Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.

০৪ নভেম্বর, ২০২৫ ২১:৪০
সব গার্ডার বসানো, পিলার দাঁড়িয়ে গেছে, অ্যাপ্রোচ সড়কও প্রস্তুত। তবু বরিশালের বাকেরগঞ্জের চরাদি ও দুধল ইউনিয়নের মানুষকে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। কারণ, মাঝের দুটি স্প্যান না বসানোয় রাঙামাটি নদীর গোমা সেতুটি এখনো চলাচলের অযোগ্য। অবশেষে মঙ্গলবার একটি স্প্যান বসানো হয়েছে।
আরেকটি স্প্যান আগামী বৃহস্পতিবার উঠলেই ছয় বছরের অপেক্ষার অবসান হবে তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের।
এর আগে সেতুটি নির্মাণে ত্রুটি নিয়ে কালের কণ্ঠে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ২০২০ সালের ৩ জুলাই পত্রিকাটির শেষ পাতায় ‘অপরিকল্পিত সেতুতে বন্ধ হবে নৌপথ!’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশের পরই এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চলমান গোমা সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয় বিআইডাব্লিউটিএ। ২০২২ সালের ১৪ জুন নির্মাণাধীন সেতুর উচ্চতা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন হয়।
এরপর সংশোধিত নতুন নকশায় সেতুটির বাকি কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার প্রাক্কলন অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
উচ্চতা নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেতুর কাজ বন্ধ:
গোমা সেতুর নির্মাণকাজে দেরির পেছনে মূল কারণ ছিল সেতুর উচ্চতা নিয়ে দুই সরকারি সংস্থার মতবিরোধ। ২০১৫ সালের ৩ নভেম্বর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর বিআইডাব্লিউটিএর কাছে মতামত চেয়ে চিঠি পাঠায়। একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর বিআইডাব্লিউটিএ জানায়, বর্ষা মৌসুমের পানির উচ্চতা থেকে কমপক্ষে ৭ দশমিক ৬২ মিটার উঁচুতে সেতুটি নির্মাণ করতে হবে।
সেই অনুযায়ী নকশা তৈরি করে দরপত্র আহ্বান ও নির্মাণকাজ শুরু হয়।
তবে ২০১৯ সালের ৮ মে বিআইডাব্লিউটিএ নতুন এক চিঠিতে আগের অনুমোদন বাতিল করে। নতুন প্রস্তাবে বলা হয়, রাঙামাটি নদী এখন দ্বিতীয় শ্রেণির নৌপথ—এখানে বড় নৌযান চলাচল করবে। তাই সেতুর উচ্চতা বাড়িয়ে বর্ষা মৌসুমের পানির স্তর থেকে ১২ দশমিক ২০ মিটার করতে হবে। ফলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
তখন থেকেই এক দপ্তর বলছে পুরনো নকশায় ঝুঁকি নেই, আরেক দপ্তর বলছে নৌপথ বন্ধ হয়ে যাবে। এই টানাপড়েনে থেমে যায় পুরো প্রকল্প।
বরিশাল জোনের তৎকালীন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শিশির কান্তি রাউৎ বলেছিলেন, উচ্চতা বাড়ালে ইতিমধ্যে সম্পন্ন হওয়া অংশে অতিরিক্ত চাপ পড়বে, যা নকশায় ধরা হয়নি। তাই বিআইডাব্লিউটিএর সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধান খোঁজা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিআইডাব্লিউটিএর দক্ষিণ বদ্বীপ অঞ্চলের তৎকালীন যুগ্ম পরিচালক এস এম আজগর আলী বলেছিলেন, নৌপথ সচল রাখতে সেতুটি ১২ দশমিক ২০ মিটার উঁচুতে নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পুরনো নকশায় কাজ চললে নৌপথটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।
দীর্ঘসূত্রতা আর জটিলতায় থেমে থাকা প্রকল্প:
২০১৮ সালে রাঙামাটি নদীর ওপর দুই হাজার ৫৪০ ফুট দীর্ঘ গোমা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তিন বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় ছয় বছর পেরিয়ে গেছে। ব্যয়ও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২ কোটি ৫৩ লাখ টাকায়, যা প্রাথমিক প্রাক্কলনের চেয়ে ৩৪ কোটির বেশি। এদিকে, নদী পারাপারে এখনো একটিমাত্র ফেরির ওপর নির্ভর করতে হয় এলাকাবাসীকে। প্রতি ঘণ্টায় একবার ফেরি চলে। কোনো কারণে ফেরি বন্ধ থাকলে ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে নদী পার হন অনেকে।
চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের বাসিন্দা রাছেল হাওলাদার বলেন, রোগী অসুস্থ হলে সহজে এপার থেকে ওপারে নেওয়া যায় না। আরেকজনের মন্তব্য, ফেরি গেলে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়, সেতু থাকলে দুই মিনিটেই যাওয়া যেত।
নকশা আর অনুমোদনের জট
সওজের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে সেতুর ৪৪ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছিল। কিন্তু উচ্চতা নিয়ে বিআইডাব্লিউটিএর আপত্তির পর পুরো প্রকল্পই থমকে যায়। পরে নকশা পরিবর্তন ও নতুন বাজেট অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় কেটে যায় আরো দুই বছর। সম্প্রতি একনেক সভায় নতুন নকশা অনুমোদনের মাধ্যমে প্রকল্পটি আবার গতি পেয়েছে।
বরিশাল সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, নদীর ধারা পরিবর্তন ও জমি অধিগ্রহণের কারণে বারবার নকশা পরিবর্তন করতে হয়েছে। এখন কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে একটি স্প্যানটি বসানো হয়েছে। আশা করছি দ্বিতীয় স্প্যানটি বৃহস্পতিবার বসাতো পারবো। আগামী ডিসেম্বরের মাসের মধ্যেই সেতুটি চালু করতে পারব।
বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ ও জনসুরক্ষা ফোরামের আহ্বায়ক শুভংকর শুভ বলেন, একটি স্প্যান বসানো হয়েছে। অপরটি দ্রুত স্থাপনের মাধ্যমে সেতুটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হোক। তা না হলে মানুষ কবে এর সুফল ভোগ করতে পারবে, বলা যাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গোমা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এসেছিল সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের দেওয়া চাহিদাপত্রে (ডিও লেটার) অনুমোদনের মাধ্যমে। জাসদ নেতা মোহাম্মদ মোহসীনসহ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সেতু। সেতুটি চালু হলে বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে যাতায়াত, চিকিৎসা, বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা স্থানীয়দের।
সব গার্ডার বসানো, পিলার দাঁড়িয়ে গেছে, অ্যাপ্রোচ সড়কও প্রস্তুত। তবু বরিশালের বাকেরগঞ্জের চরাদি ও দুধল ইউনিয়নের মানুষকে দীর্ঘ অপেক্ষায় থাকতে হয়েছে। কারণ, মাঝের দুটি স্প্যান না বসানোয় রাঙামাটি নদীর গোমা সেতুটি এখনো চলাচলের অযোগ্য। অবশেষে মঙ্গলবার একটি স্প্যান বসানো হয়েছে।
আরেকটি স্প্যান আগামী বৃহস্পতিবার উঠলেই ছয় বছরের অপেক্ষার অবসান হবে তিন উপজেলার কয়েক লাখ মানুষের।
এর আগে সেতুটি নির্মাণে ত্রুটি নিয়ে কালের কণ্ঠে প্রথম প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ২০২০ সালের ৩ জুলাই পত্রিকাটির শেষ পাতায় ‘অপরিকল্পিত সেতুতে বন্ধ হবে নৌপথ!’ শিরোনামে প্রতিবেদন প্রকাশের পরই এলজিইডির তত্ত্বাবধানে চলমান গোমা সেতুর নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয় বিআইডাব্লিউটিএ। ২০২২ সালের ১৪ জুন নির্মাণাধীন সেতুর উচ্চতা নিয়ে সৃষ্ট জটিলতা নিরসন হয়।
এরপর সংশোধিত নতুন নকশায় সেতুটির বাকি কাজ সম্পন্ন করতে প্রায় ৩৫ কোটি টাকার প্রাক্কলন অনুমোদন করে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক)।
উচ্চতা নিয়ে দ্বন্দ্ব, সেতুর কাজ বন্ধ:
গোমা সেতুর নির্মাণকাজে দেরির পেছনে মূল কারণ ছিল সেতুর উচ্চতা নিয়ে দুই সরকারি সংস্থার মতবিরোধ। ২০১৫ সালের ৩ নভেম্বর সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের প্রধান প্রকৌশলীর দপ্তর বিআইডাব্লিউটিএর কাছে মতামত চেয়ে চিঠি পাঠায়। একই বছরের ১৫ ডিসেম্বর বিআইডাব্লিউটিএ জানায়, বর্ষা মৌসুমের পানির উচ্চতা থেকে কমপক্ষে ৭ দশমিক ৬২ মিটার উঁচুতে সেতুটি নির্মাণ করতে হবে।
সেই অনুযায়ী নকশা তৈরি করে দরপত্র আহ্বান ও নির্মাণকাজ শুরু হয়।
তবে ২০১৯ সালের ৮ মে বিআইডাব্লিউটিএ নতুন এক চিঠিতে আগের অনুমোদন বাতিল করে। নতুন প্রস্তাবে বলা হয়, রাঙামাটি নদী এখন দ্বিতীয় শ্রেণির নৌপথ—এখানে বড় নৌযান চলাচল করবে। তাই সেতুর উচ্চতা বাড়িয়ে বর্ষা মৌসুমের পানির স্তর থেকে ১২ দশমিক ২০ মিটার করতে হবে। ফলে কাজ বন্ধ হয়ে যায়।
তখন থেকেই এক দপ্তর বলছে পুরনো নকশায় ঝুঁকি নেই, আরেক দপ্তর বলছে নৌপথ বন্ধ হয়ে যাবে। এই টানাপড়েনে থেমে যায় পুরো প্রকল্প।
বরিশাল জোনের তৎকালীন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী শিশির কান্তি রাউৎ বলেছিলেন, উচ্চতা বাড়ালে ইতিমধ্যে সম্পন্ন হওয়া অংশে অতিরিক্ত চাপ পড়বে, যা নকশায় ধরা হয়নি। তাই বিআইডাব্লিউটিএর সঙ্গে সমন্বয় করে সমাধান খোঁজা হচ্ছে। অন্যদিকে, বিআইডাব্লিউটিএর দক্ষিণ বদ্বীপ অঞ্চলের তৎকালীন যুগ্ম পরিচালক এস এম আজগর আলী বলেছিলেন, নৌপথ সচল রাখতে সেতুটি ১২ দশমিক ২০ মিটার উঁচুতে নির্মাণের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। পুরনো নকশায় কাজ চললে নৌপথটি কার্যত বন্ধ হয়ে যাবে।
দীর্ঘসূত্রতা আর জটিলতায় থেমে থাকা প্রকল্প:
২০১৮ সালে রাঙামাটি নদীর ওপর দুই হাজার ৫৪০ ফুট দীর্ঘ গোমা সেতুর নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তিন বছরের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতায় ছয় বছর পেরিয়ে গেছে। ব্যয়ও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৯২ কোটি ৫৩ লাখ টাকায়, যা প্রাথমিক প্রাক্কলনের চেয়ে ৩৪ কোটির বেশি। এদিকে, নদী পারাপারে এখনো একটিমাত্র ফেরির ওপর নির্ভর করতে হয় এলাকাবাসীকে। প্রতি ঘণ্টায় একবার ফেরি চলে। কোনো কারণে ফেরি বন্ধ থাকলে ঝুঁকি নিয়ে ট্রলারে নদী পার হন অনেকে।
চন্দ্রমোহন ইউনিয়নের বাসিন্দা রাছেল হাওলাদার বলেন, রোগী অসুস্থ হলে সহজে এপার থেকে ওপারে নেওয়া যায় না। আরেকজনের মন্তব্য, ফেরি গেলে এক ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হয়, সেতু থাকলে দুই মিনিটেই যাওয়া যেত।
নকশা আর অনুমোদনের জট
সওজের তথ্য অনুযায়ী, নির্ধারিত সময়ে সেতুর ৪৪ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছিল। কিন্তু উচ্চতা নিয়ে বিআইডাব্লিউটিএর আপত্তির পর পুরো প্রকল্পই থমকে যায়। পরে নকশা পরিবর্তন ও নতুন বাজেট অনুমোদনের প্রক্রিয়ায় কেটে যায় আরো দুই বছর। সম্প্রতি একনেক সভায় নতুন নকশা অনুমোদনের মাধ্যমে প্রকল্পটি আবার গতি পেয়েছে।
বরিশাল সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম বলেন, নদীর ধারা পরিবর্তন ও জমি অধিগ্রহণের কারণে বারবার নকশা পরিবর্তন করতে হয়েছে। এখন কাজ দ্রুতগতিতে চলছে। তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার দুপুরের দিকে একটি স্প্যানটি বসানো হয়েছে। আশা করছি দ্বিতীয় স্প্যানটি বৃহস্পতিবার বসাতো পারবো। আগামী ডিসেম্বরের মাসের মধ্যেই সেতুটি চালু করতে পারব।
বরিশাল বিভাগীয় পরিবেশ ও জনসুরক্ষা ফোরামের আহ্বায়ক শুভংকর শুভ বলেন, একটি স্প্যান বসানো হয়েছে। অপরটি দ্রুত স্থাপনের মাধ্যমে সেতুটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হোক। তা না হলে মানুষ কবে এর সুফল ভোগ করতে পারবে, বলা যাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গোমা সেতু নির্মাণের উদ্যোগ এসেছিল সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেননের দেওয়া চাহিদাপত্রে (ডিও লেটার) অনুমোদনের মাধ্যমে। জাসদ নেতা মোহাম্মদ মোহসীনসহ এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই সেতু। সেতুটি চালু হলে বরিশাল সদর, বাকেরগঞ্জ ও পটুয়াখালীসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন উপজেলার সঙ্গে সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপিত হবে। এতে যাতায়াত, চিকিৎসা, বাণিজ্য ও শিক্ষাক্ষেত্রে বড় পরিবর্তন আসবে বলে আশা স্থানীয়দের।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।

১৫ মার্চ, ২০২৬ ১১:৩৮
পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে বাগবিতন্ডার জেরধরে বরিশাল নগরীতে আব্দুল বারেক হাজী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে নগরীর পোর্ট রোডের পিয়াজপট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুল বারেক হাজী বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী দাঁড়িয়াল এলাকার মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।
আটকৃতরা হলেন, শুভ, কাওছার হোসেন, সুইটি বেগম ও মাকসুদা বেগম। শুভ, কাওছার ও সুইটি ওই এলাকার ভাড়াটিয়া ইলিয়াছ হোসেনের সন্তান। মাকসুদা ইলিয়াছের স্ত্রী।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ইলিয়াছ পলাতক রয়েছে। তারা সবাই পোর্ট রোড পিয়াজপট্টি এলাকার মুসলিম হাওলাদারের বাসার ভাড়াটিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে দুই ভাড়াটিয়া পরিবারের নারীদের মধ্যে প্রথমে বাগবিতন্ডা হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরেন। একপর্যায়ে আব্দুল বারেক হাজীর ওপর হামলা চালানো হলে তিনি গুরুত্বর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
এদিকে মূল অভিযুক্ত ইলিয়াছ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (শেবাচিম) হাসপাতালে নার্সের পুশ করা ভুল ইনজেকশনে দুই নারীর মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। রোববার (১৫ মার্চ) সকালে হাসপাতালের চতুর্থ তলায় নাক, কান, গলা (ইএনটি) বিভাগের এ ঘটনা ঘটে। তারা হলেন- পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার ডাব্লুগঞ্জ গ্রামের মান্নানের স্ত্রী শেফালী বেগম (৬০) ও বরিশাল নগরীর কাশিপুর এলাকার মৃত বাবু হাওলাদারের স্ত্রী হেলেনা বেগম (৪৫)। তাদের মধ্যে শেফালী হাসপাতালের মহিলা ইএনটি ওয়ার্ডের ৭ নম্বর ও হেলেনা ১০ নম্বর বেডে চিকিৎসাধীন ছিলেন।
এদিকে ভুল ইনজেকশনে রোগী মৃত্যুর ঘটনা তদন্তে তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। অভিযুক্ত নার্সদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মুনীর। মৃত দুই নারীর স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা জানান, শেফালী গালে টিউমার জাতীয় চিস্ট ও হেলেনা বেগম থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়।
রোববার তাদের দুজনের অপারেশন হওয়ার কথা ছিল। সকালে ওই ওয়ার্ডের সিনিয়র স্টাফ নার্স মলিনা রানী হাওলাদার তাদের দুজনের শরীরে ভুলক্রমে নরকিউ এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন পুশ করেন বলে জানায় রোগীর স্বজনরা। এর মাত্র ২ থেকে ৫ মিনিটের মধ্যে একে একে দুই রোগীর মৃত্যু হয়। বিষয়টি বুঝতে পেরে স্বজনরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। নিজেদের ভুল বুঝতে পেরে ওই নার্স ওয়ার্ড থেকে সরে পড়েন। স্বজন ও অন্য রোগীরা বলেন, ভর্তি থাকা দুই নারী শেফালী ও হেলেনা সুস্থ স্বাভাবিক ছিলেন। ওই ইনজেকশন তাদের হাতের শিরায় পুশ করার পর পরই দুজন নিস্তেজ হয়ে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন।
এ ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবি করেছেন স্বজন এবং চিকিৎসাধীন অন্য রোগীরা। অভিযুক্ত নাক, কান, গলা বিভাগের সিনিয়র নার্স মলিনা রানী হালদার নিজের দোষ স্বীকার করে বলেন, কীভাবে কী হলো তা আমি বলতে পারছি না। আমার ভুল হয়েছে। একই কথা বলেন সিনিয়র নার্স হেলেনাও। হাসপাতাল পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ডা. একেএম মশিউল মনীর বলেন, দুই রোগীর আজ (রোববার) অপরারেশন হওয়ার কথা ছিল। অপারেশন হওয়ার আগে ও অপারেশন থিয়েটারে নিয়ে কিছু ওষুধ দিতে হয়।
কিন্তু তারা এনেস্থেসিয়া ইনজেকশন আগে পুশ করেছে। তারা নিজেদের কাজে গাফিলতি করেছে। তাই তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এতে ইএনটি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. আমিনুল হককে প্রধান করে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে।
কমিটির অপর দুই সদস্য হলেন- উপসেবা তত্ত্বাবধায়ক শাহনাজ পারভীন ও ইএনটির আবাসিক সার্জন ডা. আল মামুন খান। এছাড়া যারা মারা গেছেন তাদের স্বজনরা যদি আইনিব্যবস্থা নিতে চান তবে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।
বরিশালের বাকেরগঞ্জে হামলা চালিয়ে এক বিএনপি নেতা ও তার স্ত্রীকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগ কর্মীদের বিরুদ্ধে। আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার (৪০) ও তার স্ত্রী মোসাঃ সালমা বেগম (৩০) বর্তমানে বাকেরগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
শনিবার রাত ৭টার দিকে উপজেলার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ডের ভান্ডারীকাঠী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। হামলার শিকার বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার গারুড়িয়া ইউনিয়নের ৩নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এবং ভান্ডারীকাঠী গ্রামের আনেস হাওলাদারের ছেলে।
হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার বিএনপি নেতা রফিক হাওলাদারের ব্যবহৃত তার ঘরের পল্লী বিদ্যুতের মিটার থেকে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়ার চেষ্টা করে।
এতে তিনি বাঁধা দিয়ে অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে তর্কাতর্কির এক পর্যায়ে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জল হাওলাদার লাঠি দিয়ে পিটিয়ে তাকে রক্তাক্ত জখম করে।
এ সময় তার স্ত্রী সালমা বেগম তাকে বাঁচাতে গেলে হামলাকারীরা তার শ্লীলতাহানি করে পিটিয়ে তাকেও আহত করে। স্থানীয়রা চিৎকার শুনে তাদেরকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ভান্ডারকাঠী গ্রামের নজরুল হাওলাদারের পুত্র এবং উজ্জ্বল হাওলাদার একই গ্রামের হানিফ হাওলাদারের পুত্র।
আহত বিএনপি নেতা মোঃ রফিক হাওলাদার সাংবাদিকদের জানান, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ না দেয়ার কারণে ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদার ও উজ্জ্বল হাওলাদার হামলা চালিয়ে তাকেসহ তার স্ত্রীকে মারধর করেছে। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
এই ঘটনায় হামলাকারী ছাত্রলীগ কর্মী নয়ন হাওলাদারের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে।
বাকেরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ খন্দকারকে কে এম সোহেল রানা বলেন, এ ঘটনায় এখনো কেউ কোন লিখিত অভিযোগ দেয়নি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে তিনি আইনানুগ ব্যবস্থা নিবেন।
পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে বাগবিতন্ডার জেরধরে বরিশাল নগরীতে আব্দুল বারেক হাজী (৬৫) নামের এক বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে।
শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে নগরীর পোর্ট রোডের পিয়াজপট্টি এলাকায় এ ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ। নিহত আব্দুল বারেক হাজী বাকেরগঞ্জ উপজেলার কাজলাকাঠী দাঁড়িয়াল এলাকার মৃত সেকান্দার আলীর ছেলে।
আটকৃতরা হলেন, শুভ, কাওছার হোসেন, সুইটি বেগম ও মাকসুদা বেগম। শুভ, কাওছার ও সুইটি ওই এলাকার ভাড়াটিয়া ইলিয়াছ হোসেনের সন্তান। মাকসুদা ইলিয়াছের স্ত্রী।
ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত ইলিয়াছ পলাতক রয়েছে। তারা সবাই পোর্ট রোড পিয়াজপট্টি এলাকার মুসলিম হাওলাদারের বাসার ভাড়াটিয়া। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শনিবার বিকেলে পানির মোটর বন্ধ করা নিয়ে দুই ভাড়াটিয়া পরিবারের নারীদের মধ্যে প্রথমে বাগবিতন্ডা হয়।
পরে বিষয়টি নিয়ে উভয় পরিবারের পুরুষ সদস্যরা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পরেন। একপর্যায়ে আব্দুল বারেক হাজীর ওপর হামলা চালানো হলে তিনি গুরুত্বর আহত হয়ে মাটিতে লুটিয়ে পরেন।
পরে তাকে দ্রুত উদ্ধার করে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসকেরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই নারী ও দুই যুবককে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আল মামুন উল ইসলাম।
এদিকে মূল অভিযুক্ত ইলিয়াছ ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে গেছে। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার প্রকৃত কারণ ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩৫
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:০৮
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৩৮
১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:১৩