
১৯ জানুয়ারি, ২০২৬ ১৩:০৩
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!
জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।’
পরিস্থিতি জটিলাকার ধারণ করার অনেক আগেই জাতীয় দলের বিশ্বকাপে যাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। ভারতের ভিসা ফরমেও বিশ্বকাপগামী দলের সদস্যদের সই-স্বাক্ষর নিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে যাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তায় অবশ্য সেসব ফরম জমা দেওয়ার আর প্রয়োজন পড়েনি, চাওয়া হয়নি জিও-ও (সরকারি আদেশ)। তবে অন্যান্য প্রক্রিয়া ঠিকই এগিয়ে রাখা হচ্ছে।
যেমন—জাতীয় দলের সদস্যরা এর মধ্যেই নিজ নিজ জার্সি এবং ব্লেজারের মাপ দিয়ে রেখেছেন। পুরোদমে সেসব তৈরির কাজ চললেও টি-টোয়েন্টির বৈশ্বিক আসরে যাওয়া নিয়ে ধোঁয়াশা কাটেনি। অনিশ্চিত এই পরিস্থিতির মধ্যে বিশ্বকাপ দলের এক সদস্য গতকাল বিসিবির কয়েকজন কর্মকর্তার কাছে জানতে চেয়েছিলেন যে আদৌ তাঁদের যাওয়া হবে কি না। ঠিক এ রকম জবাবই পেয়েছেন তিনি, ‘আরো দুটো দিন অপেক্ষা করো।
আরো দুই দিনের অপেক্ষার পর কী হবে? সেটিও বলার মতো অবস্থায় নেই কেউ। গতকাল বিপিএল ম্যাচ চলাকালীন মিরপুর শের-ই-বাংলা স্টেডিয়ামের প্রেসিডেন্ট বক্সে উপস্থিত বিসিবির দায়িত্বশীল এক পরিচালকও নিজেদের বিশ্বকাপ ভাগ্য নিয়ে কথা বাড়াতে আগ্রহী হলেন না। হাবভাবে মনে হলো, তিনিও অপেক্ষার প্রহর গুনে চলেছেন। শনিবার ঢাকায় আইসিসির ইন্টেগ্রিটি ইউনিটের জেনারেল ম্যানেজার অ্যান্ড্রু এফগ্রেভের সঙ্গে বিসিবি কর্মকর্তাদের বৈঠক ফলপ্রসূ না হওয়াও বাংলাদেশের অংশগ্রহণ নিয়ে অনিশ্চয়তা বাড়িয়েছে।
ওই বৈঠকে ভার্চুয়ালি যোগ দিয়েছিলেন বিশ্ব ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ইভেন্টস অ্যান্ড করপোরেট কমিউনিকেশনসের জেনারেল ম্যানেজার গৌরব সাক্সেনাও। এফগ্রেভ-সাক্সেনারা দীর্ঘ আলাপে নতুন কোনো পরিকল্পনা উপস্থাপন করেননি বলেই নিশ্চিত করেছে বৈঠকে উপস্থিত একটি সূত্র। এমনকি ভারতে বিকল্প কোনো ভেন্যুতে গিয়ে খেলার প্রস্তাবও তাঁরা উত্থাপন করেননি বলে জানা গেছে। তাঁরা শুধু ভারতে গেলে বাংলাদেশ দলকে কোন পর্যায়ের নিরাপত্তা দেওয়া হবে, সেই ‘প্রটোকল’ উপস্থাপন করে যাওয়াতেই আগ্রহী ছিলেন বেশি।
বিসিবির প্রতিনিধিরাও নিজেদের আগের অবস্থানেই অটল থেকেছেন। গ্রুপ ম্যাচগুলো ভারত থেকে সরিয়ে শ্রীলঙ্কায় নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজনে তাদের অন্য গ্রুপে সরিয়ে নেওয়ার দাবিই জানিয়ে গেছেন। দ্বিপক্ষীয় আলাপে আইসিসি কর্মকর্তারা ভারতে খেলতে গেলে বাংলাদেশের ভক্ত-সমর্থকদের দ্রুত সে দেশের ভিসা দেওয়া হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বলে জানা গেছে বৈঠক সূত্রে। তবে বিসিবি নিজেদের আগের অবস্থানেই অনড় থাকায় এ বিষয়ে আলোচনা আর এগোয়নি বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ক্রিকেটের অন্যতম জনপ্রিয় ওয়েবসাইট ক্রিকবাজের খবর হলো, ক্রিকেট আয়ারল্যান্ড (সিআই) আইসিসির কাছ থেকে এই নিশ্চয়তা পেয়েছে যে তাদের গ্রুপ পর্বের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কা থেকে অন্য কোথাও স্থানান্তর করা হবে না। গ্রুপ পাল্টে বাংলাদেশের ‘বি’ গ্রুপে আয়ারল্যান্ডের জায়গা নেওয়া এবং ‘সি’ গ্রুপে বাংলাদেশের জায়গায় আইরিশদের নিয়ে আসার আলোচনার মধ্যে এমন খবর বিসিবির জন্য আশাব্যঞ্জক নয় কিছুতেই।
তবে পাকিস্তানের জিও নিউজ উর্দু পরিবেশিত গতকালের খবরে মিশে আছে উপমহাদেশীয় রাজনীতির উত্তাপ। যে খবরে বলা হয়েছে, বিশ্বকাপ ইস্যুতে বাংলাদেশ সরকার পাকিস্তান সরকারের সহায়তা চেয়েছে এবং বাংলাদেশের অবস্থানে তাদের পুরো সমর্থন রয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে। যেখানে সরকারি সূত্রের বরাত দিয়ে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের দাবি মানা না হলে পাকিস্তান টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করে দেখবে। যদিও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে এ রকম কিছুর সত্যতা মেলেনি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের একটি সূত্র গত রাতে নিশ্চিত করেছে, ‘দুই দেশের সরকারের মধ্যে এ রকম কোনো আনুষ্ঠানিক যোগাযোগ এখন পর্যন্ত হয়নি। হতে পারে যে দুই দেশের কারো মধ্যে ব্যক্তি পর্যায়ে এই ধরনের আলাপ হয়ে থাকতে পারে। সে রকম কিছু হয়ে থাকলেও বিষয়টি পুরোপুরি অনানুষ্ঠানিকভাবে হয়েছে।’ তাই অপেক্ষায় বাংলাদেশের ইতিবাচক কিছু ফল পাওয়া নিয়েও তৈরি হলো বড় ধরনের অনিশ্চয়তা। এভাবে আর কত অপেক্ষা? জাতীয় দলের ওই সদস্য যে জবাব পেয়েছেন, তাতে সেই অপেক্ষা আরো দুই দিনের। হয় বিশ্বকাপে খেলতে যাবে বাংলাদেশ, না হয় যাবেই না!
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:৫৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:২৫
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০৩
১২ মার্চ, ২০২৬ ২০:০১

১১ মার্চ, ২০২৬ ২২:২০
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস
ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) ২০২৬-এর দামামা বাজার আগেই ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বড় সুখবর নিয়ে এলো চেন্নাই সুপার কিংস (সিএসকে)। কিংবদন্তি উইকেটকিপার-ব্যাটার মহেন্দ্র সিং ধোনিকে আগামী মৌসুমে সবকটি ম্যাচেই মাঠে দেখা যাবে বলে নিশ্চিত করেছে চেন্নাই।
বুধবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে সিএসকে-র প্রধান নির্বাহী (সিইও) কাশি বিশ্বনাথন ধোনির প্রাপ্যতা নিয়ে চলা সব জল্পনার অবসান ঘটান।
বিশ্বনাথন বলেন, তিনি খেলবেন, সব ম্যাচেই খেলবেন। তবে মাঠে তার সুনির্দিষ্ট ভূমিকা কী হবে—তিনি কি কেবল ব্যাটার হিসেবে খেলবেন নাকি উইকেটকিপার হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন—সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের কোচিং স্টাফরা।
আসন্ন ২০২৬ মৌসুমটি সিএসকে-র জন্য অস্তিত্ব রক্ষার লড়াই। গত বছর টুর্নামেন্টের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো পয়েন্ট টেবিলের তলানিতে থেকে আসর শেষ করতে হয়েছিল পাঁচবারের চ্যাম্পিয়নদের।
সেই দুঃস্বপ্ন ভুলে রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের নেতৃত্বে এবার ঘুরে দাঁড়াতে চায় তারা। ধোনির অভিজ্ঞতা এবং গায়কোয়াড়ের তারুণ্য মিলে চেন্নাই তাদের হারানো গৌরব পুনরুদ্ধারে বদ্ধপরিকর।
এবারের আসরে চেন্নাইয়ের সবচেয়ে বড় তুরুপের তাস হতে চলেছেন সঞ্জু স্যামসন। সদ্য সমাপ্ত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২৬-এ ভারতের শিরোপা জয়ে মহাকাব্যিক ভূমিকা রেখেছেন এই ব্যাটার।
টুর্নামেন্টে ৩২১ রান করে এবং ১৯৯.৩৭ স্ট্রাইক রেটে ব্যাটিং করে তিনি 'প্লেয়ার অফ দ্য টুর্নামেন্ট' নির্বাচিত হয়েছেন।
বরিশাল টাইমস

১১ মার্চ, ২০২৬ ১৯:২৩
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সিরিজ শুরু করল টাইগাররা।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া মাত্র ১১৪ রানের জবাবে ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক শুরু করে টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ১০ রান সংগ্রহ করে নেয় টাইগাররা। দলীয় ২.৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ২৭ রান। তবে ওই ২৭ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৪ রানে শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে শামায়েল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। সাইফ আউট হলে ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত ও তানজিদের ব্যাটে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় ৮১ রান। পাওয়ার প্লের পর দলীয় ১০৯ রানে শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩৩ বলে ২৭ রানে ওয়াসিমের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান্ত।
মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যকার তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচে দাপুটে জয় পেল বাংলাদেশ। ব্যাটিং ও বোলিংয়ে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে সিরিজ শুরু করল টাইগাররা।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) সিরিজের প্রথম ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া মাত্র ১১৪ রানের জবাবে ব্যাট হাতে আক্রমণাত্মক শুরু করে টাইগাররা। বাংলাদেশের হয়ে ওপেনিংয়ে আসেন সাইফ হাসান ও তানজিদ হাসান তামিম।
ইনিংসের প্রথম ওভারেই ১০ রান সংগ্রহ করে নেয় টাইগাররা। দলীয় ২.৩ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়েই স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ২৭ রান। তবে ওই ২৭ রানেই প্রথম উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ব্যক্তিগত ৪ রানে শাহীন শাহ আফ্রিদির বলে শামায়েল হোসেনের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন সাইফ। সাইফ আউট হলে ক্রিজে আসেন নাজমুল হোসেন শান্ত।
শান্ত ও তানজিদের ব্যাটে আরও আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বাংলাদেশ। প্রথম পাওয়ার প্লের ১০ ওভারে ১ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ তুলে নেয় ৮১ রান। পাওয়ার প্লের পর দলীয় ১০৯ রানে শান্তর উইকেট হারায় বাংলাদেশ। ৩৩ বলে ২৭ রানে ওয়াসিমের বলে মোহাম্মদ রিজওয়ানের হাতে ক্যাচ দিয়ে সাজঘরে ফেরেন শান্ত।

০৮ মার্চ, ২০২৬ ২১:২৯
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পরও কয়েক দিন ভারতে আটকা পড়ে ছিল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
অবশেষে আইসিসি চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলেও, সেই ব্যবস্থাপনায় পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটার কুইন্টন ডি কক।
গত ১ মার্চ সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর তিন দিন পর বুধবার (৪ মার্চ) সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
সবার শেষে গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের কাছে পরাজিত হয়ে ইংল্যান্ডের বিদায় নিশ্চিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী যারা আগে বিদায় নিয়েছে, তাদেরই আগে দেশে ফেরার কথা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে উল্টো চিত্র।
অনেক অনিশ্চয়তার পর আইসিসি যখন দলগুলোকে ফেরানোর উদ্যোগ নেয়, তখন দেখা যায় সবার শেষে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড দল সবার আগে সুবিধা পাচ্ছে। শনিবার মুম্বাই থেকে সরাসরি লন্ডনের বিমানে ওঠে ইংলিশরা।
অন্যদিকে, আগে বিদায় নেওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে রোববারের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন প্রোটিয়া তারকা কুইন্টন ডি কক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ডি কক তার ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, মজার ব্যাপার আইসিসি, আমরা কিছুই শুনতে পাইনি। কিন্তু ইংল্যান্ড কোনোভাবে আমাদের আগেই চলে গেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা স্রেফ অন্ধকারে পড়ে আছে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, কীভাবে একটি দল অন্যদের চেয়ে বেশি প্রভাব রাখে!
ডি ককের এই অভিযোগের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভনও। তিনি সরাসরি আইসিসির বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ এনে 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে সব দলের সঙ্গে সমান আচরণ করা উচিত। শুধুমাত্র আইসিসির টেবিলে আপনার ক্ষমতা আছে দেখে আপনি বেশি সুবিধা পাবেন, এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়।
বরিশাল টাইমস
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান রাজনৈতিক অস্থিরতায় বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় ভারতের মাটিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ পরবর্তী এক অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেওয়ার পরও কয়েক দিন ভারতে আটকা পড়ে ছিল ইংল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজ।
অবশেষে আইসিসি চার্টার্ড ফ্লাইটের ব্যবস্থা করলেও, সেই ব্যবস্থাপনায় পক্ষপাতিত্ব ও বৈষম্যের গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন দক্ষিণ আফ্রিকার তারকা ব্যাটার কুইন্টন ডি কক।
গত ১ মার্চ সুপার এইটের শেষ ম্যাচে ভারতের কাছে হেরে টুর্নামেন্ট থেকে বিদায় নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। এর তিন দিন পর বুধবার (৪ মার্চ) সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডের কাছে হেরে বিদায় নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা।
সবার শেষে গত বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দ্বিতীয় সেমিফাইনালে ভারতের কাছে পরাজিত হয়ে ইংল্যান্ডের বিদায় নিশ্চিত হয়। নিয়ম অনুযায়ী যারা আগে বিদায় নিয়েছে, তাদেরই আগে দেশে ফেরার কথা। কিন্তু বাস্তবে দেখা গেছে উল্টো চিত্র।
অনেক অনিশ্চয়তার পর আইসিসি যখন দলগুলোকে ফেরানোর উদ্যোগ নেয়, তখন দেখা যায় সবার শেষে বিদায় নেওয়া ইংল্যান্ড দল সবার আগে সুবিধা পাচ্ছে। শনিবার মুম্বাই থেকে সরাসরি লন্ডনের বিমানে ওঠে ইংলিশরা।
অন্যদিকে, আগে বিদায় নেওয়া দক্ষিণ আফ্রিকা ও ওয়েস্ট ইন্ডিজকে রোববারের জন্য অপেক্ষা করতে বলা হয়। আইসিসির এমন সিদ্ধান্তে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন প্রোটিয়া তারকা কুইন্টন ডি কক।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ডি কক তার ক্ষোভ প্রকাশ করে লিখেন, মজার ব্যাপার আইসিসি, আমরা কিছুই শুনতে পাইনি। কিন্তু ইংল্যান্ড কোনোভাবে আমাদের আগেই চলে গেল। ওয়েস্ট ইন্ডিজ ও দক্ষিণ আফ্রিকা স্রেফ অন্ধকারে পড়ে আছে। অদ্ভুত ব্যাপার হলো, কীভাবে একটি দল অন্যদের চেয়ে বেশি প্রভাব রাখে!
ডি ককের এই অভিযোগের সঙ্গে একমত পোষণ করেছেন ইংল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভনও। তিনি সরাসরি আইসিসির বিরুদ্ধে বৈষম্যের অভিযোগ এনে 'এক্স'-এ (সাবেক টুইটার) লিখেছেন, এই ধরনের পরিস্থিতিতে সব দলের সঙ্গে সমান আচরণ করা উচিত। শুধুমাত্র আইসিসির টেবিলে আপনার ক্ষমতা আছে দেখে আপনি বেশি সুবিধা পাবেন, এমনটা হওয়া একেবারেই উচিত নয়।
বরিশাল টাইমস
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.