
২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১২:২৪
ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। প্রতিদিনই কুলাউড়ার দত্তগ্রাম, লালারচকসহ বিভিন্ন সীমান্ত পথ দিয়ে অবৈধভাবে দেশে ঢুকছে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গরু।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজিবির তৎপরতায় বেশ কয়েকটি ভারতীয় গরুর চালান আটক হলেও প্রতিদিন চোরাই পথে অসংখ্য গরু বাংলাদেশে ঢুকছে। সম্প্রতি সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে ১৯টি গরু আটক করেন বিজিবির সদস্যরা।
জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা, পৃথিমপাশা, শরীফপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ বিভিন্ন পণ্য চোরাচালান হয়ে আসছে। চোরাকারবারি চক্রের সিন্ডিকেটে জনপ্রতিনিধিসহ সীমান্তসংলগ্ন এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রয়েছেন।
স্থানীয় দত্তগ্রাম এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, সীমান্তের বিভিন্ন পাহাড়ি টিলা ও নদীপথ দিয়ে রাতে কিংবা ভোরে গরুসহ বিভিন্ন পণ্য ও মাদক পাচার করছে চোরাচালানি সিন্ডিকেট। চোরাকারবারিরা কখনও সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কেটে আবার কখনও কাঁটাতারের ওপর মই ব্যবহার করে চোরাইপণ্য পাচার করছে।
এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে সম্প্রতি ভারতীয় গরুর চোরাচালান বেড়েছে। চোরাকারবারিরা শরীফপুর ইউনিয়নের চারিয়ার ঘাট, হাসারকোনা, কালারায়ের চর, নিশ্চিন্তপুর, চানপুর, বাগজুর, দত্তগ্রাম, লালারচক, কর্মধার গহিন পাহাড়, মুরইছড়া এলাকা, পৃথিমপাশার শিকড়িয়া, আলীনগর এলাকা দিয়ে গরু নিয়ে আসছে। এসব এলাকা চোরাচালানের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত।
বিজিবি সদস্যরা মাঝেমধ্যে চোরাইপথে আসা ভারতীয় গরু আটক করলেও স্থানীয় প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধিরা বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে সুপারিশ করে গরুগুলো ছাড়িয়ে আনেন। অনেক সময় দেশি গরু বলে শনাক্ত করে জনপ্রতিনিধিরা বিজিবির কাছে সুপারিশ করে আটক গরু ছাড়িয়ে আনেন। এসব গরু স্থানীয় রবিরবাজার, ব্রাহ্মণবাজার ও কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে রসিদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।
শরীফপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নুল ইসলাম বলেন, ভারতীয় গরু দেশে ঢুকছে এটা ঠিক। তবে সীমান্তবর্তী গ্রামের অনেক কৃষকের গরু ভারতীয় গরু বলে সন্দেহমূলকভাবে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিজিবি। পরে এলাকার লোকজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সুপারিশ করতে বলেন।
শ্রীমঙ্গল ৪৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তের জিরো লাইনের পাশে বিজিবির একাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে টহল জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি বিজিবির পৃথক অভিযানে কুলাউড়ার দত্তগ্রাম ও লালারচক সীমান্ত এলাকা থেকে ১৯টি ভারতীয় গরু আটক করে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, ঈদ সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় পুলিশের নজরদারি অনেক বাড়ানো হয়েছে। চোরাকারবারিদের ধরতে পুলিশি টহল ও সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে চোরাকারবারিদের দৌরাত্ম্য বেড়েছে। প্রতিদিনই কুলাউড়ার দত্তগ্রাম, লালারচকসহ বিভিন্ন সীমান্ত পথ দিয়ে অবৈধভাবে দেশে ঢুকছে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গরু।
বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিজিবির তৎপরতায় বেশ কয়েকটি ভারতীয় গরুর চালান আটক হলেও প্রতিদিন চোরাই পথে অসংখ্য গরু বাংলাদেশে ঢুকছে। সম্প্রতি সীমান্তবর্তী বিভিন্ন এলাকা থেকে পৃথক অভিযানে ১৯টি গরু আটক করেন বিজিবির সদস্যরা।
জানা যায়, কুলাউড়া উপজেলার কর্মধা, পৃথিমপাশা, শরীফপুর ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী এলাকা দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মাদকসহ বিভিন্ন পণ্য চোরাচালান হয়ে আসছে। চোরাকারবারি চক্রের সিন্ডিকেটে জনপ্রতিনিধিসহ সীমান্তসংলগ্ন এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তিরা রয়েছেন।
স্থানীয় দত্তগ্রাম এলাকার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন বলেন, সীমান্তের বিভিন্ন পাহাড়ি টিলা ও নদীপথ দিয়ে রাতে কিংবা ভোরে গরুসহ বিভিন্ন পণ্য ও মাদক পাচার করছে চোরাচালানি সিন্ডিকেট। চোরাকারবারিরা কখনও সীমান্তের কাঁটাতারের বেড়া কেটে আবার কখনও কাঁটাতারের ওপর মই ব্যবহার করে চোরাইপণ্য পাচার করছে।
এ ছাড়া ঈদ উপলক্ষে সম্প্রতি ভারতীয় গরুর চোরাচালান বেড়েছে। চোরাকারবারিরা শরীফপুর ইউনিয়নের চারিয়ার ঘাট, হাসারকোনা, কালারায়ের চর, নিশ্চিন্তপুর, চানপুর, বাগজুর, দত্তগ্রাম, লালারচক, কর্মধার গহিন পাহাড়, মুরইছড়া এলাকা, পৃথিমপাশার শিকড়িয়া, আলীনগর এলাকা দিয়ে গরু নিয়ে আসছে। এসব এলাকা চোরাচালানের হটস্পট হিসেবে চিহ্নিত।
বিজিবি সদস্যরা মাঝেমধ্যে চোরাইপথে আসা ভারতীয় গরু আটক করলেও স্থানীয় প্রভাবশালী ও জনপ্রতিনিধিরা বিজিবি ক্যাম্পে গিয়ে সুপারিশ করে গরুগুলো ছাড়িয়ে আনেন। অনেক সময় দেশি গরু বলে শনাক্ত করে জনপ্রতিনিধিরা বিজিবির কাছে সুপারিশ করে আটক গরু ছাড়িয়ে আনেন। এসব গরু স্থানীয় রবিরবাজার, ব্রাহ্মণবাজার ও কমলগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজারে রসিদের মাধ্যমে বিক্রি করা হয়।
শরীফপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য জয়নুল ইসলাম বলেন, ভারতীয় গরু দেশে ঢুকছে এটা ঠিক। তবে সীমান্তবর্তী গ্রামের অনেক কৃষকের গরু ভারতীয় গরু বলে সন্দেহমূলকভাবে আটক করে ক্যাম্পে নিয়ে যায় বিজিবি। পরে এলাকার লোকজন জনপ্রতিনিধি হিসেবে সুপারিশ করতে বলেন।
শ্রীমঙ্গল ৪৬ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সরকার আসিফ মাহমুদ বলেন, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধে সীমান্তের জিরো লাইনের পাশে বিজিবির একাধিক চেকপোস্ট বসিয়ে টহল জোরদার করা হয়েছে। সম্প্রতি বিজিবির পৃথক অভিযানে কুলাউড়ার দত্তগ্রাম ও লালারচক সীমান্ত এলাকা থেকে ১৯টি ভারতীয় গরু আটক করে নিলামে বিক্রি করা হয়েছে।
কুলাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মনিরুজ্জামান মোল্যা বলেন, ঈদ সামনে রেখে সীমান্ত এলাকায় পুলিশের নজরদারি অনেক বাড়ানো হয়েছে। চোরাকারবারিদের ধরতে পুলিশি টহল ও সড়কে চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:১৯
জামালপুরের বকশীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ধানখেত থেকে ড্রামে থাকা ১৫০ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলাখিয়া ইউনিয়নের গুমের চর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে অকটেনের ড্রামটি উদ্ধার করেন।
জানা গেছে, অবৈধভাবে তেল মজুত করার খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা গুমের চর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ধানখেত থেকে একটি ড্রাম উদ্ধার করেন। এ সময় ড্রামের ভেতরে থাকা ১৫০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়। পরিত্যক্ত অবস্থায় অকটেন উদ্ধার করা গেলেও কাউকে আটক করা যায়নি।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে অভিযান চালিয়ে ধানখেত থেকে ড্রামে থাকা ১৫০ লিটার অকটেন উদ্ধার করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা বকশীগঞ্জ উপজেলার নিলাখিয়া ইউনিয়নের গুমের চর গ্রামের একটি ধানখেত থেকে অকটেনের ড্রামটি উদ্ধার করেন।
জানা গেছে, অবৈধভাবে তেল মজুত করার খবর পেয়ে সহকারী কমিশনার (ভূমি) আসমা উল হুসনা গুমের চর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে ধানখেত থেকে একটি ড্রাম উদ্ধার করেন। এ সময় ড্রামের ভেতরে থাকা ১৫০ লিটার অকটেন জব্দ করা হয়। পরিত্যক্ত অবস্থায় অকটেন উদ্ধার করা গেলেও কাউকে আটক করা যায়নি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৭:১৬
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। পরে তাকে শাস্তি না দিয়ে অজু করিয়ে নামাজ পড়ানো এবং ভবিষ্যতে আর চুরি করবে না এমন অঙ্গীকার নেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, রাতে মাদ্রাসার দানবাক্স ভাঙার সময় সন্দেহভাজন অবস্থায় আটক করা হয় একজনকে। পরে যাচাই-বাছাই করে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন উপস্থিত লোকজন।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া ফেলে। অনেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এমন মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসা করছেন আবার কেউ এটিকে সমাজে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা তাকে হাতেনাতে ধরি। পরে হুজুররা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে অজু করিয়ে নামাজ পড়ান এবং ভালো পথে ফেরার উপদেশ দেন। সে ভবিষ্যতে আর এমন কাজ করবে না বলে অঙ্গীকার করেন।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী রোকন সরকার বলেন, ঘটনাটি ভিন্নধর্মী ছিল। সাধারণত এমন ঘটনায় মানুষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে, কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ধৈর্য ও মানবিকতা দেখিয়েছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয়।
মাদ্রাসার মুহতামিম ইমাম হোসেন মোস্তাফী জানান, আমরা মনে করি, শাস্তির চেয়ে সংশোধনই বড় বিষয়। তাই তাকে শারীরিক শাস্তি না দিয়ে আল্লাহর পথে ফেরানোর চেষ্টা করেছি। সে নিজের ভুল স্বীকার এবং আর কখনো চুরি করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ জন্য আমরা তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছি।
চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার নিশ্চিন্তপুর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় দানবাক্স ভেঙে টাকা চুরির সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে এক যুবক। পরে তাকে শাস্তি না দিয়ে অজু করিয়ে নামাজ পড়ানো এবং ভবিষ্যতে আর চুরি করবে না এমন অঙ্গীকার নেওয়ার পর ছেড়ে দেওয়া হয়।
বুধবার (২২ এপ্রিল) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা জানান, রাতে মাদ্রাসার দানবাক্স ভাঙার সময় সন্দেহভাজন অবস্থায় আটক করা হয় একজনকে। পরে যাচাই-বাছাই করে চুরির বিষয়টি নিশ্চিত হন উপস্থিত লোকজন।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সাড়া ফেলে। অনেকে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের এমন মানবিক উদ্যোগকে প্রশংসা করছেন আবার কেউ এটিকে সমাজে ইতিবাচক বার্তা হিসেবে দেখছেন।
প্রত্যক্ষদর্শী মাহমুদ চৌধুরী বলেন, আমরা তাকে হাতেনাতে ধরি। পরে হুজুররা মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে তাকে অজু করিয়ে নামাজ পড়ান এবং ভালো পথে ফেরার উপদেশ দেন। সে ভবিষ্যতে আর এমন কাজ করবে না বলে অঙ্গীকার করেন।
আরেক প্রত্যক্ষদর্শী রোকন সরকার বলেন, ঘটনাটি ভিন্নধর্মী ছিল। সাধারণত এমন ঘটনায় মানুষ উত্তেজিত হয়ে পড়ে, কিন্তু মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ধৈর্য ও মানবিকতা দেখিয়েছে। এটি সত্যিই প্রশংসনীয়।
মাদ্রাসার মুহতামিম ইমাম হোসেন মোস্তাফী জানান, আমরা মনে করি, শাস্তির চেয়ে সংশোধনই বড় বিষয়। তাই তাকে শারীরিক শাস্তি না দিয়ে আল্লাহর পথে ফেরানোর চেষ্টা করেছি। সে নিজের ভুল স্বীকার এবং আর কখনো চুরি করবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এ জন্য আমরা তাকে সতর্ক করে ছেড়ে দিয়েছি।

২৩ এপ্রিল, ২০২৬ ১৫:৩৬
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুকুরপাড় থেকে পরিত্যক্ত মর্টারশেল সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কামালপুর উত্তর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, বিকেল চারটার দিকে কামালপুর উত্তর গ্রামের বাসিন্দা কুলছুমা বেগম (৫০) প্রতিবেশী সাদা মিয়ার পুকুরপাড়ে ছাগল চরাতে যান। এ সময় তিনি লোহার মতো ভারী একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে সেটিকে সাধারণ লোহার টুকরো মনে করে কুড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে যান।
পরে বাড়িতে নিয়ে গেলে তার ছেলে রিয়াজুল ইসলাম বস্তুটি দেখে এটি মর্টারশেল হতে পারে বলে সন্দেহ করেন। বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় তিনি দ্রুত সেটি বাড়ির বাইরে একটি খোলা স্থানে রেখে স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। এরপর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পুরোনো মর্টারশেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি সক্রিয় কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য ঘাটাইল সেনানিবাস থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, কামালপুর সীমান্ত এলাকা মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্র ছিল। স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া বস্তুটি সে সময়কার অবিস্ফোরিত কোনো মর্টারশেল হতে পারে।
জামালপুরের বকশীগঞ্জে পুকুরপাড় থেকে পরিত্যক্ত মর্টারশেল সদৃশ একটি বস্তু উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার কামালপুর উত্তর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
স্থানীয় বাসিন্দা ও বকশীগঞ্জ থানা পুলিশ জানায়, বিকেল চারটার দিকে কামালপুর উত্তর গ্রামের বাসিন্দা কুলছুমা বেগম (৫০) প্রতিবেশী সাদা মিয়ার পুকুরপাড়ে ছাগল চরাতে যান। এ সময় তিনি লোহার মতো ভারী একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখে সেটিকে সাধারণ লোহার টুকরো মনে করে কুড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে যান।
পরে বাড়িতে নিয়ে গেলে তার ছেলে রিয়াজুল ইসলাম বস্তুটি দেখে এটি মর্টারশেল হতে পারে বলে সন্দেহ করেন। বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় তিনি দ্রুত সেটি বাড়ির বাইরে একটি খোলা স্থানে রেখে স্থানীয়দের বিষয়টি জানান। এরপর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়।
বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মকবুল হোসেন বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি একটি পুরোনো মর্টারশেল বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে এটি সক্রিয় কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিষয়টি যাচাইয়ের জন্য ঘাটাইল সেনানিবাস থেকে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ বিশেষজ্ঞ দলকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এসে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে।
উল্লেখ্য, কামালপুর সীমান্ত এলাকা মুক্তিযুদ্ধের সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ রণক্ষেত্র ছিল। স্থানীয়দের ধারণা, উদ্ধার হওয়া বস্তুটি সে সময়কার অবিস্ফোরিত কোনো মর্টারশেল হতে পারে।
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.
Google AdSense
This is a demo ad. Your live ads will be displayed here once AdSense is properly configured.