Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৫ নভেম্বর, ২০২৫ ২২:৪০
পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, সবজি সহ নানা নিত্যপণ্যের অগ্নিমূল্যে বরিশালের সাধারণ মানুষের সংসার যেন আর চলছেই না। মাসের বাজেট এখন ফুরিয়ে যাচ্ছে ২০ দিনের মধ্যেই। সর্বত্রই নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি চরম অস্বস্তি সৃষ্টি করছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের হতাশা ক্রমশ ক্ষোভে পরিণত হচ্ছে।
খাদ্য বিভাগ থেকে প্রতিদিন ৩০ টাকা কেজি দরে ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে ৯২ টন আটা বিক্রির পরেও গত মাসে চালের বাজারে ঊর্ধ্বগতি আটকানো গেলেও আটার দাম ফের বাড়ছে। ফলে খাদ্যপণ্য নিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কোনো শেষ নেই।
এবারের পুরো বর্ষা মৌসুম জুড়েই স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টিপাত সবজির বাগানকে বারবারই বিপর্যস্ত করায় বাজারে এর বিরূপ প্রভাব লক্ষ্যণীয়। গত মাসেই বরিশালে স্বাভাবিকের ৪৭২% বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, যা একটি রেকর্ড। এমনকি স্বাভাবিক ১৭ দিনের স্থলে অক্টোবর মাসে বরিশালে ২৪ দিন বৃষ্টি ঝরেছে।
এই রেকর্ড বৃষ্টির ফলে বরিশালের সবজির বাজারে চরম বিরূপ প্রভাব পড়েছে। আগাম শীতকালীন সবজির বেশিরভাগই নষ্ট হয়েছে। প্রায় ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে বছরে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টন সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে। কিন্তু গত মাসখানেক ধরে বরিশালের বাজারে ৮০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজি মিলছে না। বাজারে আসা নতুন অপরিপক্ব কোনো কোনো সবজির কেজি ১২০ টাকা। ফলে একটি ছোট পরিবারের এখন ডাল-ভাত আর সবজি দিয়ে তিনবেলা খাবার জোগাড়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
দীর্ঘদিন পর বরিশালের বাজারে পেঁয়াজ আবার সেঞ্চুরি হাকিয়ে এখন ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বিগত রবি মৌসুমে দেশে প্রায় ৪২ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হওয়ায় বাজারে এর কোনো ঘাটতি নেই। পুরো বছর জুড়েই দেশি পেঁয়াজে চাহিদা মিটলেও কৃষকের কাছ থেকে ১৫ টাকা কেজিতে কেনা পেঁয়াজ এতদিন ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রির পর একলাফে তা দ্বিগুণেরও ওপরে উঠে গেছে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
সবজির বাজারে আগুনের কারণে এতদিন সাধারণ মানুষ ২০ টাকা কেজির আলু দিয়ে চাহিদা মেটালেও গত এক সপ্তাহে সেখানেও দুঃসংবাদ। আলুর দামও একলাফে ২৫% বেড়ে এখন ২৫ টাকা কেজি। কিন্তু কী কারণে পেঁয়াজ ও আলুর দাম বাড়ল, তার কোনো জবাব নেই বরিশালের পাইকারি বাজারের আড়তদারদের কাছে। ‘বাজার মনিটরিং’ নামে প্রশাসনের কোনো তৎপরতাও নেই দীর্ঘদিন।
অপরদিকে খোলা বাজারে মসুর ডালের কেজি এখন ১৬০ টাকা। এতদিন গরুর খাবার হিসেবে বিবেচিত খেসারির ডালের কেজিও এখন ১২৫ টাকা। ডিমের হালি ৪৮ টাকায় ওঠার পর আর নামার কোনো লক্ষণ নেই। বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার এখন ১৯০ টাকা। ভারতীয় নিম্নমানের আদার কেজি ১৩০ টাকা, চীনা আদা ১৬০ টাকা কেজি। গরুর গোশতও পাউন্ডে ৮০০ টাকা ছুঁয়েছে।
ইলিশের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লেও দাম এখনো কমেনি। তবে এ নিষেধাজ্ঞার পরে বাজারে নদীর পাঙ্গাসের আমদানি যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তা সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে। ইলিশের কেজি এখনো সাইজভেদে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা কেজি।
এদিকে ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রায় বছর জুড়েই বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলা সদরগুলোতে প্রায় ১৩০ জন ডিলারের মাধ্যমে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ৯২ টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০ জন ছাড়াও জেলা সদরে ৫ জন করে এবং ৩৬টি উপজেলা সদরে ৭২ জন ডিলার এসব চাল ও আটা বিক্রি করছেন।
গত অর্থবছরে এ অঞ্চলে ১০ হাজার ৩০৬ টন চাল ও প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার টন আটা যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের গত ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আরও প্রায় ৫ হাজার টন আটা ও ৪,২৪৭ টন চাল বিক্রি করা হয়েছে বলে খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
তবে চালের বাজারে গত মাসে কিছুটা নিম্নমুখী প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও গত সপ্তাহে আটার দাম আবার বেড়েছে। বরিশালের বাজারে এখন খোলা আটা ৫০ টাকা এবং এক কেজির প্যাকেট আটা ৬৫ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। বুধবার বরিশাল মহানগরীসহ এ অঞ্চলের অন্যান্য কিছু বাজারে খোঁজ নিয়ে ক্রেতাদের নিঃশ্বাসের খবরই মিলেছে। নারী-পুরুষ অনেক ক্রেতাই হতাশার সঙ্গে ক্ষোভের কথাও বলেছেন।
পেঁয়াজ, ডাল, ভোজ্যতেল, সবজি সহ নানা নিত্যপণ্যের অগ্নিমূল্যে বরিশালের সাধারণ মানুষের সংসার যেন আর চলছেই না। মাসের বাজেট এখন ফুরিয়ে যাচ্ছে ২০ দিনের মধ্যেই। সর্বত্রই নিত্যপণ্যের মূল্যবৃদ্ধি চরম অস্বস্তি সৃষ্টি করছে। পুরো বিষয়টি নিয়ে সাধারণ মানুষের হতাশা ক্রমশ ক্ষোভে পরিণত হচ্ছে।
খাদ্য বিভাগ থেকে প্রতিদিন ৩০ টাকা কেজি দরে ৫৬ টন চাল ও ২৪ টাকা দরে ৯২ টন আটা বিক্রির পরেও গত মাসে চালের বাজারে ঊর্ধ্বগতি আটকানো গেলেও আটার দাম ফের বাড়ছে। ফলে খাদ্যপণ্য নিয়ে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের কোনো শেষ নেই।
এবারের পুরো বর্ষা মৌসুম জুড়েই স্বাভাবিকের তুলনায় অনেক বেশি বৃষ্টিপাত সবজির বাগানকে বারবারই বিপর্যস্ত করায় বাজারে এর বিরূপ প্রভাব লক্ষ্যণীয়। গত মাসেই বরিশালে স্বাভাবিকের ৪৭২% বেশি বৃষ্টি হয়েছে বলে আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, যা একটি রেকর্ড। এমনকি স্বাভাবিক ১৭ দিনের স্থলে অক্টোবর মাসে বরিশালে ২৪ দিন বৃষ্টি ঝরেছে।
এই রেকর্ড বৃষ্টির ফলে বরিশালের সবজির বাজারে চরম বিরূপ প্রভাব পড়েছে। আগাম শীতকালীন সবজির বেশিরভাগই নষ্ট হয়েছে। প্রায় ১৪ লাখ টন খাদ্য উদ্বৃত্ত বরিশাল কৃষি অঞ্চলে বছরে প্রায় সাড়ে ১৬ লাখ টন সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে। কিন্তু গত মাসখানেক ধরে বরিশালের বাজারে ৮০ টাকা কেজির নিচে কোনো সবজি মিলছে না। বাজারে আসা নতুন অপরিপক্ব কোনো কোনো সবজির কেজি ১২০ টাকা। ফলে একটি ছোট পরিবারের এখন ডাল-ভাত আর সবজি দিয়ে তিনবেলা খাবার জোগাড়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
দীর্ঘদিন পর বরিশালের বাজারে পেঁয়াজ আবার সেঞ্চুরি হাকিয়ে এখন ১২০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। বিগত রবি মৌসুমে দেশে প্রায় ৪২ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হওয়ায় বাজারে এর কোনো ঘাটতি নেই। পুরো বছর জুড়েই দেশি পেঁয়াজে চাহিদা মিটলেও কৃষকের কাছ থেকে ১৫ টাকা কেজিতে কেনা পেঁয়াজ এতদিন ৫০-৫৫ টাকায় বিক্রির পর একলাফে তা দ্বিগুণেরও ওপরে উঠে গেছে। কিন্তু দেখার কেউ নেই।
সবজির বাজারে আগুনের কারণে এতদিন সাধারণ মানুষ ২০ টাকা কেজির আলু দিয়ে চাহিদা মেটালেও গত এক সপ্তাহে সেখানেও দুঃসংবাদ। আলুর দামও একলাফে ২৫% বেড়ে এখন ২৫ টাকা কেজি। কিন্তু কী কারণে পেঁয়াজ ও আলুর দাম বাড়ল, তার কোনো জবাব নেই বরিশালের পাইকারি বাজারের আড়তদারদের কাছে। ‘বাজার মনিটরিং’ নামে প্রশাসনের কোনো তৎপরতাও নেই দীর্ঘদিন।
অপরদিকে খোলা বাজারে মসুর ডালের কেজি এখন ১৬০ টাকা। এতদিন গরুর খাবার হিসেবে বিবেচিত খেসারির ডালের কেজিও এখন ১২৫ টাকা। ডিমের হালি ৪৮ টাকায় ওঠার পর আর নামার কোনো লক্ষণ নেই। বোতলজাত সয়াবিন তেলের লিটার এখন ১৯০ টাকা। ভারতীয় নিম্নমানের আদার কেজি ১৩০ টাকা, চীনা আদা ১৬০ টাকা কেজি। গরুর গোশতও পাউন্ডে ৮০০ টাকা ছুঁয়েছে।
ইলিশের নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ার পর বাজারে মাছের সরবরাহ বাড়লেও দাম এখনো কমেনি। তবে এ নিষেধাজ্ঞার পরে বাজারে নদীর পাঙ্গাসের আমদানি যথেষ্ট বৃদ্ধি পেয়েছে, তবে তা সাধারণের ধরাছোঁয়ার বাইরে। ইলিশের কেজি এখনো সাইজভেদে ১ হাজার থেকে ২ হাজার টাকা কেজি।
এদিকে ওএমএস কর্মসূচির আওতায় প্রায় বছর জুড়েই বরিশাল খাদ্য অঞ্চলের সিটি করপোরেশন, জেলা ও উপজেলা সদরগুলোতে প্রায় ১৩০ জন ডিলারের মাধ্যমে প্রতিদিন ৫৬ টন চাল ও ৯২ টন আটা বিক্রি করা হচ্ছে। এর মধ্যে বরিশাল মহানগরীর ৩০টি ওয়ার্ডে ৩০ জন ছাড়াও জেলা সদরে ৫ জন করে এবং ৩৬টি উপজেলা সদরে ৭২ জন ডিলার এসব চাল ও আটা বিক্রি করছেন।
গত অর্থবছরে এ অঞ্চলে ১০ হাজার ৩০৬ টন চাল ও প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার টন আটা যথাক্রমে ৩০ টাকা ও ২৪ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। চলতি অর্থবছরের গত ২০ অক্টোবর পর্যন্ত আরও প্রায় ৫ হাজার টন আটা ও ৪,২৪৭ টন চাল বিক্রি করা হয়েছে বলে খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।
তবে চালের বাজারে গত মাসে কিছুটা নিম্নমুখী প্রভাব লক্ষ্য করা গেলেও গত সপ্তাহে আটার দাম আবার বেড়েছে। বরিশালের বাজারে এখন খোলা আটা ৫০ টাকা এবং এক কেজির প্যাকেট আটা ৬৫ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে। বুধবার বরিশাল মহানগরীসহ এ অঞ্চলের অন্যান্য কিছু বাজারে খোঁজ নিয়ে ক্রেতাদের নিঃশ্বাসের খবরই মিলেছে। নারী-পুরুষ অনেক ক্রেতাই হতাশার সঙ্গে ক্ষোভের কথাও বলেছেন।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৮
পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে বাগবিতন্ডার জেরধরে বরিশাল নগরীতে আব্দুল বারেক হাজী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে নগরীর পোর্ট রোডের পিয়াজপট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুল বারেক হাজী বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী দাঁড়িয়াল এলাকার মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।
আটকৃতরা হলেন, শুভ, কাওছার হোসেন, সুইটি বেগম ও মাকসুদা বেগম। শুভ, কাওছার ও সুইটি ওই এলাকার ভাড়াটিয়া ইলিয়াছ হোসেনের সন্তান। মাকসুদা ইলিয়াছের স্ত্রী।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ইলিয়াছ পলাতক রয়েছে। তারা সবাই পোর্ট রোড পিয়াজপট্টি এলাকার মুসলিম হাওলাদারের বাসার ভাড়াটিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে দুই ভাড়াটিয়া পরিবারের নারীদের মধ্যে প্রথমে বাগবিতন্ডা হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরেন। একপর্যায়ে আব্দুল বারেক হাজীর ওপর হামলা চালানো হলে তিনি গুরুত্বর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
এদিকে মূল অভিযুক্ত ইলিয়াছ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে বাগবিতন্ডার জেরধরে বরিশাল নগরীতে আব্দুল বারেক হাজী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে নগরীর পোর্ট রোডের পিয়াজপট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুল বারেক হাজী বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী দাঁড়িয়াল এলাকার মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।
আটকৃতরা হলেন, শুভ, কাওছার হোসেন, সুইটি বেগম ও মাকসুদা বেগম। শুভ, কাওছার ও সুইটি ওই এলাকার ভাড়াটিয়া ইলিয়াছ হোসেনের সন্তান। মাকসুদা ইলিয়াছের স্ত্রী।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ইলিয়াছ পলাতক রয়েছে। তারা সবাই পোর্ট রোড পিয়াজপট্টি এলাকার মুসলিম হাওলাদারের বাসার ভাড়াটিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে দুই ভাড়াটিয়া পরিবারের নারীদের মধ্যে প্রথমে বাগবিতন্ডা হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরেন। একপর্যায়ে আব্দুল বারেক হাজীর ওপর হামলা চালানো হলে তিনি গুরুত্বর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
এদিকে মূল অভিযুক্ত ইলিয়াছ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩