
১৬ মে, ২০২৬ ১৪:৩২
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭টি দোকান ও একটি দোতলা ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় মৎস্য শিকারের সুতা-রশির মোকাম, কীটনাশক, সার ও মুদিপণ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ কোটি কোটি টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নেছারাবাদ ইউনিটের দুটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এ সময় নেছারাবাদ থানা পুলিশ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন।
প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ১৭টি দোকান ও একটি দোতলা ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্যসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
সুতা-রশির ব্যবসায়ী বশির হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার জীবনের সব সঞ্চয় এই দোকানে ছিল। মুহূর্তের মধ্যে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে দাঁড়াব বুঝতে পারছি না।
কীটনাশক ও সার ব্যবসায়ী রিয়াদ কাজী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকির মধ্যে ব্যবসা করে আসছি। আগুন লাগার পর কিছুই বের করতে পারিনি। কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।
জাহাজ ও ট্রলারের দড়ি ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত বছরও একই গলিতে ভয়াবহ আগুনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বারবার এমন ঘটনা ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে দিচ্ছে।
বরিশাল বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা কীটনাশকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে বন্দর এলাকায় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানমাল রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মিয়ারহাট বন্দরে প্রায় দুই হাজারের বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত বছর একই বন্দরের একই গলিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮টি দোকান পুড়ে যায়।
সেই ঘটনার মাত্র কয়েকশ ফুট দূরে আবারও আগুন লাগায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি ক্ষতিপূরণ, আধুনিক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মিয়ারহাট বন্দরে স্থায়ী ফায়ার স্টেশন স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার মিয়ারহাট বন্দরে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৭টি দোকান ও একটি দোতলা ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।
শুক্রবার রাত ১০টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় মৎস্য শিকারের সুতা-রশির মোকাম, কীটনাশক, সার ও মুদিপণ্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানসহ কোটি কোটি টাকার মালামাল ভস্মীভূত হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১৫ কোটি টাকা বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, আগুন লাগার পরপরই ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের নেছারাবাদ ইউনিটের দুটি টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এ সময় নেছারাবাদ থানা পুলিশ, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সাধারণ মানুষ আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন।
প্রায় সাড়ে চার ঘণ্টার চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও ততক্ষণে ১৭টি দোকান ও একটি দোতলা ভবন সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। অগ্নিকাণ্ডে ফায়ার সার্ভিসের এক সদস্যসহ অন্তত চারজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে।
সুতা-রশির ব্যবসায়ী বশির হোসেন কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, আমার জীবনের সব সঞ্চয় এই দোকানে ছিল। মুহূর্তের মধ্যে সব শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কীভাবে দাঁড়াব বুঝতে পারছি না।
কীটনাশক ও সার ব্যবসায়ী রিয়াদ কাজী বলেন, আমরা দীর্ঘদিন ধরে ঝুঁকির মধ্যে ব্যবসা করে আসছি। আগুন লাগার পর কিছুই বের করতে পারিনি। কোটি টাকার মালামাল পুড়ে গেছে। দ্রুত ক্ষতিপূরণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা জরুরি।
জাহাজ ও ট্রলারের দড়ি ব্যবসায়ী মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, গত বছরও একই গলিতে ভয়াবহ আগুনে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছিল। কিন্তু স্থায়ী নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। বারবার এমন ঘটনা ব্যবসায়ীদের পথে বসিয়ে দিচ্ছে।
বরিশাল বিভাগীয় ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ সেলিম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। তবে দাহ্য পদার্থ বেশি থাকায় আগুন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট অথবা কীটনাশকের দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারণা করা হচ্ছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত কারণ জানা যাবে।
নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত দত্ত ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে সহযোগিতার বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখা হবে। ভবিষ্যতে এমন দুর্ঘটনা এড়াতে বন্দর এলাকায় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হবে।
নেছারাবাদ থানার ওসি মেহেদী হাসান বলেন, আগুন লাগার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে জানমাল রক্ষা ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সতর্ক অবস্থানে ছিল।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মিয়ারহাট বন্দরে প্রায় দুই হাজারের বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। গত বছর একই বন্দরের একই গলিতে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৮টি দোকান পুড়ে যায়।
সেই ঘটনার মাত্র কয়েকশ ফুট দূরে আবারও আগুন লাগায় ব্যবসায়ীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা দ্রুত সরকারি ক্ষতিপূরণ, আধুনিক অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং মিয়ারহাট বন্দরে স্থায়ী ফায়ার স্টেশন স্থাপনের দাবি জানিয়েছেন।
১৬ মে, ২০২৬ ২১:০৩
১৬ মে, ২০২৬ ২০:৩৭
১৬ মে, ২০২৬ ২০:২৬
১৬ মে, ২০২৬ ২০:১০

১৬ মে, ২০২৬ ২০:০০
সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে পিরোজপুরে জার্নালিজম ফর সুন্দরবনস শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৬ মে) বেসরকারি সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে পিরোজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
Reducing Pollution and Improving the Ecology of the Sundarbans প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। সভায় সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ কমানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
পিরোজপুর সুন্দরবন জার্নালিজম ফোরামের সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক খালিদ আবু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ফসিউল ইসলাম বাচ্চু, মোঃ খেলাফত হোসেন খসরু, মোঃ জিয়াউল হক, ইমাম হোসেন মাসুদ, হাসান মামুন, মো: তামিম সরদার, নাসির উদ্দিন, নাঈম তালুকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সুন্দরবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের পরিবেশ সংরক্ষণে সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক সংবাদ প্রকাশে গুরুত্বারোপ করেন ।
প্লাস্টিক দূষণ রোধ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিজেদের ধারনাকে বাড়িয়ে তোলা এবং সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহ ও বিভিন্ন স্টক হোল্ডারদের সাথে কার্যকরী যোগাযোগ ও এ্যাডভোকেসি করার কৌশল রপ্ত করাসহ পাঁচটি জেলার ১৭ টি উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়ার কৌশল সম্পর্কে নিজেদের দক্ষতা সম্পর্কে আলোচনা করা যায়।
সুন্দরবনের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় গণমাধ্যমের ভূমিকা আরও কার্যকর করার লক্ষ্যে পিরোজপুরে জার্নালিজম ফর সুন্দরবনস শীর্ষক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ শনিবার (১৬ মে) বেসরকারি সংস্থা রূপান্তরের আয়োজনে পিরোজপুর প্রেসক্লাব মিলনায়তনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
Reducing Pollution and Improving the Ecology of the Sundarbans প্রকল্পের আওতায় আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে স্থানীয় সাংবাদিক, গণমাধ্যমকর্মী এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন। সভায় সুন্দরবনের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষা, দূষণ কমানো এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়।
পিরোজপুর সুন্দরবন জার্নালিজম ফোরামের সদস্য সিনিয়র সাংবাদিক খালিদ আবু এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন সাংবাদিক ফসিউল ইসলাম বাচ্চু, মোঃ খেলাফত হোসেন খসরু, মোঃ জিয়াউল হক, ইমাম হোসেন মাসুদ, হাসান মামুন, মো: তামিম সরদার, নাসির উদ্দিন, নাঈম তালুকদার, মোঃ আনোয়ার হোসেন প্রমুখ।
বক্তারা বলেন, সুন্দরবন দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক সম্পদ ও জীববৈচিত্র্যের পরিবেশ সংরক্ষণে সাংবাদিকদের আরও সক্রিয় অংশগ্রহণ এবং সুন্দরবনকেন্দ্রিক সংবাদ প্রকাশে গুরুত্বারোপ করেন ।
প্লাস্টিক দূষণ রোধ এবং আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে নিজেদের ধারনাকে বাড়িয়ে তোলা এবং সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে স্থানীয় সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সমূহ ও বিভিন্ন স্টক হোল্ডারদের সাথে কার্যকরী যোগাযোগ ও এ্যাডভোকেসি করার কৌশল রপ্ত করাসহ পাঁচটি জেলার ১৭ টি উপজেলার বিস্তৃর্ণ এলাকাজুড়ে সুন্দরবনের পরিবেশ সুরক্ষার ক্ষেত্রে সক্রিয় উদ্যোগ নেওয়ার কৌশল সম্পর্কে নিজেদের দক্ষতা সম্পর্কে আলোচনা করা যায়।

১৪ মে, ২০২৬ ১৮:২৯
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মানসিক প্রতিবন্ধী দম্পতির ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে প্রধান আসামি ও তার সহযোগীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে পিরোজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক এস. এম. মনিরুজ্জামান এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- মঠবাড়িয়া উপজেলার দক্ষিণ কবুতর খালি গ্রামের মৃত সুলতান সরদারের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম সরদার (৩৫) ও একই এলাকার মৃত মোসলেম হাওলাদারের মেয়ে মোসা. গোলাপী বেগম (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা-মা দুজনেই মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন। শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী।
২০১৬ সালের ১৭ আগস্ট দুপুরে স্কুল ছুটির পর শিশুটি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তার খালা ও প্রতিবেশীরা তাকে স্কুল সংলগ্ন এলাকার পাশে দেখতে পান।
জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি জানায়, তাকে চানাচুর ও টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মৎস্য ঘেরের পাহারা ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রধান আসামি নজরুল ইসলাম সরদার তাকে ধর্ষণ করে। অভিযোগ অনুযায়ী, সহযোগী আসামি গোলাপী বেগম একাধিকবার একইভাবে শিশুটিকে সেখানে নিয়ে যায় এবং ঘটনার সহায়তা করে।
শিশুটি আরও জানায়, পূর্বেও তাকে একইভাবে প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ওই স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ২০১৬ সালের ২৭ আগস্ট স্থানীয় দফাদার মহানন্দ বালা বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ ১০ বছরের তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ এই রায় দেন। এ বিষয়ে নারী-শিশু পিপি অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সরদার বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর সকল সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণের মাধ্যমে আজ আদালত ২ জনের যাবজ্জীবন প্রদান করেছে।
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়ায় মানসিক প্রতিবন্ধী দম্পতির ৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণের দায়ে প্রধান আসামি ও তার সহযোগীকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।
একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও তিন মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৪ মে) দুপুরে পিরোজপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক এস. এম. মনিরুজ্জামান এ রায় দেন।
সাজাপ্রাপ্তরা হলেন- মঠবাড়িয়া উপজেলার দক্ষিণ কবুতর খালি গ্রামের মৃত সুলতান সরদারের ছেলে মো. নজরুল ইসলাম সরদার (৩৫) ও একই এলাকার মৃত মোসলেম হাওলাদারের মেয়ে মোসা. গোলাপী বেগম (৩০)।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা-মা দুজনেই মানসিক প্রতিবন্ধী ছিলেন এবং ভিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করতেন। শিশুটি স্থানীয় একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশু শ্রেণির ছাত্রী।
২০১৬ সালের ১৭ আগস্ট দুপুরে স্কুল ছুটির পর শিশুটি বাড়ি না ফেরায় পরিবারের সদস্যরা খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। পরে তার খালা ও প্রতিবেশীরা তাকে স্কুল সংলগ্ন এলাকার পাশে দেখতে পান।
জিজ্ঞাসাবাদে শিশুটি জানায়, তাকে চানাচুর ও টাকা দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে মৎস্য ঘেরের পাহারা ঘরে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রধান আসামি নজরুল ইসলাম সরদার তাকে ধর্ষণ করে। অভিযোগ অনুযায়ী, সহযোগী আসামি গোলাপী বেগম একাধিকবার একইভাবে শিশুটিকে সেখানে নিয়ে যায় এবং ঘটনার সহায়তা করে।
শিশুটি আরও জানায়, পূর্বেও তাকে একইভাবে প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ওই স্থানে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর ২০১৬ সালের ২৭ আগস্ট স্থানীয় দফাদার মহানন্দ বালা বাদী হয়ে মঠবাড়িয়া থানায় মামলা দায়ের করেন।
দীর্ঘ ১০ বছরের তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়ায় সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আদালত আজ এই রায় দেন। এ বিষয়ে নারী-শিশু পিপি অ্যাডভোকেট নূরুল ইসলাম সরদার বলেন, দীর্ঘ ১০ বছর পর সকল সাক্ষ্যপ্রমাণ গ্রহণের মাধ্যমে আজ আদালত ২ জনের যাবজ্জীবন প্রদান করেছে।

১৩ মে, ২০২৬ ১৮:৩২
পিরোজপুরের কদমতলা ইউনিয়নে কৃষকদের সহায়তায় ধান কাটা কর্মসূচি পালন করেছে কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদল। টানা বৃষ্টি ও মাঠে পানি জমে যাওয়ায় পাকা ধান দ্রুত কাটতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা।
শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক সময়মতো ধান কাটতে না পারায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে ধান কেটে সহযোগিতা করছে পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (১৩ মে) সকালে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ, সাধারণ সম্পাদক নাজিম আহমেদ খানসহ ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। ধান কাটা কর্মসূচিতে সহযোগিতা পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ছাত্রদলের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান, এছাড়াও এলাকাবাসী এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
স্থানীয় কৃষক রফিক উদ্দিন বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে ধান কাটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু আজকে সকালে ছাত্রদলের কয়েকজন এসে ধান কাটায় সহযোগিতা করেছে। আমাদের কাছে বিষয়টা অনেক ভালো লেগেছে। ধান কেটে সহযোগিতা
করার মানসিকতার জন্য আমরা অনেক আনন্দিত। কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ বলেন, বর্তমান সরকার কৃষক বান্ধব সরকার। টানা বৃষ্টিতে কদমতলা ইউনিয়নের অনেক ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।
এ অবস্থায় ধান কাটার জন্য কোন শ্রমিক পাচ্ছে না স্থানীয় কৃষকেরা। কৃষকের এই দুর্ভোগ কমাতে আমরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ সকালে কদমতলা ইউনিয়নের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কৃষকের ধান কেটে সহযোগিতা করে তাদের মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টা করেছি।
পিরোজপুরের কদমতলা ইউনিয়নে কৃষকদের সহায়তায় ধান কাটা কর্মসূচি পালন করেছে কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদল। টানা বৃষ্টি ও মাঠে পানি জমে যাওয়ায় পাকা ধান দ্রুত কাটতে হিমশিম খাচ্ছেন কৃষকরা।
শ্রমিক সংকটের কারণে অনেক কৃষক সময়মতো ধান কাটতে না পারায় ফসল নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়। এমন পরিস্থিতিতে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে ধান কেটে সহযোগিতা করছে পিরোজপুর সদর উপজেলার কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা।
বুধবার (১৩ মে) সকালে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে অংশ নেন কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ, সাধারণ সম্পাদক নাজিম আহমেদ খানসহ ইউনিয়ন ছাত্রদলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। ধান কাটা কর্মসূচিতে সহযোগিতা পেয়ে স্থানীয় কৃষকরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং ছাত্রদলের এ মানবিক উদ্যোগকে সাধুবাদ জানান, এছাড়াও এলাকাবাসী এমন উদ্যোগের প্রশংসা করেন।
স্থানীয় কৃষক রফিক উদ্দিন বলেন, বেশ কয়েকদিন ধরে ধান কাটা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ছিলাম কিন্তু আজকে সকালে ছাত্রদলের কয়েকজন এসে ধান কাটায় সহযোগিতা করেছে। আমাদের কাছে বিষয়টা অনেক ভালো লেগেছে। ধান কেটে সহযোগিতা
করার মানসিকতার জন্য আমরা অনেক আনন্দিত। কদমতলা ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি হাসিব শেখ বলেন, বর্তমান সরকার কৃষক বান্ধব সরকার। টানা বৃষ্টিতে কদমতলা ইউনিয়নের অনেক ফসলি জমি পানিতে তলিয়ে গিয়েছে।
এ অবস্থায় ধান কাটার জন্য কোন শ্রমিক পাচ্ছে না স্থানীয় কৃষকেরা। কৃষকের এই দুর্ভোগ কমাতে আমরা ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পাশে দাঁড়িয়েছে। আজ সকালে কদমতলা ইউনিয়নের ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা কৃষকের ধান কেটে সহযোগিতা করে তাদের মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টা করেছি।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.