
১৬ মে, ২০২৬ ১৯:৪৬
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের টাকা প্রত্যেকটি পরিবারের নারী সদস্যদের মধ্যে একটা ক্ষমতায়ন তৈরি হবে। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালে বক্তব্য প্রদানকালে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনের আমার নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। তারমধ্যে গুরুত্বপূর্ন প্রতিশ্রুতি ছিলো আমরা প্রতিটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড দিবো।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো সেদিন আমাদের প্রতিদ্বন্ধি অনেক রাজনৈতিক দল ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেছিলো। তাদের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ সহ্য করেই জাতীয় নির্বাচনে আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো আপনাদের দিতে হয়েছিলো। আমাদের অতীত প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্প আকারে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।
বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি ভাতার আওতায় আনতে তাদেরকে কার্ড দেয়া হবে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সেভাবে প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিগত নির্বাচনে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেই সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার যে চিত্র তার প্রতিফলন হচ্ছে এই কার্ড বণ্টন।
গৌরনদী উপজেলাকে এ প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এ পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় ৩৭ হাজার সুবিধাভোগী এ প্রকল্পের আওতায় এসেছে। তারমধ্যে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ড রয়েছে। পর্যায়ক্রমে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন এবং গৌরনদী পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হবে।
গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে কার্ড বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম, গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ছালেহ মো. আনছার উদ্দিন, গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল, জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সাবেক আহবায়ক আবুল হোসেন মিয়া, সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহবায়ক জাকির হোসেন শরীফ, সদস্য সচির সফিকুর রহমান স্বপন, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরসহ অন্যান্যরা।
শেষে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের ৬১৩ টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।
তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী এম জহির উদ্দিন স্বপন এমপি বলেছেন, ফ্যামিলি কার্ডের টাকা প্রত্যেকটি পরিবারের নারী সদস্যদের মধ্যে একটা ক্ষমতায়ন তৈরি হবে। শনিবার (১৬ মে) বিকেলে বরিশালের গৌরনদী উপজেলা পরিষদের অডিটোরিয়ামে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালে বক্তব্য প্রদানকালে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনে বরিশাল-১ আসনের আমার নির্বাচনী এলাকার ভোটারদের দ্বারে দ্বারে গিয়ে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম। তারমধ্যে গুরুত্বপূর্ন প্রতিশ্রুতি ছিলো আমরা প্রতিটি পরিবারে ফ্যামিলি কার্ড দিবো।
তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, আমাদের দেয়া প্রতিশ্রুতিগুলো সেদিন আমাদের প্রতিদ্বন্ধি অনেক রাজনৈতিক দল ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ করেছিলো। তাদের ব্যঙ্গ-বিদ্রুপ সহ্য করেই জাতীয় নির্বাচনে আমাদের প্রতিশ্রুতিগুলো আপনাদের দিতে হয়েছিলো। আমাদের অতীত প্রতিশ্রুতি ইতোমধ্যে পাইলট প্রকল্প আকারে বাস্তবায়ন শুরু করেছি।
বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের সম্মানি ভাতার আওতায় আনতে তাদেরকে কার্ড দেয়া হবে জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী বলেন, আমরা সেভাবে প্রক্রিয়া শুরু করেছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী বিগত নির্বাচনে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সেই সকল প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়ন করার যে চিত্র তার প্রতিফলন হচ্ছে এই কার্ড বণ্টন।
গৌরনদী উপজেলাকে এ প্রকল্পের অন্তর্ভূক্ত করায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তথ্যমন্ত্রী আরও বলেন, এ পর্যন্ত সারাদেশে প্রায় ৩৭ হাজার সুবিধাভোগী এ প্রকল্পের আওতায় এসেছে। তারমধ্যে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ড রয়েছে। পর্যায়ক্রমে গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন এবং গৌরনদী পৌরসভার নয়টি ওয়ার্ডে এ কর্মসূচী বাস্তবায়ন করা হবে।
গৌরনদী উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে কার্ড বিতরণী অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক খায়রুল আলম সুমনের সভাপতিত্বে ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. ইব্রাহীম এবং উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা সুশান্ত বালার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিভাগীয় কমিশনার খলিল আহমেদ, বিভাগীয় সমাজসেবা কার্যালয়ের পরিচালক শাহ মো. রফিকুল ইসলাম, গৌরনদী সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আবু ছালেহ মো. আনছার উদ্দিন, গৌরনদী মডেল থানার ওসি তারিক হাসান রাসেল, জেলা উত্তর বিএনপির সদস্য সচিব মিজানুর রহমান খান মুকুল, উপজেলা বিএনপির আহবায়ক সৈয়দ সরোয়ার আলম বিপ্লব, সাবেক আহবায়ক আবুল হোসেন মিয়া, সদস্য সচিব শরীফ জহির সাজ্জাদ হান্নান, সিনিয়র যুগ্ন আহবায়ক বদিউজ্জামান মিন্টু, পৌর বিএনপির আহবায়ক জাকির হোসেন শরীফ, সদস্য সচির সফিকুর রহমান স্বপন, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সভাপতি জহুরুল ইসলাম জহিরসহ অন্যান্যরা।
শেষে গৌরনদী উপজেলার সরিকল ইউনিয়নের ৫নম্বর ওয়ার্ডের ৬১৩ টি পরিবারের মধ্যে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করা হয়।

১৬ মে, ২০২৬ ২০:৩৭
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান সহ বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে নিলয় পারভেজ নামের এক যুবককে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার ঢাকার ভাটারা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার নিলয় পারভেজ বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের বাসিন্দা হযরত আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় তার পরিবারসহ বসবাস করে আসছেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার নিলয় তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি, লায়ন নিলয় পারভেজ থেকে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের এমপি ও জেলা বিএনপি আহ্বায়ক আবুল হোসেন খানকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে মানহানিকর, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে বিভিন্ন কন্টেন্ট প্রচার এবং ছবি-ভিডিও পোস্ট করে শেয়ার করেন।
বিভিন্ন পোস্টের ক্যাপশনে তিনি আপত্তিকর মন্তব্য করেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে বিভিন্ন আইডি ও পোস্টের মাধ্যমে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও মানহানিকর প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন ওই যুবক। বিষয়টি নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এ ঘটনায় পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক মৃধা বাদী হয়ে নিলয়কে আসামি করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার গ্রহণ করতে বাকেরগঞ্জ থানার পুলিশকে নির্দেশ দেন।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতের নির্দেশে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার এজাহারনামীয় আসামি নিলয়কে গ্রেপ্তার করার কথা শুনেছি। তবে এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে না। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সবকিছু জানানো হবে।

১৬ মে, ২০২৬ ১৪:৫৯
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।

১৬ মে, ২০২৬ ১৪:৫৮
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য আবুল হোসেন খান সহ বিএনপির বিভিন্ন নেতৃবৃন্দের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে নিলয় পারভেজ নামের এক যুবককে ঢাকা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
শনিবার ঢাকার ভাটারা থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার নিলয় পারভেজ বাকেরগঞ্জ উপজেলার নিয়ামতি ইউনিয়নের বাসিন্দা হযরত আলীর ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকায় তার পরিবারসহ বসবাস করে আসছেন।
পুলিশ জানায়, গ্রেপ্তার নিলয় তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডি, লায়ন নিলয় পারভেজ থেকে বরিশাল-৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনের এমপি ও জেলা বিএনপি আহ্বায়ক আবুল হোসেন খানকে নিয়ে ধারাবাহিকভাবে মানহানিকর, অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্য দিয়ে বিভিন্ন কন্টেন্ট প্রচার এবং ছবি-ভিডিও পোস্ট করে শেয়ার করেন।
বিভিন্ন পোস্টের ক্যাপশনে তিনি আপত্তিকর মন্তব্য করেন, যা পরে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে ফেসবুকে বিভিন্ন আইডি ও পোস্টের মাধ্যমে বাকেরগঞ্জের সংসদ সদস্য সহ স্থানীয় রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও মানহানিকর প্রচারণা চালিয়ে আসছিলেন ওই যুবক। বিষয়টি নিয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের মাঝে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে বিএনপির নেতাকর্মীরা।
এ ঘটনায় পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফারুক মৃধা বাদী হয়ে নিলয়কে আসামি করে বরিশাল সাইবার ট্রাইব্যুনালে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করেন। আদালতের বিজ্ঞ বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে এজাহার গ্রহণ করতে বাকেরগঞ্জ থানার পুলিশকে নির্দেশ দেন।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ আদিল হোসেন জানান, অভিযোগের ভিত্তিতে আদালতের নির্দেশে সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলা করা হয়েছে। সেই মামলার এজাহারনামীয় আসামি নিলয়কে গ্রেপ্তার করার কথা শুনেছি। তবে এখনই এ বিষয়ে বিস্তারিত বলা যাবে না। আইনগত প্রক্রিয়া শেষে সবকিছু জানানো হবে।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭নম্বর ওয়ার্ডে চিংগরিয়া-মাদারবুনিয়া খালের নির্ধারিত এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে ভোগদখলীয় রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীর কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত একটি পরিবার।
অভিযোগে বলা হয়, খালের জমির অবৈধ দখলদার হিসেবে পরিচিত একটি প্রভাবশালী পরিবার ঠিকাদারের যোগসাজশে সরকারি খালের নির্ধারিত অংশ পরিবর্তন করে অন্যের রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের চেষ্টা করছে। এতে বাধা দিলে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারসহ কয়েকজন ব্যক্তি বিভিন্নভাবে চাপ প্রয়োগ করছেন বলেও অভিযোগ করেন আবেদনকারী মো. আবুল কালাম মুন্সী।
গত সোমবার (১১ মে) পানি উন্নয়ন বোর্ড পটুয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী ও আজ শনিবার (১৬ মে) দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর দেওয়া অভিযোগে চরগরবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. আবুল কালাম মুন্সী জানান, এসএ ৩২১ ও ৩২৮ নম্বর খতিয়ানভুক্ত বিভিন্ন দাগে মোট ৬৩৪ শতাংশ জমি তাদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখল করে আসছে। জমির মালিক হোসেন আলী মুন্সীর মৃত্যুর পর তার ওয়ারিশরা ওই জমিতে ধানসহ বিভিন্ন ফসল আবাদ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন।
অভিযোগপত্রে আরও উল্লেখ করা হয়, ভোগদখলীয় ৪৪৫৫ ও ৪০৭০ নম্বর দাগের পশ্চিম পাশে সরকারি খাল রয়েছে এবং পানি উন্নয়ন বোর্ড-এর উদ্যোগে সেই খাল খননের জন্য টেন্ডারও হয়েছে। তবে সরকারি খালের পরিবর্তে এলাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের জমির ওপর দিয়ে খাল কাটার চেষ্টা করা হচ্ছে।
মো. আবুল কালাম মুন্সী বলেন, তারা খাল খননের বিরোধী নন। সরকারি সার্ভেয়ার দিয়ে সীমানা নির্ধারণ করে নির্ধারিত খাল অংশে খনন কাজ করা হলে কোনো আপত্তি থাকবে না। তবে ভোগদখলীয় জমিতে খাল খননের চেষ্টা বন্ধের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের দায়িত্বরত এসও মুহাইমিনুল ইসলাম আবির লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন জানিয়ে বলেন, এখন পর্যন্ত কারও রেকর্ডীয় জমিতে খাল খনন করা হয়নি। আপত্তির জায়গা রেখে অপর প্রান্ত থেকে খনন কাজ চলছে এবং সমঝোতার ভিত্তিতে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
ঠিকাদার মো. মিলন মিয়া বলেন, উভয় পক্ষ তার আত্মীয় হওয়ায় তিনি সমঝোতার মাধ্যমে স্বার্থ রক্ষার পরামর্শ দিয়েছেন। তবে মুন্সীবাড়ির লোকজন কোনো সিদ্ধান্ত মানছে না বলে দাবি করেন তিনি।
এ বিষয়ে দুমকি উপজেলার ইউএনও রওজাতুন জান্নাত এর বক্তব্যের জন্য একাধিকবার মুঠোফোনে কল করেও তাকে পাওয়া যায় নি।
১৬ মে, ২০২৬ ২১:০৩
১৬ মে, ২০২৬ ২০:৩৭
১৬ মে, ২০২৬ ২০:২৬
১৬ মে, ২০২৬ ২০:১০