
১২ নভেম্বর, ২০২৫ ২৩:৩৬
বরিশালের গৌরনদীতে চিকিৎসাধীন এক নারী রোগী ও তার স্বজনদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বার্থী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাইয়ূম খানের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় নারী রোগীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩টি জানালার ৩টি গ্লাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার বিকালে গৌরনদী পৌরসভার সুন্দরদী এলাকায় কালাম ফকির ও লুৎফর শিকদারের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে কালাম ফকিরের স্ত্রী নাসিমা বেগম ও লুৎফর শিকদার আহত হন। আহত ওই ২ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন নাসিমা বেগমের ছেলে আরাফাত ফকির অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ লুৎফর শিকদারের শ্যালক বার্থী ইউনিয়ন যুবদলের নেতা কাইয়ূম খানের নেতৃত্বে ১০-১২ যুবক মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে ঢুকে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ হামলায় আমিসহ আমার বাবা কালাম ফকির, মা নাসিমা বেগম ও দুই বোন আহত হই।
চিকিৎসাধীন নাসিমার মেয়ে তানিয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, হামলার সময় প্রাণ বাঁচতে আমরা দৌড়ে হাসপাতালের বাথরুমে আশ্রয় নেই। তখন কাইয়ুম খান ও তার সহযোগীরা দরজা ভেঙে বাথরুমে ঢুকে আমাদের টেনে-হিঁচড়ে বের করে পুনরায় মারধর করে। এ সময় হামলাকারীরা হাসপাতালের ৩টি জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে গৌরনদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
অভিযুক্ত বার্থী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কাইয়ুম খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি আমার ভগিনীপতি লুৎফর শিকদার। তাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে দেখি, আমার ভাগ্নের সঙ্গে ২ যুবকের হাতাহাতি হচ্ছে। এ সময় আমি উভয়পক্ষকে দুই দিকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি।
গৌরনদী থানার পবিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, হাসপাতালের ঘটনায় এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে বিকালের ঘটনায় উভয়পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. তৌকির আহম্মেদ বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে মারামারির ভিডিও ফুটেজ দেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে।

Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
বরিশালের গৌরনদীতে চিকিৎসাধীন এক নারী রোগী ও তার স্বজনদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে বার্থী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক কাইয়ূম খানের বিরুদ্ধে। মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ হামলার ঘটনা ঘটে।
হামলায় নারী রোগীসহ ৫ জন আহত হয়েছেন। এ সময় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ৩টি জানালার ৩টি গ্লাস ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, জমির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে মঙ্গলবার বিকালে গৌরনদী পৌরসভার সুন্দরদী এলাকায় কালাম ফকির ও লুৎফর শিকদারের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে কালাম ফকিরের স্ত্রী নাসিমা বেগম ও লুৎফর শিকদার আহত হন। আহত ওই ২ জনকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন নাসিমা বেগমের ছেলে আরাফাত ফকির অভিযোগ করে বলেন, প্রতিপক্ষ লুৎফর শিকদারের শ্যালক বার্থী ইউনিয়ন যুবদলের নেতা কাইয়ূম খানের নেতৃত্বে ১০-১২ যুবক মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে হাসপাতালে ঢুকে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ হামলায় আমিসহ আমার বাবা কালাম ফকির, মা নাসিমা বেগম ও দুই বোন আহত হই।
চিকিৎসাধীন নাসিমার মেয়ে তানিয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, হামলার সময় প্রাণ বাঁচতে আমরা দৌড়ে হাসপাতালের বাথরুমে আশ্রয় নেই। তখন কাইয়ুম খান ও তার সহযোগীরা দরজা ভেঙে বাথরুমে ঢুকে আমাদের টেনে-হিঁচড়ে বের করে পুনরায় মারধর করে। এ সময় হামলাকারীরা হাসপাতালের ৩টি জানালার গ্লাস ভাঙচুর করে। খবর পেয়ে গৌরনদী থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে।
অভিযুক্ত বার্থী ইউনিয়ন যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. কাইয়ুম খান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাসপাতালে ভর্তি আমার ভগিনীপতি লুৎফর শিকদার। তাকে দেখতে হাসপাতালে গিয়ে দেখি, আমার ভাগ্নের সঙ্গে ২ যুবকের হাতাহাতি হচ্ছে। এ সময় আমি উভয়পক্ষকে দুই দিকে সরিয়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করি।
গৌরনদী থানার পবিদর্শক (তদন্ত) মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, হাসপাতালের ঘটনায় এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তবে বিকালের ঘটনায় উভয়পক্ষই থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। তদন্তসাপেক্ষে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. তৌকির আহম্মেদ বলেন, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ভেতরে মারামারির ভিডিও ফুটেজ দেখে থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হবে।

১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৩৭
শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট প্রদান করছেন ভোটাররা। শুরুর দুই ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার খায়রুল আলম সুমন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
দুর্গম এলাকায় একটু ভোটার উপস্থিতি কম। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত পরিবেশ ঠিক আছে। কোথাও কোনো সমস্যার কথা আমরা শুনিনি। দুই-এক জায়গায় ছোট ছোট কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তার সমাধান করা হচ্ছে। সব মিলে পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর।
শুরু হয়েছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে ভোট প্রদান করছেন ভোটাররা। শুরুর দুই ঘণ্টায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন বরিশালের রিটার্নিং অফিসার খায়রুল আলম সুমন।
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে তিনি জানান, সকাল সাড়ে ৭টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত বরিশাল জেলায় ১৫ থেকে ২০ শতাংশ ভোট পড়েছে।
দুর্গম এলাকায় একটু ভোটার উপস্থিতি কম। নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে তিনি জানান, এখন পর্যন্ত পরিবেশ ঠিক আছে। কোথাও কোনো সমস্যার কথা আমরা শুনিনি। দুই-এক জায়গায় ছোট ছোট কোনো সমস্যা দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে তার সমাধান করা হচ্ছে। সব মিলে পরিবেশ অত্যন্ত সুন্দর।

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ২২:৫৮
১ লাখ দুই হাজার টাকাসহ বরিশালের বাবুগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। বুধবার উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় বাবুগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের একটি টহল দল তাঁদের আটক করে। এ সময় তাঁদের দেহ তল্লাশি করে টাকা ও ধানের শীষ প্রার্থীর ভোটার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন হুমায়ুন গাজী এবং এনায়েত কাজী। তাঁরা নিজেদের বিএনপি কর্মী পরিচয় দেন বলে জানা গেছে।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে আটকের পর তল্লাশি করে এক লাখ দুই হাজার টাকা ও ভোটার স্লিপ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা নিজেদের বিএনপি কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বরিশাল বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁদের কাছে এখনো দুজনকে হস্তান্তর করা হয়নি।’
১ লাখ দুই হাজার টাকাসহ বরিশালের বাবুগঞ্জে মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে আটক করেছে সেনাবাহিনী। বুধবার উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় বাবুগঞ্জ আর্মি ক্যাম্পের একটি টহল দল তাঁদের আটক করে। এ সময় তাঁদের দেহ তল্লাশি করে টাকা ও ধানের শীষ প্রার্থীর ভোটার স্লিপ উদ্ধার করা হয়।
আটক ব্যক্তিরা হলেন হুমায়ুন গাজী এবং এনায়েত কাজী। তাঁরা নিজেদের বিএনপি কর্মী পরিচয় দেন বলে জানা গেছে।
সেনাবাহিনী সূত্র জানায়, মোটরসাইকেল আরোহী দুই ব্যক্তিকে আটকের পর তল্লাশি করে এক লাখ দুই হাজার টাকা ও ভোটার স্লিপ উদ্ধার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটক ব্যক্তিরা নিজেদের বিএনপি কর্মী হিসেবে পরিচয় দেন। পরে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এ বিষয়ে বরিশাল বিমানবন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) কর্মকর্তা মিজানুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, তাঁদের কাছে এখনো দুজনকে হস্তান্তর করা হয়নি।’

১১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:০১
বরিশাল-৩ আসনের জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এবি পার্টির মূখপাত্র ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুইয়া ফুয়াদের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে ৯টি মটরিসাইকেলে করে ২০ থেকে ২৫ জন বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধপপাশা বাজার সংলগ্ন এবি পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় তারা অফিসের আদবাবপত্র ভাঙচুর ও সেখা থাকা লিফলেট ক্ষতি করে চলে যায়। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই প্রার্থী।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, স্থানীয় বিএনপির কতিপয় সন্ত্রাসী এ হামলা চালিয়েছে। তারা এরই মধ্যে সফিপুর বাটামারা নাজিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে ভোট ক্রন্দ্রে না যাওবার জন্য হুমকি দিচ্ছে। গ্রামবাসী ও ভোটাররা আতঙ্কে রয়েছে।
বরিশাল-৩ আসনের জামায়াত সমর্থিত ১১ দলীয় ঐক্যজোটের প্রার্থী এবি পার্টির মূখপাত্র ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ভুইয়া ফুয়াদের নির্বাচনী কার্যালয়ে হামলার অভিযোগ উঠেছে। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বরিশালের বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধবপাশা এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সোমবার সকালে ৯টি মটরিসাইকেলে করে ২০ থেকে ২৫ জন বাবুগঞ্জ উপজেলার মাধপপাশা বাজার সংলগ্ন এবি পার্টির নির্বাচনী কার্যালয়ে অতর্কিতে হামলা চালায়। এ সময় তারা অফিসের আদবাবপত্র ভাঙচুর ও সেখা থাকা লিফলেট ক্ষতি করে চলে যায়। এ ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে জানানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওই প্রার্থী।
ব্যারিস্টার ফুয়াদ বলেন, স্থানীয় বিএনপির কতিপয় সন্ত্রাসী এ হামলা চালিয়েছে। তারা এরই মধ্যে সফিপুর বাটামারা নাজিরপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন বাড়িতে গিয়ে ভোট ক্রন্দ্রে না যাওবার জন্য হুমকি দিচ্ছে। গ্রামবাসী ও ভোটাররা আতঙ্কে রয়েছে।