
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:২৮
নোয়াখালীর চাটখিলে দেড় বছর পর জুলাই আন্দোলনের সময় নিহত মো. ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজের (২২) মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেনের উপস্থিতিতে পারিবারিক কবরস্থান থেকে এ মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজ চাটখিল উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের ওয়ারী মিয়া ব্যাপারী বাড়ির মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় একটি কুরিয়ার সার্ভিসে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের খবর ছড়িয়ে পড়লে চাটখিল থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। ওই সময় থানায় ঢুকে একটি অস্ত্র লুট করে মোটরসাইকেলে করে স্থান ত্যাগ করার সময় পথিমধ্যে গুলিবিদ্ধ হন ইমতিয়াজ। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে পরে তার মৃত্যু হয়। তবে পরিবারের দাবি, থানার অস্ত্র লুটে আত্মঘাতী নয়, অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে ইমতিয়াজ নিহত হন।
পরে ইমতিয়াজকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ও জুলাই ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ গ্রহণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন।
গত ২২ মে নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এইচএম ইব্রাহিম, সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন মোহাম্মদ উল্ল্যাহসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ মামলার তদন্তের প্রয়োজনে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ ইমতিয়াজকে শহীদের স্বীকৃতি ও ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে তাকে গেজেটভুক্ত শহীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চাটখিল উপজেলার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম রনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে ইমতিয়াজের নাম আন্দোলনের কোথাও পাওয়া যায়নি। তারপরও কীভাবে তিনি শহীদ হিসেবে গেজেটভুক্ত হলেন সেটি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তারা জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ পাওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখার দরকার।
আরেক শিক্ষার্থী গোলাপ হোসেন ফরহাদ বলেন, ইমতিয়াজের মৃত্যুকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে দেখিয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে প্রকৃত শহীদদের অবমাননা হয়েছে।
ইমতিয়াজের বাবা হাবিবুর রহমান দাবি করেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করায় বর্তমানে আমাদের সব সরকারি সুযোগ-সুবিধা বন্ধ রয়েছে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ জানান, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতের নির্দেশে দেহাবশেষ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেন মরদেহ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ সময় পার হওয়ায় কেবল হাড়গোড় ও খুলি পাওয়া গেছে। যা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
মরদেহ উত্তোলনের সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাটখিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীরসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল টাইমস
নোয়াখালীর চাটখিলে দেড় বছর পর জুলাই আন্দোলনের সময় নিহত মো. ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজের (২২) মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেনের উপস্থিতিতে পারিবারিক কবরস্থান থেকে এ মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজ চাটখিল উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের ওয়ারী মিয়া ব্যাপারী বাড়ির মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় একটি কুরিয়ার সার্ভিসে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের খবর ছড়িয়ে পড়লে চাটখিল থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। ওই সময় থানায় ঢুকে একটি অস্ত্র লুট করে মোটরসাইকেলে করে স্থান ত্যাগ করার সময় পথিমধ্যে গুলিবিদ্ধ হন ইমতিয়াজ। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে পরে তার মৃত্যু হয়। তবে পরিবারের দাবি, থানার অস্ত্র লুটে আত্মঘাতী নয়, অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে ইমতিয়াজ নিহত হন।
পরে ইমতিয়াজকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ও জুলাই ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ গ্রহণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন।
গত ২২ মে নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এইচএম ইব্রাহিম, সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন মোহাম্মদ উল্ল্যাহসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ মামলার তদন্তের প্রয়োজনে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ ইমতিয়াজকে শহীদের স্বীকৃতি ও ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে তাকে গেজেটভুক্ত শহীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চাটখিল উপজেলার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম রনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে ইমতিয়াজের নাম আন্দোলনের কোথাও পাওয়া যায়নি। তারপরও কীভাবে তিনি শহীদ হিসেবে গেজেটভুক্ত হলেন সেটি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তারা জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ পাওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখার দরকার।
আরেক শিক্ষার্থী গোলাপ হোসেন ফরহাদ বলেন, ইমতিয়াজের মৃত্যুকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে দেখিয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে প্রকৃত শহীদদের অবমাননা হয়েছে।
ইমতিয়াজের বাবা হাবিবুর রহমান দাবি করেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করায় বর্তমানে আমাদের সব সরকারি সুযোগ-সুবিধা বন্ধ রয়েছে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ জানান, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতের নির্দেশে দেহাবশেষ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেন মরদেহ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ সময় পার হওয়ায় কেবল হাড়গোড় ও খুলি পাওয়া গেছে। যা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
মরদেহ উত্তোলনের সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাটখিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীরসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল টাইমস
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২১:১৫
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৩
১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৮:০৬

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২০:২৯
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অন্তত ৩৫০ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নাজিম উদ্দিন আহমেদের ভাই রিয়াজ উদ্দিন রাজন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেন তারা। এ সময় নতুন যোগদানকারীদের ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
যোগদান অনুষ্ঠান শেষে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে একটি গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থী মাহবুব আলম, রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির নাজমুল হাসান পাটওয়ারী, রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির হাসান মাহমুদ বান্নাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দল থেকে অন্তত ৩৫০ জন নেতাকর্মী জামায়াতে ইসলামীতে যোগ দিয়েছেন। যোগদানকারীদের মধ্যে রয়েছেন বিএনপির সাবেক সংসদ সদস্য প্রয়াত নাজিম উদ্দিন আহমেদের ভাই রিয়াজ উদ্দিন রাজন।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে রামগঞ্জ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে যোগ দেন তারা। এ সময় নতুন যোগদানকারীদের ফুলের মালা পরিয়ে বরণ করে নেয়া হয়।
যোগদান অনুষ্ঠান শেষে বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মীর অংশগ্রহণে লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের শাপলা কলি প্রতীকের প্রার্থীর পক্ষে একটি গণমিছিল অনুষ্ঠিত হয়। মিছিলটি উপজেলা শহরের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও লক্ষ্মীপুর-১ আসনের প্রার্থী মাহবুব আলম, রামগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমির নাজমুল হাসান পাটওয়ারী, রামগঞ্জ পৌর জামায়াতের আমির হাসান মাহমুদ বান্নাহসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:২৫
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
যশোরের শার্শা উপজেলায় এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষ থেকে মধ্যরাতে আপত্তিকর অবস্থায় এক জামায়াত নেতাকে হাতেনাতে আটক করার অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয় জনতা তাকে আটক করে পুলিশে খবর দেন। এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে তা মুহূর্তেই ভাইরাল হয় এবং এলাকায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।
আটক ব্যক্তির নাম সাব্বির হোসেন। তিনি শার্শা উপজেলার বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে যুক্ত বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। সাব্বির হোসেন বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সমর্থিত সাবেক ইউপি সদস্য নাসির উদ্দীনের ছেলে।
ঘটনাটি ঘটে সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) রাত সাড়ে ১১টার দিকে বাগআঁচড়া ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের বাগআঁচড়া গ্রামে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ওই সময় সাব্বির হোসেন এক প্রবাসীর স্ত্রীর শয়নকক্ষে অবস্থান করছিলেন। দীর্ঘ সময় দরজা বন্ধ থাকায় পরিবারের সদস্যদের সন্দেহ হলে তারা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে আটক করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, পরে পুলিশকে খবর দেওয়া হলে ঘটনাস্থলে এসে কোনো মামলা বা আইনানুগ ব্যবস্থা না নিয়ে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন ও ওই নারীকে ছেড়ে দেওয়া হয়। এ নিয়ে এলাকায় ক্ষোভ ও প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।
অন্যদিকে অভিযুক্ত সাব্বির হোসেন দাবি করেছেন, তিনি আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের পক্ষে ভোট চাইতে ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে গিয়েছিলেন।
স্থানীয়দের ভাষ্য, সাব্বির হোসেন দীর্ঘদিন ধরেই ওই প্রবাসীর স্ত্রীর বাড়িতে যাতায়াত করতেন। গভীর রাতে শয়নকক্ষে প্রবেশ করে দীর্ঘ সময় অবস্থান করায় সন্দেহ ঘনীভূত হয়। পরে পরিবারের সদস্যরা কক্ষে ঢুকে দুজনকে আটক করেন।
এ বিষয়ে বাগআঁচড়া ইউনিয়ন জামায়াতে ইসলামীর আমির মাওলানা হাবিবুল্লাহ বেলালী বলেন, সাব্বির হোসেন জামায়াতের সক্রিয় নেতা নন, তিনি একজন কর্মী মাত্র। তার দাবি, নির্বাচনের সময় একটি মহল ঘটনাটি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে।
বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের উপপরিদর্শক শরিফুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। বর্তমানে ওই নারী তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করছেন এবং সাব্বির হোসেনকে তার স্বজনদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, এখন পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৫:৪৬
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।
ফরিদপুর-২ আসনের সালথা উপজেলায় বিএনপির নির্বাচনি জনসভা চলাকালে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে বিএনপি সমর্থক এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়েছে।
সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান। সিদ্দিক মাতুব্বর সালথা উপজেলার সোনাপুর গ্রামের বাসিন্দা ও মৃত খালেক মাতুব্বরের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার বিকেলে সালথা সরকারি মডেল হাইস্কুল মাঠে বিএনপির নির্বাচনি জনসভা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় জনসভায় উপস্থিত সিদ্দিক মাতুব্বর হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। উপস্থিত লোকজন দ্রুত তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যার দিকে তিনি মারা যান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সালথা উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি শাহিন মাতুব্বর বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর একজন বিএনপির সমর্থক ছিলেন।
তিনি নির্বাচনি জনসভায় উপস্থিত হয়ে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর তিনি মারা যান। হৃদরোগে আক্তান্ত হয়ে তার মৃত্যু হয়েছে।
এ বিষয়ে সালথা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা(ওসি) মো. বাবলুর রহমান খান বলেন, সিদ্দিক মাতুব্বর (৭০) নামে এক বৃদ্ধ হৃদরোগ জনীত কারনে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.