
০৭ জানুয়ারি, ২০২৬ ২১:২৮
নোয়াখালীর চাটখিলে দেড় বছর পর জুলাই আন্দোলনের সময় নিহত মো. ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজের (২২) মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেনের উপস্থিতিতে পারিবারিক কবরস্থান থেকে এ মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজ চাটখিল উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের ওয়ারী মিয়া ব্যাপারী বাড়ির মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় একটি কুরিয়ার সার্ভিসে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের খবর ছড়িয়ে পড়লে চাটখিল থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। ওই সময় থানায় ঢুকে একটি অস্ত্র লুট করে মোটরসাইকেলে করে স্থান ত্যাগ করার সময় পথিমধ্যে গুলিবিদ্ধ হন ইমতিয়াজ। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে পরে তার মৃত্যু হয়। তবে পরিবারের দাবি, থানার অস্ত্র লুটে আত্মঘাতী নয়, অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে ইমতিয়াজ নিহত হন।
পরে ইমতিয়াজকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ও জুলাই ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ গ্রহণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন।
গত ২২ মে নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এইচএম ইব্রাহিম, সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন মোহাম্মদ উল্ল্যাহসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ মামলার তদন্তের প্রয়োজনে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ ইমতিয়াজকে শহীদের স্বীকৃতি ও ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে তাকে গেজেটভুক্ত শহীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চাটখিল উপজেলার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম রনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে ইমতিয়াজের নাম আন্দোলনের কোথাও পাওয়া যায়নি। তারপরও কীভাবে তিনি শহীদ হিসেবে গেজেটভুক্ত হলেন সেটি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তারা জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ পাওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখার দরকার।
আরেক শিক্ষার্থী গোলাপ হোসেন ফরহাদ বলেন, ইমতিয়াজের মৃত্যুকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে দেখিয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে প্রকৃত শহীদদের অবমাননা হয়েছে।
ইমতিয়াজের বাবা হাবিবুর রহমান দাবি করেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করায় বর্তমানে আমাদের সব সরকারি সুযোগ-সুবিধা বন্ধ রয়েছে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ জানান, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতের নির্দেশে দেহাবশেষ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেন মরদেহ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ সময় পার হওয়ায় কেবল হাড়গোড় ও খুলি পাওয়া গেছে। যা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
মরদেহ উত্তোলনের সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাটখিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীরসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল টাইমস
নোয়াখালীর চাটখিলে দেড় বছর পর জুলাই আন্দোলনের সময় নিহত মো. ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজের (২২) মরদেহ উত্তোলন করা হয়েছে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) দুপুরে আদালতের নির্দেশে জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেনের উপস্থিতিতে পারিবারিক কবরস্থান থেকে এ মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
ইমতিয়াজ হোসেন রিয়াজ চাটখিল উপজেলার হাটপুকুরিয়া ঘাটলাবাগ ইউনিয়নের গোবিন্দপুর গ্রামের ওয়ারী মিয়া ব্যাপারী বাড়ির মো. হাবিবুর রহমানের ছেলে। তিনি পেশায় একটি কুরিয়ার সার্ভিসে ডেলিভারিম্যান হিসেবে কর্মরত ছিলেন।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার পতনের খবর ছড়িয়ে পড়লে চাটখিল থানায় হামলা ও অস্ত্র লুটের ঘটনা ঘটে। ওই সময় থানায় ঢুকে একটি অস্ত্র লুট করে মোটরসাইকেলে করে স্থান ত্যাগ করার সময় পথিমধ্যে গুলিবিদ্ধ হন ইমতিয়াজ। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে পরে তার মৃত্যু হয়। তবে পরিবারের দাবি, থানার অস্ত্র লুটে আত্মঘাতী নয়, অজ্ঞাত ব্যক্তির গুলিতে ইমতিয়াজ নিহত হন।
পরে ইমতিয়াজকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া ও জুলাই ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ গ্রহণ নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়। বিষয়টি নিয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা জেলা প্রশাসকের কাছে অভিযোগ করেন।
গত ২২ মে নিহতের বাবা হাবিবুর রহমান নোয়াখালী চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় পলাতক আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি এইচএম ইব্রাহিম, সাবেক মেয়র নিজাম উদ্দিন মোহাম্মদ উল্ল্যাহসহ ৫৭ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে এবং ৭০-৮০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। এ মামলার তদন্তের প্রয়োজনে মরদেহ উত্তোলন করা হয়।
এর আগে ২০২৫ সালের ২৭ মার্চ ইমতিয়াজকে শহীদের স্বীকৃতি ও ১০ লাখ টাকার সঞ্চয়পত্র দেওয়ার ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা হয়। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে তাকে গেজেটভুক্ত শহীদের তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার দাবি জানানো হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চাটখিল উপজেলার প্রতিনিধি সাইফুল ইসলাম ও রফিকুল ইসলাম রনি বলেন, যাচাই-বাছাইয়ে ইমতিয়াজের নাম আন্দোলনের কোথাও পাওয়া যায়নি। তারপরও কীভাবে তিনি শহীদ হিসেবে গেজেটভুক্ত হলেন সেটি তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়া জরুরি। তারা জুলাই স্মৃতি ফাউন্ডেশন থেকে অর্থ পাওয়ার বিষয়টিও খতিয়ে দেখার দরকার।
আরেক শিক্ষার্থী গোলাপ হোসেন ফরহাদ বলেন, ইমতিয়াজের মৃত্যুকে ‘জুলাই শহীদ’ হিসেবে দেখিয়ে সরকারি সুযোগ-সুবিধা গ্রহণ করা হয়েছে। এতে প্রকৃত শহীদদের অবমাননা হয়েছে।
ইমতিয়াজের বাবা হাবিবুর রহমান দাবি করেন, আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমি ন্যায়বিচার চাই। একটি পক্ষ ষড়যন্ত্র করায় বর্তমানে আমাদের সব সরকারি সুযোগ-সুবিধা বন্ধ রয়েছে।
চাটখিল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল মোন্নাফ জানান, মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে আদালতের নির্দেশে দেহাবশেষ ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহাদত হোসেন মরদেহ উত্তোলনের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দীর্ঘ সময় পার হওয়ায় কেবল হাড়গোড় ও খুলি পাওয়া গেছে। যা ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
মরদেহ উত্তোলনের সময় মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা চাটখিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) আলমগীরসহ স্থানীয় বাসিন্দারা উপস্থিত ছিলেন।
বরিশাল টাইমস

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩০
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
খুলনার শিববাড়ি মোড় এলাকায় চলন্ত অ্যাম্বুলেন্সে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে আদ-দ্বীন হাসপাতালের একটি অ্যাম্বুলেন্সে হঠাৎ আগুন লেগে গাড়িটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। তবে অ্যাম্বুলেন্সে কোনো রোগী ছিল না, শুধু চালক ছিলেন। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
অ্যাম্বুলেন্স চালক মোল্লা সোহাগ বলেন, আদ-দ্বীন হাসপাতাল থেকে ময়লাপোতা মোড়ে যাই। সেখান থেকে অফিসের উদ্দেশে আবার রওনা হই।
শিববাড়ি মোড়ে আসার পরে গাড়ি বন্ধ হয়ে যায়। বায়ে তাকিয়ে দেখি আগুনের তাপ। পেছন থেকে মাথার দিকে আগুনের তাপ লাগে।
আগুনের তাপে পেছনের কিছুটা চুলও পুড়ে যায়। দ্রুত গাড়ি থেকে নেমে অফিসের স্যারকে ফোনে জানাই। জানানোর পরে দ্রুত ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
খুলনা ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার আরিফ উল হক ঢাকা পোস্টকে বলেন, সংবাদ পেয়ে দুটি ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে ৫-১০ মিনিটের মধ্যে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে ইঞ্জিনে ওভার হিটের কারণে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে। গাড়িটি চলন্ত অবস্থায় বন্ধ হয়ে আগুন লেগে যায়।
আদ-দ্বীন হাসপাতালের ম্যানেজার মো. হোসেন জানান, অগ্নিকাণ্ডে প্রায় ১০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ঘটনার কারণ তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৭:১৯
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।
কক্সবাজারের টেকনাফে মালয়েশিয়ায় পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জনকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) দুপুরে কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন এ তথ্য জানান।
লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, সাগর পথে মালয়েশিয়া পাচারের উদ্দেশে কয়েকজন নারী ও শিশুকে কক্সবাজারের টেকনাফ থানাধীন দক্ষিণ লম্বরী এলাকার একটি বসতবাড়িতে আটকে রাখা হয়েছে।
গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে সোমবার (৩০ মার্চ) বিকেল ৪টায় কোস্টগার্ডের সদস্যরা বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ওই বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাচারের উদ্দেশে বন্দি থাকা নারী ও শিশুসহ ৭ জন ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। এসময় কোস্ট গার্ডের উপস্থিতি টের পেয়ে পাচারকারীরা পালিয়ে যায়।
উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, কয়েকটি সংঘবদ্ধ পাচারকারী চক্র বিদেশে উন্নত জীবনযাপনের স্বপ্ন, উচ্চ বেতনের চাকরি এবং অল্প খরচে বিদেশ যাত্রার প্রলোভন দেখিয়ে মালয়েশিয়ায় মানুষ পাচার করে। এসব চক্রের সদস্যরা কক্সবাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা নাগরিকদের মালয়েশিয়ায় গমনে উদ্বুদ্ধ করে সাগর পথে পাচারের পরিকল্পনা করছিল।
কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন বলেন, উদ্ধার ব্যক্তিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য টেকনাফ মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়। মানবপাচার রোধে কোস্টগার্ড অভিযান অব্যাহত রাখবে। তবে এ ঘটনায় কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।

৩১ মার্চ, ২০২৬ ১৫:২১
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
ভারত থেকে দিনাজপুরের পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছেছে ৭ হাজার টন ডিজেল। এর মাধ্যমে মার্চ মাসে ভারত থেকে মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি করা হলো।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ৯টায় এই চালানটি পৌঁছেছে বলে নিশ্চিত করেছেন পার্বতীপুর পদ্মা ওয়েল পিএলসি রেলহেড ডিপোর ডেপুটি ম্যানেজার (অপারেশন) আহসান হাবিব চৌধুরী।
তিনি বলেন, শনিবার (২৮ মার্চ) সকাল ৭টায় পাইপলাইনের মাধ্যমে ৭ হাজার টন ডিজেলের চালান বাংলাদেশে আসা শুরু হয়। ১৪৬ ঘণ্টা সময় নিয়ে ভারতের নুমালীগড় রিফাইনারিজ লিমিটেড থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে তা মঙ্গলবার সকাল ৯টায় পার্বতীপুর রেলহেড ডিপোতে পৌঁছায়।
দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানি অব্যাহত রেখেছে সরকার। এর আগে ১১ মার্চ প্রথম দফায় বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে দিনাজপুরের পার্বতীপুর ডিপোতে ৫ হাজার টন ডিজেল আসে। সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ছুটির দিনেও ডিপো খোলা রাখা হয়।
পরবর্তীতে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় আরও ১০ হাজার টন ডিজেল আসে। সব মিলিয়ে মার্চ মাসে তিন ধাপে ১৫ হাজার টন এবং সর্বশেষ ৭ হাজার টনসহ মোট ২২ হাজার টন ডিজেল আমদানি হয়েছে।
জ্বালানি নিরাপত্তার অংশ হিসেবে ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত তেল কোম্পানি ইন্ডিয়ান অয়েল করপোরেশন লিমিটেড (আইওসিএল) ও আসামের নুমালীগড় রিফাইনারি লিমিটেডের কাছ থেকে এপ্রিল মাসে আরও ৪০ হাজার টন ডিজেল আমদানির প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, প্রতি সপ্তাহে ১০ হাজার টন করে ডিজেল বাংলাদেশ-ভারত ফ্রেন্ডশিপ পাইপলাইনের মাধ্যমে পার্বতীপুর রিসিপ্ট টার্মিনালে পৌঁছাবে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
০১ এপ্রিল, ২০২৬ ০১:০৫
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫১
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:৩৯
৩১ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৬