিন জানান, তিনি বিকারাগ্রস্ত একথা সঠিক নয়। স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর মরিয়ম মানসিক রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পরে এক কণ্যাসন্তান নিয়ে পৌর এলাকার চরহোগলায় জরাজীর্ণ বাসায় বসবাস করছেন।
পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধে এরুপ নির্যাতনের অভিযোগ ইতিপূর্বেও উঠেছিল। মরিয়ম বেগমের ন্যায় নিজ দলীয় সমর্থিত একজন নরসুন্দরের সাথে দলীয় বিবাদে তাকে ডাকবাংলোয় পিটিয়ে আহত করে। এর আগে সেই নরসুন্দরকে নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যাচেষ্টা ঘটনা নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি।
এছাড়া স্থানীয় ভাবে দলকে কুক্ষিগত করাসহ রাজধানী ঢাকায় ক্যাসিনো কান্ডে সম্পৃক্ততা এবং অল্পদিনে অঢেল সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। ধারণা করা হচ্ছে- এসব অভিযোগের কারণে পঙ্কজ কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন। এই সাংসদ বিতর্ক অবসানে বরিশাল থেকে মিডিয়াকর্মীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় মেহেন্দিগঞ্জে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্যে সেদিনকার তার ভাষ্য ছিল, তিনি দলীয় বিভাজনের রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার। যেমনটি গতকালও বললেন, মরিয়ম প্রসঙ্গে অভিযোগের উত্তর সংক্ষিপ্ত করতে গিয়ে।

২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০১:৪৯
"আমি শপথ করছি যে, সরকারি আবুল কালাম কলেজের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসবো। আমার ক্যাম্পাসকে সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মাদকমুক্ত রাখবো। নিজে কখনো মাদক গ্রহণ করবো না এবং এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাউকে মাদক গ্রহণ করতে দেবো না। মা-বাবা এবং শিক্ষকের সাথে কখনো অশোভন আচরণ করবো না। তাদের অমর্যাদা হয় এমন কাজ থেকে সর্বদা বিরত থাকবো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম পরিপন্থী বা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে কখনো লিপ্ত হব না। পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা অর্জনের চেষ্টা করবো। সবার আগে নিজের দেশকে ভালোবাসবো। একজন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে পরিবারের, সমাজের এবং দেশের জন্য সর্বদা কাজ করবো। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন। আমিন।" সমস্বরে এমনই এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী শপথ করেছেন বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সরকারি আবুল কালাম কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সরকারি আবুল কালাম কলেজ মিলনায়তনে একাদশ শ্রেণির এক বর্ণাঢ্য নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওই অঙ্গীকার করেন কলেজের উপস্থিত শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে ওই শপথবাক্য পাঠ করান বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
সরকারি আবুল কালাম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুপম রায়ের সভাপতিত্বে এবং বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নুরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই নবীন বরণ অনুষ্ঠানে এসময় বক্তব্য রাখেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, পৌরনীতি ও সুশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল হক রোকন, হিসাব বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক আলী হোসেন শরীফ, ছাত্রনেতা নাঈম হাসান, তাজিম আহমেদ, রাকিব সিকদার, মেহেদী হাসান, শিক্ষার্থী তাইয়্যেবা রহমান প্রমুখ।
নবীন বরণ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের ব্যান্ড-শোসহ বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সরকারি আবুল কালাম কলেজের বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নুরুন্নবী রাসেল। এসময় তিনি নব্বই দশকের জনপ্রিয় তাঁর এভারগ্রীণ ব্যান্ডের কালজয়ী ঐতিহাসিক গান 'ভেঙে দাও ফারাক্কা' গেয়ে উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেন। কলেজ শিক্ষকদের মধ্য থেকে এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রভাষক নুসরাত জাহান ও প্রভাষক লেলিন তালুকদার। কবিতা আবৃত্তি করেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুপম রায়। এসময় মনোজ্ঞ সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনায় শিক্ষার্থীদের মাতোয়ারা করে বরিশাল শিল্পগোষ্ঠীর ব্যান্ডদল। #
"আমি শপথ করছি যে, সরকারি আবুল কালাম কলেজের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ভালোবাসবো। আমার ক্যাম্পাসকে সর্বদা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মাদকমুক্ত রাখবো। নিজে কখনো মাদক গ্রহণ করবো না এবং এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কাউকে মাদক গ্রহণ করতে দেবো না। মা-বাবা এবং শিক্ষকের সাথে কখনো অশোভন আচরণ করবো না। তাদের অমর্যাদা হয় এমন কাজ থেকে সর্বদা বিরত থাকবো। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিয়ম পরিপন্থী বা রাষ্ট্রবিরোধী কাজে কখনো লিপ্ত হব না। পুঁথিগত শিক্ষার পাশাপাশি নৈতিক শিক্ষা অর্জনের চেষ্টা করবো। সবার আগে নিজের দেশকে ভালোবাসবো। একজন দেশপ্রেমিক সুনাগরিক হয়ে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার মাধ্যমে পরিবারের, সমাজের এবং দেশের জন্য সর্বদা কাজ করবো। মহান সৃষ্টিকর্তা আমাদের সহায় হোন। আমিন।" সমস্বরে এমনই এক অনন্য ও ব্যতিক্রমী শপথ করেছেন বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার সরকারি আবুল কালাম কলেজের শিক্ষার্থীরা।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) সরকারি আবুল কালাম কলেজ মিলনায়তনে একাদশ শ্রেণির এক বর্ণাঢ্য নবীন বরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে স্বতঃস্ফূর্তভাবে ওই অঙ্গীকার করেন কলেজের উপস্থিত শিক্ষার্থীরা। অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার হিসেবে ওই শপথবাক্য পাঠ করান বরিশাল বিমানবন্দর প্রেসক্লাব সভাপতি ও সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বাবুগঞ্জ উপজেলা সম্পাদক আরিফ আহমেদ মুন্না।
সরকারি আবুল কালাম কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুপম রায়ের সভাপতিত্বে এবং বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক নুরুন্নবী রাসেলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ওই নবীন বরণ অনুষ্ঠানে এসময় বক্তব্য রাখেন ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ, পৌরনীতি ও সুশাসন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক জহিরুল হক রোকন, হিসাব বিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক আলী হোসেন শরীফ, ছাত্রনেতা নাঈম হাসান, তাজিম আহমেদ, রাকিব সিকদার, মেহেদী হাসান, শিক্ষার্থী তাইয়্যেবা রহমান প্রমুখ।
নবীন বরণ অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বের ব্যান্ড-শোসহ বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সরকারি আবুল কালাম কলেজের বাংলা বিভাগের জ্যেষ্ঠ প্রভাষক বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নুরুন্নবী রাসেল। এসময় তিনি নব্বই দশকের জনপ্রিয় তাঁর এভারগ্রীণ ব্যান্ডের কালজয়ী ঐতিহাসিক গান 'ভেঙে দাও ফারাক্কা' গেয়ে উপস্থিত সবাইকে মুগ্ধ করেন। কলেজ শিক্ষকদের মধ্য থেকে এছাড়াও সঙ্গীত পরিবেশন করেন প্রভাষক নুসরাত জাহান ও প্রভাষক লেলিন তালুকদার। কবিতা আবৃত্তি করেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনুপম রায়। এসময় মনোজ্ঞ সঙ্গীতের সুরের মূর্ছনায় শিক্ষার্থীদের মাতোয়ারা করে বরিশাল শিল্পগোষ্ঠীর ব্যান্ডদল। #

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:০০
প্রকৃতি যখন নিজের হাতে কোনো ক্যানভাস সাজায়, তখন তার রূপ কেমন হতে পারে, তা বরিশালের সাতলা বিলে না গেলে অনুধাবন করা অসম্ভব। শরতের ভোরের আলো ফুটতেই এখানে চোখ জুড়িয়ে যায় এক অলৌকিক দৃশ্যে। মাইলের পর মাইল বিস্তৃত এক জলাশয়, আর তার বুক চিরে মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে আছে কোটি কোটি লাল শাপলা। দূর থেকে মনে হবে যেন সবুজ পাতার বিছানায় কেউ লাল গালিচা পেতে রেখেছে, কিংবা ভোরের উদীয়মান সূর্যটাই টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে পানির বুকে।বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা হলেও, একসঙ্গে এত শাপলার মেলা দেশের আর কোথাও দেখা যায় না। তাই বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার এই সাতলা গ্রামটি এখন সারা দেশে পরিচিত 'শাপলার রাজধানী' বা 'লাল শাপলার স্বর্গরাজ্য' হিসেবে।
বছরের অন্য সময়ে সাতলা বিল দেখতে আর দশটা সাধারণ জলাভূমির মতোই মনে হয়। শুষ্ক মৌসুমে এখানে চাষ হয় ইরি ধান। কিন্তু বর্ষার পানি আসতেই বিলটি তার রূপ বদলাতে শুরু করে। মে-জুন মাস থেকে বিলে পানি জমতে শুরু করলে প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেয় লাল শাপলা। আগস্ট থেকে শুরু করে নভেম্বর পর্যন্ত চলে শাপলার এই রাজত্ব। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে বিলের সৌন্দর্য পৌঁছায় তার চূড়ায়। ভোরের আলোয় লাল শাপলার মেলাসাতলা বিলের আসল রূপ দেখতে হলে আপনাকে ঘুমকে ছুটি দিতে হবে। সূর্য ওঠার ঠিক আগে, যখন চারপাশ হালকা কুয়াশায় ঢাকা থাকে, তখন বিলের রূপ সবচেয়ে মোহনীয় দেখায়। ভোরের নরম আলোয় পাপড়ি মেলে ধরা শাপলাগুলোর ওপর যখন ভোরের শিশিরবিন্দু জমে থাকে, তখন মনে হয় যেন মুক্তো ছড়ানো রয়েছে। সকাল ৮টা বা ৯টা বেজে যাওয়ার পর যখন রোদের তীব্রতা বাড়ে, তখন ফুলগুলো ধীরে ধীরে বুজে যায়। তাই সাতলার সৌন্দর্য উপভোগ করার মোক্ষম সময় হলো ভোর ৬টা থেকে সকাল ৮টা।বিলের জীবন ও জীবিকাসাতলা বিল শুধু পর্যটকদের জন্যই আনন্দের খোরাক নয়, এটি স্থানীয় শত শত পরিবারের জীবিকার প্রধান উৎস। বিলের বুকজুড়ে যখন নৌকায় করে পর্যটকেরা ঘুরে বেড়ায়, স্থানীয় মাঝিরা গল্প শোনায় এই বিলের। অনেকে আবার বিল থেকে শাপলা তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। এই শাপলা দিয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু তরকারি। শুধু তাই নয়, বিলের মিষ্টি শালুকও স্থানীয়দের অন্যতম প্রিয় খাবার।
বরিশাল সদর কিংবা উজিরপুর উপজেলা থেকে খুব সহজেই সাতলা বিলে যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে লঞ্চ বা বাসে বরিশাল এসে, সেখান থেকে মাহিন্দ্র (থ্রি-হুইলার) বা বাস যোগে শিকারপুর হয়ে শাতলা যাওয়া যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করেও উজিরপুর বা সাতলা যাওয়া সম্ভব। বিলে ঘোরার জন্য স্থানীয় ঘাটে ছোট ছোট ডিঙি নৌকা পাওয়া যায়, যা ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে ভাড়া নেওয়া যায়।
প্রকৃতির এই অপরূপ সৃষ্টিকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। ভ্রমণের সময় প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট বা কোনো বর্জ্য বিলে ফেলে পানি দূষিত করবেন না। মনে রাখবেন, ফুল গাছের চেয়ে পানির বুকেই সবচেয়ে বেশি সুন্দর। তাই অকারণে ফুল ছিঁড়ে প্রকৃতির এই সৌন্দর্য নষ্ট করা থেকে বিরত থাকাই একজন সচেতন ভ্রমণকারীর পরিচয়। ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি মুছে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এক চিলতে শান্তি পেতে চাইলে, শরতের কোনো এক ভোরে ঘুরে আসতেই পারেন লাল শাপলার এই স্বর্গরাজ্য থেকে।’
প্রকৃতি যখন নিজের হাতে কোনো ক্যানভাস সাজায়, তখন তার রূপ কেমন হতে পারে, তা বরিশালের সাতলা বিলে না গেলে অনুধাবন করা অসম্ভব। শরতের ভোরের আলো ফুটতেই এখানে চোখ জুড়িয়ে যায় এক অলৌকিক দৃশ্যে। মাইলের পর মাইল বিস্তৃত এক জলাশয়, আর তার বুক চিরে মাথা উচুঁ করে দাঁড়িয়ে আছে কোটি কোটি লাল শাপলা। দূর থেকে মনে হবে যেন সবুজ পাতার বিছানায় কেউ লাল গালিচা পেতে রেখেছে, কিংবা ভোরের উদীয়মান সূর্যটাই টুকরো টুকরো হয়ে ছড়িয়ে পড়েছে পানির বুকে।বাংলাদেশের জাতীয় ফুল শাপলা হলেও, একসঙ্গে এত শাপলার মেলা দেশের আর কোথাও দেখা যায় না। তাই বরিশাল জেলার উজিরপুর উপজেলার এই সাতলা গ্রামটি এখন সারা দেশে পরিচিত 'শাপলার রাজধানী' বা 'লাল শাপলার স্বর্গরাজ্য' হিসেবে।
বছরের অন্য সময়ে সাতলা বিল দেখতে আর দশটা সাধারণ জলাভূমির মতোই মনে হয়। শুষ্ক মৌসুমে এখানে চাষ হয় ইরি ধান। কিন্তু বর্ষার পানি আসতেই বিলটি তার রূপ বদলাতে শুরু করে। মে-জুন মাস থেকে বিলে পানি জমতে শুরু করলে প্রাকৃতিকভাবেই জন্ম নেয় লাল শাপলা। আগস্ট থেকে শুরু করে নভেম্বর পর্যন্ত চলে শাপলার এই রাজত্ব। তবে সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরে বিলের সৌন্দর্য পৌঁছায় তার চূড়ায়। ভোরের আলোয় লাল শাপলার মেলাসাতলা বিলের আসল রূপ দেখতে হলে আপনাকে ঘুমকে ছুটি দিতে হবে। সূর্য ওঠার ঠিক আগে, যখন চারপাশ হালকা কুয়াশায় ঢাকা থাকে, তখন বিলের রূপ সবচেয়ে মোহনীয় দেখায়। ভোরের নরম আলোয় পাপড়ি মেলে ধরা শাপলাগুলোর ওপর যখন ভোরের শিশিরবিন্দু জমে থাকে, তখন মনে হয় যেন মুক্তো ছড়ানো রয়েছে। সকাল ৮টা বা ৯টা বেজে যাওয়ার পর যখন রোদের তীব্রতা বাড়ে, তখন ফুলগুলো ধীরে ধীরে বুজে যায়। তাই সাতলার সৌন্দর্য উপভোগ করার মোক্ষম সময় হলো ভোর ৬টা থেকে সকাল ৮টা।বিলের জীবন ও জীবিকাসাতলা বিল শুধু পর্যটকদের জন্যই আনন্দের খোরাক নয়, এটি স্থানীয় শত শত পরিবারের জীবিকার প্রধান উৎস। বিলের বুকজুড়ে যখন নৌকায় করে পর্যটকেরা ঘুরে বেড়ায়, স্থানীয় মাঝিরা গল্প শোনায় এই বিলের। অনেকে আবার বিল থেকে শাপলা তুলে স্থানীয় বাজারে বিক্রি করেন। এই শাপলা দিয়ে তৈরি হয় সুস্বাদু তরকারি। শুধু তাই নয়, বিলের মিষ্টি শালুকও স্থানীয়দের অন্যতম প্রিয় খাবার।
বরিশাল সদর কিংবা উজিরপুর উপজেলা থেকে খুব সহজেই সাতলা বিলে যাওয়া যায়। ঢাকা থেকে লঞ্চ বা বাসে বরিশাল এসে, সেখান থেকে মাহিন্দ্র (থ্রি-হুইলার) বা বাস যোগে শিকারপুর হয়ে শাতলা যাওয়া যায়। এছাড়া ঢাকা থেকে সরাসরি বাসে করেও উজিরপুর বা সাতলা যাওয়া সম্ভব। বিলে ঘোরার জন্য স্থানীয় ঘাটে ছোট ছোট ডিঙি নৌকা পাওয়া যায়, যা ৩০০ থেকে ৫০০ টাকার মধ্যে ভাড়া নেওয়া যায়।
প্রকৃতির এই অপরূপ সৃষ্টিকে টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদের সবার। ভ্রমণের সময় প্লাস্টিকের বোতল, চিপসের প্যাকেট বা কোনো বর্জ্য বিলে ফেলে পানি দূষিত করবেন না। মনে রাখবেন, ফুল গাছের চেয়ে পানির বুকেই সবচেয়ে বেশি সুন্দর। তাই অকারণে ফুল ছিঁড়ে প্রকৃতির এই সৌন্দর্য নষ্ট করা থেকে বিরত থাকাই একজন সচেতন ভ্রমণকারীর পরিচয়। ব্যস্ত জীবনের ক্লান্তি মুছে প্রকৃতির সান্নিধ্যে এক চিলতে শান্তি পেতে চাইলে, শরতের কোনো এক ভোরে ঘুরে আসতেই পারেন লাল শাপলার এই স্বর্গরাজ্য থেকে।’

১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:২৪
বরিশালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষক নেতা, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাঁকে শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত, দোয়া মোনাজাত, বৃক্ষরোপণ, প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং এক আবেগঘন স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল নগরীর রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের শিক্ষা, সাহিত্য, সমাজসেবা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। স্মরণসভায় তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘যে জীবন মানুষের’ প্রদর্শিত হয়।

স্মরণসভায় উপস্থিত থেকে মরহুমের স্মৃতি ও কাজের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল জেলা সভাপতি ও টিআইবি প্রতিনিধি প্রফেসর গাজী জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা, সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর স ম ইমানুল হাকিম ও প্রফেসর ড. ননী গোপাল দাস, বিএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ফজলুল হক, এবং ঝালকাঠি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর নুরুল আমিন।
এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন বাকশিস বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সভাপতি অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মাহাবুবুর রহমান, সনাক সভাপতি অধ্যাপিকা টুনু রানী কর্মকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজল ঘোষ, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম, বরিশাল মহানগর কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফখরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ এম. এ. বায়েজিদ, বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, নীলু-মনু ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক নজরুল হক নিলু, শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা বেগম ফয়জুন নাহার শেলী, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খোকন এবং ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর বিমল চক্রবর্তী।

উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা বলেন, 'অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন কেবল একজন সফল শিক্ষাবিদ বা শিক্ষক নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠান গড়ার কারিগর ও মানবিকতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। হিজলা কলেজ, ঝালকাঠি মহিলা কলেজ ও সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি শিক্ষক সমাজ ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন লড়ে গেছেন। প্রগতিশীল চেতনা, অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি এবং নীরব সমাজসেবার মাধ্যমে তিনি যে আদর্শ রেখে গেছেন, তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।'
উল্লেখ্য, অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের বড় ছেলে ড. মো. বাহাউদ্দিন গোলাপ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এবং ছোট ছেলে রেহান উদ্দিন রোমান পেট্রোবাংলার কর্মকর্তা। দীর্ঘ কর্মময় জীবন শেষে ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মহীয়সী ব্যক্তিত্ব। আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। #

বরিশালে বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ, শিক্ষক নেতা, সংগঠক ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের প্রথম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে দিনব্যাপী নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে তাঁকে শোক ও শ্রদ্ধায় স্মরণ করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ‘বেলায়েত হোসেন ফাউন্ডেশন’-এর উদ্যোগে আঞ্জুমানের মুসলিম গোরস্থানে মরহুমের কবর জিয়ারত, দোয়া মোনাজাত, বৃক্ষরোপণ, প্রবীণদের সাথে সহমর্মিতার মধ্যাহ্নভোজ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প এবং এক আবেগঘন স্মরণসভার আয়োজন করা হয়।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে বরিশাল নগরীর রায় রোডস্থ বীর মুক্তিযোদ্ধা মিন্টু বসু সড়কের ‘খেয়ালী গ্রুপ থিয়েটার’ মিলনায়তনে এক স্মরণসভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তারা বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেনের শিক্ষা, সাহিত্য, সমাজসেবা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদানের কথা শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। স্মরণসভায় তাঁর বর্ণাঢ্য জীবন ও কর্মের ওপর নির্মিত প্রামাণ্যচিত্র ‘যে জীবন মানুষের’ প্রদর্শিত হয়।

স্মরণসভায় উপস্থিত থেকে মরহুমের স্মৃতি ও কাজের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) বরিশাল জেলা সভাপতি ও টিআইবি প্রতিনিধি প্রফেসর গাজী জাহিদ হোসেন, বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ বরিশাল জেলা শাখার সভাপতি প্রফেসর শাহ সাজেদা, সরকারি ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর স ম ইমানুল হাকিম ও প্রফেসর ড. ননী গোপাল দাস, বিএম কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর ফজলুল হক, এবং ঝালকাঠি সরকারি কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর নুরুল আমিন।
এছাড়াও আলোচনায় অংশ নেন বাকশিস বরিশাল আঞ্চলিক শাখার সভাপতি অধ্যাপক মহসিন উল ইসলাম হাবুল, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. মুহসিন উদ্দীন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ প্রফেসর মাহাবুবুর রহমান, সনাক সভাপতি অধ্যাপিকা টুনু রানী কর্মকার, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজল ঘোষ, বাংলাদেশ কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির নেতা অধ্যক্ষ মিজানুর রহমান সেলিম, বরিশাল মহানগর কলেজের অধ্যক্ষ মো. ফখরুল ইসলাম, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যক্ষ এম. এ. বায়েজিদ, বরিশাল সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর মো. আব্দুল মোতালেব হাওলাদার, নীলু-মনু ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক নজরুল হক নিলু, শিক্ষাবিদ অধ্যাপিকা বেগম ফয়জুন নাহার শেলী, শিক্ষক নেতা অধ্যক্ষ আমিনুল ইসলাম খোকন এবং ঝালকাঠি সরকারি মহিলা কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ প্রফেসর বিমল চক্রবর্তী।

উপস্থিত বিশিষ্টজনেরা বলেন, 'অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন কেবল একজন সফল শিক্ষাবিদ বা শিক্ষক নেতাই ছিলেন না, তিনি ছিলেন প্রতিষ্ঠান গড়ার কারিগর ও মানবিকতার অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। হিজলা কলেজ, ঝালকাঠি মহিলা কলেজ ও সরকারি সৈয়দ হাতেম আলী কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি শিক্ষক সমাজ ও সাধারণ মানুষের অধিকার আদায়ে আজীবন লড়ে গেছেন। প্রগতিশীল চেতনা, অসাম্প্রদায়িক দৃষ্টিভঙ্গি এবং নীরব সমাজসেবার মাধ্যমে তিনি যে আদর্শ রেখে গেছেন, তা নতুন প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।'
উল্লেখ্য, অধ্যক্ষ মো. বেলায়েত হোসেনের বড় ছেলে ড. মো. বাহাউদ্দিন গোলাপ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেপুটি রেজিস্ট্রার এবং ছোট ছেলে রেহান উদ্দিন রোমান পেট্রোবাংলার কর্মকর্তা। দীর্ঘ কর্মময় জীবন শেষে ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন এই মহীয়সী ব্যক্তিত্ব। আয়োজকদের পক্ষ থেকে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনায় সকলের কাছে দোয়া চাওয়া হয়েছে। #


২৯ মে, ২০২৫ ১৬:৪২
এবার কী নারী কেলেংকারীতে জড়িয়ে পড়লেন বরিশালের মেহেন্দিগঞ্জের সরকার দলীয় সাংসদ পঙ্কজ দেবনাথ? এমন প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে প্রাসাঙ্গিক বিষয়-বস্তু নিয়ে আরেকটি প্রশ্ন সামনে এসে দাড়িয়েছে, এক বিধবা নারীর সাথে এই সাংসদের ২৭ আগস্ট কী ঘটেছিল? ঘটনাস্থল স্থানীয় ডাকবাংলোর সম্মুখে এই কাহিনী নিয়ে প্রশ্নের সৃষ্টি করে বরিশাল আদালতে আসা ওই নারী।
চল্লিশের কোঠায় পা ফেলা মরিয়ম বেগম গতকাল সোমবার আদালতে আইনের আশ্রয় নিতে এসে দিক-বেদিক ছোটাছুটি করায় সংবাদকর্মীরা তার আগমনের হেতু জানতে চাইলে তিনি সরাসরি বলেন, সাংসদ পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধে মামলা করতে এসেছেন। তার অভিযোগ, পঙ্কজ স্থানীয় সাংসদ হয়ে তার প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে এক ধরনের প্রতারণা করেছেন।
তিনি বসতঘর নির্মাণে সরকারী বরাদ্দের টিন দেই, দিচ্ছি বলে সময়ক্ষেপন করেন। পরে টিন নয়, আর্থিক সহায়তা চাইলে সেক্ষেত্রেও অভিন্ন আচারণ করেন। এমনকি কোন প্রকার সহায়তা না দিয়ে সাংসদ প্রচার করেন যে তাকে চাহিদা অনুযায়ী ঘরের টিন ও সহায়তা দেওয়া হয়েছে।
এই খবরে ক্ষুব্ধ নারী গত ২৭ আগস্ট মেহেন্দিগঞ্জে সাংসদের আগমনের খবর পেয়ে ডাকবাংলোয় ছুটে যান। এসময় সাংসদ ডাকবাংলোর সামনের প্রাইভেটকারে অবস্থান করছিলেন, একটি অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার জন্য। এক ফাঁকে ভীর ঠেলে ওই নারী সাংসদের কাছে প্রশ্ন তোলেন তার সাথে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে উল্টো কেন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
প্রতিত্তোরে সাংসদ তাকে ঘটনাস্থল ত্যাগ করে পরে দেখা করার পরামর্শ দেন কিছুটা উত্তেজিত ভাষায়। এতে আরও ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন মরিয়ম বেগম। একপর্যায়ে তার গাড়ির ওপর কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। সাংসদ অনুসারী ছাত্র-যুব-সেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ ওই নারীকে টেনে হিচড়ে স্থান ত্যাগে বাধ্য করতে উদ্যোগী হয়।
মরিয়মের অভিযোগ, এসময় তাকে শারীরিক নির্যাতন করা হয়েছে, এই মর্মে যে সাংসদের গাড়ির ওপর তিনি না কী জুতো নিক্ষেপ করেছেন। কিন্তু সেখানে উপস্থিত থানা পুলিশ কোন ভুমিকা না নিয়ে বরং তাকে স্থান ত্যাগে বাধ্য করেন। মেহেন্দিগঞ্জ থানায় সাংসদ পঙ্কজের বিরুদ্ধে আইনী সহায়তা পাওয়া সম্ভব নয় বিধায় তিনি বরিশালে নালিশ জানাতে এসেছেন। সোমবার দুপুরের দিকে মামলার কপি ওই নারী সংবাদকর্মীদের আলাপের এক ফাঁকে নিরুদ্দেশ হয়ে যান। পরে খবর রটে যে মেহেন্দিগঞ্জের সাংসদের বিরুদ্ধে এক বিধবা আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। বিকেল থেকে গভীর রাত অবধি সংবাদকর্মীরা বিভিন্ন মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত হতে চায়। পরে জানা গেল এ ধরনের মামলা হয়নি, তবে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করে আজ মঙ্গলবার মামলাটি দায়ের হতে পারে। সেক্ষেত্রে এমপি পঙ্কজ দেবনাথকে নির্দেশদাতা হিসেবে উল্লেখ করলেও আসামি না করে তার অনুসারী ৬ জনের বিরুদ্ধে নাম উল্লেখ করে অভিযোগ আনা হয়েছে। অবশ্য সংবাকর্মীদের কাছে মরিয়ম বেগমের ভাষ্য ছিল, এতে মুখ্য ভুমিকায় ছিলেন পৌর সেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আমু হোসেন
এ প্রসঙ্গে গতকাল সন্ধ্যায় এই নেতার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ডাকবাংলোয় কিছুই ঘটেনি। আবার ঘটলেও তিনি সে বিষয়ে অবগত নন। তবে ওইদিন (২৭ আগস্ট) দুপুরে স্থানীয় আরসি কলেজের সম্মুখে মরিয়ম বেগম সাংসদ পঙ্কজের গাড়ি আগলে ধরেছিলেন একটি ডিওলেটারে স্বাক্ষর নেওয়ার জন্য। সাংসদ ব্যস্ত থাকায় পরে আসতে বললে নাছড়বান্দা কোনভাবেই স্থান ত্যাগে রাজি না হওয়ায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা তাকে বুঝিয়ে শুনিয়ে অটোরিকশায় উঠিয়ে দেন।
কিন্তু সাংসদ পঙ্কজ এ তথ্য নাকচ করে দিয়ে বলেন, ডাকবাংলোতো দুরের কথা আরসি কলেজের সামনে কোন নারীর সাথে তার কোনরুপ বসচা হয়নি। অবশ্য ওই সেচ্ছাসেবকলীগ নেতার তথ্যমতে সেখানে উপস্থিত থানার সেকেন্ড অফিসার উপ-পরিদর্শক (এসআই) নাছির উদ্দিন যে তথ্য-উপাত্ত্ব দেন, তাতে প্রমাণ করে ওইদিন কিছু একটা ঘটেছে। তবে তা আরসি কলেজ সম্মুখে নয়, ডাকবাংলোর গেটে এক বিধবা নারী সহায়তা চেয়ে না পেয়ে কিছুটা উত্তেজিত হয়েছিল। পরে তিনি অর্থায়নে অটোরিকশায় তুলে দিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে বাধ্য করেন।
ফলে তিনজনের ত্রিমুখী বক্তব্যের গড়মিল থাকলেও যে যোগফল দেখা যায়, তাতে মরিয়ম বেগমের অভিযোগ অমুলক নয়। মেহেন্দিগঞ্জ আ’লীগ রাজনীতির সাথে জড়িত এমন অনেকে রয়েছেন, যাদের অনেকে ওই ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী আবার কেউ শুনেছেন। কিন্তু পরিস্থিতিগত কারণে নিজেদের নাম প্রকাশতো দুরের কথা, প্রাসঙ্গিক বিষয় নিয়ে অপারগতা জানিয়ে অন্য মাধ্যমে খবর নিশ্চিত হওয়ায় পরামর্শ দেন।
এদিকে একটি গোয়েন্দা সংস্থা ওই মরিয়ম বেগমের অভিযোগের সত্যতা খুঁজে পেয়েছে বলে এ প্রতিবেদকের কাছে মন্তব্য প্রকাশ করে তারা ঘটনার আরও গভীরে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করে গভীর রাত পর্যন্ত খোঁজ-খবর রাখছিলেন সাংসদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে কী না। ওই গোয়েন্দা সংস্থার একজন কর্মকর্তা মরিয়ম বেগমের সাথে সেলফোনে যোগাযোগ করে নিশ্চিত হন, তিনি বরিশালে এসেছিলেন। কিন্তু দুপুর নাগাদ ফিরে গেছেন। তবে মামলা দায়ের করেছে কী না শেষান্তে তা আর জানা সম্ভব হয়নি মরিয়মের সেলফোন বন্ধ থাকায়।
মেহেন্দিগঞ্জের স্থানীয় একাধিক সূত্র জানায়, ২৭ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২ থেকে ১টার মধ্যে এই ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা বিস্তৃতি ঘটলেও সবাই যেন সতর্ক, কেউ না শোনে প্রাসঙ্গিক আলাপ। এদিকে পঙ্কজের অনুসারীরা এখন বলছে, ওই বিধবা নারী মানসিক বিকারগ্রস্ত হওয়ায় এ ধরনের বহু কান্ড-কারখানা ঘটিয়েছে। কিন্তু মরিয়নের ভগ্নিপতি স্থানীয় কাজী হিসেবে পরিচিত রুহুল আমিন জানান, তিনি বিকারাগ্রস্ত একথা সঠিক নয়। স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর মরিয়ম মানসিক রোগে আক্রান্ত হলে চিকিৎসা সেবা দেওয়ার পরে এক কণ্যাসন্তান নিয়ে পৌর এলাকার চরহোগলায় জরাজীর্ণ বাসায় বসবাস করছেন।
পঙ্কজ দেবনাথের বিরুদ্ধে এরুপ নির্যাতনের অভিযোগ ইতিপূর্বেও উঠেছিল। মরিয়ম বেগমের ন্যায় নিজ দলীয় সমর্থিত একজন নরসুন্দরের সাথে দলীয় বিবাদে তাকে ডাকবাংলোয় পিটিয়ে আহত করে। এর আগে সেই নরসুন্দরকে নদীতে ফেলে দিয়ে হত্যাচেষ্টা ঘটনা নিয়ে জল কম ঘোলা হয়নি।
এছাড়া স্থানীয় ভাবে দলকে কুক্ষিগত করাসহ রাজধানী ঢাকায় ক্যাসিনো কান্ডে সম্পৃক্ততা এবং অল্পদিনে অঢেল সম্পত্তির মালিক হওয়ার অভিযোগ বিভিন্ন মিডিয়ায় প্রকাশ পায়। ধারণা করা হচ্ছে- এসব অভিযোগের কারণে পঙ্কজ কেন্দ্রীয় সেচ্ছাসেবকলীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে অপসারিত হয়েছেন। এই সাংসদ বিতর্ক অবসানে বরিশাল থেকে মিডিয়াকর্মীদের আমন্ত্রণ জানিয়ে বিশেষ ব্যবস্থায় মেহেন্দিগঞ্জে নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করে আত্মপক্ষ সমর্থনে বক্তব্যে সেদিনকার তার ভাষ্য ছিল, তিনি দলীয় বিভাজনের রাজনীতির প্রতিহিংসার শিকার। যেমনটি গতকালও বললেন, মরিয়ম প্রসঙ্গে অভিযোগের উত্তর সংক্ষিপ্ত করতে গিয়ে।
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৮:১২
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৭:১৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৩:৪৩
২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:০৫