প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের আবেদন প্রক্রিয়া আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। গত বুধবার সহকারী শিক্ষকের ১০ হাজার ২১৯টি শূণ্যপদে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। রংপুর, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলার সব উপজেলা/শিক্ষা থানার স্থায়ী নাগরিকেরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন আগ্রহী প্রার্থীরা।
পদসংখ্যা: ১০,২১৯টি
আবেদনে শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২.২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২.৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। শিক্ষাজীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।
বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা
গ্রেড: ১৩
বয়সসীমা: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ২১ বছর; সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
১. আগ্রহী প্রার্থীগণকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
২. বিবাহিত মহিলা প্রার্থীগণ আবেদনে তাঁদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানার যেকোনো একটিতে আবেদন করতে পারবেন।
৩. উপজেলা/শিক্ষা থানাভিত্তিক নিয়োগ করা হবে। প্রার্থী যে উপজেলা/শিক্ষা থানার বাসিন্দা তিনি সে উপজেলা/শিক্ষা থানার শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবে।
৪. প্রার্থীকে নিজ উপজেলা/শিক্ষা থানায় চাকরি করতে হবে। তার বদলি নিজ উপজেলা/শিক্ষা থানার বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সীমিত থাকবে।
৫. ধূমপানসহ যেকোনো ধরনের মাদক গ্রহণের অভ্যাস থাকলে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
৬. প্রার্থীর সনদপত্র ও ছবি সত্যায়নকারী কর্মকর্তার (৯ম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা) স্বাক্ষরের নিচে নামসহ সিল থাকতে হবে।
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে। নির্দেশনা অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে।
আবেদন করতে যা যা অবশ্যই লাগবে–
প্রাথীর এসএসসি/সমমান, এইচএসসি/সমমান, উচ্চ ডিগ্রী সম্পর্কিত তথ্য।
প্রার্থীর ছবি সাইজ (৩০০ x ৩০০ পিক্সেল) এবং স্বাক্ষর সাইজ (৩০০ x ৮০ পিক্সেল)।
প্রার্থীর ছবি রঙ্গিন (কালার ফটো) আবশ্যক।
আবেদন ফরম পূরণ—
যোগ্য প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েব পোর্টালে প্রবেশ করে Application Form লিঙ্কে-এ Assistant Teacher Post সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন পেজে দৃশ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্য দেবেন। প্রার্থীর প্রযোজ্য তথ্য দিয়ে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করার জন্য Application Form পাবেন।
প্রার্থীর বাছাই কার্যক্রম উপজেলা ভিত্তিক হবে। স্থায়ী ঠিকানায় উল্লিখিত উপজেলা অনুযায়ী মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। Application Form পূরণে স্থায়ী ঠিকানার জেলা ও উপজেলা/থানা সর্তকতার সাথে নির্বাচন করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী পর্যায়ে স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ দাখিল করতে হবে। বিবাহিত নারী প্রাথী নিজের অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করতে পারবেন।
Application Form-এ প্রার্থীর কিছু তথ্য আগে থেকেই পূরণকৃত থাকবে যা পরিবর্তন যোগ্য না। এছাড়া অন্য তথ্য প্রার্থী নিজেই পূরণ করবেন। প্রার্থীর বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ অন্য তথ্য থাকলে Application Form সাবমিট করে প্রিভিউ দেখতে পারবেন। প্রার্থীর প্রদত্ত তথ্য প্রিভিউ পেজে ভুল অথবা অপর্যাপ্ত পরিলক্ষিত হলে সঠিক তথ্য দিয়ে পুনরায় নতুন আরেকটি Application Form পূরণ করবেন। পূরণকৃত Application Form সাবমিট করে প্রার্থী তা ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে পারবেন। প্রার্থীর ডাউনলোডকৃত Applicant's Copy-তে একটি ইউজার আইডি সরবরাহ করা হবে এবং আবেদনের জন্য ফি জমা প্রদানের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকবে।
আবেদন ফি জমা দেয়ার পর প্রার্থীর আবেদনপত্র চূড়ান্তভাবে গৃহীত হবে।
পরীক্ষার তারিখ, আসন বিন্যাস ও প্রবেশপত্র ডাউনলোড বিষয়ে যথাসময়ে Application Form-এ আপনার প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে এসএমএস এবং www.dpe.gov.bd অথবা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে জানানো হবে।
আবেদন ফি: আবেদন ফি ১০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা।
Applicant's Copy -তে উল্লেখিত ইউজার আইডি ব্যবহার করে টেলিটকের প্রি-পেইড মোবাইল দিয়ে এসএমএস–এর মাধ্যমে ফি প্রদান করতে হবে।
ফি জমা দিতে টেলিটকের প্রি-পেইড নাম্বার থেকে এসএমএস করুন।
1st SMS: DPER<space>user ID & send to 16222
2nd SMS: DPER<space>Yes<space>PIN & send to 16222
ফি প্রদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রার্থীর Application Form-এ প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি কনফার্মেশন এসএমএস পাবে।
কনফার্মেশন এসএমএসে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রার্থী পুনরায় Applicant's Copy ডাউনলোড করতে পারবেন।
হেল্প ট্যাব—
প্রার্থী আবেদন সংক্রান্ত যেকোন তথ্য বা ফরম পূরণে সহায়তা প্রয়োজন হলে এর হেল্প ট্যাব–এ ক্লিক করে আপনার নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার-এ যোগাযোগ করবেন। এছাড়া হেল্প ট্যাব-এ উল্লিখিত অন্যান্য হেল্প অপশন ব্যবহার করতে পারবেন।
২১ নভেম্বর ২০২৫ (রাত ১১:৫৯টা)

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ গুমের মামলায় সাক্ষ্য দিতে গিয়ে সাবেক সেনা কর্মকর্তা মেজর সাব্বির বলেছেন, বিডিআর হত্যাকাণ্ডের প্রত্যক্ষদর্শী নজরুল ইসলামসহ চারজনকে চোখ বেঁধে গুলি করে হত্যার পর বলেশ্বর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল।
বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সাক্ষ্যগ্রহণকালে তিনি দাবি করেন, ২০১০ সালের মে মাসে র্যাবের ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের তৎকালীন প্রধান জিয়াউল আহসানের উপস্থিতি ও নির্দেশনায় র্যাব-৮-এর ইন্টেলিজেন্স উইংয়ের সদস্যরা ওই চারজনকে হত্যা করেন।
মেজর সাব্বিরের ভাষ্য অনুযায়ী, পাথরঘাটার চরদুয়ানী এলাকায় একটি ফিশিং ট্রলারে করে তাদের বলেশ্বর নদীতে নেওয়া হয়। সেখানে হত্যার পর মরদেহ নদীতে ফেলে দেওয়া হয় বলে তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান।
একইভাবে ২০১০ সালে আরও একজনকে হত্যার পর নদীতে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলেও সাক্ষ্যে উল্লেখ করেন তিনি।
এ ছাড়া ২০১১ সালে জিয়াউল আহসানের কথিত ‘গলফ অপারেশনে’ জড়িত ট্রলারমাঝিদের একজন আলকাস মাঝিকেও গুম করে হত্যার অভিযোগের কথা জানান সাবেক এই সেনা কর্মকর্তা।
এর আগে একই মামলায় সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল করিম ভূঁইয়াসহ সেনা ও র্যাবের কয়েকজন কর্মকর্তা সাক্ষ্য দিয়েছেন।
সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হলে তদন্ত কর্মকর্তার সাক্ষ্য নেওয়া হবে। এরপর যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের মাধ্যমে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে যাবে। গত ১৬ বছরে গুমের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর মধ্যে এটিকে বিচার শেষ পর্যায়ের প্রথম মামলা হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৪০
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’
বরিশাল মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার বেলা আড়াইটার দিকে তাকে গ্রেপ্তারের বিষয়টি বরিশালটাইমসকে নিশ্চিত করেন সংশ্লিষ্ট বরিশাল মেট্রোপলিটন কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আল মামুন উল ইসলাম।
রূপাতলী বাস মালিক সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক কাওসার হোসেন শিপন মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সেরনিয়াবাত সাদিক আব্দুল্লাহ’র অনুসারী। আওয়ামী লীগ শাসনামলে তিনি রূপাতলী বাসস্ট্যান্ডে ব্যাপক প্রভাব বিস্তার করেন। এনিয়ে তার কর্মীদের সাথে স্থানীয় আরেক আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক কাউন্সিলর সুলতান মাহমুদের অনুসারীদের প্রায়শই সংঘাত-সংঘর্ষ হতো।
পুলিশ জানিয়েছে, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা কাওসার হোসেন শিপনের বিরুদ্ধে জুলাই আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে একাধিক মামলা হয়। কিন্তু ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকার পতন হলে তিনি অন্তর্ধানে চলে গিয়েছিলেন।
বরিশাল কোতয়ালি পুলিশের ওসি মি. মামুন জানান, বৃহস্পতিবার অপরাহ্ণে পুলিশ শহরের ২৪ নং ওয়ার্ডের রূপাতলীতে অভিযান চালিয়ে কাওসার হোসেন শিপনকে গ্রেপ্তার করে। তাকে আদালতে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।’

১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:০৩
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।
পুলিশিং কার্যক্রম পরিচালনার অবকাঠামোগত সক্ষমতা আরো বাড়াতে, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের (বিএমপি) বন্দর থানা ভবন (মেট্রো টাইপ-১) নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) বন্দর থানা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আহমদ সোহেল মঞ্জুর, এমপি।
এ সময় বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার আবু রায়হান মুহাম্মদ সালেহ্সহ বরিশাল পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে গৃহায়ন ও গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী এবং বিএমপি কমিশনার বন্দর থানা পরিদর্শন করেন। এ সময় তারা থানার সার্বিক কার্যক্রম ও বিদ্যমান অবকাঠামোগত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।
নতুন থানা ভবন নির্মাণের মাধ্যমে বন্দর থানার প্রশাসনিক কার্যক্রম বাড়বে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

০৮ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:৫০
প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদের আবেদন প্রক্রিয়া আজ শনিবার (৮ নভেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে। গত বুধবার সহকারী শিক্ষকের ১০ হাজার ২১৯টি শূণ্যপদে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। রংপুর, বরিশাল, সিলেট, রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগের সব জেলার সব উপজেলা/শিক্ষা থানার স্থায়ী নাগরিকেরা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে আবেদন করতে পারবেন। অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন আগ্রহী প্রার্থীরা।
পদসংখ্যা: ১০,২১৯টি
আবেদনে শিক্ষাগত যোগ্যতা: কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় হতে অন্যূন দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪ স্কেলে ন্যূনতম ২.২৫ ও ৫ স্কেলে ন্যূনতম ২.৮) স্নাতক বা স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি। শিক্ষাজীবনে কোনো স্তরে তৃতীয় বিভাগ অথবা সমমানের জিপিএ অথবা তৃতীয় শ্রেণি অথবা সমমানের সিজিপিএ গ্রহণযোগ্য হবে না।
বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা
গ্রেড: ১৩
বয়সসীমা: ৩০ নভেম্বর ২০২৫ তারিখে আবেদনকারী প্রার্থীর বয়স সর্বনিম্ন ২১ বছর; সর্বোচ্চ ৩২ বছর।
১. আগ্রহী প্রার্থীগণকে অনলাইনে আবেদন করতে হবে।
২. বিবাহিত মহিলা প্রার্থীগণ আবেদনে তাঁদের স্বামী অথবা পিতার স্থায়ী ঠিকানার যেকোনো একটিতে আবেদন করতে পারবেন।
৩. উপজেলা/শিক্ষা থানাভিত্তিক নিয়োগ করা হবে। প্রার্থী যে উপজেলা/শিক্ষা থানার বাসিন্দা তিনি সে উপজেলা/শিক্ষা থানার শূন্য পদে নিয়োগের জন্য বিবেচিত হবে।
৪. প্রার্থীকে নিজ উপজেলা/শিক্ষা থানায় চাকরি করতে হবে। তার বদলি নিজ উপজেলা/শিক্ষা থানার বিদ্যালয়গুলোর মধ্যে সীমিত থাকবে।
৫. ধূমপানসহ যেকোনো ধরনের মাদক গ্রহণের অভ্যাস থাকলে আবেদন করার প্রয়োজন নেই।
৬. প্রার্থীর সনদপত্র ও ছবি সত্যায়নকারী কর্মকর্তার (৯ম বা তদূর্ধ্ব গ্রেডের গেজেটেড কর্মকর্তা) স্বাক্ষরের নিচে নামসহ সিল থাকতে হবে।
ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণের নির্দেশনা পাওয়া যাবে। নির্দেশনা অনুসরণ করে অনলাইনে আবেদন ফরম পূরণ করে সাবমিট করতে হবে।
আবেদন করতে যা যা অবশ্যই লাগবে–
প্রাথীর এসএসসি/সমমান, এইচএসসি/সমমান, উচ্চ ডিগ্রী সম্পর্কিত তথ্য।
প্রার্থীর ছবি সাইজ (৩০০ x ৩০০ পিক্সেল) এবং স্বাক্ষর সাইজ (৩০০ x ৮০ পিক্সেল)।
প্রার্থীর ছবি রঙ্গিন (কালার ফটো) আবশ্যক।
আবেদন ফরম পূরণ—
যোগ্য প্রার্থীরা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েব পোর্টালে প্রবেশ করে Application Form লিঙ্কে-এ Assistant Teacher Post সিলেক্ট করে Next বাটনে ক্লিক করে ভেরিফিকেশন পেজে দৃশ্যমান নির্দেশনা অনুযায়ী তথ্য দেবেন। প্রার্থীর প্রযোজ্য তথ্য দিয়ে সাবমিট বাটনে ক্লিক করলে যোগ্য প্রার্থীরা আবেদন করার জন্য Application Form পাবেন।
প্রার্থীর বাছাই কার্যক্রম উপজেলা ভিত্তিক হবে। স্থায়ী ঠিকানায় উল্লিখিত উপজেলা অনুযায়ী মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। Application Form পূরণে স্থায়ী ঠিকানার জেলা ও উপজেলা/থানা সর্তকতার সাথে নির্বাচন করতে হবে। নিয়োগ প্রক্রিয়ার পরবর্তী পর্যায়ে স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণ দাখিল করতে হবে। বিবাহিত নারী প্রাথী নিজের অথবা স্বামীর স্থায়ী ঠিকানায় আবেদন করতে পারবেন।
Application Form-এ প্রার্থীর কিছু তথ্য আগে থেকেই পূরণকৃত থাকবে যা পরিবর্তন যোগ্য না। এছাড়া অন্য তথ্য প্রার্থী নিজেই পূরণ করবেন। প্রার্থীর বয়স ও শিক্ষাগত যোগ্যতাসহ অন্য তথ্য থাকলে Application Form সাবমিট করে প্রিভিউ দেখতে পারবেন। প্রার্থীর প্রদত্ত তথ্য প্রিভিউ পেজে ভুল অথবা অপর্যাপ্ত পরিলক্ষিত হলে সঠিক তথ্য দিয়ে পুনরায় নতুন আরেকটি Application Form পূরণ করবেন। পূরণকৃত Application Form সাবমিট করে প্রার্থী তা ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে পারবেন। প্রার্থীর ডাউনলোডকৃত Applicant's Copy-তে একটি ইউজার আইডি সরবরাহ করা হবে এবং আবেদনের জন্য ফি জমা প্রদানের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা থাকবে।
আবেদন ফি জমা দেয়ার পর প্রার্থীর আবেদনপত্র চূড়ান্তভাবে গৃহীত হবে।
পরীক্ষার তারিখ, আসন বিন্যাস ও প্রবেশপত্র ডাউনলোড বিষয়ে যথাসময়ে Application Form-এ আপনার প্রদত্ত মোবাইল নাম্বারে এসএমএস এবং www.dpe.gov.bd অথবা http://dpe.teletalk.com.bd ওয়েব পোর্টালের মাধ্যমে জানানো হবে।
আবেদন ফি: আবেদন ফি ১০০ টাকা ও টেলিটকের সার্ভিস চার্জ ১২ টাকাসহ মোট ১১২ টাকা।
Applicant's Copy -তে উল্লেখিত ইউজার আইডি ব্যবহার করে টেলিটকের প্রি-পেইড মোবাইল দিয়ে এসএমএস–এর মাধ্যমে ফি প্রদান করতে হবে।
ফি জমা দিতে টেলিটকের প্রি-পেইড নাম্বার থেকে এসএমএস করুন।
1st SMS: DPER<space>user ID & send to 16222
2nd SMS: DPER<space>Yes<space>PIN & send to 16222
ফি প্রদান প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলে প্রার্থীর Application Form-এ প্রদত্ত মোবাইল নম্বরে একটি কনফার্মেশন এসএমএস পাবে।
কনফার্মেশন এসএমএসে প্রাপ্ত ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড দিয়ে প্রার্থী পুনরায় Applicant's Copy ডাউনলোড করতে পারবেন।
হেল্প ট্যাব—
প্রার্থী আবেদন সংক্রান্ত যেকোন তথ্য বা ফরম পূরণে সহায়তা প্রয়োজন হলে এর হেল্প ট্যাব–এ ক্লিক করে আপনার নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার-এ যোগাযোগ করবেন। এছাড়া হেল্প ট্যাব-এ উল্লিখিত অন্যান্য হেল্প অপশন ব্যবহার করতে পারবেন।
২১ নভেম্বর ২০২৫ (রাত ১১:৫৯টা)
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:৫২
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:২১
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৫:১০
১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৪:৫৭