
২১ নভেম্বর, ২০২৫ ১৭:৩৩
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঢাকায় ৩ জন, গাজীপুরে ১ জন, নারায়ণগঞ্জে ১ জন এবং নরসিংদীতে ২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। এ ঘটনায় সারা দেশে দুশতাধিক মানুষ আহত এবং বেশ কয়েকটি ভবন ও স্থাপনায় ফাটল দেখা গেছে।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৫ দশমিক ৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী। এদিন ভূমিকম্পে সারা দেশে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে—
পুরান ঢাকার বংশালের কসাইটুলীতে ৫ তলা ভবনের রেলিং ধসে ৩ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে বংশাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সোহেল হোসেন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন— সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের (মিটফোর্ড) ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম, হাজি আব্দুর রহিম (৪৭) ও মেহরাব হোসেন রিমন (১২)। তিনজনের মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ করে পাঁচতলা ভবনের রেলিং ধসে তিন পথচারী ঘটনাস্থলে নিহত হন। তারা সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে ফাতেমা নামের এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নবজাতকের মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগম আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। মৃত ফাতেমা গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ইসলামবাগ ৫ নম্বর ক্যানেল এলাকার আব্দুল হকের মেয়ে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ভূমিকম্পের সময় ঘটনাস্থলে হয়ে ভুলতা গাউছিয়া যাওয়ার সময় সড়কের পাশের দেয়াল ধসে নবজাতক ফাতেমা, তার মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমের ওপর পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলেই নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরে তারা দেয়ালের নিচ থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেন। আহত অবস্থায় নবজাতকের মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমকে উদ্ধার করে স্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নবজাতকের মা ও প্রতিবেশী গুরুতর আহত হয়েছেন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নে ভূমিকম্পের গাছ থেকে পড়ে গিয়ে সুজিৎ দাস (৩৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। গাছ থেকে পড়ার পর তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়া শাদেরগাঁও জামে মসজিদের দুটি গম্বুজ কাত হয়ে গেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা গেছে। নবনির্মিত সাদেরগাঁও চারতলা বিশিষ্ট স্কুলে বেশ কয়েকটি ফাটল দেখা গেছে।
নরসিংদীতে ভূমিকম্পের প্রভাবে ভবনের দেয়াল ধসে শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া জেলার ছয়টি উপজেলায় প্রায় শতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে নরসিংদীর দুই উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নরসিংদী সদর উপজেলার গাবতলী এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে ওমর (১২) নামে এক শিশু ও পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা গ্রামের কাজম আলী (৭৫) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম বলেন, ভূমিকম্পে জেলায় বিভিন্ন জায়গায় আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। যে কোনো দুর্যোগে জেলা পুলিশ সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে আঘাত হানা শক্তিশালী ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত ৭ জন নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঢাকায় ৩ জন, গাজীপুরে ১ জন, নারায়ণগঞ্জে ১ জন এবং নরসিংদীতে ২ জনের মৃত্যু নিশ্চিত হয়েছে। এ ঘটনায় সারা দেশে দুশতাধিক মানুষ আহত এবং বেশ কয়েকটি ভবন ও স্থাপনায় ফাটল দেখা গেছে।
শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকাল ১০টা ৩৮ মিনিটে এই ভূমিকম্প হয়। বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৫ দশমিক ৭। এর উৎপত্তিস্থল নরসিংদীর মাধবদী। মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (ইউএসজিএস) বলছে, রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পটির তীব্রতা ছিল ৫ দশমিক ৫। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল নরসিংদী। এদিন ভূমিকম্পে সারা দেশে ব্যাপক হতাহতের ঘটনা ঘটে। বিস্তারিত প্রতিনিধিদের পাঠানো খবরে—
পুরান ঢাকার বংশালের কসাইটুলীতে ৫ তলা ভবনের রেলিং ধসে ৩ জন নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) বেলা সোয়া ১১টার দিকে বংশাল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. সোহেল হোসেন তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন।
নিহতরা হলেন— সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের (মিটফোর্ড) ৫২তম ব্যাচের শিক্ষার্থী রাফিউল ইসলাম, হাজি আব্দুর রহিম (৪৭) ও মেহরাব হোসেন রিমন (১২)। তিনজনের মরদেহ মিটফোর্ড হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, ভূমিকম্পের সময় হঠাৎ করে পাঁচতলা ভবনের রেলিং ধসে তিন পথচারী ঘটনাস্থলে নিহত হন। তারা সড়ক দিয়ে হেঁটে যাচ্ছিলেন। ঘটনার পরপরই ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হন।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে ফাতেমা নামের এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নবজাতকের মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগম আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) এ ঘটনা ঘটে। মৃত ফাতেমা গোলাকান্দাইল ইউনিয়নের ইসলামবাগ ৫ নম্বর ক্যানেল এলাকার আব্দুল হকের মেয়ে।
স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকালে ভূমিকম্পের সময় ঘটনাস্থলে হয়ে ভুলতা গাউছিয়া যাওয়ার সময় সড়কের পাশের দেয়াল ধসে নবজাতক ফাতেমা, তার মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমের ওপর পড়ে। এ সময় ঘটনাস্থলেই নবজাতকের মৃত্যু হয়। পরে তারা দেয়ালের নিচ থেকে নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার করেন। আহত অবস্থায় নবজাতকের মা কুলসুম বেগম ও প্রতিবেশী জেসমিন বেগমকে উদ্ধার করে স্থানীয় প্রাইভেট হাসপাতালে ভর্তি করেন স্থানীয়রা।
এ বিষয়ে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির পরিদর্শক মোখলেসুর রহমান বলেন, ভূমিকম্পে দেয়াল ধসে এক নবজাতকের মৃত্যু হয়েছে। এ সময় নবজাতকের মা ও প্রতিবেশী গুরুতর আহত হয়েছেন।
গাজীপুরের কালীগঞ্জের নাগরী ইউনিয়নে ভূমিকম্পের গাছ থেকে পড়ে গিয়ে সুজিৎ দাস (৩৮) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন। গাছ থেকে পড়ার পর তাকে উদ্ধার করে কালীগঞ্জ সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
এছাড়া শাদেরগাঁও জামে মসজিদের দুটি গম্বুজ কাত হয়ে গেছে। পাশাপাশি বিভিন্ন স্থানে ফাটল দেখা গেছে। নবনির্মিত সাদেরগাঁও চারতলা বিশিষ্ট স্কুলে বেশ কয়েকটি ফাটল দেখা গেছে।
নরসিংদীতে ভূমিকম্পের প্রভাবে ভবনের দেয়াল ধসে শিশুসহ ২ জন নিহত হয়েছেন। এছাড়া জেলার ছয়টি উপজেলায় প্রায় শতাধিক আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। শুক্রবার (২১ নভেম্বর) সকালে নরসিংদীর দুই উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
জানা গেছে, নরসিংদী সদর উপজেলার গাবতলী এলাকায় নির্মাণাধীন ভবনের দেয়াল ধসে ওমর (১২) নামে এক শিশু ও পলাশ উপজেলার চরসিন্দুর ইউনিয়নের মালিতা গ্রামের কাজম আলী (৭৫) নামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলম বলেন, ভূমিকম্পে জেলায় বিভিন্ন জায়গায় আহত হওয়ার খবর পেয়েছি। আমরা একজনের মৃত্যুর খবর পেয়েছি। যে কোনো দুর্যোগে জেলা পুলিশ সাধারণ মানুষের পাশে রয়েছে। পুলিশ তাদের নিরাপত্তায় সচেষ্ট রয়েছে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:১০
বরিশালে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে তেমন ভোটার উপস্থিতি চোখে পড়েনি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু সংখ্যক ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে আছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে নারী-পুরুষ অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছেন। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা আছে। যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে আছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করছে জাহাজ ‘বানৌজা সালাম’, যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত আছেন। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোটকেন্দ্র আছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোটকেন্দ্র আছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৯৭টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-৫ আসনে ভোটকেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ভোটকেন্দ্র ১১৩টি। এর মধ্যে সাধারণ ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
বরিশাল টাইমস
বরিশালে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হওয়ার পর দুপুর ১২টা পর্যন্ত ৩৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার ও জেলা প্রশাসক মো. খাইরুল আলম সুমন।
সকাল থেকে নগরীর বিভিন্ন কেন্দ্র ঘুরে তেমন ভোটার উপস্থিতি চোখে পড়েনি। তবে বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু সংখ্যক ভোটার উপস্থিতি বেড়েছে।
জেলার ৬টি সংসদীয় আসনে এবার নির্বাচনে ৩৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এ ছাড়া এবার জুলাই সনদ বাস্তবায়নে অনুষ্ঠিত হচ্ছে গণভোট।
জানা গেছে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) ১ হাজার ২৮৫ জন সদস্য ১৯৯টি কেন্দ্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। আধুনিক প্রযুক্তির অংশ হিসেবে বিএমপি পুলিশ ১০৩টি বডি অন ক্যামেরাও ব্যবহার করছে। সবচেয়ে বড় জনবল হিসেবে আছে ১০ হাজার ৮২৯ জন আনসার ও ভিডিপি সদস্য। প্রতিটি কেন্দ্রে ৩ জন সশস্ত্র সদস্যসহ মোট ১৩ জন আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন, যার মধ্যে নারী-পুরুষ অন্তর্ভুক্ত।
ভোটের মাঠে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনীর ভূমিকাও জোরালো। বরিশাল জেলায় ১ হাজার ৪০০ থেকে ১ হাজার ৫০০ জন সেনা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে, যেখানে প্রতি উপজেলায় গড়ে ১০০ জন এবং মেট্রোপলিটন এলাকায় ৪০০ জন সেনা সদস্য অবস্থান করছেন। প্রতি দুই থেকে তিনটি ইউনিয়নের জন্য একটি করে পেট্রোল টিম কাজ করছে।
পাশাপাশি বিজিবির ১৪ প্লাটুন সদস্য জেলার বিভিন্ন স্থানে মোতায়েন করা আছে। যার মধ্যে বরিশাল সদরে ৫ প্লাটুন এবং বাকি ৯টি উপজেলায় ৯ প্লাটুন সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। র্যাবের পক্ষ থেকেও ৬টি বিশেষ পেট্রোল টিম সার্বক্ষণিক টহলে আছে।
নদীবেষ্টিত অঞ্চল হওয়ায় বরিশালের জলপথেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। নৌবাহিনীর পক্ষ থেকে জেলার নদীপথগুলোতে অবস্থান করছে জাহাজ ‘বানৌজা সালাম’, যেখানে ৬০ জন কর্মকর্তা ও নাবিক দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়া মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কোস্টগার্ডের প্রায় ১৫০ জন সদস্য নিয়োজিত আছেন। নদী এলাকার ৮টি ভোটকেন্দ্রের সুরক্ষায় নৌ পুলিশও দায়িত্ব পালন করছে।
বরিশাল জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. খায়রুল আলম সুমন জানান, নির্বাচনকে ঘিরে নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাড়ানো হয়েছে এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা রুখতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বরিশাল জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা গেছে, বরিশাল জেলার ছয়টি আসনে মোট ৮৩৩টি ভোটকেন্দ্র আছে। এর মধ্যে সাধারণ ভোটকেন্দ্র আছে ৩৪২টি, গুরুত্বপূর্ণ ভোটকেন্দ্র ১৯৭টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ২৫৪টি।
বরিশাল-৫ আসনে ভোটকেন্দ্র ১৭৬টি। এর মধ্যে সাধারণ ৯৩টি, গুরুত্বপূর্ণ ৪৬টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৭টি। বরিশাল-৬ আসনে ভোটকেন্দ্র ১১৩টি। এর মধ্যে সাধারণ ৪৬টি, গুরুত্বপূর্ণ ৩২টি ও অতিগুরুত্বপূর্ণ ৩৫টি।
বরিশাল টাইমস

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১২:০০
শেরপুর সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চর মোচরিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাইরের কয়েকজন লোক হঠাৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুটি কক্ষ থেকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে যায়।
এর মধ্যে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং একটি গণভোটের ব্যালট বই ছিল। তবে একটি গণভোটের ব্যালট বই এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানো হলে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসে উদ্ধারে কাজ করছেন।
শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, চল্লিশটি ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে ও দুইজন আটক আছে।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৫টি। এর মধ্যে ২৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৮১টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ চলছে।
শেরপুর সদর উপজেলার একটি ভোটকেন্দ্রে ঢুকে তিনটি ব্যালট বই ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সদর উপজেলার চর মোচরিয়া ইউনিয়নের নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে।
এ বিষয়ে নলবাইদ দক্ষিণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মো. শাহিদুল ইসলাম জানান, সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাইরের কয়েকজন লোক হঠাৎ কেন্দ্রে প্রবেশ করে দুটি কক্ষ থেকে তিনটি ব্যালট বই নিয়ে যায়।
এর মধ্যে দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের এবং একটি গণভোটের ব্যালট বই ছিল। তবে একটি গণভোটের ব্যালট বই এবং একটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ব্যালট বই এখনও উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানো হলে র্যাব, পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত সময়ের মধ্যে এসে উদ্ধারে কাজ করছেন।
শেরপুর সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা মাহবুবা হক জানান, চল্লিশটি ব্যালট উদ্ধার করা হয়েছে ও দুইজন আটক আছে।
জেলা নির্বাচন অফিসার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, শেরপুর-১ (সদর) আসনে ১টি পৌরসভা ও ১৪টি ইউনিয়নে মোট ভোটার ৪ লাখ ৫০ হাজার ৪৮৮ জন। এর মধ্যে পুরুষ ২ লাখ ২৪ হাজার ৪৭২ জন, নারী ২ লাখ ২৬ হাজার ৮ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার ৮ জন। এ আসনে মোট ভোটকেন্দ্র ১৪৫টি। এর মধ্যে ২৪টি অধিক গুরুত্বপূর্ণ, ৪০টি গুরুত্বপূর্ণ এবং ৮১টি সাধারণ কেন্দ্র। সদর উপজেলার ১৪৫টি কেন্দ্রেই ভোটগ্রহণ চলছে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৪৯
খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাইলেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আটটায় আলিয়া মাদরাসা একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন।
কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।
কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানার এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদরাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্রেফতারের দাবি জানাই।
খুলনা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দিইনি।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।
খুলনা সদরের আলিয়া মাদরাসা ভোটকেন্দ্রে দুই পক্ষের উত্তেজনা ও হট্টগোলের মাঝে মহিবুজ্জামান কচি নামে এক বিএনপি নেতার মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল আনুমানিক ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, নিহত মহিবুজ্জামান কচি খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক দপ্তর সম্পাদক। নগরের হাজী মহসিন রোড বাইলেনে তার বাড়ি।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সকাল আটটায় আলিয়া মাদরাসা একাডেমিক ভবন কেন্দ্রের সামনে বিএনপি ও জামায়াত সমর্থকদের মধ্যে উত্তেজনা তৈরি হয়।
খুলনা সদর থানা বিএনপির সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউসুফ হারুন মজনু অভিযোগ করে বলেন, সকাল থেকেই কেন্দ্রে উত্তেজনা ছিল। আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ জামায়াতের প্রচারণায় ছিলেন। তাকে বাধা দিলে তিনি মহিবুজ্জামান কচিকে ধাক্কা দেন। এতে তিনি গাছের সঙ্গে মাথায় আঘাত পান। এতেই তার মৃত্যু হয়েছে।
তবে জামায়াতের কেন্দ্র পরিচালক মাহবুবুর রহমান বলেন, আমাদের নারী কর্মীদের বিএনপির লোকজন বের করে দিচ্ছিল। আমি বাধা দিই। তখন তাদের মধ্যে একজন অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে শুনি তিনি মারা গেছেন।
কাউকে ধাক্কা বা মারধরের ঘটনা ঘটেনি। মাদরাসার সিসি ক্যামেরা আছে, চেক করলে সব ধরা পড়বে। কেন্দ্রের প্রিজাইডিং অফিসার সাইফুল ইসলাম বলেন, ঘটনাটি কেন্দ্রের বাইরে ঘটেছে। এটি আমার বিষয় নয়।
কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তা সদর থানার এসআই খান ফয়সাল রাফি বলেন, দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা তৈরির সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিই। তখন একজনকে সিএনজিতে করে বাইরে নিয়ে যেতে দেখা যায়। এখানে ধাক্কাধাক্কি বা হাতাহাতির কোনো ঘটনা ঘটেনি।
খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ইমারজেন্সি মেডিকেল অফিসার ডা. পার্থ রায় বলেন, মৃত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে আনা হয়। তার শরীরে আঘাতের কোনো চিহ্ন ছিল না।
খুলনা-২ আসনের বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু অভিযোগ করেন, আলিয়া মাদরাসায় জামায়াত নেতার ধাক্কায় বিএনপি নেতা কচি নিহত হয়েছেন। আমরা অধ্যক্ষ ও জামায়াত নেতা মাহাবুবের গ্রেফতারের দাবি জানাই।
খুলনা আলিয়া মাদরাসার অধ্যক্ষ আব্দুর রহিম মিয়া বলেন, আমি সবুরণনেসা কেন্দ্র থেকে ভোট দিয়ে বাড়ি প্রবেশ করছিলাম। তখন দেখি কয়েকজন মহিলাদের বের করে দিচ্ছে। আমি সবাইকে যেতে বলি। কাউকে ধাক্কা দিইনি।
খুলনা-২ আসনে জামায়াতের প্রার্থীর প্রধান এজেন্ট শেখ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে তিনি মারা গেছেন। এখানেও জামায়াতকে জড়ানো দুঃখজনক। অধ্যক্ষ জামায়াতের কেউ নন।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.